নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যকে অনেক ভালবাসি

ূথ‚ত্য

ূথ‚ত্য › বিস্তারিত পোস্টঃ

নতুন ঠকবাজের আগমন

২৩ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ৯:৩৪

্সম্প্রতিক নতুন এক ধরনের ঠকবাজের আবির্ভাব লক্ষ করা যাচ্ছে।বিভিন্ন বাস স্টান্ডে কিছু প্রতারক দাড়িয়ে থাকে; যখন বাস স্টান্ডে থামে এবং যাত্রিরা নামে থকন এ প্রতারক শ্রেনী সহজ সরল যাত্রিদেরকে বোকা বানিয়ে বিভিন্ন নামে (যেমন স্টান্ডের বিল ইত্যাদি- যাকে যা বলে বোঝান যায়) বিভিন্ন পরিমান চাদা (২০ থেকে ১০০/২০০ টাকা পর্যন্ত- যার থেকে যতটুকু সম্ভব) আদায় করে থাকে।
গত দু বছর আগে আমার শালক আমার ওয়াইফকে নিয়ে গাবতলি বাস স্টান্ডে নামলে তারা দুশত টাকা স্টান্ড বিল নামে দাবি করে। আমার শ্যালক এত চালু না। তাই সে বিষয়টি না বুঝতে পারায় আমাকে ফোন করে। আমি তাকে কিছু না দিতে বলি। কিন্তু সে তাদের ধমক ভাব ভঙ্গিতে ভয়ে ৫০ টাকা দিয়ে চলে আসে।
এবার ঈদে বাড়ি থেকে ফিরলে গাবতলি বাস স্টান্ডে নামার সাথেই প্যাসেঞ্জারদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরিমানে চাদা আদায় করতে থাকে। আমি আমার ওয়াইফকে নিয়ে নামার পরে দেখতে পাই তারা চাদা দাবি করছে। আমার কাছেও তারা ১০০ টাকা চাদা দাবি করে। আমি কোন কথা না বলে নিয়ারাপদ দুরুত্বে চলে আসি। কিছুক্ষণ পর দেখি তারা আমাদের অনুসরন করে এসে পড়ে আবার একই দাবি করছে।আমি মুড নিয়ে ধমক দিলে তারা চলে যায়।
এদের সাথে বাস ড্রাইভার ও কন্ট্রাক্টার দের সাথে যোগসাযষ আছে। এর প্রমান পেলাম যে আমরা যে হানিফ বাসেএসেছি সেটা আমাদেরকে টেকনিকাল মোড়ে নামানোর কথা ছিল কিন্তু গাবতলি এসে তারা সবাইকে নামিয়ে দেয়। শুধু তাই নয় তারা সাধারনত বাস যেখানে যাত্রিদেরকে নামায় তার থেকে অনেক আগে নামিয়ে দেয়। রাত্রিবেলা হওয়াই এবং আমরা পিছনের সিটে থাকায় বূঝতে পারিনি তারা এত আগে নামাছে। নতুবা আমি ড্রাইভারকে সামনে নামাতে বাধ্য করতাম।
শুধু এই নয়- যখন যাত্রিদের থেকে তথাকথিত চাদাবাজরা চাদা চাচ্ছিল তখন এক যাত্রি কন্ট্রাক্টরকে জিজ্ঞাসা করল যা তারা কিসের ফি দাবি করছে তখন উক্ত কন্ট্রাকটর তাকে সত্য না বলে তাদের সাথে তাল মিলিয়ে বললো যে তারা স্টান্ড ফি চাচ্ছে।আমি একা থাকাই প্রতিবাদ করতে সাহস করিনি।
এদের সম্পর্কে মিডিয়া কর্মিদের এগিয়ে আসার আহবান করছি।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১০:০১

খেলাঘর বলেছেন:

বেকার সমস্যার সমাধানে নতুন পদ্ধতি: হাসিনা-খালেদা-পদ্ধতি

২| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১০:২৩

ূথ‚ত্য বলেছেন: ঠিক বলেছেন

৩| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১০:২৪

বাংলার নেতা বলেছেন: এমন অভিজ্ঞতার কথা বলি,

আমি ও আমার সহধর্মিনীকে নিয়ে একদিন ঢাকা চিড়িয়াখানা, মিরপুর-এ বেড়াতে গেলাম। চিড়িয়াখানার গেটে ঢুকতেই অনেক গুলো সারিবদ্ধ চটপটি/ফুসকার দোকান। সচারাচর কোথাও বেড়াতে গেলে কমবেশি সবাই চটপটি ও ফোসকার লোভ সামলাতে পারে না। যথারীতি আমরাও পারলাম না। চট করেই বসে পড়ালাম একটা চটপটির দোকানে। তারা বলল বসেন, আমরাও বসে পড়লাম, দুটো চটপটির ওয়াডার দিলাম, কোন দাম দস্তাবেজ করলাম না। জানিই, ঢাকা শহরের চটপটির দাম কেমন।

বিপত্তি ঘটল যখন দাম পরিশোধ করতে গেলাম। ওরা বলল দুটো চটপটির দাম ৮০+৮০=১৬০, এবং সার্ভিস চার্জ ৫০ সর্বমোট ২১০ টাকা। আমার চোখ তো ছনাবড়া। ওমা একি, এমন পরিস্থিতিতে তো কখোনো পরি নাই। আমার তো মেজাজ বেজায় গরম হয়ে গেল। দোকানিকে বল্লাম, এটা কেমন কথা ৪০ টাকার চটপটি ৮০ টাকা আবার সার্ভিস চার্জ।

উত্তরে দোকনী বলল,এখানে এইরেট,আমি তো বাগবিত্ন্ডা করতে লাগলাম, বললাম পুলিশে বিচার দিব, ওপাশ থেকে কে যেন বলল, বেশি বাড়াবাড়ি কইরেন না ঝামেলায় পড়বেন। এখানে সব দলীয় ক্যাডারদের দখলে, বেশি বাড়াবাড়ি করবেন তো শেষ, পুলিশও তাদের। পরে আর কি করার। বাধ্য হয়ে চলে এলাম। পুরোটা পরিশোধ করে।


এরপর আমার এক কাজিন ও একই রকম সমস্যায় পড়েছিল, আমাকে কল করে বলল যে এই আবস্থা । সেজন্য সবাই সাবধান থাইকেন, চাঁদাবাজির ধরন কিন্তু পাল্টিয়েছে। জনগনের অনির্বাচিত সরকার এর কাছথেকে এর চেয়ে আর বেশি কি আশা করার আছে?

আমাদের মত সাধারণ জনগণের কষ্ট ছাড়া আর কি! কবে যে নিস্তার হবে, এমন অহরহ ঘটনা বর্তমানে বাংলাদেশের আনাচেকানাচে ঘটছে, কিন্তু মুখ খুলবার কেউ নেই। তবে কি এভাবেই চলবে বাংলাদেশ???

৪| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১১:০২

ূথ‚ত্য বলেছেন: হ্যা ভাই। এখন থেকে সাবধানে থাকেন। আমিও সাবধানে থাকার চেষ্টা করি। বিশেষ কোথাও গেলে আমি দর দাম জিজ্ঞাস করে নেই।
একদিন বৈশাখি মেলায় গিয়ে আমি খেতে বসার আগে প্রেস্টিজের চিন্তা বাদ দিয়ে ( অনেকে গরিব ভাববে/প্রেস্টিজের বিষয় ইত্যাদি কারনে দাম জিজ্ঞাস করে না) দাম জিজ্ঞাস করলাম। তারা শুধু চট পটির দাম চেয়ে বস্ল ১২০ টাকা যা অন্য কোথাও ৪০/৫০ টাকা।
তারা জানে লোকেরা প্রেস্টিজের চিন্তাই লোকেরা দাম জিজ্ঞাস করবে না। এটাকে তারা অপব্যবহার করে মানুষকে ব্লাকমেইল করে।

৫| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ২:০৫

বাংলার নেতা বলেছেন: মানুষ যদি এভা্বে শোষন করতে থাকে, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায়, তবে তো মানুষের বসবাস করা দায় হয়ে যাবে!

৬| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১:০০

ূথ‚ত্য বলেছেন: এর বিরুদ্ধে আমাদেরকে লেখালেখির মাধ্যমে সোচ্চার হতে হবে

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.