| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি জর্জ অল্ড্রিন ঘোষ, শখের বশে ব্লগিং করি। এই ব্লগিং দুনিয়াতে আমি আছি প্রায় বহু দিন হয়ে গেলো। সব সময় ব্যতিক্রম ধর্মী কিছু নিয়ে লিখতে ভালবাসি। সাধারণত মানুষ যা লিখে নাহ, আমি তাই নিয়ে লিখতে বেশি ভালবাসি।
গতকাল রাতে লেখা আমার একটা ফেসবুক স্টেটাস শেয়ার করবো –
ঘড়িতে সময় রাত ১২টা বাজতে ঠিক ৮ মিনিট বাকি, ভেবেছিলাম আজকে আর কোন পোস্ট দেবো নাহ। কিন্তু আশেপাশের পরিস্থিতি এমন যে আবার মাইক্রোসফট ওয়ার্ড – এ হাত দুটো চলে এলো।
হাতে এখন একটা বই আছে – খ্রিস্টিনা বেকার ক্লাইন এর একটা বই ‘অরফ্যান ট্রেইন’ সেটা পড়ছিলাম। আমার বাসাটা প্রথম থেকেই ভূতুড়ে, তার মাঝে আবার আরো এক খানা ভূতো বই পড়তে নিশ্চয়ই মুখোরোচক লাগবে নাহ?
যে বাসাটায় থাকি এটা নিচতলার তিন রুম বিশিষ্ট একখানা ফ্ল্যাট, দিনের বেলাতেও আলো বাতাস কোন রকমে ঢুকে নাহ। সবচেয়ে স্যাঁতস্যাঁতে ও অন্ধকারাচ্ছন্ন ঘরটি আমার, মূল কারণ আমার ঘরে কোন জানালা নাই। দিনের বেলাতেও কেউ ঘরে ঢুকলে তার কাছে মনে হবে বাইরে এখন রাত। ২৪ ঘন্টা ঘরে একটা ১৭ ওয়াটের এনার্জি সেভার চালু থাকে। আমরা এ বাসায় আছি আজ ১৩ বছর হয়ে গেলো, বাসাতে এই নিয়ে বহুবার ভূতো কারবার ঘটেছে। আপনাদের বিশ্বাস করা বা না করা দিয়ে কোন কথা নয়, সত্য ঘটনাই বলব- দু একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনার মাঝে আমার এখন যা মনে পড়ছে তা হলো গত ফেব্রুয়ারী মাসে আমাদের ঘরের খাট ৩ ইঞ্চি উত্তর-দক্ষিণে সরে যায়, এটা ঘটে একদম ভোর বেলা, আমরা ভেবেছিলাম বুঝি আমাদের বিল্ডিং খানা এক দিকে কাত হয়ে গেছে কিন্তু উপরের ফ্যাটওয়ালাদের কাছে খবর নিয়ে এরকম কোন তথ্য মেলেনি।
গত রমজান মাসের শেষ শনিবার আমি আমার খাটের নিচে কালো মড়া বিড়াল দেখে ভয় পেয়ে মা কে ডাক দিয়ে যখন দেখাতে যাই তখন সেখানে কিছুই ছিলো নাহ। এসব কথা আমি, মা বা বাসার কেউ বাইরের লোকদের বলেন নাহ আমার মার একটা ধারনা আছে তা হলো, বাইরের লোকেরা এসব জানলে আমাদের কোন না কোন ক্ষতি হতে পারে।
আজকে রাত বারোটা বাজার সাথে সাথে শনিবার হয়ে গেলো, আমার আবার ভয় করা শুরু করছে কারণ একটু আগে আমার বুক শেলফ থেকে এক গাদা বই কোন কারণ ছাড়াই মাটিতে পড়ে গেছে। আপনাদের কাছে এর কোন যৌক্তিক কারণ থাকলে তার ব্যাখ্যা দিন পোস্টের নিচে ‘মন্তব্য’ –তে।
©somewhere in net ltd.