| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে লেখা....
কয়েকদিন আগের কথা; রমজান মাস অফিস (গুলশান) থেকে বাসায় (মোহাম্মাদপুর)ফিরছি লেগুনাতে (টেম্পু); বেলা সাড়ে তিনটা, প্রচন্ড রোদ আর জ্যাম আমি শেষ যাত্রী হিসেবে কোনমতে সিটে বসার সুযোগ পেলাম এবং মুহুর্তেই দুইজন পা দানিতে দাড়িয়ে পড়ল
টেম্পু যখন মহাখালি ওয়ারলেস আসল তখন প্রায় সব যাত্রী নেমে রইলাম মাত্র তিনজন আমি্ আর দুই আংকেল (একজন লাল গেঞ্জী আর একজন পাঞ্জাবী পরিহিত) তখন আমি ভিতরের সিট থেকে সরে এসে গেইটের কাছে এসে বসলাম বাকি দুই আংকেল ভিতরেই বসে রইল
তার আগে বলে রাখি, লেগুনাতে সবাই গেইটের কাছে বসতে চায় তার কারণ দুইটা এক, চাপাচাপি কম (যেহেতু পাঁচ জনের সিটে ছয় জন বসে, তাই সেইরকম চাপাচাপি); দুই, ইঞ্জিনের তাপও লাগে কম
তো আমি যখনই গেইটের কাছে বসলাম তখন ভেতরে বসা এক আংকেল (লাল গেঞ্জী) বলল, “পাবলিক গেটের সামনে বইসা যে কী মজা পায়??!!” তখন অপর আংকেল বলল- “আরে ধূলা খায়, ধূলা...”
বুঝলাম কথাটা আমাকে উদ্দেশ্য করেই বলল আমি কিছুক্ষণ বোকার মত দুই আংকেলের দিকে তাকিয়ে রইলাম
পাঁচ মিনিট পর টেম্পু যখন ওয়ারলেস থেকে আমতলী আসল তখন কই থেকে জানি শ‘খানেক যাত্রী এসে হাজির তার মধ্য থেকে ভাগ্যবান নয় জন (আমরা আগের তিনজন তো ছিলাম-ই) উঠার সুযোগ পেল যাদের মধ্যে একজন ছিল ভীষণ মোটু (কমপক্ষে 120 কেজি) ঐ মোটা লোকটা বসল লাল আংকেলের দিকে তখন আর দেখে কে...! একে তো মহা চাপাচাপি তার উপর মোটু...!! গরম আর চাপে আংকেলের অবস্থা ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি টাইপের
এর মধ্যে হইল আরেক ঝামেলা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার অফিস থেকে বের হবেন বলে সব রাস্তা বন্ধ
গরমে যখন জান বের হবার মত অবস্থা তখন তাকিয়ে দেখি ঐ আংকেল গেঞ্জীর বোতাম খুলে ক্যাপ দিয়ে বাতাস নিচ্ছে তার পুরা শরীর ঘেমে একাকার আমি মনে মনে একটা বাঁকা হাসি হাসলাম বুঝেন এবার ভেতরে বসার মজা !!!
আংকেল তখন হেলপারের সাথে চিল্লায়- ঐ তোর গাড়িতে এত গরম ক্যান? ফ্যান লাগাইতে পারস না? আর এইডা কী ছয়জন বসার জায়গা? ....ইত্যাদি ইত্যাদি অন্য যাত্রীরা তখন বলল- ভাই এইটাই গাড়ির নিয়ম ভাল লাগলে বইসা থাকেন আর না হইলে নাইম্যা হাঁটা দ্যান, গরমে বেশি কথা কইয়েন না”....
তো এই রকম মোটামুটি দেড় ঘন্টা চিল্লাচিল্লির পর মোহাম্মদপুর পৌছলাম ততক্ষনে আমারই অবস্থা বারোটা যদিও গেইটের কাছে বসেছিলাম তাহলে ঐ আংকেলের কি অবস্থা ?? তাকাইয়া দেখি তারে গেঞ্জি তো ভিজা গেছেই সাথে প্যান্টও অর্ধেক ভিজা (ঘামে!!!!)
শেষে আংকেল লেগুনা থেকে নাইম্যা আমার দিকে তাকাইয়া বলতেছে- নাহ্ গেটের কাছে বসলেই মনে হয় ভাল হইতো ভিতরে বেশি গরম...
তখনও আমি তার দিকে তাকিয়ে রইলাম, আর মাথা উপর নিচে নাড়িয়ে হাঁ সূচক সম্মতি দিলাম....
কয়েকদিন আগের কথা; রমজান মাস অফিস (গুলশান) থেকে বাসায় (মোহাম্মাদপুর)ফিরছি লেগুনাতে (টেম্পু); বেলা সাড়ে তিনটা, প্রচন্ড রোদ আর জ্যাম আমি শেষ যাত্রী হিসেবে কোনমতে সিটে বসার সুযোগ পেলাম এবং মুহুর্তেই দুইজন পা দানিতে দাড়িয়ে পড়ল
টেম্পু যখন মহাখালি ওয়ারলেস আসল তখন প্রায় সব যাত্রী নেমে রইলাম মাত্র তিনজন আমি্ আর দুই আংকেল (একজন লাল গেঞ্জী আর একজন পাঞ্জাবী পরিহিত) তখন আমি ভিতরের সিট থেকে সরে এসে গেইটের কাছে এসে বসলাম বাকি দুই আংকেল ভিতরেই বসে রইল
তার আগে বলে রাখি, লেগুনাতে সবাই গেইটের কাছে বসতে চায় তার কারণ দুইটা এক, চাপাচাপি কম (যেহেতু পাঁচ জনের সিটে ছয় জন বসে, তাই সেইরকম চাপাচাপি); দুই, ইঞ্জিনের তাপও লাগে কম
তো আমি যখনই গেইটের কাছে বসলাম তখন ভেতরে বসা এক আংকেল (লাল গেঞ্জী) বলল, “পাবলিক গেটের সামনে বইসা যে কী মজা পায়??!!” তখন অপর আংকেল বলল- “আরে ধূলা খায়, ধূলা...”
বুঝলাম কথাটা আমাকে উদ্দেশ্য করেই বলল আমি কিছুক্ষণ বোকার মত দুই আংকেলের দিকে তাকিয়ে রইলাম
পাঁচ মিনিট পর টেম্পু যখন ওয়ারলেস থেকে আমতলী আসল তখন কই থেকে জানি শ‘খানেক যাত্রী এসে হাজির তার মধ্য থেকে ভাগ্যবান নয় জন (আমরা আগের তিনজন তো ছিলাম-ই) উঠার সুযোগ পেল যাদের মধ্যে একজন ছিল ভীষণ মোটু (কমপক্ষে 120 কেজি) ঐ মোটা লোকটা বসল লাল আংকেলের দিকে তখন আর দেখে কে...! একে তো মহা চাপাচাপি তার উপর মোটু...!! গরম আর চাপে আংকেলের অবস্থা ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি টাইপের
এর মধ্যে হইল আরেক ঝামেলা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার অফিস থেকে বের হবেন বলে সব রাস্তা বন্ধ
গরমে যখন জান বের হবার মত অবস্থা তখন তাকিয়ে দেখি ঐ আংকেল গেঞ্জীর বোতাম খুলে ক্যাপ দিয়ে বাতাস নিচ্ছে তার পুরা শরীর ঘেমে একাকার আমি মনে মনে একটা বাঁকা হাসি হাসলাম বুঝেন এবার ভেতরে বসার মজা !!!
আংকেল তখন হেলপারের সাথে চিল্লায়- ঐ তোর গাড়িতে এত গরম ক্যান? ফ্যান লাগাইতে পারস না? আর এইডা কী ছয়জন বসার জায়গা? ....ইত্যাদি ইত্যাদি অন্য যাত্রীরা তখন বলল- ভাই এইটাই গাড়ির নিয়ম ভাল লাগলে বইসা থাকেন আর না হইলে নাইম্যা হাঁটা দ্যান, গরমে বেশি কথা কইয়েন না”....
তো এই রকম মোটামুটি দেড় ঘন্টা চিল্লাচিল্লির পর মোহাম্মদপুর পৌছলাম ততক্ষনে আমারই অবস্থা বারোটা যদিও গেইটের কাছে বসেছিলাম তাহলে ঐ আংকেলের কি অবস্থা ?? তাকাইয়া দেখি তারে গেঞ্জি তো ভিজা গেছেই সাথে প্যান্টও অর্ধেক ভিজা (ঘামে!!!!)
শেষে আংকেল লেগুনা থেকে নাইম্যা আমার দিকে তাকাইয়া বলতেছে- নাহ্ গেটের কাছে বসলেই মনে হয় ভাল হইতো ভিতরে বেশি গরম...
তখনও আমি তার দিকে তাকিয়ে রইলাম, আর মাথা উপর নিচে নাড়িয়ে হাঁ সূচক সম্মতি দিলাম....
©somewhere in net ltd.