নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহাদাত উদরাজী\'র আমন্ত্রণ! নানান বিষয়ে লিখি, নানান ব্লগে! নিজকে একজন প্রকৃত ব্লগার মনে করি! তবে রান্না ভালবাসি এবং প্রবাসে থাকার কারনে জীবনের অনেক বেশী অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা প্রকাশ করেই ফেলি - \'গল্প ও রান্না\' সাইটে! https://udrajirannaghor.wordpress.com/

সাহাদাত উদরাজী

[email protected] ০১৯১১৩৮০৭২৮গল্প ও রান্না udrajirannaghor.wordpress.comপ্লে স্টোরে ‘গল্প ও রান্না’ এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! আনন্দ সংবাদ! বাংলা রেসিপি নিয়ে এই প্রথম প্লে স্টোরে এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! ‘গল্প ও রান্না’ এখন Play Store এ Apps হিসাবে আপনার হাতের কাছে। নেট কানেশন বা WiFi জোনে থেকে Play Store এ যেয়ে golpo o ranna বা “Golpo O Ranna” বা “com.udraji.rannaghor” লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। খুব সহজেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ‘গল্প ও রান্না’র আইকন ইন্সটল করে নিতে পারেন। ফলে আপনাকে আর মোবাইলে আমাদের সাইট দেখতে লিঙ্ক বা কোন ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে না। নেট কানেশন বা ওয়াইফাই জোনে থাকলেই আপনি ওয়ান ক্লিকেই গল্প ও রান্না দেখতে পাবেন।

সাহাদাত উদরাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঢাকা শহরের মাদক পরিস্থিতি ও আমার চোখ!

০৯ ই আগস্ট, ২০২৫ রাত ১২:১২

অনেক দিন ধরেই ভাবছিলাম, এই শহরের মাদক পরিস্থিতি নিয়ে লিখবো। আজ বসেই পড়লাম, যা দেখি বা উপলব্ধি করি তা না লিখলে মন ভার হয়ে থাকে! মোটামুটি এই ঢাকা শহর এখন গা/ঞ্জার নগরী, আ/লীগের আমলে যা পরিপূর্নতা পেয়েছিল, এখন তা পাতিল থেকে ফুটে উগলে পড়া দুধের মত মনে হচ্ছে, মানে একদম ষোলকলা আর কি! কয়েকদিন আগে একটা টিভি প্রতিবেদনে দেখেছি দেশের দিনাজপুর শহর নাকি একদম প্রায় শতভাগ মাদকে আক্রান্ত, যুবক থেকে বৃদ্ধ প্রায় সবাই কোন না কোন মাদকে জড়িত, তবে গা/ঞ্জা সবার শীর্ষে বলে দেখেছি, এই ঢাকা শহরেও তাই হচ্ছে। আসুন একদম প্যাক্টিক্যাল উদাহরণে যাই।

গত পরশু অফিস থেকে মাত্র সিঁড়ি দিয়ে বের হয়েই নাকে গা/ঞ্জার গন্ধ লাগে, রাত তখন ৮টা পার। পাশে দেখি দুই যুবক টানছে, হয়ত টানা শেষ হলে সামনেই আনোয়ার ভাইয়ের চা দোকান থেকে বেশী মিষ্টি দিয়ে চা খাবে। দেখেও না দেখার ভান করে এগিয়ে গেলাম। কারে কি বলবো, সন্ধ্যার পরে এই সব তেমন কিছু না এখন, আর কে কার দিকে তাকাবো, দরকারই বা কিসের। কিছু বলেও কি কাউকে ফেরানো যাবে। বলে আবার অহেতুক কি হয়ে যায়, দিকহারা মাদকে আসক্তেরা কখন কি করে বসে!

আজকাল শান্তিনগর দিয়ে আর বের হই না, মোড়ে লেফট টার্ন দিয়ে রিক্সা আবার অনেক দূর ঘুরে আস্তে হয়, যা ভাল লাগে না। ফলে রাস্তা পার হয়ে কাকরাইল হয়ে বাসার ফেরার রাস্তা ধরি, বা কাকরাইল হেঁটে এসে রিক্সা নেই। ঠিক রাস্তা পার হয়ে পল্টন মসজিদের দিকে এসে কয়েকটা রিক্সা জিজ্ঞেস করি, কেহ যেতে রাজী হচ্ছে না, আমি আবার এই পথে মেশিন রিক্সা পছন্দ করি, কারন সময় বাঁচে, মালিবাগ রেলগেইটে আস্তে মাত্র ১০/১২ মিনিট লাগে, যদি কম যানযট থাকে। যাই হোক, বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞেস করলাম, কেহ যাবে না, ফলে হাঁটা ধরলাম। সামনেই দেখি দুই রিক্সা খালি, একটা মেশিন অন্যটা প্যাডেল। রিক্সা দাঁড়া করিয়ে দুইজনে সিগারেট টানছে, কাছে গিয়ে যাবার কথা বললাম, দুইজনের কেহই ফিরেও তাকালো না, আসলে দুই ভাই গা/ঞ্জা টানছিল, আমি গন্ধ পেয়েই বুঝলাম, পরে ভাল করে হাতের দিকে দেখলেই বুঝলাম। আমার ধারনা রাজধানীর ৯০/৯৫ ভাগ রিক্সা চালক গা/ঞ্জা সেবক, বুঝাই যায়। ঠিক একই ভাবে শহরের বাস পরিবহনের চালকদেরও একই অবস্থা বলে মনে হয়। এটা বিশাল সংখ্যা! লিখলে খাতা ফুরিয়ে যাবে!

রিক্সা না পেয়ে হেঁটে বিজয়নগর মোড়ে এসে পড়লাম, উদ্দেশ্য আর একটু হেঁটে কাকরাইল মোড়ে গেলে অন্তত ১০টাকা কমে রিক্সা পাওয়া যাবে। জাতীয় সঞ্জয় অধিদপ্তর/ পেনশন বোর্ডের ফুটপাতে আসতে অনেক রাইডার চালকভাই কোথায় যাবো জিজ্ঞেস করলেন, আমি ভাড়া বেশী বলে 'না' 'না' করে এগিয়ে যেতে লাগলাম। ঠিক আঞ্জুমান মহিদুল বিল্ডিং এর আগে আবারো দেখলাম, দুজন টানছে, মানে নাকে গন্ধ পেলাম! এই এলাকাতে এমনিতে রাত হলে অনেক কিছু চলে, গা/ঞ্জা তো ব্যাপারই না। যাই হোক, রাত সন্ধ্যায় রিক্সায় ফেরার পথে আমি অনেক সময় দেখে মি বিষ্টেরা টেনে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে, মালিবাগ মোড় থেকে মালিবাগ রেলগেইট এলাকা পর্যন্ত প্রায় গন্ধ পাই। মালিবাগ মোড় টু মোছাকের রাস্তায় ডিভাইডারে খুব সুন্দর জায়গা এখন, এখানে দোকানের সেলসম্যানেরা বাড়ি ফেরার পথে এক পশলা টেনে ফিরে! এই এলাকাতে প্রচুর মার্কেট যা রাত ৮টায় বন্ধ হয়, ফুটপাতের দোকান গুলো আরো কিছু সময় চলে, এই টানকদের চেহারা দেখে বুঝি এরা নানান দোকানে কাজ করে। একঘুয়ে জীবন, টেনে হয়ত কিছু শান্তি খুঁজে!

যাইহোক, আপনিও সন্ধ্যার পরে শহরে বের হলে এবং দেখার চোখ থাকলে দেখবেন, আর আন্ধা হলে বা এসি গাড়িতে ফেরারী হলে কিছুই বুঝবেন না! সমাজে মাদক থামানোর কোন উপায় আমার জানা নেই, বিশেষ করে গা/ঞ্জাতো থামানোই যাবে না, কারন এটা অনেকটা সিগারেট টাইপ হয়ে গেছে, আর যারা এতে অভস্থ্য তারা এটা টেনেই নানান কাজ কর্ম করে, ব্যাপার না! বিনোদন নাই, সময় কাটানোর জায়গার অভাব, নানান টেনশন, অভাবের সংসার, বিবাহিতদের নানান সমস্যা, সব মিলিয়ে আসলে পুরুষ মানুষ কোথায় যাচ্ছে! ধনীরা হয়ত ক্লাবে জুয়ার আসরে, হোটেলে পানে, ডান্স দেখায় সময় নিচ্ছে, কিন্তু অভাগারা যাবে কই, অন্তত কিছু সময়ে যদি মহাকাশে থাকে, মন্দ কি! কিন্তু সার্বিকভাবে পুরা জাতির পুরুষেরা বিলীন হচ্ছে দিন দিন!

(আমি ভুল লিখলে আপনার অভিমত জানাতে পারেন, পুরা শহরে ঘুরার সামর্থ আমার নেই, তবে বুঝতে পারি, আপাতত সন্ধ্যার পরে একই অবস্থা চারিদিকে এই ঢাকা শহরে।)

মালিবাগ, ঢাকা, রাত ১২টা

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই আগস্ট, ২০২৫ রাত ১:০৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মাদকের মাঝে বেশি খারাপ ডেনডি । ছোটো পুলাপান খায় ।

২| ০৯ ই আগস্ট, ২০২৫ রাত ১:৫৪

কামাল১৮ বলেছেন: গাজা এখানে কোন নিষিদ্ধ বস্তু না।গাঁজার সিগারেট বাজারে কিনতে পাওয়া যায়।নিষিদ্ধ বলেই এতো কথা।৩০/৪০ বছর আগেও গাজা,আফিম চরশ আবগারির দোকানে কিনতে পাওয়া যেতো।

৩| ০৯ ই আগস্ট, ২০২৫ সকাল ৯:৪০

আহা রুবন বলেছেন: আপনি ঢাকা শহরের কথা বললেন, এই মাদক এখন পুরো দেশ ছেয়ে গেছে।

আমি তো গ্রামে যাই কোনও দোকানে আর এখন আধা ঘন্টা বসা যায় না। চারিদিকের মানুষগুলোর মুখে গাঁজার গন্ধ!

৪| ০৯ ই আগস্ট, ২০২৫ সকাল ৯:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: নেশাখোরদের সংখ্যা বেড়েছে।
বাসের ড্রাইভার, হেলপার, টেম্পু ড্রাইভার, হেলপার, ইত্যাদি শ্রেনীর মানূষজন নেশা না করলে কাজ করতে পারে না।

৫| ০৯ ই আগস্ট, ২০২৫ রাত ৯:২৮

লোকমানুষ বলেছেন: ঘটনা গুলো কেবল এখন ঢাকাতেই সীমাবদ্ধ নেই, এটি ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। বিশেষ করে ফ্লাইওভারগুলোর উপরে/নিচে, বিভিন্ন রিকশা স্ট্যান্ডের পাশে-পাশে, পরিত্যক্ত কিংবা ছাদখোলা কন্সট্রাকশন সাইটগুলোতে –কোথায় নেই এসব। শহর কিংবা গ্রাম, সব স্থানেই প্রায় একই রকম চিত্র। আগে টোকাই বাচ্চা গুলো লুকিয়ে কিংবা লোকচক্ষুর অন্তরালে গিয়ে পলিথিনে করে নাকে লাগিয়ে টানতো (এর সঠিক নাম আমার জানা নেই, সম্ভবত ড্যান্ডি নামে পরিচিত; নিশ্চিত নই), এখন আর এদের কোন রাখঢাক নেই, রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে কিংবা রাস্তা পরাপারেও দেখি এসব করে বেড়াচ্ছে। রাষ্ট্র তো ফেল, এখন মনে হয় আমরাও ফেল। আর এখন নতুন করে চলমান ছিনতাই এর মহোৎসবের কথা আর নতুন করে কি বলবো!

৬| ১০ ই আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ২:১৫

সপ্তম৮৪ বলেছেন: গাঁজায় আর কি এমন নেশা হয় তারচেয়ে ঢের ক্ষতিকারক নেশা হলো ধর্মীয় উগ্রবাদীতা। বর্তমানে এই নেশাই বেশি।
২০০৩-২০০৭ সালে আমি যখন কাঁঠালবাগান থাকতাম তখন আমার বন্ধুরা ২০ টাকায় পুড়িয়া কিন্তু।
গ্রীন রোডে টং দোকানের খালাদের কাছে সহজে পাওয়া যেত।

এসব অবশ্য তেমন কোন সমস্যাই না। আপনি ব্যাগ ভর্তি করে বাজার করতে পারতেছেন এটাই সুখের কথা।
কারন বাজারে এখন সবজির দাম কম।



৭| ১১ ই আগস্ট, ২০২৫ সকাল ১১:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.