| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |

রান ওয়ে ছবিটা দেখলাম। আর্ট ফিল্ম হলেও বেশ চলমান। প্রশংসা পাওয়ার মতই। হ্যা, রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব আছে বটে, সে টুকু আলাদা করে রাখাই যাই।
মুভি রিভিউ লিখতে বসিনি। বরং সেই ছবির মুল উপজীব্যকে বাস্তবে দেখে খানিকটা অস্বস্তি অনুভব করছি।
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান এবং মুল উৎসকে কেন্দ্র করেই ছবিটা এগিয়েছে।
আবহমানকাল থেকেই বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু। অন্তত ২০ বছর আগেও যা দেখা যেতো না এখন তাই দেখা যাচ্ছে। 
আমাদের মা বোনরা দেশি পোষাকেই শালিনতা বজায় রাখতে সক্ষম ছিলেন। কিন্ত হঠাৎ করেই দেখা গেলো, হিজাবের আধিক্য (যারা স্বেচ্ছায় পড়ছেন, তাদের প্রতি পুর্ণ সম্মান রেখেই বলছি)। 
এর বিপরীতে আবার অদ্ভুতুড়ে কান্ড ! আধুনিকতার নামে যে সব পোষাক দেখছি, সেটা আধুনিক কতটুকু জানি না, তবে আবার ঐতিহ্যের সাথে যে একেবারে যায় না, সেটা নিশ্চিত বলতে পারি।
নিত্য নতুন ফতোয়াও শুনছি। মিলাদ পড়া ঠিক না, খোদা না বলে আল্লাহ হাফেয বলতে হবে, টাখনুর নীচে কাপড় পড়া সহিহ না ইত্যাদি।
কিন্ত হঠাৎ করে এমন কি ঘটলো যে এমন বিশাল পরিবর্তন?
১৯৭৯ সালে আফগানিস্তানে সোভিয়েত ইউনিয়নের সামরিক দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর জন্য আফগানিস্তানের কিছু মানুষ যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। 
তখন ছিল স্নায়ু যুদ্ধের সময়। অবশ্যম্ভাবি বলেই পশ্চিমা শক্তিগুলি কম্যনিস্ট বিরোধী বলে, সেই মানুষগুলিকে সব রকম সহযোগিতা দিয়েছিল। 
তালেবানদের ইমেজের কারণে নতুন প্রজন্মের অনেকেই আফগানদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক ধারণা পোষন করেন। সত্যটা হলো যে, হাজার দোষের মধ্যেও আফগানিরা প্রচন্ড রকম সাহসি বীর, এবং দেশপ্রেমিক। ইতিহাসে এমন নজির নেই যে কোন বহিঃশক্তি আফগানিস্তানকে পদানত করতে পেরেছে।
স্বার্থ ছাড়া যারা কিছু বোঝে না, তাদের পক্ষ্যে নিঃস্বার্থ সাহায্য আশা করা বৃথা। এজন্য তারা আপন বংশবদ একটি গোষ্ঠি তৈরি করেছিল। যাদের নাম তালেবান। হ্যা ঠিকই শুনছেন। পশ্চিমাদের অঢেল সম্পদ আর সামরিক সাহায্য দিয়ে এই তালেবানদেরই পরবর্তিতে ক্ষমতায় বসতে সাহায্য করেছিল পশ্চিমারা। 
তালেবানরা কোন ধরণের ইসলাম পালন করে, জানি না। তবে নারী শিক্ষা যে ইসলাম পরিপন্থি সেটা কোরান হাদিস দিয়ে প্রমান করা সম্ভব না। এটা গেলো শুধু একটা। কলেবর বাড়াতে চাচ্ছি না বলে, বাকিগুলি উহ্য থাক।
যেহেতু সেই সময় পাকিস্থানে টাকা উড়ছিল ( পশ্চিমাদের একান্ত বাধ্যগত ও অনুরাগি পাকিস্থানের বিভিন্ন স্থান থেকেই তালেবানরা শক্তিশালি হয়ে উঠেছিল)
তো সেই টাকার লোভেই আমাদের দেশেরও কিছু মানুষ সেখানে ছুটে গিয়েছিল।
সত্যি কথা বলতে কি, আমাদের সব সরকারের মধ্যেই মুল শিক্ষাক্ষেত্রে ইসলাম শিক্ষা ব্যাপারটি যথাযথ গুরুত্ব পায়নি।
মুলধারায় ১০০ মার্কের একটি মুখস্থধর্মি বিষয়ই হয়ে রয়েছে ইসলাম। তাই মাদ্রাসা পাশরা (আলিয়া নয় কওমি) পড়ে আছেন অবহেলা অবজ্ঞায়। যারা হয়তো কোরান পড়ার ক্ষেত্রে বিশারদ, কিন্ত কোরানের বাণীকে ছড়িয়ে দিতে ,সামাজিক অবস্থানের দিক দিয়ে সক্ষম নন।
যেহেতু অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণের একটা সুযোগ ছিল, সেটাকেই কাজে লাগাতে অনেকেই সেদিন পাকিস্তানে পাড়ি জমিয়েছিলেন জিহাদ করার জন্য।
সেখান থেকেই মুলত অনেক ধারণা বাংলাদেশে বয়ে এনেছিলেন তারা।
তালেবানদের সাথে পশ্চিমাদের মধুচন্দ্রিমা ভালোই চলছিল। কিন্তু স্বার্থে আঘাতের কারণে সেই তালেবানরাই আজ পশ্চিমাদের চক্ষুশুল। তবে আমার ধারণা এটা একটা আই ওয়াশ মাত্র।
তালেবানদের দোহাই দিয়ে চলছে ইসলামোফোবিয়া। আফগানিস্তানের পর ইরাক। ইরাকের পর লিবিয়া। এখন সিরিয়ার পালা। মিসরে পালা বদল হলেও বর্তমান সরকার স্বস্তিতে নেই। তুরস্কের সরকার প্রভুর ইচ্ছায় কর্ম করে টিকে রয়েছে। এ রকম অনেক উদাহারণ দেয়া যায়।
মোদ্দা কথা, মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে মোড়লদের প্লান মাফিক সবকিছু ঠিক ঠাক মতই চলছে।
যাক সে কথা। তারা পাকিস্থান থেকে যে শুধু অঢেল পয়সা কড়ি এনেছেন, এমন না। সাথে সামরিক ট্রেনিং এমং তালেবানিজমের আমদানি হয়েছে।
এর সাথে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতাও ছিল (বিগত জোট সরকারের আমলে) ফলে ইসলামের নামে আফগানিস্তানের পার্বত্য সংস্কৃতি চালু করার মিশন নিয়ে বেশ কিছু বিভ্রান্তরা কাজ শুরু করেছিলেন।
দেরিতে হলেও বোধদয় হওয়াতে এদের শীর্ষস্থানিয় সবাইকে ফাসিতে ঝুলতে হয়েছে। নইলে আত্মঘাতি বোমা হামলা কোন মুসলমান সমর্থন করতে পারে না। তাও আবার নিজ দেশে আপন মুসলমান ভাইদের উপরেই।
তালেবানদের সাথে পশ্চিমাদের স্বার্থের দন্দ পুজি নিয়েই। কাস্পিয়ান সাগরের তেল এবং আফগানিস্তানে মাদক ব্যাবসার ভাগ বাটোয়ারা নিয়েই লংকা কান্ড ঘটে গিয়েছে।
কর্পোরেট পুজিবাদ কোন ধর্ম মানে না। যে গোষ্টি এর হোতা, ইনারা অবশ্য একটি ধর্ম মেনে চলেন। যেমন এই গোষ্ঠির সদস্যরা পরস্পরের কাছ থেকে সুদ গ্রহন করেন না। একে অপরের প্রতি পুর্ণ আস্থাশীল এবং বিশ্বাসভাজন। কেউ কেউকে ঠকানো তো দূরে থাক, বিপদে সবকিছু নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েন।
তবে তাদের এই আদর্শ অন্য কোন জাতি বা গোষ্ঠির জন্য প্রযোজ্য নয়। ছলে বলে কৌশলে এদের পুজির উত্তর উত্তর বিকাশই এদের একমাত্র উদ্দেশ্য। এজন্য যে কোন উপায় যে যত মানবতা বা নৈতিকতা বিবর্জিতই হোক না কেন, তারা সেটা অবলম্বন করতে একটুও দ্বিধা করেন না। 
উপরের ছবিটি দেখুন। না না লজ্জা পাবেন না। আবেগকেও সুশিলতার আড়ালে ঢেকে রাখবেন না। নিজের কাছে সৎ হোন। কোন সমস্যা নেই।
এক মাত্র নপুংশক না হলে, ছবির এই মেয়েটিকে দৃস্টি দিয়ে চেটেপুটে খাওয়া খুবই স্বাভাবিক।
গত বিশ বছরে বাংলাদেশে যেমন হিজাবের আধিক্য , তেমনি এই ধরণের পোষাক পড়াদের সংখ্যাও কিন্ত একই সমানুপাতে রয়েছে।
বিলবোর্ডগুলি দেখুন। খুব বেশি পার্থক্য পাবেন না।
তালেবান শিক্ষায় শিক্ষিতদের দিয়ে হিজাব এবং অন্যান্য ফতোয়ার বিপরীতে আধুনিকতা আর প্রগতিশীলতার নামে পশ্চিমা পুজিবাদ আমাদের দেশে অশ্লিলতা পাচার করেছে। তাই প্রেম শুধু অবাধ যৌনচর্চার নামই না, বরং ভিডিও করে সবাইকে দেখানোও বটে !
গোড়া কিন্ত একটাই। অর্থাৎ খুব যত্ন করেই একই দেশে দুটি বিপরীত ধর্মী উগ্রবাদি গোষ্ঠি সৃস্টি করা হচ্ছে। যারা এক সময় মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসবে।
জাতি হিসাবে আমরা খুবই অসচেতন। আগুন লেগে বাড়ি ছাই হবার পুর্ব মুহুর্তেই আমাদের ঘুম ভাঙ্গে। রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক দিকটা নাই বা তুললাম।
পুরানো ঢাকায় বা আমাদের গার্মেন্টসে আগুণে পুড়ে অনেক গুলি জীবন ধবংস হয়ে গেলেও সেই রঙের গুদাম বা কর্মিদের নিরাপদ প্রস্থানের পথটুকু কিন্ত আগের অবস্থাতেই আছে।
আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রদ্ধাভাজনদের যে গোষ্ঠিটি তালেবানিজমের বিরুদ্ধে সোচ্চার, বাস্তব জীবনে ইনাদের জীবনধারা, সংখ্যা গরিষ্ঠদের ঐতিহ্যের সাথে মেলে না।
আবার খোলামেলাদের বিরুদ্ধে যারা সোচ্চার, তারা আবার প্রকারন্তে তালেবানিজমের সমর্থক।
এসব দেখে শুনে সাধারণ মানুষ এই গুরুত্বপুর্ণ পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কথা বলতে দ্বিধায় ভোগেন। কি জানি, পাছে আতেল কিংবা তালেবান খেতাব জুটে।
তবে সংখ্যাগরিষ্টের নাড়ি টিপলে বুঝা যায় যে, ইনারা তালেবানিজমকে যেমন সমর্থন করেন না, তেমনি উগ্র বিজাতিয় সংস্কৃতিকেও আপন করে নেবার বিপক্ষ্যে।
সমস্যা হচ্ছে এই সংখ্যাগরিষ্টদের মতামতকে তুলে ধরার জন্য যথাযথ প্লাটফর্মের অভাব।
ভাবছেন, শিরোনামের সাথে পোস্টের মিল নেই কেন। মিল আছে।
আগেই বলেছি, কর্পোরেট পুজিবাদ ধর্ম মানবতা কিছুই মানে না। মানে শুধু লাভ। 
কৃষি প্রধান বাংলাদেশে পোকা মাকড়ের বংশ নির্মুল করার অন্যতম হাতিয়ার ছিল এই ব্যাঙ। ব্যাঙের কারণেই কিটনাশক তৈরি করা বহুজাতিক কোম্পানিগুলি এদেশে ঢুকতে পারেনি। 
তাই এই গোষ্ঠি বাংলাদেশের দরিদ্রতার সুযোগ নিয়ে ব্যাঙের ঠ্যাং রফতানির মুলা ঝুলিয়েছিল। দরিদ্র মানুষ, ভাগ্য ফেরানোর তাগিদে যে যেমনভাবে পেরেছে, ব্যাঙ নিধন করেছে।
ব্যাঙের অনুপস্থিতিতে পোকা মাকর নিধনে তাই কৃষককুল বাধ্য হয়েই কিটনাশকের দারস্থ হতে বাধ্য হয়েছিল। আবার উচ্চ ফলনের দোহাই দিয়ে আনুসাঙ্গিক কেমিকেলও বিক্রি করেছিল এই বহুজাতিক কোম্পানিগুলি। 
উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবার কারনে কৃষক থেকে ভোক্তা সবাই কম বেশি ভুক্তভোগি। মাঝখান থেকে লাভের উপর লাভ করে যাচ্ছে পুজিবাদিরা।
আমাদের রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে প্রশাসন এবং মিডিয়া, সবাইকে কেনা সহজ বলে, এই সমিকরণের বিরুদ্ধে কেউ আওয়াজ তো তুলেইনি, বরং আরো উৎসাহ দিয়েছে।
পুজিবাদ আপন লাভের জন্যই প্রগতিশীলতা আর আধুনিকতার নামে অশ্লিলতা ছড়াচ্ছে, আবার ভবিষ্যত পরিকল্পনা সফল করার জন্য তালেবানিজমকে বাংলাদেশে থিতু করতে বিনিয়োগ করছে।
যখন এই দুই গোষ্ঠি পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়াবে, তখনই ইনারা বানরের মত পিঠাভাগে লিপ্ত হবেন।
সত্যি কথা বললে বলতে হয়, এই বৃহৎ খেলায় আমরা শুধু নির্বাক দর্শক হয়েই থাকবো। চেয়ে চেয়ে দেখবো, কিচ্ছু করতে পারবো না। 
যদি না আবারও জাতিগতভাবে আমরা ৭১ এর মত পরম দেশপ্রেম আর বীরত্বে রুখে না দাড়াই।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৪৯
ধীবর বলেছেন: ধন্যবাদ।
২|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৪৩
তারেক বলেছেন: ব্যাঙের ব্যাপারটা খারাপ লাগল
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৫১
ধীবর বলেছেন: এটা কঠিন একটি বাস্তব সত্য।
৩|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:০৪
এই আমি রবীন বলেছেন: ব্যক্তি স্বার্থে চার আনা লাভ হলে আমরা সরকারের ২ টাকা ক্ষতি হলেও আমরা সেই চার আনার জন্য আগে দৌড় দিই।
আমাদের মধ্যে খুব কম লোকের মধ্যেই দেশাত্ববোধ আছে, সে শিক্ষত বা মুর্খ যেই হোক!
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:২২
ধীবর বলেছেন: যে জাতি বুকেরর রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা এনেছে, সে জাতির এমন অধঃপতনে শহিদরা নিশ্চই লজ্জিত ! অনেক ধন্যবাদ রবীন ভাই।
৪|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:০৫
ভুং ভাং বলেছেন: ভালো লাগলো লেখাটা পরে । সাধারণ মানুষ এই গুরুত্বপুর্ণ পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কথা বলতে দ্বিধায় ভোগেন। কি জানি, পাছে আতেল কিংবা তালেবান খেতাব জুটে। মাঝে মাঝে মনে হয় পুজিবাদিরা আমাদের হাসি কান্নাও নিয়ন্ত্রন করে। +++++++++
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৪০
ধীবর বলেছেন: সচেতনতা আর প্রতিব্দের বিকল্প নেই। অনেক ধন্যবাদ ভুং ভাং ভাই।
৫|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:০৫
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: বিল ক্লিন্টনই তালেবানদের উত্থান ঘটিয়েছিল যেন ইরানের প্রভাব হতে আফগানিস্তানকে মূক্ত রাখা যায়। কিন্তু পরবর্তীতে বুশ জুনিয়র ১৮০ ডিগ্রী ইউটার্ন করে কিছু ইরানপন্থীদের সাহায্য নিয়ে তালেবানদের ক্ষমতাচ্যুততো করলোই ২০০৩ সালে সাদ্দামকে সরিয়ে শিয়াপন্থীদের ইরাকের ক্ষমতা দিল। আপনিতো জানেনই ইরাক ও ইরানের শিয়াদের মধ্যে কি ধরণের আত্নার বন্ধন। এটাই এখন ওয়াশিংটনকে উদ্বিগ্ন করে তুলছে। সিরিয়াতে আসাদ যে বড় সাহায্য পাচ্ছে তা এই ইরাকের মধ্য দিয়েই যাচ্ছে। অনেক অস্ত্রবাহী ইরানী বিমানকেও নির্বিঘ্নে যেতে দিচ্ছে বাগদাদ। এখন আবার শোনা যায় সুন্নী ও কূর্দীদেরকে দিয়ে শিয়াদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিচ্ছে পেন্টাগন ![]()
আর সহ একজন সহ ব্লগার হতে জানলাম হাসিনা পুত্র জয়ের সাথে নাকি ক্রিষ্টিনার তালাক হয়ে গেছে। জয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ সে নাকি নাইট ক্লাবে একাধিক বার আপত্তিকর অবস্থায় ক্রিষ্টিনার হাতে ধরা পড়েছে;
Click This Link
ভাইয়ের নিশ্চয়ই মনে আছে এই জয়ই প্রোপাগান্ডা করেছিল যে বাংলাদেশে ২০০১-০৬ মেয়াদে বোরকা বিক্রি ৫০০ গুণ বেড়েছিল।
অনেক ধন্যবাদ ধীবর ভাই।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৪৭
ধীবর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বা জি ভাই। আপনার কল্যাণে অনেক তথ্য আমরা জানতে পারি। তবে ঈদ উল ফিতরে আমাকে যে গণ ভবনে বুবু দাওয়াতে ডেকেছিল, সেই পোস্টে জয়ের ব্যাপারে তো আগেই বলেছিলাম। বিডি আর হত্যাকান্ডে জয়কে আসামী করা খুবই যৌক্তিক।
৬|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:০৫
মনসুর-উল-হাকিম বলেছেন: খুবই সুন্দর লিখেছেন।
বাংলাদেশের মানুষের সৎ-সুন্দর-শুভ-বুদ্ধির উদয় হোক, আল্লাহুম্মা আমীন।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৫৬
ধীবর বলেছেন: আমিন। ধন্যবাদ মনসুর ভাই।
৭|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:১৫
ভুং ভাং বলেছেন: কমেন্টটা ৩ বার হয়ে গেছে প্লিজ ১ টা বেখে বাকিগুলো মুছে দিবেন । ধন্যবাদ ।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:২৪
ধীবর বলেছেন: জ্বি ভাই দিয়েছি।
৮|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:১৯
মাজহারুল হুসাইন বলেছেন: একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতা, এই জনতাকে আজ বিভিন্ন চেতনার বড়ি দিয়ে ঘুমিয়ে রাখা হয়েছে । তারা এই ভয়াবহ অবস্থা অনুধাবন করতে পারছে না ।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৫৮
ধীবর বলেছেন: যে জাতি গেলার জন্য হা করেই থাকে, সেই জাতিকে সবই গেলানো যায়। অনেক ধন্যবাদ মাজহার ভাই।
৯|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৩০
ইমুব্লগ বলেছেন: চমতকার!!! প্লাস।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৫৯
ধীবর বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ইমুব্লগ ভাই। আপনার কমেন্ট দুইবার এসেছে। একটা মুছে দিলাম।
১০|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৩৯
সবুজ সাথী বলেছেন: আমাদের মা বোনরা দেশি পোষাকেই শালিনতা বজায় রাখতে সক্ষম ছিলেন। কিন্ত হঠাৎ করেই দেখা গেলো, হিজাবের আধিক্য (যারা স্বেচ্ছায় পড়ছেন, তাদের প্রতি পুর্ণ সম্মান রেখেই বলছি)।
এর বিপরীতে আবার অদ্ভুতুড়ে কান্ড ! আধুনিকতার নামে যে সব পোষাক দেখছি, সেটা আধুনিক কতটুকু জানি না, তবে আবার ঐতিহ্যের সাথে যে একেবারে যায় না, সেটা নিশ্চিত বলতে পারি।
নিত্য নতুন ফতোয়াও শুনছি। মিলাদ পড়া ঠিক না, খোদা না বলে আল্লাহ হাফেয বলতে হবে, টাখনুর নীচে কাপড় পড়া সহিহ না ইত্যাদি।
কিন্ত হঠাৎ করে এমন কি ঘটলো যে এমন বিশাল পরিবর্তন?
এগুলা নিয়া অনেক কথা বলা যায়। সংক্ষেপে শুধু একটা কথাই বলব। এখনকার দিনে কিছু মানুষের মধ্যে ইসলাম নিয়া সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে কিছু মানুষের মধ্যে অশ্লীলতার মাত্রাও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আমার মতে হিজাব/বোরখা এই দুই বিপরীতের ভারসাম্যের কারনে বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য মোল্লাদের বউ/মেয়ে যেমন হিজাব করে, আবার আমার বাল্যবন্ধু ছাত্রলীগের একসময়কার নেতা, বর্তমানে আম্লীগের এক্টিভ কর্মীর বউ তেমনি হিজাব করে। এইটা সময়ের প্রয়োজনে হয়েছে বলা যায়।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:০২
ধীবর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সবুজ সাথী ভাই। লেখার প্রধান উপজিব্য শুধু হিজাব নয়, বরং আমাদের আর্থ সামাজিক ব্যাবস্থায় পুজিবাদের নগ্ন হস্তক্ষেপকে পয়েন্ট আউট করা। এ কথা বিলক্ষণ ঠিক যে আগের তুলনায় আমাদের মধ্যে ইসলাম নিয়ে পড়াশুনা এবং আলোচনা বেশি হচ্ছে।
১১|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:০৯
জাকারিয়া মুবিন বলেছেন: রুখে দাড়াতে হবে, অনুধাবন করি। রুখে দাড়াতে চাই ও।
কিন্তু বাস্তবতার মুখোমুখি দাড়াতে গিয়ে রুখে দাড়ানোটা আর হয়ে ওঠেনা।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:১২
ধীবর বলেছেন: একলা একজনের পক্ষ্যে রুখে দাঁড়ানো সম্ভব তো না মুবিন ভাই। হয় সমমনা সবার সাথে একসাথে নইলে ছোট ছোট ক্ষেত্র বিশেষে প্রতিবাদ করলে সাফল্য আসবেই। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
১২|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:১৮
জাকারিয়া মুবিন বলেছেন: একটু ব্যখ্যা করে বলবেন কি?
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:২৯
ধীবর বলেছেন: ব্যাক্তিগত পর্যায়ে ধরুণ, আপনার পরিবারে উগ্রতা দেখলেই প্রবল প্রতিবাদ করবেন। আর সমমনাদের নিয়ে এক জোট হয়ে উগ্রতার বিরুদ্ধে সমাজে প্রতিবাদ করবেন দৃঢ়তার সাথেই। ব্লগে লিখবেন সচেতন্না বাড়ানোর জন্য আর অসংগতি তুলে ধরবার জন্য। অনেক ধন্যবাদ মুবিন ভাই।
১৩|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:২৭
বিশ্বাস করি 1971-এ বলেছেন: অসাধারণ একটি পোষ্ট!
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৩১
ধীবর বলেছেন: এই সময় ৭১ এর চেতনা (আওয়ামি চেতনা নয়) বড় প্রয়োজন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ৭১ ভাই।
১৪|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৩৫
মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: চমৎকার লেখা। লেখাটি স্টিকি করা হোক।
পুজীবাদীরা তাদের স্বার্থের জন্য যে কাউকে ব্যবহার করতে পারে। সেদিন দেখলাম ফেসবুকে একজন শেয়ার দিয়েছেন, এশিয়া এনার্জির গণসংযোগ এর দায়িত্ব পেয়েছে আমাদের আসাদুজ্জামান নূর, আলী জাকের এর এশিয়াটিক মার্কেটিং। ভাই, ইথিকস বলে কী কিছু নেই?
সুন্দর পোস্টার যেমন টাঙিয়ে রাখে মানুষ দেয়ালে, তেমনি টাঙিয়ে রাখার মতো একটা লেখা। খুব খুব ভালো লাগলো।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৪৩
ধীবর বলেছেন: আপনার মন্তব্য আমাকে অনেক অনেক সম্মানিত করেছে। অনেক কৃতজ্ঞতা।
জেনে দুঃখ পাবেন যে, এই ব্লগে যারা জাতিয়তাবাদে বিশ্বাসি, তাদের লেখা স্টিকি তো অনেক দুরের কথা নির্বাচিত কলামেও নেয়া হয় না। জানি না কর্তৃপক্ষ্যের সাথে জাতিয়বাদিদের ঠিক কোন ব্যাপারে এত দ্বন্দ।
তবে নাম সর্বস্ব বাম দলের সমর্থক হলেই হলো, (পদবি ঘটক হলে তো কথাই নেই) যাই লিখুক নির্বাচিত পাতায় যাবে। আর একট মান সম্পন্ন হলেই স্টিকি। ব্যাপারটা আমাকে পীড়া দেয়।
যাদের নাম নিলেন তাদের উত্থান ( যাকের সারা নুর) এদেরকে আমি নিজে রাশিয়ান কালচার সেন্টারে কাধে ব্যাগ আর পায়ে চপ্পল পড়ে ঘুরতে দেখেছি। কিছু নেই থেকে তারা অন্তত সোজা পথে যে এত দূর আসেননি, সেটা নিশ্চিত করেই বলতে পারি।
একারণেই দেখবেন, আমি বাংলাদেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবিদের সম্মান করি না। ( ব্যাতিক্রম আছে)
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
১৫|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৪২
বদরুল খান বলেছেন: ভাই কেমন আছেন ?
অনেক কিছু জানলাম।
ধন্যবাদ আপনাকে এতো বাস্তবধর্মী সুন্দর একটি পোস্ট দেওয়ার জন্য।
ভাল থাকবেন।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৫৪
ধীবর বলেছেন: কুশল জিজ্ঞাসার জন্য অনেক ধন্যবাদ বদরুল ভাই। আমি ভালো আছি। আপনিও ভালো থাকুন এই শুভ কামনা রইলো। আপনার প্রত্যাশা পুরণে চেস্টার ত্রুটি থাকবে না ইনশাল্লাহ। অনেক ধন্যবাদ।
১৬|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:০৮
টুনা বলেছেন: সময়োপযোগী লেখার জন্য ধন্যবাদ।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:০৪
ধীবর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ টুনা ভাই।
১৭|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:১২
সবুজ ভীমরুল বলেছেন: ধীবর ভাই, ইসলাম নিয়ে এতটুকু বলতে পারি যে আজকাল ইসলাম নিয়ে অনেক পড়াশোনা হচ্ছে। মানুষ জানতে পারছে, আগের মত অন্ধভাবে পাকিস্তানি জ্ঞানের হুজুরদের কাছে যাচ্ছে না।
আর একটা জিনিষ দেখবেন আমাদের দেশের পূজিবাদ বিরোধী তথাকথিত বামপন্থি ও সুশীলরা কিন্তু টক শো তে এর বিরুদ্ধে বেশ ওজনদার কথা বলে, মানব বন্ধন করে। কিন্তু আসল কাজের কিছুই করে না। পার্বত্য চট্টগ্রাম সহ দেশ বিরোধী চক্রান্ত হলেও তারা কিন্তু আসল জায়গায় বোবা হয়ে যায়। আসলে,আমাদের দেশের তথাকথিত বামপন্থিরাই কিন্তু পূজিঁবাদিদের এক নম্বরের বন্ধু।
এক দিকে মিডিয়ার মাধ্যমে সুশীলিয় কথায় তারা দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে, অন্যদিকে পুজিবাদিরা দেশে শিকড় গেঁড়ে বসছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ষড়যন্ত্র করা সুলতানা কামাল গংদের দ্বারা মানুষের বিভ্রান্ত হওয়ার কারন হচ্ছে মিডিয়ার মাধ্যমে তাদের সুশীলিয় চেহারা দেখানো।
আসলে আমাদের নিজেদেরকেই সতর্ক ও সোচ্চার হতে হবে।
ধন্যবাদ আপনাকে
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:১১
ধীবর বলেছেন: খুব ভাল বলেছেন ভীমরুল ভাই। ইসলাম নিয়ে পড়াশুনার কারণে ইসলামের নামে চলা অনেক ভ্রান্ত প্রথার অবসান হয়েছে।
আমাদের দেশে চরিত্রবান বামপন্থি মাত্র হাতে গোণা কয়েকজন বাকি রয়েছেন মাত্র। বাকিরা সব মা থেকে এমন ডানেই গিয়েছে যে আসল ডানদের চেয়েও এরা কড়া ডান।
আরর পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়্যে যা বলেছেন খুবই সত্যি কথা। মুখী মুক্তিযুদ্ধের বুলি, আধুনিকতা প্রগতিশীলতার কথা বললেও, সন্তু লারমার সাথে দহরম মহরম করে তারা বুঝয়ে দিচ্ছে আসলে তারা কোন পন্থি। এর পরেও এদের অন্ধ কিছু ভক্ত আছ। উপযুক্ত কান্ডজ্ঞানে অভাবে এদেরকেই দেবতা জ্ঞানেপুজা করে যাচ্ছে।
অনেক ধন্যবাদ ভীমরুল ভাই।
১৮|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:২৩
মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন: ধীবর ভাই, বাংলাদেশে যেটা হচ্ছে সেটা হলো স্লো পয়জনিং। কিছু কিছু উচ্চমর্গীর শুয়োরের বাচ্চা আছ যারা মানবাধিকারের নামে পশ্চিমা স্টাইলে ফ্রি-সেক্স কে উৎসাহিত করতেছে। কিন্তু কথা হচ্ছে পশ্চিমা দেশে ফ্রি-সেক্সের পরে ভালবাসার ফসলটিকে কেউ ডাস্টবিনের ফেলে যায় না কুকুরের খাদ্য হিসাবে বংলাদেশের মত। এই সকল দেশে জন্ম দেয় বাবা-মা কিন্তু লালন-পালন করে রাষ্ট্র।
কথা হচ্চে যে বাংলাদেশী সুশিলরা ফ্রি-সেক্স প্রমোট করতেছে তারা কি নিশ্চয়তা দিতে পারে যে ভালবাসার ফসলটির শেষ স্হান মায়ের কোলের বিপরীতে ডাস্টবিনে হবে না???
বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি কি আগামী ৫০ বছরেও এই রকম সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে যে জন্মের পর হতে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত তাদের দ্বায়িত্ব রাষ্ট্রের। যেমন কানাডায় একটা শিশু জন্ম নেবার পরের মাস হতে ৫০০ ডলার বংলাদেশী টাকায় প্রায় ৪০ হাজার টাকা করে পায় । সেই সাথে কলেজ পর্যন্ত সকল লেখা-পড়া ফ্রী।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:১৮
ধীবর বলেছেন: চমৎকার বলেছেন পলাশ ভাই। ১০০ ভাগ সহমত। ফ্রিই সেক্সের ব্যাপারটাই তো অসভ্যতা। যে অসভ্যতাকে হাজার বছর আগেই ত্যাগ করা হয়েছে, সেটাকেই আবার ফিরিয়ে আনা, এদের কাছে আধুনিকতা।
আমাদের দেশের সুশিলদের তারাই দেবতা জ্ঞান করে, যাদের হয় চরিত্র খারাপ, বদমাইশি করার সুযোগ তৈরি করতে যারা পরম আগ্রহি, নইলে যাদের নিজেদের জ্ঞান গম্মি এতই কম যে্ হাতের কাছে শুদ্ধ ভাষায় চাপাবাজি শুনে বিমুগ্ধ।
আমার মত হচ্ছে, আমাদের দেশের সাংবাদিকতা ও মিডিয়া বিভাগে, সুশিল ইজমের সমর্থকদে বের করে দেয়া উচিত। এরা দেশ ভাষা সংস্কৃতি বিদ্বেষি এক পাল বরাহ ছাড়া আর কিছু নয়।
অনেক ধন্যবাদ পলাশ ভাই।
১৯|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:২৬
শায়মা বলেছেন: তাইতো বলি আমি ভাবলাম শেষমেশ ধীবরভাইয়াও সিনেমা রিভিউ লেখা শুরু করলো নাকি?
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:২৭
ধীবর বলেছেন: আরে কি সৌভাগ্য আমার। গরিবের ঘরে চান্দের আলো। পথ ভুল করে?/
তোমার কি ধারণা আমি রাজনীতির বাইরে অন্য কিছু লিখি না? আমি গল্প লিখেছি, সিনেমার ইতিহাস লিখেছি, রম্য লিখেছি, খাবার দাবার নিয়েও লিখেছি। যদি রিভিউ লিখি, সেটাও পারবো আশা করি।
পাঠকদের জানাতে চাই যে, পোশাকের ব্যাপারে শায়মা যথার্থই একজন ঐতিহ্যধারণকারি (ওর ছবি দেখেছি, বাকিদেরটা জানি না) যেখানে আধুনিকতার সাথে শালিনতা চমৎকার ভাবে মিলে মিশে আছে।
(শায়মা তেল দিচ্ছি না, কারণ তেল না দিলেও আমার খাবার বিল তোমাকেই দিতে হবে
)
অনেক ধন্যবাদ তোমাকে। নিরন্তন শুভ কামনা জেনো। ![]()
২০|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৪৩
টুনা বলেছেন: বাংলাদেশের তথা কথিত বামরা আমেরিকা ভ্রমনকে তীর্থযাত্রা থেকেও বেশী পূন্যের কাজ বলে মনে করে।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:২৯
ধীবর বলেছেন: এক একটা চরিত্রহীন লম্পট এরা।
২১|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৪৭
অপু তানভীর বলেছেন: আপনার লেখাটা মনদিয়ে পড়লাম । খানিকটা অবাক হলাম যে আমি এর কিছুই জানি না । তবে আপনার লেখাটা পড়ে অনেক কিছু জানলাম । ধন্যবাদ ! কিন্তু ব্যাঙ এর ব্যাপারটা কি আসলেই সত্যি ?
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩১
ধীবর বলেছেন: ব্লগটা হচ্ছেই জ্ঞান দেয়া নেয়ার মাধ্যম। আর ব্যাঙ এর ব্যাপারটা শতভাগ সত্য। অনেক ধন্যবাদ অপু ভাই ।
২২|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৫৩
সবুজ ভীমরুল বলেছেন: ব্যাং এর পা এর ব্যাপারটা জানতাম না। এইডার লাভের গুড় কেডা কেডা খাইসে?
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩৭
ধীবর বলেছেন: ভীমরুল ভাই, কে খায় নাই। সরকার রাজনীতিবিদ সাংবাদিক আর্মি সবাই ভাগ পেয়েছে।
২৩|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:০৩
রেজোওয়ানা বলেছেন: ভাল লিখেছেন, বিশেষকরে কৃষি নিয়ে লেখা অংশটা বেশি ভাল লেগছে! উচ্চফলনশীল নয় বলে বলে আমদের দেশীয় অন্তত ১০০ বেশী প্রজাতির ধান আজকে বিলুপ্ত।
তারপর দেখেন, খুব সুকৌশলে ভিনদেশি একাশিয়া আর মেহগনি গাছের একদম গন বিস্তার করা হয়েছে, যে গাছ গুলো কিনা ভুগর্ভস্ত পানির লেয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করে!
যাই হোক, পোস্ট ভাল লাগলো।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩৯
ধীবর বলেছেন: আরে বোন রেজওয়ানা, অনেক দিন পর। আশা করি ভালো আছেন। আপনার কাছ থেকে পাঠকরা কয়েকটি নতুন তথ্য পেলেন। অনেক ধন্যবাদ। অনেক ভালো থাকুন।
২৪|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:১১
ড্যানিশ কনডেন্সড মিল্ক বলেছেন: হায়রে সামু!!!
এই পোস্টটি কি নির্বাচিত পাতায় স্থান পাওয়ারও যোগ্যতা রাখে না
ধীবর ভাই আপনার পোস্ট নিয়ে বলার মতো যোগ্যতা আমার নেই । আপনার পোস্ট মানেই আমার কাছে অনেক কিছু শিখা।
ভাল থাকবেন সবসময় ।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ২:৩৮
ধীবর বলেছেন: লজ্জা দিচ্ছেন কেন ড্যানিশ ভাই? আমি আপনাদের কাতারের একজন সামান্য মানুষ। আমার সামান্য লেখা আপনাদের জানার পরিধি বাড়াতে সাহায্য করছে শুনে, আমি কৃতজ্ঞ। আপনাদের শুভ কামনাই আমার প্রেরণা।
স্টিকি এর ব্যাপারে সজীব ভাইয়ের প্রতি মন্তব্য বলেছি । আমার একটি পোষ্ট প্রায় ৫ হাজার বার পঠিত, ২০০ এর উপর মন্তব্য পেলেও সেটি স্টিকি হবার মর্যাদা পায়নি। এ রকম বেশ অনেক উদাহারণ আছে।
নির্বাচিত হবার বা স্টিকি হবার লোভে কোনদিন লিখিনি। দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই যা লেখার লিখি। দু;খ একটাই। পাঠকদের চাওয়া পাওয়াকে সামু সম্মান না দিয়ে সম্মান দেয় ব্লগীয় চোরঞ্জিত আর সমমনা সিন্ডিকেটদের।
অনেক কৃতজ্ঞতা আর ধন্যবাদ জানবেন ভাই।
২৫|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:১৫
টুনা বলেছেন: @ অপু তানভীর- ব্যাঙ এর ব্যপারটা ১০০% সঠিক।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ২:৩৮
ধীবর বলেছেন: ধন্যবাদ টুনা ভাই।
২৬|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:২৫
চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট+
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ২:৪১
ধীবর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ চেয়ারম্যান ভাই। শ্রেষ্ঠ মন্তব্যদাতার পুরস্কার পাবার জন্য এক গুচ্ছ অভিনন্দন। 
২৭|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:২৭
হেনরি রাইডার হেগার্ড বলেছেন: ভাই চরম সত্যি কথা গুলো বলার জন্য ধন্যবাদ।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ২:৪২
ধীবর বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ হেনরি ভাই।
২৮|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩৫
তারেক বলেছেন: ব্যাঙের ব্যাপারটা র্নিয়া আর একটু লিখছি। রাসায়নিক সারের ব্যবহারের ফলে শুধু যে আমরা অর্থনৈতিক ভাবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি তা নয় বরং সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি শারিরকভাবে। এই রাসায়নিক সার যুক্ত ফসল , সবজি খাওয়ার ফলে আমাদের মধ্যে ক্যান্সারের প্রভাবে বেড়ে গেছে যা কিনা বিভিন্ন হাসপাতাল , ডায়াগনষ্টি সেন্টার গুলোতে একটু খেয়াল করলেই বুঝা যাবে।
শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ -প্রত্যঙ্গ বিশেষ করে দাতের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়েছে।আগে ঢাকা শহরে কয়টা ডেন্টাল সেন্টার ছিল আর এখন কয়টা আছে। আগে তো ডেন্টাল ডাক্তার খুজতে হতো আর এখন পাড়া-মহল্লার মোড়ে মোড়ে ডেন্টাল ডাক্তার। ।আগে কলেজ পাশ করার পর ছাত্র-ছাত্রীরা সহজে ডেন্টাল কলেজে পড়তে যেত না। আর এখন সেখানে চান্স পাওয়াই কষ্টকর। এ সব থেকে প্রতীয়মান হয় যে এদেশে মধ্যে দাতের সমস্যা কি পরিমানে বেড়েছে। আর এটার অন্যতম কারন রাসায়নিক সারের ব্যবহার।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ২:৫০
ধীবর বলেছেন: আপনার অসাধারণ মন্তব্য পোস্টটিকে আরো অনেক সমৃদ্ধ করেছে। খেয়াল করে দেখেন এখান থেকেও কি সুকৌশলে বহুজাতিক ঔষধ কোম্পানিগুলি কি পরিমান মুনাফা লুটছে। মুনাফাই আসল। প্রকৃতি মানবতা পরিবেশ ইত্যাদি ধবংস করে হলেও তাদের মুনাফা চাই ই চাই।
অসংখ্য ধন্যবাদ তারেক ভাই।
২৯|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩৬
একজন ঘূণপোকা বলেছেন: অসাধারন একটি পোস্ট,অনেক ভাল লাগল............
বেচে বর্তে থাকুন ভাই
++++++++++++++++++
সত্যি কথা বলতে কি, আমাদের সব সরকারের মধ্যেই মুল শিক্ষাক্ষেত্রে ইসলাম শিক্ষা ব্যাপারটি যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। 
সোকেসে নিলাম
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ২:৫৫
ধীবর বলেছেন: আপনার শুভ কামনা আমি সম্মানের সাথে গ্রহন করলাম ঘূনেপোকা ভাই। আর আপনার প্রোপিকে হাজারটা ++++ অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
৩০|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৪২
এন এফ এস বলেছেন: ভাই আপনার ভাগ্য কোন নারীবাদি আপনার বিরোধিতা করে নাই।করলে বলত যে মেয়েরা কাপর পড়ুক আর না ই পড়ুক তাদের মর্জি । তাদের পূর্ন স্বাধীনতা দিতা হবে!
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ২:৫৯
ধীবর বলেছেন: নারীবাদি বলে যারা দাবি করেন, তারাও অন্তরে ঠিকই যা বুঝা বুঝেন। তারা তর্ক করতে যান তাদের সাথেই যাদের সাথে তারা টেক্কা দিতে পারবেন বলে মনে করেন। ধন্যবাদ এন এফ এস ভাই।
৩১|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৪৮
এস বাসার বলেছেন: শুধু বিদেশী প্রভু বা পুঁজিপতিরাই নয়, দেশীয় মোড়লরাও কম যায়না।
একটা বাস্তব উদাহরন দিই:
আমার জন্ম শহর কিশোরগন্জ, নিতান্তই একটা ছোটখাট মফস্বল শহরের মতোই। তবুও অন্যরকম একটা ভালোবাসা-ভালোলাগা সেটার জন্য রয়েছে। শহরের পূর্বপ্রান্ত থেকে পশ্চিমপ্রান্ত পর্যন্ত নরসুন্দা নদী বয়ে চলেছে, স্যরি বয়ে চলছিলো! শহরের কিছু মোড়ল টাইপের ব্যবসায়ী যারা আবার আলীগ/বিএনপি নামধারী নেতাও, সুতরাং তারা ধীরে ধীরে নদীটাকে গ্রাস করতে শুরু করলো, কেউ কেউ ৫ তলা মার্কেটও উঠিয়ে ফেললো, লাস্ট টেন ইয়ার্সে শহরে নদীর অস্তিত্ব প্রায় বিলীন। তবুও কালের সাক্ষী হিসেবে কিছু কিছু জায়গায় নদীর কিয়দশ চোখে পড়তো...... বেশ , এভাবেই পুঁজিপতিরা নদীটা খেয়ে ফেললো।
কিন্তু না, সেটাই যথেস্ট ছিলোনা। গত ঈদে শহরে ঢুকার মুখে বিশাল একটা সাইন বোর্ডে চোখ পড়াতে বেশ চমকে উঠলাম ! সেখানে বড় বড় করে হেডিং দেয়া লেক সিটি কিশোরগন্জ প্রকল্প, বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় , সম্ভবত ১০০ কোটি বা তারচেয়েও বড় অংকের একটা প্রকল্প! নদী কিভাবে যেন লেক হয়ে গেলো!!! সেখানে ছবিতে ২/৪ টা ব্রীজের ছবি যা আকারে কালভার্টের চেয়েও ছোট হবে এবং নদী উদ্ধার এবং পাড় বাঁধানো টাইপের কিছু ডায়লগ।
ভাবলাম , প্রথমে নদী দখল করা হলো, মার্কেট বানানো হলো, অতপর অবশিষ্ট নদীটাকে লেকে কনভার্ট করা হলো, এবং লেকের পাড় বাঁধায়ের নামে শতকোটি টাকার লোপাটের ব্যবস্থা করা হলো। সবচেয়ে বড় কথা সাধারন লোকজনকে লেকসিটি নামক চটকদার নামটা পর্যন্ত গিলানো হলো।
তো, ধীবর ভ্রাতা, কি বলবেন এসব কাজকে? কিভাবে ডিফাইন করবেন আমাদের দেশীয় পুঁজিপতিদের?
আসলে খেলাটা খুব সহজ, সরল। মুনাফা চাই , মুনাফা। তা তালেবান কায়েম করেই হোক কিংবা কাপড় খুলে অতি প্রগতিশীলই হোক।
পোস্টের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৩:০৩
ধীবর বলেছেন: নতুন করে কি বলবো বাসার ভাই। আমরা নিজেরা সচেতন নই বলেই তো বিদেশি দেশি সবাই আমাদের কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। আপনার বাস্তবধর্মি মন্তব্য দেশের করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে। প্রশ্ন, আর কত দিন আমরা ঘুমিয়ে থাকবো?
অনেক কৃতজ্ঞতা আর অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
৩২|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৪৮
ধীবর বলেছেন: সামুর সার্ভার প্রচন্ড স্লো। রাতে এসে ইনশাল্লা বাকিদের প্রতি মন্তব্য দেবো।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৩:২৬
ধীবর বলেছেন: এখনও একই সমস্যা। সার্ভার স্লো। সামু কর্তৃপক্ষ কি জানেন ব্যাপারটা?
৩৩|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:২৬
সুখী চোর বলেছেন: সুন্দর লেখা, শুনতে গল্পের মত কিংবা ফিকশন এর মত এ্ই বাস্তবতাটা বেশ ভালো লাগল।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৩:২৭
ধীবর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সুখি চোর ভাই। লাইফ ইজ স্ট্রেঞ্জার দ্যান ফিকশন।
৩৪|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৫১
শূন্য পথিক বলেছেন: +++
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৩:৪৩
ধীবর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শূন্য পথিক ভাই
৩৫|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২১
ইয়াশফিশামসইকবাল বলেছেন: ধীবর ভাই, আমি সচরাচর লগইন না করেই বিভিন্ন লেখা পরি, কিন্তু কিছু কিছু লেখা দেখলে মন্তব্বের জন্য লগইন না করে পারিনা, সেরকমের একটা লেখা পরলাম, কি বলবো আমি? শুধু "অসাধারণ" বললে আপনাকে খাট করা হবে, আমার মতে ২০১২ সালের একটি অন্যতম লেখা এটি। এক অতি সাধারণ ব্লগারের বিনম্র অভিনন্দন গ্রহন করুন।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:১২
ধীবর বলেছেন: আমাকে অনেক সম্মানিত করার জন্য আমার অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন। আপনার আস্থা অর্জন করতে পেরেছি বলে, পরিশ্রম সার্থক বলেই মনে করি। অনেক ধন্যবাদ ইকবাল ভাই।
৩৬|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪৪
ক্ষুধিত পাষাণ বলেছেন: ধীবর ভাই, ব্লগে যেকয়জন সুলেখক ব্লগারদের পোস্ট পড়ে মন্তব্য করার জন্যই সামুতে নিজের নিক রেজিঃ করেছিলাম-তাদের মধ্যে আপনি অন্যতম। আমার আরো ৪/৫ জন্য প্রিয় ব্লগার এখন আর সামু মাড়ায়না। আমিও কম আসি। আপনি এখনও সামুতে লিখছেন বলেই সামু ছাড়তে পারছিনা।
নিরন্তর শুভ কামনা।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:২২
ধীবর বলেছেন: আমার প্রতিটা পোস্টেই আপনার সম্মানিত উপস্থিতি আমাকে বার বার প্রেরনা দান করে। এজন্য শুধু কৃতজ্ঞতা বা ধন্যবাদ প্রকাশই যথেস্ট নয় বলেই মনে করি। আপনি আমার সশ্রদ্ধ অভিনন্দন গ্রহন করুন ক্ষুধিত পাষাণ ভাই।
৩৭|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২০
আদৃতা হাসান বলেছেন: এই লিখাটা নিয়ে অনেক ভেবে অনেক কিছু বলার ছিলো।
কিন্ত আসলে কি জানেন, ৭১ তো অনেক দুরের কথা ৯০ এর মত কোন আন্দোলনও আর এদেশে হবেনা।
আর শালীনতাবোধ যে কিভাবে মানুষের কমে যাচ্ছে সেটা ভাবলেও আতংকিত লাগে।
কর্পোরেটের কথা নাই বা বলি, ৩০ মিনিটের একুশ নিয়ে যা হয়েছিলো।
ব্যাং এর কথাটা ভেবে খারাপ লাগলো খুব।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৩৭
ধীবর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আদৃতা। মাত্র ৪১ বছরেই একটি জাতি এমন করে নিবীর্য হয়ে গিয়েছে, এমন নজির মনে হয় বিশ্বে নেই।
ব্যাঙ এর ব্যাপারটি সত্য এবং কঠিন একটা বাস্তবতা।
৩৮|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:২৫
নােয়ফ চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ অজানাকে জানানোর জন্য , ভালো থাকুন সবসময় ।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৩৭
ধীবর বলেছেন: সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ নায়েফ ভাই।
৩৯|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৭
আধখানা চাঁদ বলেছেন: চমৎকার লেখা।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৩৮
ধীবর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ চাঁদ ভাই।
৪০|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৪৩
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: খুব যত্ন করেই একই দেশে দুটি বিপরীত ধর্মী উগ্রবাদি গোষ্ঠি সৃস্টি করা হচ্ছে। যারা এক সময় মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসবে।
যখন এই দুই গোষ্ঠি পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়াবে, তখনই ইনারা বানরের মত পিঠাভাগে লিপ্ত হবেন।
সত্যি কথা বললে বলতে হয়, এই বৃহৎ খেলায় আমরা শুধু নির্বাক দর্শক হয়েই থাকবো। চেয়ে চেয়ে দেখবো, কিচ্ছু করতে পারবো না।
অসাধারণ লাগল
আর ব্যাঙ নিয়ে যেটা বললেন সেটা শতভাগ সত্যি। তাছাড়াও দেখবেন মাঝে মধ্যে বিভিন্ন রকম রিউমার ছড়িয়ে পড়ে অমুক তমুক ছোটখাটো প্রাণীর দাম কোটি টাকা। কিছুদিন আগেও যেমন তক্ষক নিয়ে হয়েছিল। তাছাড়া, হাইব্রিড উচ্চ ফলনশীলের নামে বন্ধ্যা বীজ, দেশীয় উৎপাদন বর্জন করে অখাদ্য বিদেশী ফল ফসল গাছ বা আপনার উল্লেখিত রাসায়নিকের প্রচার প্রচারণার জন্য অতি উচ্চ স্তরের প্রমোটার তো এদেশে রয়েছেই। যাদের কল্যাণে এদেশের বনাঞ্চল থেকে শুরু করে আবাদী ফসল সবকিছু আজ প্রক্রিতিক ভারসাম্য হারানোর পথে। বেশী কথা বলতেও ভয় হয় কারণ রাসায়নিক সার বা কৃষি ভিত্তিক পণ্য আমার পারিবারিক রুজি রুটি। কোন বিখ্যাত সুশীল বা কৃষক দরদীর বিপক্ষে কথা গেলে আমার রুজি রুটিতে বা নিজস্ব চলনে আঘাত আসা অস্বাভাবিক না। তারা যেটা বলবে সেটাই সঠিক কারণ তাদের হাতে মাইক আছে, তারা মাইক দিয়ে তাদের কথার প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যেতে পারে হিমালয়ের চূড়ায় বসে। তাদের মাইকের এক ফুঁৎকারে আমার মত সাধারণ মানুষ মুহুর্তে উড়ে যাব খড়কুটোর মত। রুজি রুটির কারণে প্রান্তিক লেভেলের কৃষকের সুখ দুঃখ অতি অল্প হলেও কিছুটা বুঝতে পারি কিন্তু বাস্তবতা হয়তো আমাকেও নির্বাক দর্শক বা আপনার উল্লেখিত পুঁজিপতিদেরই সহযোগী করে দিচ্ছে!!
শুভ কামনা ধীবর ভাই
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৪২
ধীবর বলেছেন: কঠিন বাস্তব কথা বলেছেন কুনো ব্যঙ ভাই। আপনার মন্তব্য থেকে সংশয়বাদিরা নিশ্চিত হতে পারবেন।
এরা এতই শক্তিশালি যে, যে কোন দেশের প্রশাসন নড়িয়ে দেবার ক্ষমতা এদের আছে। নিজেরা এমনভাবে পর্দার আড়ালে থাকে, যে এদের স্বার্থের বলইয়ে প্রবেশ না করলে চেনা যায় না।
হাইব্রিড নিয়ে আমাদের একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবি কিছুদিন লেখালেখি করেছিলেন। ফলাফল? যে পত্রিকায় লিখতেন, সেই পত্রিকা আর তার লেখা ছাপায় না। আর বুদ্ধিজীবিটি এখন একটিই এন জি ও এর মালিক।
আপনার জন্যও শুভ কামনা। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
৪১|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৬:১৪
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: অফটপিকঃ ভাই অনলাইনে আসবেন নাকি!
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৪২
ধীবর বলেছেন: বা জি ভাই, আসতে পারি।
৪২|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:২০
কামরুল হাসান শািহ বলেছেন: ধীবর ভাই আপনার লেখার প্রতিটা কথার সাথে সহমত।
আর যারা ইসলামের নামে নারী শিক্ষা ও নারী নেতৃত্ব নিয়ে উল্টা পাল্টা কথা বলে তাদের শুধু বলবেন আয়শা (রাঃ)র জীবনী পড়ে আসতে।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৪৪
ধীবর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কামরুল ভাই। ঠিকই বলেছেন, এরা প্রায়ই ইসলামের নামে যে ধরণের কথা বলে, ইচ্ছা করে ধরে চড় লাগাই। খেয়াল করে দেখবেন এই প্রজাতি আর্ত মানবতার সেবায় বিন্দুমাত্র অবদান রাখে না। বিশেষ করে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে এরা যেন হাওয়ায় মিলিয়ে যায়।
৪৩|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:১৯
তানভীরসজিব বলেছেন: অস্বাধারন একটা লিখা....ধন্যবাদ ।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:২৭
ধীবর বলেছেন: একজন সুলেখকের প্রশংসা পেয়ে খুব ভালো লাগছে । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সজীব ভাই।
৪৪|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:২৭
পলক শাহরিয়ার বলেছেন: ভাল লিখেছেন।স্টিকি হবার দাবী রাখে।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:২৯
ধীবর বলেছেন: আপনার দাবীর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ পলক ভাই। কিন্তু সে হবার নয়। মানে কর্তার মনে সে রকম ইচ্ছা কোনদিন হয়নি, হবেও না।
৪৫|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৫৩
যীশূ বলেছেন: হুমমমমম
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৪৮
ধীবর বলেছেন: ৬ বছর ব্লগিং করে ভাইজান মনে হয় খুব ক্লান্ত? এই জন্য মাত্র দুটি শব্দ লিখলেন। তাও অনেক ধন্যবাদ।
৪৬|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৩২
জনৈক গণ্ডমূর্খ বলেছেন:
সুশীল নামধারী ভন্ডগুলারে আগে দেশ থেকে বের করেন। এই ভন্ডগুলাই যত ঝামেলার মূল। পোস্টে প্লাস+++++
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৪৪
ধীবর বলেছেন: এই সুশিলদের মুখোশ এখন সবার কাছে উন্মোচিত। তাই আপনার মন্তব্যের প্রতি পুর্ণ সমর্থন।
৪৭|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:২৩
মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমার এই ছোট্ট ব্লগিও জিবনে র সবচাইতে ,অসাধারণ লেখা ,
এই প্রথম আপনার লেখা পড়লাম , ইনশাল্লাহ বাকি গুল পরে ফেলব
আপনার জন্য অনেক শুভ কামনা ![]()
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:০৩
ধীবর বলেছেন: আমার ব্লগ বাড়িতে আপনাকে সুস্বাগতম । আশা করি আমার বাকি লেখাগুলিও আপনার ভালো লাগবে। আর ব্লগ ভুবনে স্বাগতম।
৪৮|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৩:০১
যাযাবর শফিক বলেছেন: Why pay to live on the planet we were born on?
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৩৩
ধীবর বলেছেন: In a hypothetical sense, I believe you are quite right as well.
৪৯|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:২৪
ফারজানা শিরিন বলেছেন: চোখে আঙুল দিয়ে বুঝায় দিলেন ভাইয়া !
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:০৮
ধীবর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে শিরিন। আসলে আমরা এতটাই অন্ধ হয়ে গিয়েছি যে সামান্য জিনিসগুলিও আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হয়।
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৪১
নতুন বলেছেন: মাঝখান থেকে লাভের উপর লাভ করে যাচ্ছে পুজিবাদিরা
++++