| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
--সরকারী অতিত ওয়েব থেকে নেয়া......
(পর্ব ০১
ব্যবসা বাণিজ্য
শিল্প কারখানার দিক দিয়ে নোয়াখালী অতীতকাল থেকেই অবহেলিত এবং অনগ্রসর। জন সম্পদে এ জেলার ঐতিহ্য থাকলেও শিল্প সহাপনে সরকারী ও বেসরকারী তেমন কোন উদ্যোগ নেই বললেই চলে। এ জেলারই বহু অধিবাসী দেশের বিভিন্ন সহানে বড় বড় শিল্পকারখানা সহাপন করেছেন। অথচ এ জেলার জনগণ কাজের খোঁজে দেশ-বিদেশে হন্য হয়ে বেড়াচ্ছে। এত অনীহা এবং অবহেলা সত্তেবও কিছু শিল্প কারখানা সহাপিত হয়েছে। নিমেণ কিছু ভারীশিল্প প্রতিষ্ঠান এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময়ী কিছু মৎস চাষ প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি উপসহাপন করা হলোঃ
০১। ডেল্টা জুট মিলস লিঃ
বৃহত্তর নোয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী ডেল্টা জুট মিল্স লিঃ ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ সালে মিলটি জাতীয়করণ করা হয়। ৫ কোটি টাকার পুঁজি যা প্রতিটি ১০ টাকা দরে ৫০,০০,০০০ সাধারণ শেয়ারে অমতর্ভুত্তু করা হয়। ৬০ একর এলাকা নিয়ে মিলখানা চালু করা হয়। প্রায় ৫,০০০ শ্রমিক কর্মচারী এ কারখানায় কাজ করার সুযোগ পান। মালিক শ্রমিক সম্পর্কের জটিলতার কারণে দির্ঘদিন বন্ধ থাকার পর মিলটি বর্তমানে পুনরায় চালু হয়েছে। মিলটি বর্তমানে বেসরকারী মালিকানাধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
০২। হাবিব ভেজিটেবল প্রোডাক্টস লিঃ
মেসার্স অাল অামিন ব্রেড এন্ড বিস্কুটস্ ফ্যাক্টরীর উদ্যোত্তুা অালহাজ্ব হাবিবুর রহমানের বিশেষ প্রেরণায় তাঁর বড় ছেলে জনাব অানোয়ার মির্জার অক্লামত পরিশ্রম ও প্রচেষ্ঠায় এবং তাঁর অন্যান্য ভাই জনাব সারোয়ার মির্জা, জনাব অাত্তুার মির্জা, জনাব অাজিজ উল্যা ও জনাব অাফজল মির্জার সহযোগিতায় ১৯৮৭ সালে নোয়াখালী জেলার শহরের মাইজদী বাজারে মেসার্স হাবিব ভেজিটেবল প্রোডাক্টস লিঃ সহাপিত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যাংকের অর্থায়ন এবং নিজেদের অর্থসহ প্রায় ১২ কোটি টাকার মূলধন ব্যয়ে পশ্চিম জার্মানীর সর্বাধুনিক প্রযুত্তিুতে অামতর্জাতিক মান সম্পন্ন ভোজ্য তেল শোধানাগার এবং বনস্পতি প্রসতুতকারী এ বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৫ একর ভূ-সম্পত্তির উপর সহাপিত। বৎসরে প্রায় ৫৪ হাজার টন তৈল উৎপাদনে সক্ষম এ প্রকল্পে ১৯৮৮ সাল থেকে উৎপাদন শুরত হয়েছে। এ বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ৩০০ শ্রমিক কর্মচারী নিয়োজিত থেকে জেলার বেকার সমস্যা সমাধানসহ জাতীয় অর্থনীতি উন্নয়নে বিরাট অবদান রাখছে। চেয়ারম্যান অালহাজ্ব হাবিবুর রহমান এর মৃত্যর পর তাঁর উত্তরসূরী ভাইস চেয়ারম্যান জনাব সারোয়ার মির্জা, ব্যবসহাপনা পরিচালক জনাব অাফজল মির্জা সমন্বয়ে পরিচালনা পর্ষদের তত্তবাবধানে এ বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটি অার্থিক সমস্যা এবং লোকসানের সম্মুখীন হলে তাঁদের অগ্রজ জনাব আনোয়ার মির্জার নিকট প্রতিষ্ঠানটি বিত্রিু করে দেন। সে থেকে অদ্যাবধি উৎপাদন প্রত্রিুয়া অব্যাহত থাকলেও তা আজো কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছেনি।
Click This Link
©somewhere in net ltd.