নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হেথায় কিছু লিখব বলে চায় যে আমার মন, নাই বা লিখার থাকল প্রয়োজন - মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা - https://www.facebook.com/tohamh/

মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা)

আড়াই বছর বয়স থেকেই লিবিয়াতে পড়ে আছি - প্রথমে মিসুরাতা, এরপর সিরত, এরপর আইএসের দখল থেকে বেরিয়ে ত্রিপলীতে। জীবন তিন জায়গাতেই সমান বৈচিত্রহীন। যেখানে মনের কথাগুলো খুলে বলার মতো কোন মানুষ নেই। তাই মাঝে মাঝে ছুটে আসি ইন্টারনেটে। নিজের না বলা কথাগুলো বলার জন্য অথবা অন্যের বলা কথাগুলো শোনার জন্য।

মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) › বিস্তারিত পোস্টঃ

বেতরের নামায এক রাকাত???

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৫



বিভিন্ন মাযহাবের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু বেতরের নামাযের মতো এতবড় পার্থক্য সম্ভবত খুব কমই আছে। আমরা জানি, বেতরের নামায তিন রাকাত। দুই রাকাত পড়ার পর তাশাহহুদ এবং তৃতীয় রাকাতে দুইটি সূরার পর পুনরায় তাকবীরে তাহরীমা এবং এরপর দোয়া কুনুত। কিন্তু লিবিয়ানরা (সম্ভবত আরো কিছু আরবীয় দেশেও, যারা মালেকী বা হাম্বলি মাযহাবের অনুসারী) বেতরের নামায পড়ে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে।



তাদের হিসেবে বেতরের নামায দুইভাগে বিভক্ত। প্রথমে দুই রাকাত - একে বলা হয় "শেফা"। এবং এরপর সালাম ফিরিয়ে সম্পূর্ণ পৃথক এক রাকাত - একেই বলা হয় বেতর। এতে দুইবার তাকবীরে তাহরীমা বা দোয়া কুনুতের কোন ব্যাপার নেই - বরং এই এক রাকাতে সূরা ফাতেহা পড়ার পরে পরপর তিনটা সূরা পড়তে হয় (সাধারণতঃ সবাই সূরা এখলাস, ফালাক্ব এবং নাসই পড়ে)। বড়ই আশ্চর্যজনক। নয় কি?



শুধু যে সাধারণ লিবিয়ান রা ব্যক্তিগতভাবে এভাবে বেতরের নামায পড়ে, তা নয়। মসজিদে ইমাম সাহেবরাও এভাবেই পড়ান। সম্ভবতঃ তাদের মাযহাবে বেতরের নামাযের এরকম নিয়মই বর্ণিত আছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, সারা বছর ঘরে একা একা বেতরের নামায তিন রাকাত পড়লেও এই রোযার মাসটা আমি তারাবীর নামায মসজিদে গিয়ে পড়ছি এবং সেই সাথে বেতরের নামাযও ইমামের সাথে এক রাকাতই পড়ছি!

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৮

সোহানের রোজনামচা বলেছেন: শুনেছি আগেই। ভাল লাগল কেউ প্রত্যক্ষ করেছে।

২| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০১

মদন বলেছেন: শর্টকাট মারার ইচ্ছা থাকলে ১ রাকাত ভালো সিস্টেম

৩| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০১

মানবী বলেছেন: আমার জানা মতে বেতরের নামায এক রাকাত, তিন রাকাত(৫ রাকাতের ব্যাপারে নিশ্চিত নই) দু'ভাবেই পড়া যায়। বেজোড় সংখ্যায় পড়া এই নামায হযরত মুহম্মদ(সঃ) দুভাবেই পড়তেন বলে শুনেছি।

৪| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৬

মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন: ঠিক বলেছেন, মানবী। মাযহাবগুলোতে যে পার্থক্য রয়েছে, তার কারণ এটাই। যেমন যোহরের নামাযের প্রথম যে চার রাকাত সুন্নত আমরা পড়ি, সেটাও নাকি রাসূল (স) কখনো চার, কখনো দুই রাকাত পড়তেন। তাই কোন একটা মাযহাবে যেন চারের পরিবর্তে দুই রাকাতের কথা বলা হয়েছে।

৫| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৯

মানবী বলেছেন: যোহরের নামাযের প্রথম চার রাকাত নিয়ে অবশ্য কোন বিতর্ক বা স্বিমত আমার জানা নেই। তবে বেতরে আমি নিজেই অনেক বছর পর্যন্ত এক রাকাত পড়েছি :)

৬| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৪

মানবী বলেছেন: স্বিমত = দ্বিমত

৭| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৮

মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন: আপনি কোন দেশে থাকেন?

৮| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২০

প্রশ্ন কত বলেছেন: বেতের বা বিতর মানেই হচ্ছে বেজোড় ।

৯| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২০

মানবী বলেছেন: আমেরিকা তবে বাংলাদেশে বসেই এক রাকাত পড়েছি :) এখানে আসার অনেক আগে।

১০| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৭

মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন: প্রশ্ন কত, ঠিক বলেছেন।

১১| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩০

মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন: আমার অবশ্য ধারণা ছিল, বাংলাদেশের প্রায় সবাই-ই হানাফী মাযহাব অনুসরণ করে। এবং তা পুরোপুরিভাবেই অনুসরণ করে। ফলে তারা বেতরের নামাযও তিন রাকাতই পড়ে @ মানবী।

১২| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৫

মানবী বলেছেন: আমি ইসলামকে মাযহাবে ভাগাভাগি করার পক্ষে নই। একটি ধর্মকে কেটেকুটে শত টুকরো করার কোন মানে নেই! কুরআন আর হাদীস আছে, পড়াশুনা জানলে সবাই পড়ে সঠিক ভাবে ধর্ম পালন করবে। আমার ধারনা, বিভিন্ন মাযহাবে ভাগের কারনেই আজ এতো বিদাতের চর্চা। মাযহাবের অজুহাতে বিদাতকে স্বীকৃতি দেয় অনেক ক্ষেত্রে।

১৩| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৫

মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন: মানবী, আপনার সাথে আংশিকভাবে একমত। চার মাযহাবের বড় বড় ইসলামী চিন্তাবিদদেরই উচিত ছিল ঐকমত্যে পৌঁছা। আর চার মাযহাবই যেহেতু এসেছে চারজন প্রধান ইমামের ব্যাখ্যা থেকে, কাজেই কোনটাকে ভুল বলার অবকাশ নেই। সেক্ষেত্র কোন ব্যক্তি ইচ্ছে করলে চার মাযহাব থেকে নিজের বিবেক-বুদ্ধি অনুযায়ী বাছাই করে নিতে পারে।

কিন্তু আমার জানা নেই, কোন মাযহাবে এটা করার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে কিনা। কারণ এই স্বাধীনতা দেওয়া থাকলে বেশির ভাগ মানুষই সবগুলো মাযহাব থেকে শর্টকাট পদ্ধতিগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে।

১৪| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৯

মানবী বলেছেন: মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা), কুরানে কোথাও মাযহাবের উল্লখ আছে বলে জানা নেই। আল্লাহ এবং ওনার রাসুল (সঃ) এর প্রতি ঈমান এনে আমরা মুসলিম, কোন মাযহাবের অনুমতি নিয়ে আমাদের সঠিক পথ অবলম্বন করতে হবে, এমন আমি মানিনা। প্রত্যেক মুসলিম স্বাধীন, কোন ইমাম বা মাযহাবের কাছে কোন জবাবদিহিতা নেই, শুধুমাত্র আল্লাহ্'র কাছে ছাড়া।

১৫| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৩

কণা বলেছেন: বেতর ১ অথবা ৩ রাকাত পড়া দুটোই হাদীস দ্বারা সমর্থিত ।

মানবীর শেষ মন্তব্যের সাথে সহমত ।

১৬| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০৬

মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন: কুরআন হাদীসের বাইরেই অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় (অবশ্য তা অবশ্যই কুরআন হাদীসের পরিপন্থী হতে পারবে না)। উদাহরণ, তারাবীর নামায জামাতে পড়া। সেরকম মাযহাবের ব্যাপারটাও হয়তো পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

১৭| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০৯

মানবী বলেছেন: মাযহাবের ব্যাপারে প্রচুর বিতর্ক আছে। ইমাম আবু হানিফা অনেক কিছু করেননি যা হানাফী মাযহাবের অজুহাতে পালন করা হয়। খুব সম্ভবত মিলাদ ও তেমন একটি চর্চা, এমন আরো অনেক কিছুই আছে। কুরান হাদীসের বাইরে সিদ্ধান্ত নেয়া, আর নিজেদের মধ্যা দলাদলি, ভাগাভাগি করে বিভেদ সৃষ্টি তো এক নয় :)

১৮| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১২

মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন: কিন্তু মাযহাব যদি উঠিয়ে দেওয়া হয়, বা মাযহাবের প্রয়োজনীয়তা যদি অস্বীকার করা হয়, তাহলে শত রকম মত দেখা দিবে। এখন তো মাত্র চার রকম মতভেদ দেখা দিচ্ছে।

সবচেয়ে ভালো হতো যদি চার মাযহাবের একত্রীকরণকরে যথেষ্ট পরিমাণ স্বাধীনতা রাখা হতো।

১৯| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১৩

কণা বলেছেন: ৪ বিশিষ্ট ইমামের মধ্যে কোন ইমামই বলেন নি তাকে অন্ধভাবে অনুসরণ করা হোক । বরং তারা এভাবে ক্লীয়ার করে বলেছেন- আমার কথার বিপরীতে যদি কোন হাদীস পাও, তবে আমার কথাকে ছুঁড়ে মার ।

মাযহাবের ব্যাপারে কেউ সিদ্ধান্ত দেয় নি । যারা অনুসরণ করে তারা নিজ সিদ্ধান্তেই অনুসরণ করে ।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে ৪ ইমামকে শ্রদ্ধা করি কিন্তু তাদের কোন একজনের পক্ষ নিয়ে বাড়াবাড়ি করি না ।

২০| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১৬

মানবী বলেছেন: মাযহাব উঠিয়ে দেয়া না দেয়া বিষয় নয়, প্রত্যেকে যদি কুরান হাদীস পড়ে সঠিক পথ গ্রহন আর ভুল/বিদাত বর্জন করতে পারে তাহলে কোন সমস্যা নেই। মাযহাব থাক তার মতো, তবে সেই মাযহাবের অজুহাতে আমরা যেন কুরান হাদীসের বহির্ভূত কোন চর্চা না করি।

২১| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৫

মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন: অবশ্যই কোন একজনের পক্ষ নিয়ে বাড়াবাড়ি করা ঠিক না। আর কেউ যদি কুরআন হাদীস চর্চা করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারে তাহলে তো ভালই। কিন্তু তার সিদ্ধান্ত তো ভুলও হতে পারে।

২২| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৭

মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন: ভালো কথা, আমি হাদীসের সফটওয়্যার সার্চ করছি। একটা পেয়েছি - ইসলামাসফট থেকে। কেউ কি আরো লিংক দিতে পারেন?

২৩| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৪

কণা বলেছেন: আমার কাছে হাদীসের সংকলন আছে । কিন্তু এখনো পাবলিশ করা হয় নি । আরবী সংযোজন চলছে... কাজ শেষ হলে ফ্রী দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ ।

২৪| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৭

মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন: বাংলাকিতাব ছাড়া অন্য কোন ওয়েব সাইটে বাংলা ইসলামী বই পাওয়া যায় কি না, বলতে পারেন?

২৫| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৩

কণা বলেছেন: এটা দেখতে পারেন... http://www.islam.net.bd/

এই সাইটের কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি ।

২৬| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৬

মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন: ধন্যবাদ, কণা। তবে এটাও মনে হচ্ছে আগে দেখেছিলাম।

২৭| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩০

মানবী বলেছেন: "৪ বিশিষ্ট ইমামের মধ্যে কোন ইমামই বলেন নি তাকে অন্ধভাবে অনুসরণ করা হোক । বরং তারা এভাবে ক্লীয়ার করে বলেছেন- আমার কথার বিপরীতে যদি কোন হাদীস পাও, তবে আমার কথাকে ছুঁড়ে মার ।
মাযহাবের ব্যাপারে কেউ সিদ্ধান্ত দেয় নি । যারা অনুসরণ করে তারা নিজ সিদ্ধান্তেই অনুসরণ করে ।
আমি ব্যক্তিগত ভাবে ৪ ইমামকে শ্রদ্ধা করি কিন্তু তাদের কোন একজনের পক্ষ নিয়ে বাড়াবাড়ি করি না।"

কণা'র এই বক্তব্যের সাথে সহমত।


মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা), সফটওয়্যার আছে কিনা জানিনা, তবে এর যে কোন একটি সাইটে দেখতে পারেন, বুখারী হাদীসের কালেকশন আছে।

২৮| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৩১

আবূসামীহা বলেছেন: ভাই ফিকহুস-সুন্নাহ পড়লে বিতর (উইত্

২৯| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০১

মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন: ধন্যবাদ মানবী এবং আবূসামীহা।

৩০| ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ১:০০

এরশাদুল হক সরকার বলেছেন: লিবিয়ানরা না বলে কোন সাহাবীর নাম দেখান যিনি উপরিউক্ত নিয়মে বিতর পড়তেন। বিস্তারিত জানার জন্য http://www.alkawsar.com/article/188 (বিতর নামায আদায়ের পদ্ধতিঃ একটি প্রশ্নের উত্তর)

৩১| ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ১:০৬

স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: :|

৩২| ৩১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৮

শাহাদাত হুসাইন বলেছেন: প্রকৃতপক্ষে বিতর শব্দের অর্থ বেজোড় ।তাই বিতর শুধুমাত্র তিন রাকআত নয় ।বিতর এক রাকআত হতে নয় এমনকি ১১ রাকআত পর্যন্ত হতে পারে। এজন্য আলবানীর সিফাতু সালাতিন নাবী বা রাসুলুল্লাহর নামায বই সাহায্য করতে পারে।
এজন্য কয়েকটি ঠিকানা দিচ্ছি ভাই তোহা ও অন্যদের জন্য
http://www.islamhouse.com
http://www.islambasics.com
http://www.ourholyquran.com
http://www.qurantoday.com

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.