| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাহাদাত উদরাজী
[email protected] ০১৯১১৩৮০৭২৮গল্প ও রান্না udrajirannaghor.wordpress.comপ্লে স্টোরে ‘গল্প ও রান্না’ এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! আনন্দ সংবাদ! বাংলা রেসিপি নিয়ে এই প্রথম প্লে স্টোরে এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! ‘গল্প ও রান্না’ এখন Play Store এ Apps হিসাবে আপনার হাতের কাছে। নেট কানেশন বা WiFi জোনে থেকে Play Store এ যেয়ে golpo o ranna বা “Golpo O Ranna” বা “com.udraji.rannaghor” লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। খুব সহজেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ‘গল্প ও রান্না’র আইকন ইন্সটল করে নিতে পারেন। ফলে আপনাকে আর মোবাইলে আমাদের সাইট দেখতে লিঙ্ক বা কোন ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে না। নেট কানেশন বা ওয়াইফাই জোনে থাকলেই আপনি ওয়ান ক্লিকেই গল্প ও রান্না দেখতে পাবেন।
নির্বাচনে এবার আমার পছন্দ এনসিপির প্রার্থীরা (জোট বাঁধলেও তারা তাদের নিজস্ব প্রতীক শাপনা কলি নিয়েই নির্বাচন করছে)। এটা আমার এক ধরনের কৃতজ্ঞতা, এদের কারনে আমরা বাক স্বাধীনতা সহ সাধারন চলাফেরা ফিরে পেয়েছি, যদিও জুলাইতে আমি প্রতিটা ঘরের মানুষকে শেষ ৩ দিনে রাস্তায় নামতে দেখেছি। কিন্তু এই তরুণ যুবকেরা যদি এক দফা এক দাবীতে না যেত বা সামান্য আঁতাত করলেও আমাদের আজকের এই নির্বাচন দেখার সৌভাগ্য হত না! ফলে এবারে আমার ভোট এদের পক্ষেই থাকবে। আমার এলাকায় মি নাহিদ ইসলাম দাঁড়িয়েছেন, আমি তাকে ভোট দিবো। কথাটা পরিস্কার করে বললাম এইজন্য যে, আমি আমার বিবেকের কাছে পরিস্কার থাকতে চাই।
বিএনপি মুলত এমন একটা দল এবং এর গঠনতন্ত্র এমন যে, এই দল দেশের যে কোন মানুষকেই আপন করে নিতে পারে বা ঠাই পেতেই পারে। বিএনপি উদার মানের দল, প্রচুর সমর্থক, সব শ্রেনীর মানুষ আছে এই দলে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আমি খুশি হব এবং বিএনপির ক্ষমতায় যাবার সম্ভবনা ৯৫ শতাংশ। গত কয়েকদিনে উলটাপালটা মনে হলেও ঢাকা শহর ছেড়ে লোকেরা গ্রামের বাড়িতে ভোট দিতে যাবার পরে এখন মনে হচ্ছে বিএনপি শহরের সিট গুলোতে জিতে যাবে। তবে আমার ধারনা হাড্ডাহাডি ভোটের লড়াই হবে প্রতিটা আসনে। গ্রামে যাওয়া সব ভোটার যে ভোট দিবে তা নয়, কিছু গেছে ঘুমাতে, কিছু গেছে মাছ ধরতে, কিছু গেছে ফসলের মাঠে ক্রিকেট বা ফুটবল খেলতে, কিছু গেছে প্রিয় মায়ের মুখ দেখতে!
নির্বাচনে আমাদের মত সাধারন ভোটারদের উচিত হচ্ছে নিজের এলাকার শিক্ষিত, মার্জিত, বয়স কম বা যিনি দৌড়াতে পারবেন, কিছুটা হলেও সৎ চৌকস তাকেই নির্বাচিত করা। বুড়ো, ঋণ খেলাপি সহ শয়তানদের ভোট না দেয়াই ভাল, কারন এরা ক্ষমতা পেলেই চুষে রক্ত খাবে। এদের টার্গেট একদম পরিস্কার। এখন কথা হচ্ছে বা মনে প্রশ্ন আসে, আমি এক দল সমর্থন করি, আরেক দলের লোককে কি ভোট দিতে পারি? আমার উত্তর হচ্ছে, কেন নয়? আপনি যদি দেখেন আপনার দল একজন অসভ্য ব্যক্তিকে আপনার মাথায় বসিয়ে দিচ্ছে আপনি কেন গোপনে ভাল ব্যক্তিকে ভোট দিতে পারবেন না! অবশ্যই পারবেন, কারন ভোট আপনার আমানত, বিবেকের ব্যাপার, গোপন। তবে আমি আমার ভোট প্রকাশ্য করেছি, কারন আমি কোন দল করি না, আমার কাছে যা ভাল মনে হয়েছে তাই বললাম মাত্র! আমার ভোট আমি আমার ইচ্ছাতেই দিবো, আমার ভোট সেই ব্যক্তিকে না দিলে তা কাজে না লাগলেও আমি আমার বিবেকের কাছে ভাল থাকতে পারবো যে, আমি অন্তত একজন ভাল ব্যক্তিকে নির্বাচিত করতে চেষ্টা করেছি।
যাই হোক, এবারের ভোট নিয়ে বই লেখা যায়! মানুষ মনে হচ্ছে মুক্ত পাখি হয়েছে, সামান্য সংখ্যক লীগ কল্কি ছাড়া বাকী সবাইকেই ভোটের আনন্দ নিতে দেখছি, যার সাথেই কথা হচ্ছে একটা আনন্দে আছেন বুঝা যাচ্ছে।
আবারো বলছি, দিন শেষে ভোটের জয়ে বিএনপিই হাসবে, এবং তাদের সেই সক্ষমতা আছে, তবে আমার এলাকায় তাদের যোগ্য প্রার্থী নাই বা এবারে আমার চয়েজ আলাদা। তবে আমার একটা আবদার থাকবে, বিএনপি ভোটে জিতে সরকার গঠন করে যেন শহরের পথ শিশুদের নিয়ে কাজ করে, এই পথ শিশুদের জন্য একটা আলাদা আইন ব্যবস্থা করে এদের সুরক্ষা করে, সাথে এমন শিশু যেন আর পথে না আসে!
পুনশ্চঃ
- কয়েকজন আমাকে বিএনপির প্রার্থীকে ভোট দিয়ে ইনবক্স করেছেন, আপনাদের ধন্যবাদ।
- উপজেলা পর্যায়ে একজন ব্যক্তির সাথে কাজ ছিল, তিনি ফোন না ধরে হোয়ার্স আপে যে মেসেজ দিয়েছেন তাতে আমি অবাক, বললেন ভাই ভোটের আগে আমি যাব না, ভোট করে যাব, আপাতত ফোন দিয়েন না! ভোট করাও একটা নেশা!
- আমি ঢাকা ৮ এর জনাবা মেঘনা আলমের রেকোর্ডেড ফোন পেয়েছি, এবং এতে অবাক হয়েছি যে, তিনি প্রতারিত হয়েছেন। আমার ধারনা তাকে যারা মোবাইল ডাটা দিয়েছে, তারা ভুল এলাকার তথ্য দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অন্যদিকে আমি আমার এলাকার বিএনপির প্রার্থীর (ঢাকা ১১) রেকোর্ডেড ফোন পেয়েছি।
- একভাই ইনবক্সে জানতে চেয়েছেন এনসিপির সেরা প্রার্থী কে? আমি মনে করি ঢাকা ১১ থেকে বোন দিলশানা পারুল। আমি তার একজন ভক্ত, তার বোঝার ক্ষমতা, বিষয় ব্যাখ্যা চমৎকার, জ্ঞানের কথা বলে। আমি তার এলাকার হলে সরাসরি তার পক্ষেই ভোট প্রচারে কাজ করতাম।
- সবাই 'হ্যাঁ' ভোট দিয়েন, আমাদের সামান্য সামান্য করে হলেও ভাল পথের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ত্রিশ কোটি(!) মানুষের ত্রিশ কোটি মতামত এই দেশে, তবুও সামান্য কিছু ব্যাপারে সহানুভূতি দেখানো দরকার।

২|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৮
নিমো বলেছেন: পোস্টারেতো দেখা যায় ঢাকা-১৯. নাহিদ থাইল্যান্ডে গেছে নাকি আপনি?
৩|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:১৭
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ৯১ এর পর এবারের নির্বাচন খুব উৎসবমুখর হচ্ছে। চারদিকে ঈদের আমেজের মতো।
যে-দলই ক্ষমতায় আসুক, দেশকে সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত রাখতে পারলেই দেশের মানুষ নিরাপদে ও সুখে দিন কাটাতে পারবে। শুভদিনের অপেক্ষায় সমগ্র জাতি এবং আমি।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৯
মোস্তফা সোহেল বলেছেন: আপনার প্রার্থী আমার পছন্দ হয়েছে।
আমার মনে হয় দেশে মূর্খ মানুষের ভোট দিতে দেওয়া উচিত নয়।