নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টুকরো কথা

তানজীব তন্ময়

নিজ আনন্দে লিখি । কারো সাথে মতের মিলবে কিনা ভাবি না । কেউ পড়লো কিনা সেটা নিয়েও মাথা ঘামাই না ।

তানজীব তন্ময় › বিস্তারিত পোস্টঃ

ছায়ামূর্তি

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৮:২৭

রাত সাড়ে ৩টা বাজে । রুমমেটরা সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে । আমি কম্পিউটার নিয়ে একা একা বসে কিছু সচিত্র ভৌতিক গল্প পড়ছি । রুমের সমস্ত লাইট নেভানো । চতুর্দিকে ঘুটঘুটে অন্ধকারে গা ছমছম করা ভৌতিক আবহ বিরাজ করছে । আমার সামনের মনিটরের ক্ষীণ আলো ভৌতিক পরিবেশটাকে আরো কয়েক ডিগ্রী বেশি ভয়াবহ করে তুলেছে । মাত্রাতিরিক্ত ভয়ঙ্কর গল্পের ঠেলায় ভয়ে হাত পা সব কচ্ছপের মত চাদরের ভেতর ঢুকিয়ে ফেললাম । একটা গল্প পড়ছিলাম যার কাহিনী অনেকটা এরকম - সেকালে এক আমেরিকান ভদ্রলোক নিজের শখের অ্যানালগ ক্যামেরায় তাঁর একটা ছবি তুলিয়েছিলেন । অ্যানালগ পদ্ধতিতে ছবি প্রিন্টের যাবতীয় ধকল শেষে ছবিটা যখন তাঁর হাতে এল । তিনি দেখলেন যে ছবিতে তাঁর ঠিক পেছনেই একটা অদ্ভুত ছায়ামূর্তি ! যার আকৃতিটা মানুষের মত হলেও নাক মুখ চোখ কিছুই স্পস্ট না ! অদ্ভুত ভূতের মত একটা ছায়ামূর্তি ! মনিটরের ক্ষীণ আলো আমার গায়ে প্রতিফলিত হয়ে আশপাশের কয়েক হাতের মধ্যে ক্ষীণ আলোর একটা বলয় তৈরি করেছিল । সেই আলোতে হঠাৎ দেখলাম আমার ঠিক ২/৩ হাত দূরে একটা ছায়ামূর্তি !! দেখলাম যে ছায়ামূর্তিটা আমার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে ! সে একটা পাঞ্জাবী পরে আছে । কাঁধে একটা কবি ব্যাগ ঝোলানো । মাথায় একটা হ্যাট । একটু পর খেয়াল হল যে তার পা বলে কিছু নেই ! ছায়ামূর্তিটা শূণ্যের উপর ভেসে আছে !! এরপর দেখলাম যে তার হাতের কব্জী নেই । এমনকি মাথাও নেই ! এরকম মুন্ডুবিহীন ভূত দেখে হতভম্ব হয়ে গেলাম । প্রাণপনে চিৎকার দিয়েও আশ্চর্য্য হয়ে খেয়াল করলাম যে আমার গলা দিয়ে কোন শব্দ বের হচ্ছে না ! মাথা ঝিমঝিম করতে লাগলো । মনে হচ্ছিল মুন্ডুবিহীন ভূতের কামড় (!) খাওয়ার আগেই মাথা ঘুরে পড়ে যাবো । ঠিক তখনই... রুমের কোন বড় ভাই প্রাকৃতিক কর্ম সম্পাদনের উদ্দেশ্যে বাইরে যাবার জন্য ঘুম থেকে উঠে লাইট জ্বালালেন । লাইটের আলোতে আমি যা দেখলাম , তার জন্য কোনভাবেই প্রস্তুত ছিলাম না । দেখি... আমার পাশের খাটটাতে রুমমেট মাসুদ ভাই শুয়ে আছেন এবং খাটের পাশেই একটা হ্যাঙ্গারে তাঁর হ্যাট , পাঞ্জাবী আর কবি ব্যাগটা ঝোলানো !!!

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:৫১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: B-) =p~ =p~ =p~

হার্টফেল করেন নাই এটাই বড় ব্যাপার। একবার আমি একজনের মশারীর ভেতরে একটা গ্যাস বেলুনে গ্লোয়িং পেন দিয়ে মুখ একে ঢুকিয়ে দিয়েছিলাম। B-) B-)

বেচারা ভোর রাতে মুর্ছা যাবার দশা করছে।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:১৬

তানজীব তন্ময় বলেছেন: :D :#)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.