| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাবা আজন্ম এক আতংকের নাম। দূরত্ব বিবেচনা করলে,মার সাথে আমার দূরত্ব এক ইঞ্চি হলে, বাবার সাথে কয়েক আলোকবর্ষ। বাবা ছিলেন আমাদের ভাইদের প্রধানতমশত্রু। ছোটকাল থেকেই আমরা তিন ভাই চূড়ান্তভাবে পরাধীন। মা আমাদের লুকিয়ে স্বাধীনতার কাংখিট স্বাদ দেয়ার চেষ্টা দেওয়ার চেষ্টা করতেন অবশ্য। কিন্তু সে চেষ্টায় বিশেষ কোন লাভ হয়নি।
ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে একটা ডি ভি ডি প্লেয়ার কেনার খুব ইচ্ছা জাগছিল ।কিণ্তু টাকা পাব কই?বাবারে কিইলে নির্ঘাত খুন।স্ট্রাইক করমু তারও উপায় ,ামার বাবার সাথে এইসব ছেলেমানুষী চলে না।একবার ভাত খামুনা বলছিলাম বলে,এমনেই প্রায় ভাত বন্ধই হয়ে গেছিল।
যাই হোক আমার সর্বংসহা মায়ের একটা গরু ছিল।সেটা বিক্রি করে মহানন্দে ডি ভি ডি নিয়া ফিরলাম।এইবার নতুন সমস্যা>বাবা ঘরে থাকে ডি ভি ডি দেখা সম্ভব না।তাই কাপড় দিয়ে পেচিয়ে টি ভি পাশে রেখে দিতাম,বাবা ভাবত বি টি ভি চলছএ বোধহয়।বিংশ শতাব্দীতে আমার বাবার মত একজন বোকা আর ধর্মপ্রাণ মানুষ আছে এই ভেবে খুব মায়া হত।আর েকটা কথা,আমার বাবাকে আমরা কখনই নামাজ কাজা করতে দেখি নাই।শুধু তাইনা তার যন্ত্রণার কারণে আমাকেও নামাজে যেতে হত।মসঝিদে গিয়ে দুই একা ঢুস মারাই ছিল আমার কাজ।আর একা পড়লে তো কথাই নেই।সেটা হত দুনিয়ার সবচেয়ে ফাস্টেস্ট নামাজ।
মাঝে মাঝেতো অজু করতেই ভুলে যেতাম। আসলে আমার নামাজটা ছিল বাবার ভয়ে,আল্লাহর ভয়ে নয়।বাবারর সবচেয়ে কষ্টের মুহুর্তগুলো হত যখন ামরা দাদাবাড়ি বেড়াতে যেতাম।শুনেছি উনি যখন ক্লাস থ্রীতে ছিলেন তখন উনার মা মারা যান।উনি খবর পাননি।সাতদিন পার যখন বাড়ি আসেন,তখন মায়াের নতুন কবর দেখে তার কান্নাগুলো কোথায় যেন হারিয়ে যায়।দাদাবাড়িতে
আমরা দেখতাম,সীমাহীন দুঃখ চোখে মুখে নিয়ে একজন মানুষ আমাদের চার পাশে ঘোরাফেরা করছেন। তাঁর পায়ের শব্দ আমরা শুনি, কিন্তু তাঁর অস্তিত্ব টের পাই না। আমার সাথে বাবার দূরত্ব সব সময়ই বেশি। সে দূরত্ব সময়ের সাথে সাথে আরও বাড়তে লাগল।তখন নতুন নতুন ইন্টারমিডিয়েটে উঠেছি,মনে তখন "যৌবন তরংগধারা রুধিতে নাহি পারি"।পড়ালেখা একরকম ছেড়ে দিলাম বললেই চলে। কলেজের চার দেয়ালের সীমানা টেনে দেওয়া জীবন ভাল লাগে না। নিয়ম ভাঙার ক্ষমতা আর সাহস দুইটা এক সাথে পেলাম। বাবা-মার জন্য বাড়তি দায়িত্ববোধের যে ব্যাপারটা ছিল- সেটা কমে গেল। আসলে মন খারাপ হওয়ার মত সময়ই ছিল না। দুনিয়ার তাবৎ বাঁদরামিকে আমরা আমাদের ক্লান্তিহীন প্রচেষ্টা দিয়ে একটা শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেলাম। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে দিল। তবে আমার অন্য বন্ধুদের দেখে আমার খুব হিংসে হত।ওরা কেউ গাড়ি হাকাত,কেউ মোটরসাইকেল ার ামার ছিল একটা বাইসাইকেল ,আাহমরি কিছুনা ক্ষেত মার্কা ফনিক্স সাইকেল।কিন্তু আমি কখনই জানতামনা যে ঐ ক্ষেত মার্কা সাইকেলটা নিয়ে আমার কলেজ কিংবা স্কুলের যাওয়া আসার জন্য বাবাকে কতকাল হাটতে হয়েছে।যখন জেনেছিলাম,ততদিনে অধিক পরিশ্রমে হার্টের বারটা বাজিয়ে ফেলেছেন।আমাদের বাড়িটার সামনে(বাড়িটা ঠিক আমাডের নয়,বাবা সরকারি চাকরি করেন বলেই ঐ বাড়িটা পাওয়া) একটা বিশাল মাঠ ছিল,এখনও আছে। মাঠের কোনায় অন্ধকার দিকটায় ঘাসের উপরে শুয়ে থাকতাম। চোখ মুখে দুর্দান্ত একটা দার্শনিক ভাব নিয়ে আমি আকাশের তারা দেখি। পড়াশুনা আগেও যে খুব একটা করতাম এমন না, তবে একাদশ শ্রেণীতে উঠে পুরোপুরি ছেড়ে দিলাম (যা করতাম সব বাবার ভয়ে)। দিন যায়, দিন আসে- কিন্তু আমার বই খাতা চির নতুনই থাকে, পুরনো আর হয় না।
পরীক্ষার আগে আগে হাজারী আর নাগ সাহেবের রসায়ন আমাদের সাপ হয়ে কামড়াতে আসে। আসুক, সমস্যা কি?? পরীক্ষা পাশের চেয়ে পৃথিবীতে তখন আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল। আমি সেই সব কাজে মনোনিবেশ করলাম। আমাদের রেজাল্টের অবনতিতে কলেজ প্রশাসন একটা সময়ে নড়ে চড়ে বসে। আমাদের নিয়মিত বিরতিতে ডলা দেওয়ার একটা চেষ্টা অব্যাহত থাকলো। কিন্তু আমাদের চামড়া তখন গণ্ডারের চেয়েও মোটা আর টাকি মাছের চেয়েও পিচ্ছিল। কোন ধরণের শাস্তিতেই আমাদের কিছু হয় না। শেষে এসে কলেজে প্রশাসন যা করলো, তার জন্য আমরা কেউই প্রস্তুত ছিলাম না।
দিন ক্ষণ ধার্য করে আমাদের অভিভাবকদের ডাকা হলো। সবারই অল্প বিস্তর মন খারাপ। নিজেরা বাঁদর হতে পারি, নচ্ছার হতে পারি,এটা মেনে নিয়ে কঠিন থেকে কঠিনতর শাস্তি পেতে আমাদের কোনই সমস্যা নেই। কিন্তু আমাদের সবার বাব-মা ই খুবই ভাল। এটা তাদের দুর্ভাগ্য যে- তারা আমাদের মত সন্তান জন্ম দিয়েছেন। আমাদের করা অপরাধের শাস্তি পাবেন তাঁরা। তাঁদের ডেকে নিতান্তই অপমানজনক কিছু কথা বলা হবে। ক্ষেত্রবিশেষে যা না, তাও বলা হবে।
আমার বন্ধুদের সবারই আতংকে দিন কাটছে। তাদের বাবা-মাকে ডেকে এনে ছোট করা হবে। আমিও যে খুব সুখে আছি, এমন না। তবে ওদের চেয়ে আমার টেনশন একটু কম। আমার বাবা কলেজে আসবেন না আমি জানি। আমার আসবেন মা। মা’রা সব কিছু খুব তাড়াতাড়ি ভুলে যান। আমার মা ও ভুলে যাবেন।
কিন্তু আমি ঠিক ওদের মত এতটা খারাপ কিছু করিনি,জাস্ট পড়াশুনা করতাম না আর দার্শনিক হওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করতাম।তবে আমার রেজাল্টও আহামরি খারাপ কিছু হত না।তবে সেটা এস এস ষি তে ৫ পাওয়ার তুলনায় বেশ লজ্জারই বটে।তাই আমার মা বেচে গেলেন,ওদের লিস্টে আমি নাই।তখন আমার ফার্স্ট সিমেস্টার।এরপর অবশ্য আমার ঐ বন্ধুদের সাথে দূরত্ব বাড়ল।একটা আদর্শিক দ্বন্দ ।আমি শুধু সাধীনতা চেয়েছি,ওটাকে কোনভাবে কলংকিত করতে চাইনি।তবে খুব যে ভাল কিৌ করেছিলাম তাও না।তখন প্রথম মায়ের সাইন নকল করে একটা রেজাল্ট শীটে নিজেই সাইন করি।রেজাল্ট ছিল এ মাইনাস।বাসায় নিয়ে গেলে নির্ঘাত অপঘাতে মৃত্যু।যাই হোক নিখাত স্বাধীনতায় ছেদ পড়ল।
বাবার ভয়ে আবার পড়াশুনা করা শুরু করলাম,ততদিনে হয়ত অনেক লেট হয়ে গিয়েছিল।একটা মেয়ের সাথে তখন একটু আধটু কথা হত,সেকী এ্যাডভেন্চার।সেটাতেও ছেদ পড়ল,ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত আমি।বড় ছেলে হিসেবে সংসারের কোন দায়িত্ব আমি কোনদিনই পালন করিনি।কোনদিন বাজার করতামনাা,গোসল শেষে নিজের লুংগিটা পর্যন্ত ধুইনি,খাবার সময় এক গ্লাস পানি শেষ হলে পরের গ্লাসটা ভরে দিতেন আমার সেই আতংক সৃষ্টিকারী বাবা।তখন মাঝে মাঝে একটা কাজ বাবা আমায় নিতান্ত নিরুপায় হয়ে করতে দিতেন।মনে একরাশ বিরক্তি নিয়ে যখন বিদ্যুৎ বিলের লাইনে দাড়াতাম,এলাকার অত্যন্ত ভদ্রবেশী ব্রিলিয়ানট হিসেবে অনেক গুলো সাহায্যের হাত এগিয়ে আসত।এইচ এস সি সেকেন্ড ইয়ার। সব ভুলে পড়ায় মন দিয়েছি ঐ বাবাটারই ভয়.কিন্তু কাজ হয়নি।মেডিকেলে চান্স পেলামনা।এত আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে দোষ চাপালাম বাবাটারই ঘাড়ে।একদিন আমি আর বাবা মুখোমুখি ।বাবাকে মুখের উপর বলে দিলাম"আপনার জন্য আমাদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ হয়েছে"।তাই এমন অবিকশিত ছেলের মেডিকেলে যাওয়া উচিত না।প্রস্তুত ছিলাম ভূপতিত হওয়ার।কিন্তু কিছুই হল না।দেখলাম আমার বাবাটা কেমন যেন ছোট হয়ে যাচ্ছেন।তার চোখে চশমা থাকায় ঠিক অশ্রু ছিল কিনা বুঝতে পারিনি।এই প্রথম মনে হল বাবা আমার কাছে পরাজিত।কিন্তু জয়ের স্বাদ যে কতট তিক্ত সেটা জেনেছিলাম অনেক পরে,অনেক দেরীতে ।নেহায়েৎ কপাল জোরে সে বছর বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেলাম।কোনকোন এক শীতের বিকেলে বাবার হাত ধরে বাকৃবির একটা হলে উঠেছিলাম।সদ্য গ্রাম থেকে বাবা মার উষ্ঞতা ছেড়ে আসা আমি।একজন ভাইয়া বলেছিল ময়মনসিংহের ছেলেরাতো এখানে পড়তে আসেনা।আমার খুব জানতে ইচ্ছা করছিল তবে তারা কি করতে আসে।বলা হয়নি।কে জানে সে কোন দলের কত পাওয়ারফুল।তবে তার আগেই আমার আব্বু হেসে ঐ ভাইয়াকে বলেছিল,ওর দাদাবাড়ি টাংগাইল।আমি অবাক হয়ে গেলাম।তবে কি আমার বাবা নীরবে নিভৃতে সারাজীবন এভাবেই পাশে থকেছেন
আবার মেডিকেলে পরীক্ষা দিলাম।কিন্তু প্রকৃতি কিংবা সৃষ্তিকর্তা এতটা অবিবেচক নয়।আমার শিক্ষা তখনও শেষ হয়নি।একদিন রাগ করে বাড়ি থেকে ভার্ষিটির হলে চলে এলাম।বাড়ির সবার সাথে দূরত্ব বাড়তে লাগল।ইচ্ছা করে ফোন বন্ধ রাখতাম।ফোনে অস্বাভাবিক আচরণ কিংবা এহেন কোন আচরণ নেই যা করে তাদেরকে আমি কষ্ট দিতাম না।কেমন একটা অস্বাভাবিক প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে উঠেছিলাম।ভার্সিটিতে আসার আগে মা একদিন আমাকে বুঝাচ্ছিলেন যে,"বাবা শোন এখন তুই অনেক বিচিত্র অবস্থার সম্মুখীন হবি।প্লিজ পথহারা হবি নাতো"।বাবা এটা শুনে হেসে বলেছিলেন ও আমার ছেলে,আমি ওকে চিনি।আমি চমকে উথেছিলাম এটা শুনে।সেই বাবার প্রতি ভ্রূক্ষেপ দেখিয়ে সিগারেট ধরার মধ্য দিয়ে আরো খারাপ হতে চাইলাম।কিন্তু আমার সেই সর্বংসহা মায়ের মুখটা যখন ভেসে উঠল ভুলে গেলাম সব।আবার সেই পড়ার টেবিল।কিন্তু দূরত্ব আগের মতই রয়ে গেল।কিন্তু ঐ যে বললাম প্রকৃতি কিংবা সৃষ্তিকর্তা এতটা অবিবেচক নয়।আমার শিক্ষা তখনও শেষ হয়নি।একদিন কঠিন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি করে আমাকে আবার ভার্সিটি থেকে সেই ছোট্ট বাড়িটায় নিয়ে দাড় করাল।আমি আর বাবা মুখোমুখি।আমারি ভুলে সৃষ্টি হওয়া সে কঠিন সময়।বাবা আমার কাধে একটা হাত রেখে বললেন,দেখ আমিটো মরিনি এখনও,আবার জিরো থেকে শুরু কর।আমি টখন বাবার কাছে হেরে যাচ্ছিলাম,সত্যিই হেরে যাচ্ছিলাম।কিন্তু ওটা ছাড়া যে আর কোন পথ ছিল না।কিন্তু আমি নতুন করেই শুরু করতে পেরে ছিলাম।
বাবাকে নিয়ে এই লেখা কেন যেন আর দীর্ঘ করতে ইচ্ছে করছেনা।কোথায় যেন জড়িয়ে যাচ্ছে।
পরিশিষ্ট
এয়ারপোর্টে বসে আছি।মা আসেন নি।চির আতংক সেই বাবা এসেছেন।আমি চলে যাচ্ছি দেশ ছেড়ে কিণ্তু বাবা কাদছেন না।মনটা কেমন যেন করতে লাগল।বোর্ডিং শেষে ওয়েটিং রুমে বসে আছি ার ছেলেবেলার সব কথা মনে করার চেষ্টা করতে লাগলাম,বাবারহাত ধরে প্রথম স্কুলে যাওয়া,বাবার কাধে চড়ে একদিন বোবা সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম তখন আমি অনেক ছোট।আমার একটা ছোট ভাই আছে যে জন্ম থেকে অসুস্থ।বাবা সারা রাত তাকে নিয়ে জেগে থাকতেন।ওর জন্মের পর বাবা কখনও কোন একটা রাতও ঠিকমত ঘুমাননি।এতকিছুর পরও কখনও এতটুকু ধৈর্য হারা হতে দেখিনি তাকে ।প্রকৃতি অনিন্দ্য সুন্দর একটা মানুষের কথা যেন বলছিল আমার কানে কানে।চেয়ার ছেড়ে উঠে দাড়ালাম,আবার যাব বাবার সাথে দেখা করতে।আমি জানি আমার এয়ারবাস ফ্লাই না করা পর্যন্ত উনি যাবেন না।একটু একটু একটু করে এগোচ্ছি,আমার সাথে বাবার দূরত্ব শুধু একটা গ্লাস মাত্র।আমি উনাকে দেখছি কিন্তু উনি দেখছেন না।একটা বাচ্চা ছেলে খেলনা হারিয়ে মা বকবে এই ভয়ে যেমন ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাদে,আমার ছেলেবেলার সেই চির আতংক বাবা অমন করেই কাদছেন ।আমি পারলামনা বাবার মুখোমুখি হতে।একজন মানুষ নীরবে নিভৃতে এতটা স্নেহ ভালবাসায় এতটা কাল আগলে রেখেছিল কিছু জানতেও পারলাম না।"বাবা আমি তোমার মতই একজন বাবা হতে চাই,ঠিক তোমার মতই বাবা"।
অবশেষে ভোর রাতে আমার বাবার সেই চির আরাধ্য ,শুধু যেই সন্তানের সাফল্য কামনায় কতরাত জেগে প্রভু দরাবারে অশ্রু বিসর্জন দিয়ে আমার কপালে ফু দিতেন, (আমি সব টের পেতাম ,কিন্তু বুঝতে দেইণি আমি যে তোমারি ছেলে বাবা)সেই খেলনাটা আকাশে উড়ল।
আমি স্পষ্ট দেখছিলাম একজন মধ্যব্য়স্ক ব্যক্তির কান্নায় এয়ারপোর্টের অন্যান্যদের চিন্তা কেমন যেন এলোমেলো করে দিচ্ছে।মানুষটি কিছুতেই কান্না থামাতে পারে না।
আর হ্যা বাবা,আমি আর অজু ছাড়া নামাজ পড়ি না.........।
২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:৩৪
আরক্ত বলেছেন: ধন্যবাদ সুমন ভাই।সত্যিই অনেক তাড়াতাড়ি লিখেছি।আর আমি খুব ভাল বাংলা লিখতে পারিনা।টাইপে তাই অনেক ভুল....।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:০৪
সুমন কর বলেছেন: বাবাকে নিয়ে অসাধারণ একটি লেখা। খুব ভাল লাগল। পড়তে পড়তে একটু কেমন জানি হয়ে যাচ্ছিলাম.......। তবে লেখায় অনেক টাইপো ভুল আছে। মনে হয় তাড়াতড়ি লিখা হয়েছে। আর লেখায় একটু প্যারা দিলে ভাল হতো।
পোস্ট দুইবার এসেছে, একটি ডিলেট করে দিয়েন।