নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নেবুলা মোর্শেদ

মেঘ মুক্ত রাতের আকাশ দেখতে ভালবাসি,আর ভালবাসি ছবি তুলতে।

নেবুলা মোর্শেদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সেক্সট্যান্ট সুক্ষ থেকে সুক্ষতর।

২১ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৭

সেক্সট্যান্ট (Sextant) এটি এমন একটি যন্ত্র যা অতি সুক্ষভাবে তৈরী এবং যা উন্নতি ও কোন মাপার কাজে ব্যাবহার করা হয়। জ্যোতির্বিদ্যায় মহাকাশের যে কোন খ-বস্তুর উন্নতি ও কোণ মাপার কাজে এই সেক্সট্যান্ট একটি অতি প্রয়োজনীয় যন্ত্র হিসাবে পরিগনিত হয়।

ঠিক তেমনি ভাবে জাহাজের নাবিকেরা সাগরের মাঝ দিয়ে যাবার সময় যাত্রা পথের সঠিক অবস্থান জানার জন্য প্রতিনিয়ত এই যন্ত্র ব্যাবহার করে থাকে।যদিও বর্তমানে উপগ্রহ ব্যাবস্থায় জিপিএস সিস্টেমের মাধ্যমে যে কোন সময় যাত্রা পথের অবস্থান (অক্ষাংশ- দ্রাঘিমাংশ) জেনে নেয়া যায়।কিন্ত তারপরেও এই যন্ত্রের কোন বিকল্প নেই এবং মনে হয় হবেও না।কারন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যে কোন সময় নস্ট হয়ে যেতে পারে,আবার ভূল তথ্যও দিতে পারে।কিন্ত সেক্সট্যান্ট যন্র দিয়ে যদি ঠিক ভাবে মাপা হয় তবে ভূল হবার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।কাজেই আধূনিক যন্রপাতি ব্যাবহার করে কোন তথ্য বের করার পরেও জ্যোতির্বিদরা অথবা নাবিকেরা সেক্সট্যান্ট ব্যাবহার করে সেই তথ্য যাচাই করতে কখনো ভূল করেন না।



কি ভাবে এই যন্র আবিস্কার করা হলোঃ বিখ্যাত বিগ্নানী স্যার আইজ্যাক নিউটন (1643–1727) কোন মাপার একটি সুত্র বের করেন।প্রতিফলিত দিগ নির্নয় যন্ত্র (Reflecting nevigation instrument) নাম অকট্যান্ট (Octant)।কিন্ত তিনি কখনো এটি প্রকাশ করেননি।পরবর্তীতে 1730 সালে জন হ্যাডলে (1682-1744) ও যুক্তরাজ্যের গনিতবিদ থমাস গডফ্রে (1704-1749) এই দুজন এই অকট্যান্ট যন্ত্রটিকে উন্নতি করেন।

1757 সালে জন বার্ড প্রথম সেক্সট্যান্ট যন্ত্র তৈরী করেন।এবং ডেভিস কোয়ার্ডান্ট নামের এক ব্যাক্তি সর্ব প্রথম এই অকট্যান্ট ও সেক্সট্যান্ট এই দুটিকে এক সাথে মিলিয়ে দিগ নির্নয়ের যন্ত্র আবিস্কার করেন।অকট্যান্ট থেকেই সেক্সট্যান্ট তৈরীর ধারনা আসে।

সেক্সট্যান্ট যন্ত্র দিয়ে যে কোন দুটি দৃশ্যমান বস্তুর মধ্যেকার কোন পরিমাপ করা যায়।যেমন-আকাশের যে কোন খ-বস্তু যেমন দিনের বেলায় সূর্য এবং রাতের বেলায় চাঁদ বা নক্ষত্রের সাহয্যে আনুভূমিক সমতল থেকে দুটি বস্তুর মধ্যেকার কোন মেপে নিজের অবস্হান বের বা পরিমাপ করা যায় এই পরিমাপকে sighting বলে।

একটি সেক্সট্যান্ট-এ যে সমস্ত যন্ত্রাংশ থাকে তা হলো-

1. ফ্রেম। 10. ইনডেক্স মিরর ক্লীপস।

2. হ্যান্ডেল। 11. ইনডেক্স মিরর শেডস।

3. ইনডেক্স আর্ম। 12. ইনডেক্স মিরর (প্রথম)এডজাস্টমেন্ট স্ক্রু।

4. ইনডেক্স মিরর। 13. হরাইজন মিরর (দ্বিতীয়) এডজাস্টমেন্ট স্ক্রু।

5. হরাইজন মিরর। 14. হরাইজন মিরর ক্লি্পস।

6. টেলিস্কোপ। 15. হরাইজন মিরর (তৃতীয়) এডজাস্টমেন্ট স্ক্রু।

7. টেলিস্কোপ ক্ল্যাম্প। 16. হরাইজন মিরর শেডস।

8. মাইক্রোমিটার ড্রাম।

9. আর্ক।

সেক্সট্যান্ট : এটি একটি দিক নির্নয়ের যন্ত্র।এটা দিয়ে দিগন্ত থেকে সূর্য বা তারা কতটুকু উপরে আছে তা মাপা যায় এবং এর কোনও মাপা যায়।



ফ্রেম : সেক্সট্যান্টের ফ্রেম শক্ত ধাতব পদার্থ দিয়ে তৈরী করা হয়।এতে তিনটি পা আছে।সেক্সট্যান্ট যখন আনুভূমিক অবস্হায় থাকে তখন এই পা এর উপর ভর করে থাকে।ফ্রেমের উপরিভাগকে ক্ষেএ বা তল (Plane) বলা হয়,এবং বাঁকানো নিম্নভাগকে লোয়ার লিম্ব

বলে।



হ্যান্ডেল : হাত দিয়ে ধরার সুবিধার জন্য এটি ব্যাবহার করা হয়।রাতের বেলা যাতে পরিমাপ দেখতে সম্যসা না হয় সেই জন্য ক্ষুদ্র লাইট আছে,যা ইনডেক্স আর্মকে আলোকিত করে।এই জন্য এই হ্যান্ডেলে একটি পুশ বাটন সুইচ ও ব্যাটারী রাখার জায়গা আছে।



ইনডেক্স আর্ম : এটি সেক্সট্যান্টের উপরের দিকে একটি গোলাকার প্লেটের সাথে যুক্ত একটি লম্বা ধাতব দন্ড।এটি এমনভাবে আটকানো থাকে যাতে সহজেই এটি সংযোগস্থলকে কেন্দ্র করে ডানে ও বাঁয়ে নড়াচড়া করতে পারে।এর নীচের দিকের শেষ প্রান্তের কাছাকাছি একটি তীর চিহ্ন বা (0) শূন্য চিহ্নিত জায়গা আছে যা যে কোন বস্তুর কোন (Angle) কত ডিগ্রী তা চিহ্নিত করে।আর এই শূন্য চিহ্নিত জায়গাটিকে ইনডেক্স আর্ম বলা হয়।



ইনডেক্স মিরর : এটি একটি বড় চকচকে আয়না যা আলোকে প্রতিফলিত করে।বস্তু থেকে আসা আলো ইনডেক্স মিররে প্রতিফলিত হয়ে হরাইজন মিররে আসে এবং এখান থেকে আলো চলে যায় দূরবীনের আইপিসে।এই মিরর দেখতে আয়তাকার এবং এটি ইনডেক্স আর্মের সাথে সংযুক্ত থাকে।এবং এটি এমনভাবে স্থাপন করা হয় যাতে করে এটি সেক্সট্যান্টের তলের সাথে লম্বভাবে থাকে।



হরাইজন মিরর : এটি একটি ছোট আকৃতির আয়তাকার চকচকে আয়না।এটি ইনডেক্স মিররের ঠিক নীচে বসানো থাকে।

দূরবীন : পৃথিবীপৃস্টের বা আকাশের দূরবর্তী বস্তুকে বড় এবং কাছে দেখার জন্য বেশী বিবর্ধন ক্ষমতা সম্পন্ন দুরবীন।দূরবর্তী নক্ষত্রের অলটিচ্যুড মাপার জন্য বেশী বিবর্ধন সুবিধাজনক।



দুরবীন ক্ল্যাম্প : এটি একটি ধাতব রিং যা দূরবীনকে সেক্সট্যান্টের সাথে যুক্ত করে রাখে।



আর্ক : আর্কের উপর 0 ডিগ্রী থেকে 125 ডিগ্রী পর্যন্ত 'On the arc নামে দাগ কাটা থাকে এবং 0 ডিগ্রীর ডানদিকে 5 ডিগ্রী পর্যন্ত 'Off the arc নামে দাগ কাটা থাকে।



মাইক্রোমিটার ড্রাম : আর্ক থেকে যে রিডিং পাওয়া যায় তা হয় ডিগ্রী আকারে।এই মাইক্রোমিটার ড্রাম ব্যাবহার করা হয় ডিগ্রীর ভগ্নাংশ হিসাবে মিনিটের রিডিং পাওয়ার জন্য।প্রতিটি ডিগ্রীকে 60 মিনিটে ভাগ করা হয়েছে।আর সেই হিসাবে এই ড্রামের চাকতিটাকেও 60 ভাগে ভাগ করা হয়েছে।এই ড্রামটা এমনভাবে তৈরী যে এটাকে একবার ঘুরালে ইনডেক্স মার্কটি আর্কের-1 ডিগ্রী জায়গা অতিক্রম করে।

গ্লাস ফিল্টারঃ বেশী পরিমান আলো যাতে হরাইজন মিররের উপর এসে পড়তে না পারে,সেই জন্য রং করা স্বচ্ছ একটি গ্লাস হরাইজন মিররের সামনে বসানো থাকে।



ইনডেক্স মিরর ক্লীপস : স্প্রীং জাতীয় একধরনের ক্লীপ ব্যাবহার করে ইনডেক্স মিররকে সেক্সট্যান্টের ফ্রেমের সাথে আটকে রাখা হয়।



ইনডেক্স মিরর শেড বা গ্লাস ফিল্টার : রং করা অত্যন্ত উন্নত মানের স্বচ্ছ কাচের গ্লাস দিয়ে এই শেডগুলি তৈরী করা হয়।সূর্যের আলো থেকে চোখকে রক্ষা করা এবং যে সব বস্তুকে দেখা হয় তার থেকে যাতে বেশী পরিমান আলো ইনডেক্স মিররের উপর পড়তে না পারে, সেই জন্য এগুলো ব্যাবহার করা হয়।সাধারনত চারটি শেড যুক্ত থাকে।



ইনডেক্স মিরর (প্রথম) এডজাস্টমেন্ট স্ক্রু : ইনডেক্স মিরর লম্ব অবস্থায় থাকে।যদি কোন কারনে এই মিরর নড়ে যায় সেটি এডজাস্ট করার জন্য এ স্ক্রু ব্যাবহার করা হয়।



হরাইজন মিরর (দ্বিতীয়) এডজাস্টমেন্ট স্ক্রুঃ হরাইজন মিরর ও লম্ব অবস্থায় থাকে।কোন কারনে নড়ে গেলে সেটি এডজাস্ট করার জন্য এই স্ক্রু ব্যাবহার করা হয়।



হরাইজন মিরর ক্লিপস : স্প্রীং জাতীয় একধরনের ক্লীপ ব্যাবহার করে হরাইজন মিররকে সেক্সট্যান্টের ফ্রেমের সাথে আটকে রাখা হয়।



হরাইজন মিরর (তৃতীয়) এডজাস্টমেন্ট স্ক্রু : ইনডেক্স আর্ম 0 ডিগ্রী তে থাকা অবস্থায় ইনডেক্স মিররের সাথে যদি হরাইজন মিরর পুরাপুরি সমান্তরাল অবস্থায় না থাকে তবে এই স্ক্রুর সাহায্যে তা এডজাস্ট করা হয়।



হরাইজন মিরর শেডস : উজ্জল আলো থেকে চোখকে রক্ষা করার জন্য হরাইজন মিররের সামনে,অত্যন্ত উন্নত মানের এই গ্লাস দেয়া থাকে।এগুলো রংবিহীন,হাল্কা বা গাঢ় রংয়ের হতে পারে।এখানে সাধারনত তিনটি শেড যুক্ত থাকে।



সেক্সট্যান্ট কি ভাবে কাজ করেঃ

I : ইনডেক্স মিরর।

H: হরাইজন মিরর।

X: যে বস্তুকে দেখা হবে।

IH: ইনডেক্স মিরর থেকে হরাইজন মিররে আসা প্রথম প্রতিফলিত রশ্মি।

HE: দূরবীনের ভিতর দিয়ে আশা দ্বিতীয় আলোক রশ্মি যা সরাসরি চোখে এসে ধরা দেয়।

IY: ইনডেক্স মিররের উপর লম্ব।

HZ: হরাইজন মিররের উপর লম্ব।

Z: এই লম্ব দুটি যেখানে মিলিত হয়েছে।

XIE: বস্তু থেকে XI আসা আলোকরশ্মি HE (2nd ) রশ্মির সাথে মিলানোর জন্য E পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

YZH: ইনডেক্স ও হরাইজন মিররের মধ্যবর্তী কোন।



সেক্সট্যান্ট দিয়ে অনেক সুক্ষ ভাবে কোন মাপা সম্ভব।কিন্ত মাঝে মাঝে কিছু ত্রুটির কারনে অনেক সময় কিছুটা ভুল রিডিংও দেয়।

যে সব কারনে সেক্সট্যান্ট ভুল রিডিং দেয় তা হলো-

1. পারপেনডিকুলারিটি এরর (Perpendicularity error)।

2. সাইড এরর (Side error)।

3. ইনডেক্স এরর (Index error)।

4. কলিমেশন এরর (Collimation)।

5. ভার্ণিয়ার এরর (Vernier error)।

6. সেন্টারিং এরর (Centring error)।

7. গ্রাজুয়েশন এরর (Graduation error)।

8. মাইক্রোমিটার এরর (Micrometer error)।

9. শেড এরর (Shade error)।

10. প্রিজমেটিক এরর (Prismatic error)।

এর মধ্যে যে সব এরর গুলো ঠিক করা যায় এই ঠিক করার সময় কিছু নিয়ম মানা জরুরী।যেমন-

যে এরর গুলি সহজেই ঠিক করা যায় সেগুলো ক্রমানুযায়ী ঠিক করে নিতে হবে।পারপেনডিকুলারিটি এরর ঠিক করাকে 1st Adjustment বলে।এই ভাবে সাইড এরর ঠিক করাকে বলে 2nd Adjustment। এবং ইনডেক্স এরর ঠিক করাকে বলে 3rd Adjustment।

এর মধ্যে কলিমেশন এরর, ও ভার্ণিয়ার এরর, এই যন্ত্র যারা প্রস্তুত করেছে তাদের সাহায্যে ঠিক করতে হয়।

আবার পারপেনডিকুলারিটি (Perpendicularity error) এরর ও সাইড (Side error) এরর ঠিক করার পরে সাধারনত ইনডেক্স এরর বের করে তারপরে তা ঠিক করা হয়।

তবে এই এরর বের করা কিছুটা কঠিন।এই এরর বের করার কতগুলি পদ্ধতি আছে।এর মধ্যে সূর্যকে ব্যবহার করে এই এরর বের করার পদ্ধতি সবচেয়ে জনপ্রিয়।

প্রথমে ইনডেক্স আর্মকে আর্ক (Arc) এর 0 ডিগ্রী তে সেট করতে হবে,এরপরে মাইক্রোমিটারকে ঘুরিয়ে 'Off the arc-এ প্রায় 32` এর মত জায়গায় আনতে হবে।

ইনডেক্স মিরর শেড থেকে যেটা দরকার সেটি বেছে নিতে হবে।এবারে সেক্সট্যান্টকে খাড়া অবস্থায় ধরতে হবে।সেক্সট্যান্টে ফিট করা দূরবীন দিয়ে সূর্যকে দেখতে হবে,এবং সূর্যের উজ্জলতার নিরীখ করে প্রয়োজনে আরো শেড নির্বাচন করতে হবে।

আবার একই ভাবে সূর্যকে দেখতে হবে।আসল সূ্র্য এবং সূর্যের প্রতিফলিত ছবি একই সাথে দেখা যাবে।(এখানে উল্লেখ্য আসল সূর্যের উপরে প্রতিফলিত সূর্যের ছবি দেখা যাবে)।

এরপরে মাইক্রোমিটার ড্রামকে একটু একটু করে ডানে বাঁয়ে ঘুরালে দেখা যাবে যে সূর্যের প্রতিফলিত ছবিটিও উঠা নামা করছে। এইভাবে ড্রামটিকে ঘুরাতে ঘুরাতে যখন দেখা যাবে সূর্যের প্রতিফলিত ছবিটির নিম্নভাগ (Lowr Limb) আসল সূর্যের উপরিভাগের (Upper Limb) সাথে ছুঁই ছুঁই করছে ঠিক সেই জায়গায় স্থির করতে হবে।

ঠিক এই অবস্থায় আর্ক এবং মাইক্রোমিটার দেখে রিডিং নিতে হবে।এই রিডিংটার নাম দিতে হবে ‘Off the arc।

পুনরায় মাইক্রোমিটারকে ঘুরিয়ে এমন জায়গায় আনতে হবে এর রিডিং যেন ‘On the arc- এর প্রায় 32` এর মতো হয়।

এবং আবার আগের মতো করে একইভাবে সূর্যকে দেখতে হবে।আসল এবং প্রতিফলিত সূর্যের ছবি একই সাথে দেখা যাবে।(উল্লেখ্য আসল সূর্যের নীচে প্রতিফলিত সূর্যের ছবি দেখা যাবে)।

পূর্বের ন্যায় মাইক্রোমিটার ড্রামকে ডানে বাঁয়ে ঘুরালে সূর্যের প্রতিফলিত ছবিটিও উঠা নামা করবে।এইভাবে ঘুরাতে ঘুরাতে যখন দেখা যাবে,প্রতিফলিত সূর্যের উপরিভাগ (Upper Limb) আসল সূর্যের ঠিক নিম্নভাগ (Lower Limb) স্পর্শ করলে সেই জায়গায় স্থির করতে হবে।

এবং এই অবস্থায় আর্ক এবং মাইক্রোমিটার দেখে রিডিং নিতে হবে।এই রিডিংটার নাম দিতে হবে ‘On the arc।

সবশেষে এই ‘Off the arc ও ‘On the arc এই দুই রিডিং এর মধ্যে থেকে যেটি বড় সেটা থেকে ছোটটিকে বিয়োগ দিতে হবে এবং প্রাপ্ত ফলকে 2 দিয়ে ভাগ দিতে হবে এবারে যেই ভাগফল পাওয়া যাবে সেটাই হবে ইনডেক্স এরর (Index error)।

সাধারনত বড় রিডিং এর নামানুসারে ইনডেক্স এরর এর নামকরন করা হয়।

যেমন-

Greater reading ‘On the arc’: Index error is “On the arc” (-)

Greater riading ‘Off the arc’: Index error is “Off the arc” (+)

এই পদ্ধতি ব্যাবহার করে সহজেই ইনডেক্স এরর বের করা যায়।তবে একটা বিষয়ে খুব ভালভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে, সেক্সট্যান্ট যন্ত্রটি খুব সুক্ষভাবে তৈরী করা হয়।যে কোন রকম আঘাত এই যন্ত্রটির সঠিক রিডিং করার ক্ষমতা নস্ট করে দিতে পারে।

কাজেই যাদের কাছে এই যন্ত্রটি আছে তারা অবশ্যই এই ব্যাপারে লক্ষ্য রাখবেন।কাজের সময় খুব সাবধানে একে বের করে কাজ শেষে খুব সাবধানে এটিকে আবার বাক্সের মধ্যে রেখে দিবেন।

তা না হলে ছোট খাটো আঘাতে এটি একটি অপ্রোয়জনীয় যন্ত্র হয়ে যাবে।



বিঃদ্রঃ সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের দূরবীন দিয়ে সূর্যকে দেখার সময় অবশ্যই ফিল্টার ব্যাবহার করবেন।তা না হলে চোখের মারাক্তক ক্ষতি হতে পারে।

ছবি সৌজ্যন্যে গুগল।

আরো জানতে দেখুন : http://www.tecepe.com.br/nav/inav_c12.htm

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:১০

জীবরান বলেছেন: ধন্যবাদ। সেক্সট্যান্ট দিয়ে অবস্থান নির্ণয়ের পদ্ধতিটা যদি বলতেন ভাল হত।

২| ২১ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:১২

জারনো বলেছেন:
ব্যাপক জ্ঞাণসম্পন্ন পোস্ট।
পড়লাম কিন্তু তেমন কিছু
বুঝি নাই। আসলে সবার
পক্ষে সব কিছু বোঝা সম্ভব না,
আর সবাইকে সব কিছু বুঝতেও
হয় না।

৩| ২১ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:২৫

পথহারা নাবিক বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম!! ধন্যবাদ সুন্দর একটা পোষ্টের জন্য!! যদিও সেক্সট্যান্ট সেকেলে হয়ে গেছে!! এখন GPS এর যুগ!!

৪| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১:২০

অপরিচিত অতিথি বলেছেন: জারনো বলেছেন:
ব্যাপক জ্ঞাণসম্পন্ন পোস্ট।
পড়লাম কিন্তু তেমন কিছু
বুঝি নাই। আসলে সবার
পক্ষে সব কিছু বোঝা সম্ভব না,
আর সবাইকে সব কিছু বুঝতেও
হয় না।

৫| ১৭ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:০৪

জিপসি মেহেদি বলেছেন: বেশ ভাল হয়েছে । ঝানু নেভীগেটররা শুধু এই যন্ত্র আর একটা ভালো বোট পেলে সাত সাগর পারি দিতে পারে।
আরো পোষ্ট দেয়ার অনুরোধ রইল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.