নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহাদাত উদরাজী\'র আমন্ত্রণ! নানান বিষয়ে লিখি, নানান ব্লগে! নিজকে একজন প্রকৃত ব্লগার মনে করি! তবে রান্না ভালবাসি এবং প্রবাসে থাকার কারনে জীবনের অনেক বেশী অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা প্রকাশ করেই ফেলি - \'গল্প ও রান্না\' সাইটে! https://udrajirannaghor.wordpress.com/

সাহাদাত উদরাজী

[email protected] ০১৯১১৩৮০৭২৮গল্প ও রান্না udrajirannaghor.wordpress.comপ্লে স্টোরে ‘গল্প ও রান্না’ এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! আনন্দ সংবাদ! বাংলা রেসিপি নিয়ে এই প্রথম প্লে স্টোরে এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! ‘গল্প ও রান্না’ এখন Play Store এ Apps হিসাবে আপনার হাতের কাছে। নেট কানেশন বা WiFi জোনে থেকে Play Store এ যেয়ে golpo o ranna বা “Golpo O Ranna” বা “com.udraji.rannaghor” লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। খুব সহজেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ‘গল্প ও রান্না’র আইকন ইন্সটল করে নিতে পারেন। ফলে আপনাকে আর মোবাইলে আমাদের সাইট দেখতে লিঙ্ক বা কোন ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে না। নেট কানেশন বা ওয়াইফাই জোনে থাকলেই আপনি ওয়ান ক্লিকেই গল্প ও রান্না দেখতে পাবেন।

সাহাদাত উদরাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভুটান ও বাক স্বাধীনতা!

২৩ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪৪

ভুটানের নাগরিকদের জন্য দেশটির সরকার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা নিশ্চিত করেছে, যা দেশটির "গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস" (GNH) দর্শনের মূল ভিত্তি। ভুটানের সাধারণ মানুষ মূলত যে সমস্ত প্রধান সুবিধা বিনামূল্যে পেয়ে থাকেন, তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

১. সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা (Free Healthcare)
ভুটানের সংবিধানে প্রতিটি নাগরিকের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাওয়া আইনি অধিকার হিসেবে স্বীকৃত।
* চিকিৎসা ও ওষুধ: সরকারি হাসপাতাল এবং হেলথ সেন্টারগুলো থেকে পরামর্শ, আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা (যেমন- এক্স-রে, সিটি স্ক্যান) এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত ওষুধ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হয়।
* ঐতিহ্যগত চিকিৎসা: আধুনিক চিকিৎসার পাশাপাশি ভুটানের ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাপদ্ধতি' সোয়া রিগপা এর মাধ্যমেও বিনামূল্যে সেবা দেওয়া হয়।
* বিদেশে উন্নত চিকিৎসা: কোনো রোগের চিকিৎসা যদি ভুটানে সম্ভব না হয়, তবে সরকার সম্পূর্ণ নিজস্ব খরচে রোগীকে ভারত বা ব্যাংককের উন্নত হাসপাতালে পাঠায়। এর মধ্যে রোগীর বিমান ভাড়া, থাকার খরচ এবং ওষুধের ব্যয়ও অন্তর্ভুক্ত থাকে।
* পর্যটকদের সুবিধা: সাধারণ নাগরিকদের পাশাপাশি ভুটানে বেড়াতে আসা পর্যটকরাও জরুরি প্রয়োজনে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা বিনামূল্যে পেয়ে থাকেন।

২. বিনামূল্যে শিক্ষা (Free Education)
ভুটান সরকার দেশের প্রতিটি শিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করতে বড় ধরণের ভর্তুকি দেয়।
* দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা: কিন্ডারগার্টেন থেকে শুরু করে দ্বাদশ শ্রেণী (Grade 12) পর্যন্ত শিক্ষা সম্পূর্ণ ফ্রি।
* আনুষঙ্গিক সুবিধা: অনেক সরকারি স্কুলে শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে হোস্টেলে থাকা, খাবার এবং পড়াশোনার প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হয়।
* উচ্চশিক্ষায় স্কলারশিপ: দ্বাদশ শ্রেণীর পর মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা দেশের ভেতরে এবং বিদেশে (যেমন—বাংলাদেশ, ভারত বা শ্রীলঙ্কায়) সরকারি বৃত্তির অধীনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষা ও মেডিকেল পড়াশোনা করার সুযোগ পায়।

৩. ভূমি বা জমি বরাদ্দ (Kidu System)
ভুটানের রাজকীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী কোনো নাগরিক যদি ভূমিহীন হন কিংবা ঘরবাড়ি তৈরি করার সামর্থ্য না থাকে, তবে তিনি রাজার কাছে আবেদনের মাধ্যমে বিনা মূল্যে জমি (Kidu) পেয়ে থাকেন। এই ব্যবস্থার কারণে ভুটানে কোনো মানুষ গৃহহীন বা ভিক্ষুক থাকে না।

৪. বিনামূল্যে সরকারি হেল্পলাইন ও নাগরিক সেবা (Citizen Services)
* ১১৯৯ হেল্পলাইন: নাগরিকদের তাৎক্ষণিক তথ্য ও বিভিন্ন সরকারি ফরম পূরণে সহায়তার জন্য দেশজুড়ে ২৪ ঘণ্টা কার্যকর একটি [টোল-ফ্রি হেল্পলাইন (1199)] রয়েছে।
* ডিজিটাল নাগরিক সেবা: '[ইন্টিগ্রেটেড সিটিজেন সার্ভিসেস] (ICS) এবং ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ও পাসপোর্ট আবেদন সংক্রান্ত ৫০টিরও বেশি সরকারি সেবা ঘরে বসেই বিনামূল্যে বা নামমাত্র মূল্যে নেওয়া যায়।
ভুটানের এই জনকল্যাণমূলক ফ্রি সেবাগুলোর সিংহভাগ ব্যয় নির্বাহ করা হয় পর্যটকদের কাছ থেকে নেওয়া দৈনিক [সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ফি] এবং অভ্যন্তরীণ কর ব্যবস্থা থেকে।

ফেইসবুকের এক বন্ধু মি নাজিম উদ্দিন ভাই লিখেছেন, দেশে এত সুখ থাকলে ভুটানিরা দেশের বাইরে শরনার্থী হয় কেন‌?
উত্তর সহজ - রাজতন্ত্র! মানুষ মুূলত তার মনের কথা এবং স্বাধীনভাবে চলতে চায়, তার নিজের মত করে, সেটা অনুপস্থিত। ভুটানের বহুল প্রচারিত 'গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস' বা 'মোট জাতীয় সুখ' (GNH)-এর আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ভয়াবহ জাতিগত নিধন, বৈষম্য এবং অর্থনৈতিক সংকটের ইতিহাস, যা দেশটিকে বিশ্বের অন্যতম বড় শরণার্থী সংকট তৈরির কারিগরে পরিণত করেছে। বাহ্যিকভাবে বিশ্বজুড়ে সুখী দেশের যে ভাবমূর্তি ভুটান তৈরি করেছে, তার ভেতরে রয়েছে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের এক অন্ধকার অধ্যায়। ক্ষমতাসীনেরা অনেক কিছু দিলেও কথা বলতে দেয় না!

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৫৭

নতুন বলেছেন: ফেইসবুকের এক বন্ধু মি নাজিম উদ্দিন ভাই লিখেছেন, দেশে এত সুখ থাকলে ভুটানিরা দেশের বাইরে শরনার্থী হয় কেন‌?


যারা শরনার্থী তাদের বেশির ভাগই অনেক আগে দেশের বাইরে গিয়েছিলো ১৯৯০ এর সময়ে লোতশাম্পারা কানাডা, আমেরিকাতে আশ্রয় নিয়েছিলো।

বর্তমানে ভুটানীরা দেশের বাইরেই কম যায়।

আমাদের কয়েকজন ভুটানী কলিগ ছিলো। ১৫০ জনের মতন । ভুটানের রানী দুবাই ভ্রমনের সময় আমাদের হোটেলে অবস্থান করেছিলেন, তিনি সকল ভুটানীদের কলিগ দের ডেকে দেখা করেছিলেন।

আমি যেই কয়জন ভুটানী কলিগের সাথে কথা বলেছি তারা সবাই বলেছিলো বর্তমানের রাজা এবং সরকারের শাসনে তারা ভালো আছে।

২৩ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:০৫

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: ধন্যবাদ, তথ্য জানানোর জন্য। হ্যাঁ, আগের মত জাতিগত দাঙ্গা এখন আর নেই বলা চলে।

২| ২৩ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:০০

নতুন বলেছেন: আমি মনে করি আমাদের দেশের সরকার চাইলে দেশে বিনামূল্যে চিকিতসা চালু করতে পারে। আমাদের সেই সামর্থ বর্তমানে আছে। সরকার চাইলে সেই টাকা যোগাড় করতে পারবে।

২৩ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:০৪

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: সরকার চাইলে কি না হয়? চায় তো না! অহেতুক নানান ফালতু বিষয় নিয়ে কাজ করে, অথচ সঠিক দুই একটা করতে পারলেই জন প্রিয়তা পেতে পারত!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.