নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হিমু নই

হিমু হতে চেয়ে ব্যর্থ

হিমু নই

সাধারণ পোলা

হিমু নই › বিস্তারিত পোস্টঃ

রসরচনা : লেগুনা কাহিনী

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৪২

বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে লেখা....

কয়েকদিন আগের কথা; রমজান মাস৤ অফিস (গুলশান) থেকে বাসায় (মোহাম্মাদপুর)ফিরছি লেগুনাতে (টেম্পু); বেলা সাড়ে তিনটা, প্রচন্ড রোদ আর জ্যাম৤ আমি শেষ যাত্রী হিসেবে কোনমতে সিটে বসার সুযোগ পেলাম এবং মুহুর্তেই দুইজন পা দানিতে দাড়িয়ে পড়ল৤

টেম্পু যখন মহাখালি ওয়ারলেস আসল তখন প্রায় সব যাত্রী নেমে রইলাম মাত্র তিনজন৤ আমি্ আর দুই আংকেল (একজন লাল গেঞ্জী আর একজন পাঞ্জাবী পরিহিত)৤ তখন আমি ভিতরের সিট থেকে সরে এসে গেইটের কাছে এসে বসলাম৤ বাকি দুই আংকেল ভিতরেই বসে রইল৤

তার আগে বলে রাখি, লেগুনাতে সবাই গেইটের কাছে বসতে চায় তার কারণ দুইটা৤ এক, চাপাচাপি কম (যেহেতু পাঁচ জনের সিটে ছয় জন বসে, তাই সেইরকম চাপাচাপি); দুই, ইঞ্জিনের তাপও লাগে কম৤

তো আমি যখনই গেইটের কাছে বসলাম তখন ভেতরে বসা এক আংকেল (লাল গেঞ্জী) বলল, “পাবলিক গেটের সামনে বইসা যে কী মজা পায়??!!” তখন অপর আংকেল বলল- “আরে ধূলা খায়, ধূলা...”৤

বুঝলাম কথাটা আমাকে উদ্দেশ্য করেই বলল৤ আমি কিছুক্ষণ বোকার মত দুই আংকেলের দিকে তাকিয়ে রইলাম৤

পাঁচ মিনিট পর টেম্পু যখন ওয়ারলেস থেকে আমতলী আসল তখন কই থেকে জানি শ‘খানেক যাত্রী এসে হাজির৤ তার মধ্য থেকে ভাগ্যবান নয় জন (আমরা আগের তিনজন তো ছিলাম-ই) উঠার সুযোগ পেল যাদের মধ্যে একজন ছিল ভীষণ মোটু (কমপক্ষে 120 কেজি)৤ ঐ মোটা লোকটা বসল লাল আংকেলের দিকে৤ তখন আর দেখে কে...! একে তো মহা চাপাচাপি তার উপর মোটু...!! গরম আর চাপে আংকেলের অবস্থা ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি টাইপের৤

এর মধ্যে হইল আরেক ঝামেলা৤ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার অফিস থেকে বের হবেন বলে সব রাস্তা বন্ধ৤

গরমে যখন জান বের হবার মত অবস্থা তখন তাকিয়ে দেখি ঐ আংকেল গেঞ্জীর বোতাম খুলে ক্যাপ দিয়ে বাতাস নিচ্ছে৤ তার পুরা শরীর ঘেমে একাকার৤ আমি মনে মনে একটা বাঁকা হাসি হাসলাম৤ বুঝেন এবার ভেতরে বসার মজা !!!

আংকেল তখন হেলপারের সাথে চিল্লায়- ঐ তোর গাড়িতে এত গরম ক্যান? ফ্যান লাগাইতে পারস না? আর এইডা কী ছয়জন বসার জায়গা? ....ইত্যাদি ইত্যাদি৤ অন্য যাত্রীরা তখন বলল- ভাই এইটাই গাড়ির নিয়ম৤ ভাল লাগলে বইসা থাকেন আর না হইলে নাইম্যা হাঁটা দ্যান, গরমে বেশি কথা কইয়েন না৤”....

তো এই রকম মোটামুটি দেড় ঘন্টা চিল্লাচিল্লির পর মোহাম্মদপুর পৌছলাম৤ ততক্ষনে আমারই অবস্থা বারোটা যদিও গেইটের কাছে বসেছিলাম৤ তাহলে ঐ আংকেলের কি অবস্থা ?? তাকাইয়া দেখি তারে গেঞ্জি তো ভিজা গেছেই সাথে প্যান্টও অর্ধেক ভিজা (ঘামে!!!!)৤

শেষে আংকেল লেগুনা থেকে নাইম্যা আমার দিকে তাকাইয়া বলতেছে- নাহ্ গেটের কাছে বসলেই মনে হয় ভাল হইতো৤ ভিতরে বেশি গরম... ৤

তখনও আমি তার দিকে তাকিয়ে রইলাম, আর মাথা উপর নিচে নাড়িয়ে হাঁ সূচক সম্মতি দিলাম....৤৤

কয়েকদিন আগের কথা; রমজান মাস৤ অফিস (গুলশান) থেকে বাসায় (মোহাম্মাদপুর)ফিরছি লেগুনাতে (টেম্পু); বেলা সাড়ে তিনটা, প্রচন্ড রোদ আর জ্যাম৤ আমি শেষ যাত্রী হিসেবে কোনমতে সিটে বসার সুযোগ পেলাম এবং মুহুর্তেই দুইজন পা দানিতে দাড়িয়ে পড়ল৤

টেম্পু যখন মহাখালি ওয়ারলেস আসল তখন প্রায় সব যাত্রী নেমে রইলাম মাত্র তিনজন৤ আমি্ আর দুই আংকেল (একজন লাল গেঞ্জী আর একজন পাঞ্জাবী পরিহিত)৤ তখন আমি ভিতরের সিট থেকে সরে এসে গেইটের কাছে এসে বসলাম৤ বাকি দুই আংকেল ভিতরেই বসে রইল৤

তার আগে বলে রাখি, লেগুনাতে সবাই গেইটের কাছে বসতে চায় তার কারণ দুইটা৤ এক, চাপাচাপি কম (যেহেতু পাঁচ জনের সিটে ছয় জন বসে, তাই সেইরকম চাপাচাপি); দুই, ইঞ্জিনের তাপও লাগে কম৤

তো আমি যখনই গেইটের কাছে বসলাম তখন ভেতরে বসা এক আংকেল (লাল গেঞ্জী) বলল, “পাবলিক গেটের সামনে বইসা যে কী মজা পায়??!!” তখন অপর আংকেল বলল- “আরে ধূলা খায়, ধূলা...”৤

বুঝলাম কথাটা আমাকে উদ্দেশ্য করেই বলল৤ আমি কিছুক্ষণ বোকার মত দুই আংকেলের দিকে তাকিয়ে রইলাম৤

পাঁচ মিনিট পর টেম্পু যখন ওয়ারলেস থেকে আমতলী আসল তখন কই থেকে জানি শ‘খানেক যাত্রী এসে হাজির৤ তার মধ্য থেকে ভাগ্যবান নয় জন (আমরা আগের তিনজন তো ছিলাম-ই) উঠার সুযোগ পেল যাদের মধ্যে একজন ছিল ভীষণ মোটু (কমপক্ষে 120 কেজি)৤ ঐ মোটা লোকটা বসল লাল আংকেলের দিকে৤ তখন আর দেখে কে...! একে তো মহা চাপাচাপি তার উপর মোটু...!! গরম আর চাপে আংকেলের অবস্থা ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি টাইপের৤

এর মধ্যে হইল আরেক ঝামেলা৤ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার অফিস থেকে বের হবেন বলে সব রাস্তা বন্ধ৤

গরমে যখন জান বের হবার মত অবস্থা তখন তাকিয়ে দেখি ঐ আংকেল গেঞ্জীর বোতাম খুলে ক্যাপ দিয়ে বাতাস নিচ্ছে৤ তার পুরা শরীর ঘেমে একাকার৤ আমি মনে মনে একটা বাঁকা হাসি হাসলাম৤ বুঝেন এবার ভেতরে বসার মজা !!!

আংকেল তখন হেলপারের সাথে চিল্লায়- ঐ তোর গাড়িতে এত গরম ক্যান? ফ্যান লাগাইতে পারস না? আর এইডা কী ছয়জন বসার জায়গা? ....ইত্যাদি ইত্যাদি৤ অন্য যাত্রীরা তখন বলল- ভাই এইটাই গাড়ির নিয়ম৤ ভাল লাগলে বইসা থাকেন আর না হইলে নাইম্যা হাঁটা দ্যান, গরমে বেশি কথা কইয়েন না৤”....

তো এই রকম মোটামুটি দেড় ঘন্টা চিল্লাচিল্লির পর মোহাম্মদপুর পৌছলাম৤ ততক্ষনে আমারই অবস্থা বারোটা যদিও গেইটের কাছে বসেছিলাম৤ তাহলে ঐ আংকেলের কি অবস্থা ?? তাকাইয়া দেখি তারে গেঞ্জি তো ভিজা গেছেই সাথে প্যান্টও অর্ধেক ভিজা (ঘামে!!!!)৤

শেষে আংকেল লেগুনা থেকে নাইম্যা আমার দিকে তাকাইয়া বলতেছে- নাহ্ গেটের কাছে বসলেই মনে হয় ভাল হইতো৤ ভিতরে বেশি গরম... ৤

তখনও আমি তার দিকে তাকিয়ে রইলাম, আর মাথা উপর নিচে নাড়িয়ে হাঁ সূচক সম্মতি দিলাম....৤৤

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.