| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আনিসুজ্জামান উজ্জল
আমার পুরা নাম এ ড ব্লিউ এম আনিসুজ্জামান। সাংবাদিকতা করার সময় লিখতাম আনিসুজ্জামান উজ্জল নামে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত ছিলাম। বার্তা সংস্থা এনএনবি, আজকের কাগজ এবং আমার দেশ পত্রিকার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ছিলাম। ২০০৮ এর এপ্রিলে পড়াশোনার পাঠ চুকিয়েছি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে। এখন প্রাকটিক্যাল এ্যাকশন নামে একটা আন্তর্জাতিক এনজিওতে কমিউনিকেশনস্ অফিসার হিসেবে কাজ করছি। আড্ডা দিতে ভালোবাসি। অবসরে বই পড়ি, গান শুনি [email protected]
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টিউশন ফি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। এর ফলে বেড়ে যাবে শিক্ষার খরচ। বাড়বে বেতন।
আমার মনে পড়ছে কয়েক বছর আগের কথা। রাজশাহী বিশ্বিদ্যালয় প্রশাসন সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য ফিস বাড়াতে গিয়ে প্রায় তিনগুন থেকে ৫গুন করে ফেলেছে। জরুরী অবস্থার সুযোগে এটা পাশ করে ফেলেছে। দ্বিগুন বাড়িয়েছে হলের সিট ভাড়া।দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেয়া হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন আর বর্ধিত খরচ মেটাতেই এই পদক্ষেপ।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত এত সহজে বোধহয় হবে না। আন্দোলন হবে। মারামারি হবে, বন্ধও হয়ে যেতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। গত ২ বছরের নানা অঘটনে এমনিতেই অনেক সেশনজট তৈরি হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে। নতুন করে বন্ধ হলে শিক্ষাজীবন কোথায় গিয়ে দাড়াবে সেটাই ভাবনার বিষয়।
আপনি কি মনে করেন টিউশন ফি বাড়ানো উচিত?
২|
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৭
মিলটন বলেছেন: কিচ্ছু হবে না, ঐ দেখবেন দুই একদিন। আমগো পাব্লিকরে চিনেন না। এই যে দুই বছর সরকার আমাগো নিয়ে যে খ্যাত কাঁচা করলো কোন পাব্লিক কি কিছু কইসে? ২৬ টাকার চাল যে ৪৫ টাকায় খাচ্ছে তাতে কি কেউ মরেছে? কষ্টে কথাটা বললাম।
৩|
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৭
একা পথচারী বলেছেন: ফি বাড়ুক।
শিক্ষার মানোন্নয়ন হলো মূল কথা। ফি বেড়ে যদি শিক্ষার মান বাড়ে আর সেশন জট কমে, তাহলে বাড়ুক।
৪|
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৪
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: ফি বাড়ুক আমি এর বিপক্ষে নই, কিন্তু সেটা কত বাড়ানো হবে সেটাই বিবেচ্য।
৫|
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১৯
দূরন্ত বলেছেন: এই বাজারে একজন নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্ত ঘরের মানুষের পক্ষে বাড়তি একটা টাকাও খরচ করা সম্ভব হয়না। এমন অবস্থায় ফি বাড়ানো মানে শিক্ষা থেকে এমন পরিবারের মেধাবী সন্তানদের দূরে সরিয়ে দেওয়া।
আমার মতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মেধাবীদের জন্য শিক্ষা পুরোপুরি ফ্রি হওয়া উচিত। পৃথিবীর বহু দেশে শিক্ষার জন্য কোনো খরচই হয়না। কারণ শিক্ষিতরা তাদের দেশের সম্পদ।
যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার খরচ বাড়ানোর কথা বলে তাদের আমি নিন্দা জানাই।
উইকিপিডিয়ায় পেলাম বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বছরে ৪৫৫ ডলার। মাসে মাথাপিছু ৩০০০ টাকার সামান্য বেশি। এইসব কথা বলার আগে দুইখান জিনিস চিন্তা করার অনুরোধ করি....
১. দেশের মাথাপিছু আয় কতো আর একজন ছাত্রের পক্ষে কতোখানি উপার্জন করা সম্ভব।
২. একজন অভিভাবকের পক্ষে সন্তানের জন্য কতো টাকা দেয়া সম্ভব। কারণ এক পরিবারের মাত্র একজন সন্তান থাকে না।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: ঠিকই বলেছেন।
৬|
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:২৮
শরৎ চৌধুরী বলেছেন: এটা একটা জটিল আলাপ। আমার একটা লেখা ছিল জাবি প্রেক্ষীতে, দেখি পাই কিনা তাহলে দিয়ে দিব ব্লগে। প্রসঙ্গ উত্থাপনের জন্য ধন্যবাদ।
৭|
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৮
অপরাজিতা ০০৭ বলেছেন: @দূরন্ত: সহমত।
টিউশন ফি বাড়লে মধ্যবিত্ত আর উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখবেনা।
৮|
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১৩
কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন: আমি বাড়ানোর পক্ষে কারণ আমি পাবলিকে পড়ি না।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: আপনেরে কিছু বলার নাই।
৯|
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৯
একা পথচারী বলেছেন: কত বাড়বে? এখন বেতন হওয়া উচিত মাসিক অন্তত ৫০০০ টাকা। আমার কথা না কিন্তু। আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের কথা। উনি বলেছেন, যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয় তখন বেতন ছিল ৩ মণ চালের সমান, তখন মান ভালো ছিল। এখন কেন বেতন ১২ বা ১৬ টাকা হবে? সব সময়ই যদি বেতন ৩ মণ চালের সমান হত, তাহলে এখন মানের এত অবনতি হত না। এখন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেতন নিচ্ছে বেশী। তাদের সুযোগ সুবিধাও বেশী। সমস্যা যদিও আছে অন্য দিক দিয়ে, তবে তারা সুয়োগ সুবিধা দিতে পারছে। আজকে যদি ঢাকা বা রাজশাহী বা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বেতনের পরিমাণ বাড়িয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারে, শিক্ষার্থীদেরই তাতে লাভ। শিক্ষকদের লাভ।
এখন কারো জীবনের লক্ষ্য নয়, যে সে বড় হয়ে একজন শিক্ষক হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বেতন বাড়লে, শিক্ষকদের জন্য লজ্জাজনক এই পরিস্থিতিরও হয়ত কিছু উন্নতি হবে।
১০|
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫
দূরন্ত বলেছেন: @ একা পথচারী ও যারা টিউশন ফি বাড়ানোর পক্ষে....
প্রতিষ্ঠার সময় ঢাবির শিক্ষার্থীরা যে পরিমাণ স্কলারশিপ পেতো তা দিয়ে তারা রাজার হালে থাকতে পারতো।
আর টাকা বেশি দিলেই যে তারা ভালো সুযোগ সুবিধা দিবে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। যেমন,
১.
টিএন্ডটি ফোনের কথাই ধরেন। সেখানে লাইন নেয়ার সময় ২০ হাজার টাকা লাগতো। এছাড়াও ঘুষের কথা বাদই দিলাম। কিন্তু সার্ভিস কতোখানি দিতো তা তো সবাই জানেন। টাকা দেবার পরে আমাদের বাসার ফোন পেতে দুই বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য ৬ মাস ফোন বন্ধ ছিল। আর মাঝখানে বেশ কয়েকবার মাসখানেক (অন্তত ৩ মাস) ফোন ডেড ছিল।
২.
কয়েক বছর আগে মিরপুর থেকে নিউমার্কেট লোকাল বাসের ভাড়া ছিল দুই টাকা। কয়দিন পর তারা ডাইরেক্ট নামে আরেকটা বাস চালু করে। ডাইরেক্ট বাসের ভাড়া তিন টাকা। খুব ভালো সার্ভিস চালু করে। দুইদিন পরে আবার তারা গেটলক বাস চালু করে আর লোকাল বাসটা উঠিয়ে দেয়। বদলে পুরনো ডাইরেক্ট বাসটাকে লোকাল বাসে রুপান্তর করে। ভাড়াটা কিন্তু কমে না। এভাবে একসময় ৪ টাকা, ৫ টাকা, ৬ টাকা, ৯ টাকা করে বাস ভাড়া বাড়তেই থাকে। সার্ভিস কিন্তু আগেরটাই।
কাজেই ভাইয়া, আমার কথা হচ্ছে, টাকা বাড়ালে সার্ভিস বাড়বে এমন কোনো কথা নাই। তাই সরাসরি সার্ভিস বাড়ানোর পক্ষে আন্দোলনের পক্ষে আমি। কোনোভাবেই টাকা বাড়িয়ে নয়।
মাথাপিছু আয়ের ব্যাপারটা আবার চিন্তা করার অনুরোধ করছি।
উন্নত দেশগুলোতে, যেমন ইউরোপের অনেকগুলো দেশে পড়াশোনার জন্য কোনো ফি লাগেই না।
বৃটেনে ইউনিভার্সিটির আগ পর্যন্ত (সম্ভবত ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত) শিক্ষা পুরোপুরি ফ্রি। বৃটেনে মাথাপিছু আয় প্রায় ৩৫ হাজার ডলার বছরে। সেখানে মিডিয়াম ইউনিভার্সিটি ছাত্রের বছরে খরচ প্রায় ২০ হাজার ডলার। বৃটিশ ছাত্রদের সে খরচের প্রায় অর্ধেক (বা কাছাকাছি) সরকার থেকে দিয়ে দেয়। আর বাকি টাকাটা তারা খুব সহজেই লোন নিতে পারে। কাজেই পড়াশোনাটা তারা তাৎক্ষণিক কোনো খরচ ছাড়াই করতে পারে।
কিন্তু বাংলাদেশে সে সুযোগ কই? শিক্ষা ফ্রি করতে না পারুক অন্তত কম খরচে রাখুক। রাষ্ট্রের কাছে এটাই হোক আমাদের দাবী।
দুঃখিত। বকবক করার জন্য।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৩
মুহিব বলেছেন: টিউশন ফি বাড়ানোর পক্ষে