| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি জর্জ অল্ড্রিন ঘোষ, শখের বশে ব্লগিং করি। এই ব্লগিং দুনিয়াতে আমি আছি প্রায় বহু দিন হয়ে গেলো। সব সময় ব্যতিক্রম ধর্মী কিছু নিয়ে লিখতে ভালবাসি। সাধারণত মানুষ যা লিখে নাহ, আমি তাই নিয়ে লিখতে বেশি ভালবাসি।
শিক্ষকঃ বল তো পৃথিবীর আকার কী রকম?
ছাত্রঃ গোলাকার, স্যার।
শিক্ষকঃ বেশ বেশ! এবার প্রমাণ দাও কী করে বুঝলে যে পৃথিবী গোল।
ছাত্রঃ জোরালো প্রমাণ আছে, স্যার। প্রথম সাপ্তাহিক পরীক্ষায় পৃথিবী চ্যপ্টা লিখে শূন্য পেয়েছি। দ্বিতীয় সাপ্তাহিক পরীক্ষায় চৌকোনা লিখেও শূন্য পেলাম। তারপর লিখলাম পৃথিবী লম্বা, তাও আপনি কেটে দিয়েছেন।
শেষে অনেক ভেবে-চিন্তে লিখেছিলাম তিনকোণা, তাও আপনি কেটেই দিলেন। তা হলে আর বাকি রইল কী? গোল হওয়া ছাড়া পৃথিবীর আর তো কোনো উপায় দেখতে পাচ্ছি না।
…
মাঝে মাঝে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের কঠোর পরিশ্রমের পর পরীক্ষার খাতায় আশানুরুপ ফলাফল না আসার হেতু বুঝতে পারি নাহ। আমার ছাত্রদের এই অবস্থা। উনার বাবা-মা স্কুল শিক্ষকদের এই রহস্যময় আচরণ নিয়ে চিন্তিত। আমি তাদের বলেছি, চিন্তা করবেন নাহ, উনাদের টাকা দিলে উনারা ওদের পাশ করিয়ে দেবে।
…
আমি যখন স্কুলে পড়তাম, এক শিক্ষক আমার পরীক্ষার খাতার একদম শেষে লিখলেন তার ফোন নম্বর। আর বললেন, তোমার বাবাকে আমার সাথে যোগাযোগ করতে বলবে, আমি তখন ৫ম শ্রেনীতে পড়তাম। লোকটা আমাদের ইংরেজী ১ম পত্র পড়াতো। বাবা যথারীতি লোকটাকে ফোন দিলো। লোকটা একটা কথাই বলেছিল “চিন্তা করবেন নাহ, টাকা দিলেই পাশ হয়ে যাবে”। এইটা একটা পাবলিক প্লেস বলে সেই লোকটার নাম আমি ইচ্ছাকৃতই চেপে গেলাম।
©somewhere in net ltd.