নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অনিরুদ্ধ ভাষণ

সাব্বির আহমেদ ভাষন

একটু বেশি ভাবি।স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি আর ভালবাসি গান শুনতে।পড়াশোনা যা হয়েছে হয়তো বা অনেক, বাকিটা চেষ্টা চলছে।ভালবাসি নিজেকে,ভালবাসি বই পড়তে।এই আমি এই আমার পৃথিবী.........

সাব্বির আহমেদ ভাষন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্ষণ নাকি মিচুয়াল রিলেশন

২৩ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ৯:৪৭

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ জিনিস টা আসলে কি? আজ ফেসবুকে দেখলাম এক শিক্ষক তিনবছর যাবৎ তার এক ছাত্রী কে ধর্ষণ করে আসছিল এবং শিক্ষকটি কয়েকদিন আগে অন্য মেয়েকে বিয়ে করায়, মেয়েটি ফেসবুকে ৮ লাইনের একটা স্ট্যাটাস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে!!

আমি বুজি না এই মেয়ে গুলা এত বোকা হয় কেমনে? তিন বছর কাউকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করা যায়? নরমালী এই টাইপ রিলেশনে মিচুয়ালী ছেলে-মেয়েরা শারীরিক সম্পর্কে যেয়ে থাকে৷ সে ক্ষেত্রে আর যাই হোক এটাকে "ধর্ষণ" বলা যায় না!

কারো সাথে শারীরিক সম্পর্কে যাওয়ার আগে একশ বার ভাবা উচিত! এ সম্পর্কের ভবিষ্যত কি! কি হতে পারে!! জেনে-বুজে-দেখে রিলেশনে না গেলে ভবিষ্যতে এই টাইপ আত্নহত্যার সংখ্যা প্রচ্চুর বাড়বে।

সম্পর্ক টা কে পবিত্র রাখার চেষ্টা করি। যেখানে থাকবে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আর বিশ্বাস। শুধু শুধু সম্পর্কে অন্য জিনিস ঢুকিয়ে দুই দিন পর পর ফেসবুকে কান্না ওয়ালা সিম্প্যাথি আদায় করার নিমিক্তে সারা দেশের মানুষের কাছে নিজেদের চরিত্রের পোষ্টমডেম না করি!!

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১০:৩৬

নতুন বলেছেন: বিদেশে বয় ফ্রেন্ড/ গার্লফ্রেন্ডের মতন থাকবে কিন্তু ব্রেক আপ হলেই ধর্ষনের অভিযোগ করবে সেটা ঠিক না।

যদি দুইজনেরই সম্মতি থাকে তবে ধর্ষনের প্রশ্ন আসবেনা।

দিল্লির একটা মামলায় মনে এই নিয়ে একটা রায়ও দিয়েছেন যে ব্রেক আপ হলেই ধর্ষনের অভিযোগ করা যাবেনা।

২| ২৩ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১১:২১

শেরজা তপন বলেছেন: বিষয়টা নিঃসন্দেহে বেশ স্পর্শ-কাতর! তবে ভাববার আছে...

সবখানেই শুধু মেয়েরাই প্রতারিত হয় কি? পুরুষের কৌমার্যের ও খানিকটা মুল্য থাকা উচিত। ছেলেরা প্রতারিত হলে কার কাছে যাবে???????

৩| ২৩ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১১:৩০

দিগন্ত জর্জ বলেছেন: নতুন বলেছেন: "যদি দুইজনেরই সম্মতি থাকে তবে ধর্ষনের প্রশ্ন আসবেনা।" ভালো বলেছেন।

৪| ২৩ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১১:৫৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: বিয়ের প্রলোভনে শব্দটাই ধর্ষন শব্দটাকে নাকচ করে দেয়!
প্রলোভিত হয়ে যখন শারিরিক সম্পর্ক হয়, তা কি ধর্ষন বলা যায়? ধর্সনের সংগাটি লক্ষ্য করুন
'ধর্ষণ' (বাংলা উচ্চারণ: [ধর্ষণ] (এই শব্দ সম্পর্কেশুনুন)) এক ধরনের যৌন আক্রমণ। সাধারণত, একজন ব্যক্তির অনুমতি ব্যতিরেকে তার সঙ্গে যৌনসঙ্গম বা অন্য কোনো ধরনের যৌন অনুপ্রবেশ ঘটানোকে ধর্ষণ বলা হয়। ধর্ষণ শারীরিক বলপ্রয়োগ, অন্যভাবে চাপ প্রদান কিংবা কর্তৃত্বের অপব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত হতে পারে। অনুমতি প্রদানে অক্ষম (যেমন- কোনো অজ্ঞান, বিকলাঙ্গ, মানসিক প্রতিবন্ধী কিংবা অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি) এরকম কোনো ব্যক্তির সঙ্গে যৌনমিলনে লিপ্ত হওয়াও ধর্ষণের আওতাভুক্ত[১][২][৩]। ধর্ষণ শব্দটির প্রতিশব্দ হিসেবে কখনো কখনো 'যৌন আক্রমণ' শব্দগুচ্ছটিও ব্যবহৃত হয়[৪]। (উইকি)*

মিউচুয়াল যৌন সম্পর্ক নিয়ে নতুন আইনি টার্ম নিয়ে ভাবনার সময় হলো বুঝি।

শেরজা তপন ভায়ার সাথে সহমত । পুরষের কৌমার্যও মূল্য থাকা উচিত রাখা উচিত।



৫| ২৩ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১১:৫৩

নতুন বলেছেন: বাইরের দেশে ছেলে মেয়েরা একসাথে থাকে তারপরে বিয়ে করা যদি ভালো লাগে।

আমাদের দেশে আগে প্রেম করতো এবং বিয়ে করতো কিছু।

এখন প্রেম করে এবং শারীরিক সম্পক করে এবং বিয়ে না হলে নারী সামাজিক ভাবে কিছুটা সমস্যায় পরে। তাই অনেকে প্রতারনার প্রসংঙ্গ নিয়ে আসে।

যদি প্রেম করে শারিরিক সম্পর্ক করে তবে ধর্ষনের বিষয়টা আনা ঠিক না। যদি বিয়ের প্রলোভন দিয়ে থাকে তবে প্রতারনা অভিযোগ আনতে পারে বড়জোড়।

৬| ২৩ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১২:০০

নতুন বলেছেন: শেরজা তপন বলেছেন: বিষয়টা নিঃসন্দেহে বেশ স্পর্শ-কাতর! তবে ভাববার আছে...

সবখানেই শুধু মেয়েরাই প্রতারিত হয় কি? পুরুষের কৌমার্যের ও খানিকটা মুল্য থাকা উচিত। ছেলেরা প্রতারিত হলে কার কাছে যাবে???????


ছেলেরা মেয়েদের দ্বারা কামার্য হারায় বয়সে বড় নারীর দ্বারা এবং এই সম্পর্ক কখনোই ভালো ভাবে শেষ হয় না।

এই মানুষিক ট্রমা অনেক ছেলের জীবন পুরুপুরি ধংষ করে দেয়।

৭| ২৩ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১২:২৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

আমরা ধর্মীয় অনুশাসন থেকে দুরে সরে যাবার কারণে
এবং কোরআন-হাদিসের অপব্যখ্যা বা মনগড়া যুক্তি
উপস্থাপন করে নিজেদের তথাকথিত ইনটেলেকচ্যুয়াল
জাহির করতে গিয়ে এমন গর্হিত কাজে জড়িয়ে পরি।
আমারা ধর্মকর্ম পালন করি লোক দেখানোর জন্য।
হাদিস কোরানের ব্যখ্যা করি নিজের সুবিধার জন্য।
ধর্মের বিধান না মেনে যুবক/যুবতী ক যুবকরে সাথে
দৈহিক মিলন করে বিবাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে। কিন্তু
কোন কারণে যখন সেই বিয়ে বাস্তবায়িত হয়না তখন
তাকে ধর্ষণ নামে আখ্যায়িত করে। যা সম্পূর্ণ ভুল।
উভয়ের সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক হলে তা সহবাস
ধর্ষণ নয়। আপনাদের মনে থাকার কথা সেই ভাইরাল
বাণীঃ "মজা তুমিও পাইছো আমিও পা্ইছি" তা হলে আজ
অভিযোগ কেন পুরুষের বিরুদ্ধে ? ধর্ম মানুন, ধর্মের
আদেশ নির্দেশ মানুন, নিরাপদ থাকুন।

৮| ২৩ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১২:৪৮

শেরজা তপন বলেছেন: ব্লগার নতুন বলেছেন; ছেলেরা মেয়েদের দ্বারা কামার্য হারায় বয়সে বড় নারীর দ্বারা এবং এই সম্পর্ক কখনোই ভালো ভাবে শেষ হয় না।

এই মানুষিক ট্রমা অনেক ছেলের জীবন পুরুপুরি ধংষ করে দেয়।


সহমত। আমি এমন অনেক ছেলেকেই চিনি। লিখব একদিন তাদের নিয়ে

৯| ২৩ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১:২৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: তিন বছর কেন আরো বেশীও পারা যায় উভয় সম্মতিতে । তবে মেয়েরা আবেগী তাই অভিয়োগ করে

১০| ২৩ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:২৪

রাশিয়া বলেছেন: এটা অস্বীকার করার কোন উপায়ই নেই যে এই সমাজে নারী পুরুষের উপর সর্বাংশে নির্ভরশীল। একটা পুরুষ এককভাবে সিদ্ধান্ত নেয় যে নির্দিষ্ট কোন নারীকে সে বিয়ে করে তার খাওয়া পড়ার দায়িত্ব নেবে কিনা। এক্ষেত্রে ক্ষমতা যেহেতু পুরুষের - তাই একটি মেয়ের সর্বনাশ করার পর তার দায়িত্ব নেবার ব্যাপারে সে সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। এতে অবাক হবার কিছু নেই। যে ধরণের মেয়েরা অভিযোগ করে, তারা বিয়ের আশায় নয়, বরং যৌন সুখ অথবা পরিস্থতির চাপে পড়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। কিন্তু কোন মেয়ের সাথে সেক্স করলে তাকে বিয়েও করতে হবে - এরকম কোন আইন নেই এবং থাকা উচিতও নয়। তাই শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর আগে বুঝে শুনে জড়ানো উচিত - সব দায়ও তাদেরই নেয়া উচিত।

তবে বাংলাদেশের আইনে বিবাহ বহির্ভুত শারীরিক সম্পর্ক দন্ডনীয় অপরাধ হলেও তার প্রয়োগ না থাকায় বিশেষ করে লুইচ্চা শ্রেণীর পুরুষেরা অবাধে সুযোগ নিচ্ছে এবং অল্প বয়েসী মেয়েদের ভুলিয়ে ভালিয়ে ব্যাভিচারে লিপ্ত হচ্ছে। এদেরকে আইনের আওতায় আনলে এ ধরণের ঘটনা রোধ করা যেতে পারে।

১১| ২৩ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: সেই আদিম যুগ থেকে আজও ধর্ষন চলছেই। মনে অহ্য দুনিয়াতে কোনো দিন ধর্ষন বন্ধ হবে না।

১২| ২৩ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: সেক্স ব্যাপয়ারটা দুনিয়ায় না থাকলে দুনিয়াটা ভীষন আনন্দময় এবং সুন্দর হতো।

১৩| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ২:২৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: এই আইনটা যখন বৃটিশরা করে,সেই সময়ে একটা মেয়ের বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক হওয়াটা সামাজিকভাবে ভয়ংকর ছিলো।কিন্ত ডিশ এ্যান্টেনা আসার পর থেকে এদেশে গ্রাম-শহর সব জায়গাতেই এসব উন্নত দেশের মতোই চলছে। বহু মেয়ে একাধিক ছেলের সাথে সম্পর্ক করলেও যাকে বিয়ে করা লাভজনক,সে না করলে এসব অভিযোগ করা উচিত। তাই প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের জন্য এই আইন বাতিল করা উচিত। তবে তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা করা যায়।
তবে কোনো ভদ্র পরিবারের সভ্য ব্যাক্তি কোনো মেয়েকে বিয়ে কারার প্রলোভন দেখিয়ে এসব অপরাধ করে না।তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা করা যায়।
*****এই পোষ্ট কেনো দিয়েছেন অনুমান করতে পারলাম।
কোনো ব্লগারের উল্টা-পাল্টা মন্তব্য দেখে,ঠিক?

১৪| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ ভোর ৪:৩২

সিদ্ধাচার্য লুইপা বলেছেন: যেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই পোস্ট সেটা পড়ে একটু মন খারাপ হয়েছিলো। তবে, আমাদের উন্নত দেশের সিনেমা-গান-গল্প দেখে আধুনিক হওয়ার চেষ্টারত প্রজন্ম, মন মানসিকতা আধুনিক করতে পারছে না। সম্মতিতে হলে সেটা কোনোমতেই ধর্ষণ না, তবে পরবর্তীতে মিউচুয়াল সেক্সের মতন, মিউচুয়াল ব্রেকাপটাও দেখার বিষয়। লুকিয়ে আরেক জনের সাথে সম্পর্ক করলে সেটা একজনকে ধোঁকা দেয়া ও তার জন্য একটা বাজে পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। আসলে এই পুরো ব্যাপারটা এতই স্পর্শকাতর যে এখানে পক্ষ নেয়াটা আসলে বোকামি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.