নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

facebook.com/yousuf.khan221b

ইউসুফ খান

\"যদি তুমি নাহি বোঝো আমার নীরবতা, বুঝিবেনা-এর আড়ালে লুকিয়ে থাকা কথা\"\n©না জিগায়া কপি করিবেন না,পিলিজ©

ইউসুফ খান › বিস্তারিত পোস্টঃ

"আঙ্কেল টম'স কেবিন".....(যে বই তরোয়ালের চেয়ে শক্তিশালী)

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪১

আঙ্কেল টম'স কেবিন (Uncle Tom's Cabin)-



দাস প্রথার বিরুদ্ধে লেখা এমন একটি বই যা, পাল্টে দিয়েছিলো আমেরিকার ইতিহাস। প্রকাশিত হয় ১৮৫২ সালে, যা তৎকালীন গৃহযুদ্ধের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিলো। এই উপন্যাসটিতে মুক্তির গান গাওয়া 'আঙ্কেল টম' নামক এক কষ্টসহিষ্ণু নিগ্রো ক্রীতদাসের কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও Harriet, এই সংবেদনশীল উপন্যাসটির মাধ্যমে ক্রীতদাস প্রথার বাস্তব চিত্রটি তুলে ধরেছেন এবং বোঝাতে চেয়েছেন, মানুষের প্রতি মানুষের প্রকৃত ভালবাসায় রয়েছে এমন এক শক্তি যা, দাসত্বের মতো ধ্বংসাত্মক যেকোনো শক্তিকে পরাস্ত করতে পারে।

Uncle Tom's Cabin- ছিলো ১৯-শতকের সেরা বেষ্ট-সেলিং উপন্যাস। যেটা সে সময় বাইবেলের পরে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। প্রথম বছর বইটির ৩০০,০০০ কপি যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হয় এবং এক মিলিয়ন কপি বিক্রি হয় গ্রেট ব্রিটেনে। ১৮৫৫ সালে তিন বছর পর উপন্যাসটি আবার প্রকাশিত হবার পর এটাকে "সর্বকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় উপন্যাস" ঘোষণা করা হয়েছিলো।

গৃহযুদ্ধের শুরুর সময় 'আব্রাহাম লিঙ্কন' একবার Harriet এর সাথে দেখা করেন এবং বলেন- "So this is the little lady who started this great war." (ইনিই সেই অল্পবয়স্ক ভদ্রমহিলা যিনি এই যুদ্ধের সুত্রপাত করেছেন)।



সমকালিন অনেক বুদ্ধিজীবীরা বুঝতে পারেন, একজন লেখক- শুধুমাত্র একজন লেখকই নন, সামাজিক পরিবর্তনের সে একজন বিশেষ প্রতিনিধি।

কালো মানুষদেরকে তাদের ন্যায্য অধিকার দেয়ার ক্ষেত্রে এই বইটি অনুপ্রানিত করেছিলো বহু মানুষকে। বইটির মূল চরিত্র- 'আঙ্কেল টম' একজন নিগ্রো ক্রীতদাস, যিনি ছিলেন অত্যান্ত দয়ালু এবং কর্তব্যনিষ্ঠ এক ব্যাক্তি যিনি তার সাদা মালিকের খুব বিশ্বস্তও ছিলেন।



উপন্যাসটি যেভাবে রচিত হলো-

Harriet মূলত এই উপন্যাসটি লিখতে আগ্রহী হন- Josiah Henson এর The Life of Josiah Henson- নামক আরেক নিগ্রো ক্রীতদাসের নিজের লেখা একটি 'অটোবায়োগ্রাফি' থেকে, ১৮৪৯ সালে।

Josiah Henson- একজন নিগ্রো ক্রীতদাস যিনি Isaac Riley নামক এক ব্যাক্তির ৩,৭০০ একর (১৫ কি.মি) জমিতে তামাক চাষের কাজ করতেন মেরিল্যান্ডে। এই অসহ্য শ্রম সইতে না পেরে তিনি পালিয়ে যান ১৯৩০ সালে, কানাডার (বর্তমান- অন্টারিও)-এর দিকে। সেখানে যেয়ে তিনি আরও কিছু নিগ্রো ক্রীতদাসের সাথে পরিচিত হন যারা সবাই পালাতে চাইছিলো। Henson তাদেরকে সেখান থেকে পালাতে সাহায্য করেন। পরবর্তীতে, তিনি তার ক্রীতদাস জীবনের স্মৃতি রোমন্থন করতে লিখে ফেলেন এই বইটি। এই বইটিই Harriet- কে অনুপ্রানিত করে 'আঙ্কেল টমস কেবিন' নামক অসাধারন একটি উপন্যাস তৈরিতে। Harriet আরও বলেন, এই বইটি লেখার আগে তিনি অসংখ্য নিগ্রো ক্রীতদাসদের সাথে কথা বলেন তাদের পালানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে।



সংক্ষেপে 'আঙ্কেল টমস কেবিন'-

কেন্টাকির এক ফার্মের মালিক Arthur Shelby, যিনি অর্থাভাবে তার ফার্মটি বন্ধ করে দিতে উদ্যত হন। পরবর্তীতে তিনি এবং তার স্ত্রী Emily Shelby ঠিক করেন, ফার্মের জন্য অর্থের যোগান দিতে তাদের ক্রীতদাস টম, এবং তাদের আরেকটি মহিলা ক্রীতদাস এলিজার ছেলে হ্যারি কে বিক্রি করে দেয়া যেতে পারে। তাদেরকে বিক্রির টাকা দিয়ে তারা তাদের ফার্মকে পুনরায় দাড়া করাতে পারবে। Emily Shelby- এর ছেলে জর্জ ব্যাপারটা মোটেও সহ্য করতে পারছিলো না। কারন, আঙ্কেল টমকে সে প্রচণ্ডরকম ভালোবাসতো এবং শিক্ষকের মতো মানতো। অন্যদিকে, এলিজা বুঝতে পারছিলো তার ছোট্ট ছেলে হ্যারিকে বিক্রি করে দেয়া হবে তাই সে রাতের আধারে তার ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে যায়। আঙ্কেল টম, তাদেরকে পালাতে সাহায্য করে।

আঙ্কেল টমকে বিক্রি করে দেয়া হয় ক্রীতদাস ব্যাবসায়িদের কাছে। মিসিসিপির স্রোত বেয়ে বহু দূরে নিয়ে যাওয়া হয় আঙ্কেল টমকে। সেখানে St. Clare নামক এক ব্যাক্তি তাকে কিনে নেন। তার ছোট্ট মেয়ে ইভার সাথে খুব ভালো বন্ধুত্ব হয়ে যায় আঙ্কেল টমের।



২ বছরে তাদের বন্ধুত্ব অনেক গভীরে চলে যায়। একসময়, ইভা অনেক অসুস্থ হয়ে পরে এবং অল্প বয়সেই মারা যায়। মারা যাওয়ার আগে সে আঙ্কেল টমকে বলে, সে এক আজব স্বপ্ন দেখেছে। সে স্বপ্ন দেখেছে এমন এক পৃথিবীর, যেখানে মানুষের সাথে মানুষের কোন ভেদাভেদ নেই, কোন পার্থক্য নেই, সবাই সমান।

এই ঘটনার কিছুদিন পর ইভার বাবা St. Clare- ও ঘটনাক্রমে মারা যান। তার স্ত্রী 'আঙ্কেল টমকে' পুনরায় বিক্রি করে দেন Simon Legree নামক পাষণ্ড এক ব্যাক্তির কাছে। Simon তাকে নিয়ে যান লুসিয়ানায় যেখানে আঙ্কেল টম Simon- এর আরও ক্রীতদাসদের দেখা পান। Simon, আঙ্কেল টমকে দিয়ে অন্যান্য ক্রীতদাসদের উপর অত্যাচার করাতে চাইতো। আঙ্কেল টম তাতে সায় না দিলে Simon তাকে ঘেন্না করা শুরু করে।



আঙ্কেল টম ঈশ্বরে বিশ্বাস করতেন, এই জিনিসটা Simon কোনভাবেই মেনে নিতে পারেনি। এজন্য সে তাকে প্রচণ্ডরকম মারধর করতো, সাথে অন্যদেরকেও। অন্যান্য ক্রীতদাসদেরকে মারের হাত থেকে বাঁচাতে আঙ্কেল টম, বাইবেল পড়া বন্ধ করে দেন। এর মধ্যে, ক্যাসি এবং ইমেলিন নামক দুজন ক্রীতদাসকে তিনি পালাতে সাহায্য করেন। Simon ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেনা এবং সে বুঝতে পারে এর পিছনে কার হাত আছে। সে আঙ্কেল টমকে প্রচণ্ড মারধর করে এবং তাকে মেরে ফেলার নির্দেশ দেয়। মৃত্যুর আগে, আঙ্কেল টম দুটি স্বপ্ন দেখে। একটি স্বপ্ন যীশুকে নিয়ে, অন্যটি ইভাকে নিয়ে। যেই ইভা স্বপ্ন দেখেছিলো ভেদাভেদহীন সুন্দর একটি স্থানের।

ওদিকে, আঙ্কেল টমের প্রথম মালিকের ছেলে, ছোট্ট বন্ধু জর্জ; খুশি মনে আসে তার প্রিয় আঙ্কেল টমের মুক্তির জন্য। কিন্তু, ততক্ষনে অনেক দেরি হয়ে গেছে। মারা গেছে আঙ্কেল টম।

তার মৃত্যুতে শোকাহত জর্জ পরিবার সাথে সাথে মুক্ত করে দেয় তাদের সকল ক্রীতদাসদের। ছোট্ট জর্জ, তার বাবা মা'কে মনে রাখতে বলে- আঙ্কেল টমের আত্ম-উৎসর্গতার কথা। মানুষের প্রতি মানুষের সত্যিকার ভালোবাসার কথা, ভালোবাসার অকল্পনীয় শক্তির কথা।



কিছু কথা:

স্বার্থবাদী মানুষ সব যুগেই ছিলো, আছে, থাকবে। ক্রীতদাস প্রথাকে সমর্থনকারী অনেক সাহিত্যিক এবং সমাজের প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা 'আঙ্কেল টমস কেবিন' নামক বইটিকে বিভিন্নভাবে কটাক্ষ করে। ব্যাঙ্গাত্বক বই ও বের করে। তবে, এভাবে এর কোন কিছুই করা যায়নি। বন্ধ করা যায়নি এর প্রচার। শতাব্দির পর শতাব্দি ধরে বইটি কালো মানুষ তথা, সকল মানুষের ন্যায্য অধিকার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়ানোর সাহস যুগিয়ে গেছে। উপন্যাসটি নিয়ে তৈরি করা হয়েছে অনেক নাটক, সিনেমা।



শিক্ষা:

মানুষের মতো মানুষ হিসেবে বাঁচতে হলে ন্যায্য অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াতে হবে। মনের গহিনে জাগ্রত করতে হবে 'সত্যিকারের ভালবাসা'।

মানুষের সাথে মানুষের ভেদাভেদ বা পার্থক্য এখনও রয়ে গেছে এবং আমরা নিজেরাই তা করছি। এভাবে শুধু আমরা নিজেদের মনুষ্যত্বকেই গালি দিচ্ছি, চরম অপমান করছি আমাদের 'মানুষ' নামক পরিচয়কে। ইচ্ছা করলে কি আমরা এগুলো থামাতে পারিনা? হয়তো পারবো, যখন আমরা সত্যিই চাইবো- 'মানুষের মতো মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকতে'।



আঙ্কেল টমস কেবিন- বইটির ডাউনলোড লিংক-

Uncle tom's cabin

................................................... :) ............................................

মন্তব্য ৩৩ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৩৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪৭

ভজঘট বলেছেন: শব্দটা "তরোয়ালের" মত নয়-হবে "তলোয়ার"! এই শব্দটা কপি কর্তে পার্লেন্না!

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৬

ইউসুফ খান বলেছেন: ধন্যবাদ,তাই নাকি!!! আমি তো জানতাম, দুইটাই সঠিক। ঠিক আছে, আপনার বিশ্বাস না হলে একটা কাজ করা যেতে পারে।

নিচের লিঙ্কটাতে 'Sword'-এর অনেকগুলো বাংলা অর্থ দেয়া আছে। দেখে নিতে পারেন। ভালো থাকবেন।
Click This Link

২| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪৮

েসাহাগ২৫কগগ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।যদিও বইটি পরা ছিল তারপর ও অনেক নতুন তথ্য পেয়েছি।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৬

ইউসুফ খান বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৩| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১২

দারাশিকো বলেছেন: এই বইটা বাচ্চাকালে পড়ছিলাম, খুবই কষ্ট পাইসি।
দাসপ্রথা কি সে ব্যাপারে খুব বেশী ধারনা ছিল না, এখন চিন্তা করতে গেলে বুঝি না কেমনে সম্ভব একটা মানুষ আরেকটা মানুষের দাস হয়া থাকে?

পোস্টে প্লাস, কিন্তু প্রথম কমেন্টা বুঝতে পারলাম না - কপি পেস্টের কথা বলসে কেন?
ভালো থাকুন

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪০

ইউসুফ খান বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। :)
আমিও ছোটবেলায় পরসিলাম তবে তখন জিনিসটা ভালোভাবে মাথায় ঢুকে নাই। পরে ঢুকসে।
কপি- পেস্টের কথা ভাই কেন আসছে, এটা আমিও বুঝলাম না। উনি কি বলতে চাইসে, হয়তো উনিই বুঝছে। আমাদের বোঝার বাইরে।
ভালো থাকবেন।

৪| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১৬

শরৎ চৌধুরী বলেছেন: দারাশিকোর মত আমিও বলতে চাই: পোস্টে প্লাস, কিন্তু প্রথম কমেন্টা বুঝতে পারলাম না - কপি পেস্টের কথা বলসে কেন?
ভালো থাকুন

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪১

ইউসুফ খান বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। প্রথম কমেন্ট আমি নিজেও বুঝি নাই। ব্যাপক চিন্তার বিষয়। যাই হোক, আপনিও ভালো থাকবেন।

৫| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৪

মাহিরাহি বলেছেন: বইটা পড়েছি, তরুনদের জন্য অবশ্যই পাঠ্য।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪২

ইউসুফ খান বলেছেন: ধন্যবাদ। সহমত জ্ঞাপন করলাম।

৬| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৮

শাহ আলম বাদশাহ বলেছেন: ভালো লাগলো----

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪২

ইউসুফ খান বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৯

আহমেদ মুস্তফা জিহাদী বলেছেন: ক্লাস সেভেন এ থাকতে পড়ছিলাম, চরম একটা বই !

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৫৫

ইউসুফ খান বলেছেন: :)

৮| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৬

আনন্দমেলা বলেছেন:

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৫৬

ইউসুফ খান বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

৯| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৭

নিশাচর ভবঘুরে বলেছেন: দারুন একটা বই। ভালোলাগাটুকু মনে করিয়ে দিলেন। ++++++++++++++++। কিছু মনে কইরেন না, শোকেসে নিয়া গেলাম।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৫৬

ইউসুফ খান বলেছেন: আনন্দের সাথে নিয়া যান। কুনো সমস্যা নাই। ধন্যবাদ। :)

১০| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ২:৪৪

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: প্রিয় বইগুলা নিয়ে লিখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

অসাধারন একটা বই।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৫৭

ইউসুফ খান বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১১| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:১৫

শিপু ভাই বলেছেন: দারুন রিভিউ!!!++++++++++

বইটা পড়তে হবে।




অঃটঃ পরিচিত হয়ে মুগ্ধ হয়েছি। আবারো দেখা হবে।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৪৩

ইউসুফ খান বলেছেন: অবশ্যই পড়বেন ভাই। ধন্যবাদ। :)
আপনার চেয়ে বেশি মুগ্ধ আমি হয়েছি ভাই। :) অনেস্টলি। ইনশাল্লাহ, আবারও দেখা হবে। ভালো থাকবেন।

১২| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৮

আবদুল্লাহ্‌ আল্‌ মামুন বলেছেন: ইস এত সুন্দর একটা বই আমি মিস করেছি । আহারে ছোট এই জীবনে কত বই না পড়া হয়ে থাকলো ।



বেহেশতে আমার কিছুর দরকার নাই, দুনিয়াতে না পড়া বই গুলা শুধু পড়তে চাই ।

দেখি বইটা পড়ে.....

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:১৩

ইউসুফ খান বলেছেন: অবশ্যই পরবেন। লিংক তো দেয়া আছে। ডাউনলোড করে নিবেন। ভালো থাকবেন।

১৩| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৬:৩৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: এই ক্লাসিকটা পড়তে অনেকেই আগ্রহী হবে আপনার রিভিউয়ের পর। গুড জব!

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:১৪

ইউসুফ খান বলেছেন: ধন্যবাদ হাসান ভাই। :)

১৪| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:১৭

বেঈমান আমি বলেছেন: এইটা তো ছোটো কালে পড়ছি।ভালো লাগলো।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:১০

ইউসুফ খান বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

১৫| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১২

কাউসার রুশো বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন।
+++ :)
প্রিয় একটি বই। প্রথমবার পড়েছিলাম সেবার অনুবাদ।
এরপর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের।
কী অদ্ভুত শক্তি ছিলো এই বইটাতে!! মানবসভ্যতা একটা বিশাল পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে
গেছে শুধু এই বইটার জন্য

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৭

ইউসুফ খান বলেছেন: ধন্যবাদ রুশো ভাই।
আপনার সাথে একমত। তাইতো এই বইটি সম্পর্কে বলা হয়েছে- Mightier than the Sword...... :)

১৬| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪২

ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: পড়েছিলাম অনেক আগে। সুন্দর লিখেছেন রিভিউ ! ++++++

১৩তম ভাললাগা!

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৪

ইউসুফ খান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই। :)
ভালো থাকবেন।

১৭| ১৭ ই মে, ২০১৪ রাত ৮:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: উপন্যাসটি নিয়ে তৈরি করা হয়েছে অনেক নাটক, সিনেমা। হুম...

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৫০

ইউসুফ খান বলেছেন: হুমম....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.