| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি জর্জ অল্ড্রিন ঘোষ, শখের বশে ব্লগিং করি। এই ব্লগিং দুনিয়াতে আমি আছি প্রায় বহু দিন হয়ে গেলো। সব সময় ব্যতিক্রম ধর্মী কিছু নিয়ে লিখতে ভালবাসি। সাধারণত মানুষ যা লিখে নাহ, আমি তাই নিয়ে লিখতে বেশি ভালবাসি।
গতকাল নববর্ষ ছিল, সারাদিন ঘুমিয়ে ঘর থেকে বার হলাম বিকাল ৪টা নাগাদ, রাস্তায় কোন বাস রিক্সা এমনকি একটা ঘোড়াও চোখে পড়লো নাহ। মাথার উপরে সূর্য গরমে ঘেমে পাঞ্জাবী ততক্ষনে গামছা হয়ে গেছে, আমি ফার্মগেইটের ব্রীজের সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শাহবাগ যাবার বাস খুঁজি, কতক্ষন বৃথা চেষ্টা করে দুটো বাস ধরতে ব্যর্থ হলাম। চিন্তা করলাম এবার একটা সিএনজি খুঁজি, এমন সময় বাসে জায়গা হলো কিন্তু একে জায়গা বলা ঠিক হবে নাহ- পাছা গরমের স্থান বলতে পারেন, ইঞ্জিনের উপরে একটা হার্ড বোর্ড ফেলে সেখানে সিট বানিয়ে দিছে যেখানে বসলে যে কারো পাছা গরম তো হবেই; গরমে পাছায় ঠুয়া পড়ারও ব্যাপক সম্ভাবনা আছে।
তা যা হোক এই পাছা নিয়ে আলোচনা আর না করি, এর পর যা হলো তা বলাই বাহুল্য কসাই রূপী বাস কন্ট্রাকটর এসে বলে
"কোথায় যাবেন ?"
আমি বললাম "শাহবাগ যাবো।"
লোকটা বলে "আচ্ছা ঠিক আছে ভাড়া দেন!"
আমি পকেট থেকে ১০টাকার একটা নোট বের করে দিলাম। বাস কন্ট্রাকটর আমাকে ৩ টাকা ফেরত দিলো। টাকা পকেটে ঢুকাবো এমন সময় জিজ্ঞাসা করলাম "কি ভাই, ভাড়া তো ৫টাকা! ২টাকা অতিরিক্ত কেন?"
লোকটা বলে "ভাই, ২টাকা আমাদের বকশিস, আজ পহেলা বৈশাখ"
আমি বললাম "ওহ আচ্ছা! ঠিকাছে!"
আমার পাছা গরম করা সিটের ঠিক পেছনে যেখানে মহিলাদের বসার জন্য রিজার্ভ জায়গা থাকে সেখানে বসা এক তরুনী: পরনে লাল পাড়ের সাদা শাড়ি, মাথায় রজনীগন্ধার খোঁপা, বাঁ হাতে খয়েরী রঙের বেল্টে রুপালী রঙের ঘড়ি আর গলায় কি সব মালা পেঁচানো। গায়ের রঙ উজ্জ্বল শ্যামলা। বয়স ২০-২২ হবে।
পেছন থেকে শুনতে পেলাম তরুনী চিৎকার করছেঃ
তরুনীঃ "এই হারামজাদা, ২টাকা বেশি নিলি কেন?"
বাস কন্ট্রাকটরঃ "আফা, আইজ তো পয়লা বৈশাখ! বকশিস দিবেন নাহ?"
তরুনীঃ "মগের মুল্লুক পাইছিস?"
বাস কন্ট্রাকটরঃ "মগের মুল্লুক এর কি আছে?"
তরুনীঃ "ভালোয় ভালোয় ২ টাকা ফেরত দে! যদি ভাল চাস"
বাস কন্ট্রাকটরঃ "এইসব ফাপরগিরি আমাগো লগে কইরেন নাহ, ভাড়া দিতে পারবেন না তো বাস থেকে নামেন। আপনি না গেলে আপনার জায়গায় অন্য কেউ যাইবো!"
তরুনীঃ "কি বললি? যতবড় মুখ নয় তত বড় কথা? তোকে বাস তেকে নামিয়ে তোর লুঙ্গিটা খুলে তোকে পেটাবো!"
বাস কন্ট্রাকটরঃ "হে হে! এইডা কি কইলেন?"
তরুনীঃ "আমি যা বলি তাই করি! তুই হয়তো জানিস না আমি কে!"
বাস কন্ট্রাকটরঃ "আপনি কে আগে হেইডা কন!"
তরুনীঃ "আগে ক্যাম্পাসে চল তোর বিচি দিয়া কিভাবে ফুটবল খেলতে হয় সেইটা দেখাবো!"
বাস কন্ট্রাকটর একটু ভীত হয়ে গেল, কথা বার্তা শুনে আমিও বেশ আতঙ্কিত। মেয়ে মানুষের মুখে 'বিচি' শব্দ খানা এই প্রথম শুনলাম। তাও আবার কোন একটা জনাকীর্ন বাসে!। ঐখানে যারা ছিল কেউ মহিলার কথার উপরে কথা বলার সাহস পাচ্ছিলো নাহ, কারণ কেউই নিজের মান সম্মান নিজে যেচে খোঁইয়াতে চায় নাহ। আমি দেখে ভাবলাম এইটা মেয়ে নাকি কোন গুন্ডা !
১৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৪:১২
জর্জ অল্ড্রিন ঘোষ বলেছেন: আমার এই লেখা একটু আগে সামনের পাতা থেকে সরায়ে নিয়া হইছিলো, কারণ আমি শিরোনামে _ এর জায়গায় বিচি ইউজ করেছিলাম। তাই পোস্ট আবার আনড্রাফট করলাম !
২|
১৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৪:০৪
ডরোথী সুমী বলেছেন: ফাজিল মেয়েলোক। শাড়ি পড়ার কি দরকার, ফতুয়া প্যান্টইতো ভাল ছিল।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৪:১৩
জর্জ অল্ড্রিন ঘোষ বলেছেন: লোল, হা হা !
৩|
১৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৪:০৭
হেডস্যার বলেছেন:
ডায়ালগটা শিখা রাখলাম। কারো উপর এপ্লাই করতে হবে।
"তোর বিচি দিয়া কিভাবে ফুটবল খেলতে হয় সেইটা দেখাবো!"
বিনোদন
৪|
১৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৪:১৫
জর্জ অল্ড্রিন ঘোষ বলেছেন: কইরেন এ্যাপ্লাই !
৫|
১৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১১:২৯
স্বপ্নছায় বলেছেন: লাইনখান ইউস করন লাগব
১৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১:১৭
জর্জ অল্ড্রিন ঘোষ বলেছেন: লাইলন দিয়া কি করবেন ?
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৪:০১
অদৃশ্য বলেছেন:
আপনার লিখাটি পড়েই লগইন করলাম..... বিকেলের বিনোদনের আজ আর কোন কমতি থাকলোনা.... দৃশ্যটি আমি আপনার লিখার সাথে সাথেই পেয়ে গেছি..... আপাতত হাসতে থাকা ছাড়া উপাই নাই...
শুভকামনা...