নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তো কি হইছে

তো কি হইছে › বিস্তারিত পোস্টঃ

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৪৫

আজ সন্ধায় এক আনঅফিশিয়াল লেকচারে গেছিলাম।জন ম্যাঙ্কিন্স নামের ক্যালটেকের একজন শিক্ষক এসেছেন মালয়েশিয়ায় ঘুরতে।বেশ ভালো বক্তা উনি।কানাডিয়ান এই ভদ্রলোক বলা শুরু করলেন তার প্রোজেক্ট সম্পর্কে - একটি অরবিটাল পাওয়ার প্ল্যান্ট তৈরি করা।যা দূর করবে এই পৃথিবীর সমস্ত লোডশেডিং।ভাবতে অবাক লাগে,শুধু মাত্র ইরাক যুদ্ধে যত টাকা খরচ হয়েছে তা যদি ক্যালটেকের পিছে বা নাসার পিছে ব্যয় হতো তাহলে আজ থেকে ২০ বছর পর পৃথিবীর মানুষ মঙ্গলে গ্রিন হাউজ তৈরি করতো।হিউম্যান স্পিসিস হিসাবে আমাদের লক্ষ্য আসলে ছড়িয়ে পড়া।আশেপাশের নতুন গ্রহ নক্ষত্রে।আমাদের পরবর্তী বাসস্থান নিরধারন করা আমাদের টার্গেট।আমাদের টার্গেট নতুন জ্ঞান অর্জন করা,যা আমাদের সারভাইভ করতে সাহায্য করবে।এই বিশ্ব মহাজগত কে বুঝার জন্য আগে আমাদের সহনশীল হতে হবে।একসাথে কাজ করা শিখতে হবে।শুধু একটি এলাকা,দেশ কিংবা একটি গ্রহের বাসিন্দা আমরা না।আমরা এই পুরো সোলার সিস্টেমকে রিপ্রেজেন্ট করি।কার কাল্পনিক ঈশ্বর বেশি ভালো এইটা নিয়ে লড়াই করা আমাদের শোভা পায় না।

আমাদেরকে শুভকামনা জানিয়ে উনি এক সময় বিদায় নিলেন।ট্রেনে বসে থেকে দেখছি কত মানুষ আমার চারপাশে।অথচ সবাই নিজ নিজ চিন্তায় মগ্ন।সবাই আত্তকেন্দ্রিক,অথচ এদের চিন্তাধারা একটু বিস্তৃত হলে এই পৃথিবীর চেহারা হয়তো পাল্টে যেত।

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:২৫

লুকার বলেছেন:
বেশ তো! কীসে চলবে সেই পাওয়ার স্টেশন?

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৪১

তো কি হইছে বলেছেন: সোলার অবশ্যই।

২| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:০১

জেনারেশন সুপারস্টার বলেছেন: মানবসভ্যতা বাঁচাতে চিন্তাধারার বিস্তৃতি চাই

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৩৩

তো কি হইছে বলেছেন: সহমত

৩| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:১১

লুকার বলেছেন:
ভাইজান, সোলার পাওয়ার দিয়া ঠেকা কাজ চালানো যায় অল্প-স্বল্প, তার বেশী না। উনি নিজেই কি বলছে এটা?

৪| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৫০

তো কি হইছে বলেছেন: প্রতি সেকেন্ডে ১৭৩ মিলিওন গিগা ওয়াট শক্তির এনার্জি পৃথিবীতে আঘাত করছে।কিন্তু তবুও এই বিশাল পরিমান শক্তি আহরন করা যাচ্ছে না প্রধানত ২ টি কারনে- আমাদের বায়ুমণ্ডল এবং রাত্রে সূর্যের আলো থাকে না।প্রায় ৫০ % শক্তি শোষিত হয় বায়ুমণ্ডলের কারনে।ধরুন একটি বিশাল বেলুনে করে আপনি বেশ কয়টি সোলার প্যানেল পাঠিয়ে দিলেন ৫০ কিমি উপরে এবং সেই বেলুন অত্যন্ত ফ্লেক্সিবল কিন্তু শক্ত তারের সাথে যুক্ত।তাহলে আপনি ভুমিতে যে পরিমান শক্তি পাওয়ার কথা তার ৭৫% বেশি শক্তি পাবেন।ম্যাঙ্কিন্স এর প্রোজেক্ট হচ্ছে কিছু স্যাটালাইট প্রেরন করা যারা সোলার এনার্জি ম্যাগ্নিফাই করে মাইক্রয়েভ ফর্মে ভূপৃষ্ঠে পাঠাবে,এবং ভূপৃষ্ঠের সোলার প্যানেল সেই শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করবে

৫| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:২৩

htusar বলেছেন: ভাল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.