নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টুডেজবি

Freelancer

টুডেজবি › বিস্তারিত পোস্টঃ

এক তৃতীয়াংশ নারী নিজস্ব সঙ্গী দ্বারা নির্যাতিতা

২৫ শে জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩২

বিশ্ব ব্যাপী ৩০ শতাংশ ১৫ বছর এবং তদুর্ধ্ব নারীরা তাদের আপনজনের দ্বারাই শারিরীক এবং যৌন হয়রানীমুলক আক্রমনের শিকার ৷ বিশ্বে এলাকা ভিত্তিক নারী নির্যাতনের চিত্র :মধ্য অফ্রিকার সাহারা অঞ্চল পৃথিবীর মধ্যে সর্বোচ্চ তিন ভাগের দুই ভাগ নারীই এই নির্যাতনের শিকার ৷ উত্তর আমেরিকায় প্রতি পাঁচজন নারীর একজন নিজের স্বামী বা সঙ্গী দ্বারা নির্যাতিত ৷



আরো জানতে



লেখক- ৮১টি দেশের ১৪১ টি ঘটনাকে সংশ্লেষন করে দেখেছেন ৷ লন্ডনের বিশেষজ্ঞ লেখক ক্যারন ডেভিস এর মতে, বেশির ভাগ মহিলারা / নারীরা তাদের নির্যাতনের তথ্য প্রকাশ করে না, নয়তো এ সংখ্যা হতে চমকে যাবার মতো ৷ বিশেষ করে যখন কেউ আপনজনের নির্যাতনের শিকার তারা তা কাছের মানুষকে ও প্রকাশ করে না ৷ উপরোক্ত তথ্যগুলো এটাই প্রমান করে যে, নারী নির্যাতন এক ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা যা সারা বিশ্বে মহামারীর মত ছড়িয়ে গেছে ৷



বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল ড: মার্গারেট চেন উপরোক্ত মতামতটি দিয়েছেন ৷ উপরোক্ত সংস্থাটি লন্ডন স্কুল অব হাইজিন এন্ড দি সাইথ আফ্রিকান মেডিক্যাল রির্চাস কাইন্সিলে সাথে সংযুক্ত ৷ নারী স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ করে যারা সহিংসতার শিকার তাদের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য পদ্ধতি আরো উন্নতর হওয়া দরকার ৷



আরো জানতে



রিপোর্টটি অনুযায়ী প্রাথমিক প্রতিরোধ এক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরী ৷ আরো বলা যেতে পারে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি পূর্বের মতই রয়েছে ৷ আমেরিকায় তারকাদের জীবনে ও সহিংসতা দেখা যায় ৷ মুক্তিযোদ্ধা তারকা ফ্লয়েট মে ওয়েদার, পপষ্টার – চেরিস ব্রাউন, অভিনেতা মেল গিভসন প্রধান হিসেবে বলা যায় ৷



আমার মনে হয় রাজনৈতিক ইচ্ছা এ প্রতিরোধকে কাজে লাগাতে পারবে ৷ তিনি আরো বলেন, সহিংসতা থেকে যারা বেচেঁ উঠেছে তাদেরকে স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে, যেন তারা নিজস্ব সঙ্গী দ্বারা যৌন হয়রানীর আক্রমন থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে তুলতে পারে ৷ তিনি আরো বলেন, ১৯৯৪ সালের নারীর সহিংসতা বিধি, যেটা শুভ সুচনা করেছে নারীদেরকে এই সহিংসতার শিকার হতে নিজেদের বাঁচানোর জন্য ও স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে ৷ উপরোক্ত নীতি / আইন অনুযায়ী যেসব পুরুষ সহিংসতার শিকার হচ্ছে তাদেরকে সহায়তা দিচ্ছে এবং ধর্ষন নিরোধ আইন প্রবর্তন করেছে ৷ যা ধর্ষন মামলার জেরায় যারা ধর্ষনের শিকার, তাদের অতীত যৌন কার্যক্রম আলোচনাকে প্রতিহত করে ৷



আরো জানতে



কিন্তু, এ সংস্কৃতি এখনো পৃথিবীর সমস্ত জায়গায পৌঁছেনি ৷ আমেরিকার সম্প্রতি রির্পোটে দেখা যায় ১২৫টি দেশে অভ্যন্তরীন/গৃহ কোন্দলের বিচার হয়েছে, সেখানে ৭০টি দেশ এটিকে অনৈতিক ঘোষনা করেনি ৷



উদাহরনস্বরূপ : সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০১০ সালে এক বিচারে দেখা যায়, এক নাগারিককে ইসলামী আইনের আওতায় বলা হয়েছে – সে নাগরিকটি তার স্ত্রী ও সন্তানদের সুপথে আনার জন্য শরীরে ক্ষত সৃষ্টি করে না, এ ধরনের শাস্তি দিতে পারবে ৷



আরো জানতে



বস্তুত : অনীলের মতে, পারিবারিক সন্ত্রাস হিসাবের ৷ রির্পোটের তুলনায় অনেক বেশী এটি অপ্রকাশিত থাকছে কারন নারীরা এ বিষয়ে মুখ খুলতে অনিচ্ছুক ৷ তিনি আরো বলেন, “আমি নিজেও পারিবারিক সন্ত্রাসের স্বীকার, যে ব্যাপারে আমি ৩০ বছর জন সমক্ষে কিছু বলিনি ৷



ডেনভারে অবস্থিত ন্যাশনাশ কোয়ালিশন এগেইনষ্ট ডমোষ্টিক ডায়োলেন্স এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রিটা স্মিথ বলেন,” যেসব নারীরা নিজস্ব সঙ্গী দ্বারা শারীরিক ও যৌন হয়রানির শিকার হয়, তারা তাদের সঙ্গীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে যৌনকর্মে বাধ্য থাকে ৷ এ বিষয়টি ও প্রতিরোধ আইনের পাশাপাশি লক্ষ করা দরকার ৷

আরো জানতে



বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসের শিকার ৩০ শতাংশ , এতে স্মিথ চমকিত নন ৷ কারন এ সংখ্যাটি পৃথিবীর সমস্ত জায়গায় আঞ্চলিকভাবে অবস্থান করছে ৷ স্মিথের ভাষায়, দেখার বিষয় এটাই শারীরিক আক্রমনের পাশাপাশি – আবেগীয়, অর্থনৈতিক,মৌখিক, পিছু ধাওয়া করা ,অস্ত্র সন্ত্রাস বা অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখানো – এগুলো বেড়ে যাচ্ছে কিনা ! বা প্রতিরোধ করা যাচ্ছে কিনা !



এগুলো ভীতিকর ৷ এগুলো হচ্ছে অপর একটি মানুষকে আয়ত্বে রাখার কৌশল ৷ নতুন যে সব নারীরা সন্ত্রাসের শিকারে যোগ হয়েছে, তাদের বিষয়ে আরো মনোযোগী হতে হবে, কারন শারিরীক শাস্তি একটি বড় ধরনের সূচনা ৷



আরো জানতে

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.