নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কট্টরপন্থী বাঙালী

কট্টরপন্থী বাঙালী

জ্ঞাতিবৈর

জ্ঞাতিবৈর › বিস্তারিত পোস্টঃ

মেজর জিয়া গুলিবিদ্ধ

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৪০

বাগেরহাটের বঙ্গোপসাগর এলাকায় দুবলা ফিসারম্যান গ্রুপের চেয়ারম্যান ও মুক্তিযুদ্ধের ৯নং সেক্টরের সুন্দরবন সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) জিয়া উদ্দিন আহমেদকে গুলি করেছে বনদস্যু মর্তুজা বাহিনী। আত্মরক্ষার্থে মেজর জিয়া ও তার সহযোগীরা পাল্টা গুলি ছুড়লে ৪ বনদস্যু নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তার ছোট ভাই কামাল উদ্দিন আহমেদ।



দস্যুদের গুলিতে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন মেজর জিয়া। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার সিএমএমএইচ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। গুলিবিদ্ধ মাথায় তার প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তার ছোট ভাই।



দুবলা ফিসারম্যান গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ও মেজর জিয়ার ছোট ভাই কামাল উদ্দিন আহমেদ মোবাইলে জানান, মেজর জিয়া খুলনা থেকে সুন্দরবনের দুবলার চরে যাওয়ার পথে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চরাপুটিয়া এলাকায় বনদস্যু মর্তুজা বাহিনী তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে মেজর জিয়া ও তার সহযোগী জেলেরাও দস্যুদের ওপর পাল্টা গুলি চালান। এ সময় মেজর জিয়ার মাথায় গুলি লেগে গুরুতর আহত হন।



উভয়পক্ষের মধ্যে আধ ঘণ্টা ধরে চলা গুলি বিনিময়কালে গুলিবিদ্ধ হয়ে ৪ বনদস্যু নিহত হয়েছেন বলেও জানান কামাল উদ্দিন আহমেদ।



পরে খবর পেয়ে দুবলা থেকে স্পিডবোট নিয়ে মেজর জিয়াকে উদ্ধার করে দুবলার চরে নেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য মেজর জিয়াকে দ্রুত ঢাকায় পাঠানোর জন্য স্কয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান অঞ্জন চৌধুরীর কাছে সহায়তা চান তার ভাই কামাল উদ্দিন আহমেদ।



এরপর শুক্রবার বিকেলে তাকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।



জেলেদের বরাত দিয়ে দুবলা ফিসারম্যান গ্রুপের নেতা ও জিয়ার ভাগ্নে শাহানূর রহমান সামিম জানান, জিয়া শুক্রবার সকাল ১০টায় খুলনা থেকে মংলায় আসেন। মংলা থেকে দু’টি মিনি কার্গো (এমভি রকি রেখা ও সাখি-২) নিয়ে দুবলায় যাওয়ার সময় সুন্দরবনের ভদ্রা ও চরাপুটিয়া ফরেস্ট অফিসের মধ্যবর্তী চাউলা বগি এলাকায় দস্যু মর্তুজা বাহিনীর হামলার মুখে পড়েন। এ সময় তিনি কার্গো সাখি-২ এ অবস্থান করছিলেন।



বেলা সাড়ে ১২টার দিকে দস্যু বাহিনী বৃষ্টির মতো গুলি বর্ষণ শুরু করলে আত্মরক্ষার্থে জিয়া ও তার সঙ্গী জেলেরাও পাল্টা গুলি ছোড়েন। এক পর্যায়ে তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হলে মর্তুজা বাহিনী পিছু হটে। পরে তাকে সঙ্গী জেলেরা দুবলায় নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার আরো অবনতি ঘটতে থাকলে বিকাল ৪টায় হেলিকপ্টারযোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।



জিয়ার সঙ্গী জেলেরাও দাবি করেছেন, ভাষ্য অনুযায়ী গুলি বিনিময় চলাকালে ৪ দস্যু গুলিবিদ্ধ হয়ে নদীতে পড়ে যান। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের মৃত্যু হয়েছে।



তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো লাশ পাওয়া যায়নি।



এদিকে ঘটনার পর থেকে গোটা সুন্দরবন জুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে বলে জেলেরা জানিয়েছেন। তারা আরো জানিয়েছেন, সাধারণ জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে জেলেদের নিরাপত্তায় কোস্টগার্ড টহল ব্যবস্থা জোরদার করেছে।



মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পুরো সুন্দরবন নিয়ন্ত্রণ করেন এই কিংবদন্তীর মুক্তিযোদ্ধা। বীরত্বের সঙ্গে সুন্দরবন অঞ্চলে যুদ্ধ করে তিনি ও তার বাহিনী পাকিস্তানি সেনা ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের পর্যদুস্ত ও পরাজিত করেন। পুরো অঞ্চলকে মুক্ত করেন মেজর জিয়া। খ্যাতিমান মৎস্য ব্যবসায়ী মেজর জিয়া বনদস্যুদের কাছেও আতঙ্কস্বরূপ। এ কারণে তার ওপর বনদস্যু মর্তুজা বাহিনী হামলা করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

লিংক

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৫৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: জ্ঞাতিবৈর,
দুঃখজনক । একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা এতো সহজে মরেন না, এই বিশ্বাস রাখি ।

তার সুস্থ্যতা কামনা করি ।

২| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:১৫

রানার ব্লগ বলেছেন: মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পুরো সুন্দরবন নিয়ন্ত্রণ করেন এই কিংবদন্তীর মুক্তিযোদ্ধা। বীরত্বের সঙ্গে সুন্দরবন অঞ্চলে যুদ্ধ করে তিনি ও তার বাহিনী পাকিস্তানি সেনা ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের পর্যদুস্ত ও পরাজিত করেন। পুরো অঞ্চলকে মুক্ত করেন মেজর জিয়া।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.