নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার জন্যএকমাত্র মহান আল্লাহ পাকই যথেষ্ঠ.....

জহির উদদীন

আমার জন্য একমাত্র আল্লাহ পাকই যথেষ্ঠ........

জহির উদদীন › বিস্তারিত পোস্টঃ

যে কথাটি একদিন সত্য প্রমানিত হতেও পারে......তাতে আমরা কেউ অবাক হবো না...

২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:২৫

লেখার শুরুতেই হুমায়ূন আহমেদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।

গুলতেকিন আহমেদের বড় ভাই "অবাক" ভাই ছিলেন আমার সিনিয়র ভাই এবং বন্ধুর মতো। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ধানমন্ডি রোড-৩/এ তে আমার নিজের অফিস ছিল। ঘটনাক্রমে অবাক ভাইয়ের সাথে আমার পরিচয় এবং সেই থেকে প্রায় প্রতিদিন দক্ষিন হাওয়া থেকে অবাক ভাই সন্ধ্যা বেলায় আমার অফিসে আসতেন। এসেই বলতেন জহির এক গ্লাস পানি খাওয়াবে...? আমি আমার স্টাফকে বলতাম গ্লাস পরিস্কার করে পানি দিতে (অবশ্য আমার স্টাফরা ততদিনে বুঝে গেছে যে তিনি আসলেই পানি দিতে হবে)। এবং সিগারেট ধরানোর জন্য অনুমতি চাইতেন ( আমি তার বয়সে ছোট হলেও তিনি ছিলেন খুবই বিনয়ী)। আমি অনুমতি দিতাম না কারণ আমার অফিসে ধুমপান নিষিদ্ধ ছিল।

তিনি "ওকে ফাইন বাইরে গিয়ে খাবো" বলতেন।

অবাক ভাই ছিলেন খুবই স্পটভাষী,সদালাপী, শিক্ষিত এবং একজন পরিচ্ছন্ন মানুষ( যদিও তার কিছুটা মানুষিক সমস্যা ছিল, তবে কেউ বেশী মেলেমেশা না করলে বুঝা মুশকিল)।

তিনি প্রায় এসে আমার সাথে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে গল্প করতেন তিনি কিছুটা মাত্রাতিরিক্ত কথা বলতেন তারপরও শুনতাম কারণ তার কাছ থেকে অনেক কিছু জানার বা শেখার ছিল।

আমার অফিস থেকে প্রায়ই হুমাযূন আহমেদ ও শাওনকে দেখা যেতো তারা এক সাথে "দক্ষিন হাওয়া" থেকে একটি স্কাই লাইট মাইক্রো দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে।

হুমাযূন আহমেদ প্রসংগ আসলে অবাক ভাই বড়ই আফসোস ও দূঃখের সহিত আমাকে বলতে "হুমাযূন আহমেদ আজ এই জায়গায় এসেছেন আমাদের পারিবারিক সহায়তায় আর এই দক্ষিন হাওয়ার জমি আমার দাদার সম্পত্তি (অবশ্য হুমাযূন আহমেদ নিজেও এই রূপ কথা তার অনেক বইয়ে লিখেছেন)। তিনি আরও বলতেন জহির "হি ইজ জিনিয়াস"। হুমাযূন আহমেদের তুলনা হুমাযূন আহমেদ নিজেই। এই ক্ষেত্রে তাকে আমি সন্মান করি।

পরিশেষে একটি কথা বলি.....(কথাটি তার মুখ থেকে শুনা)

অবাক ভাই বলতেন শাওন হুমাযূন আহমেদকে বিয়ে করেছে তার খ্যাতি ও সম্পত্তি দেখে, তুমি দেখো শাওন একদিন এগুলি কব্জা করে ভেগে যাবে।



আজ মনে হচ্ছে অবাক ভাইয়ের কথাটি একদিন সত্য প্রমানিত হতেও পারে.....




নিম্নোক্ত বিষয় গুলি লক্ষ্য করুন.....

যেমন-১

শাওন জানালো, জীবীত পিতার কেউ খবর রাখেনি,মৃত লাশ নিয়ে কেন তাদের এতো টানাটানি?নূহাশ পল্লীতে যেতে ভিসা লাগে না। ভালবাসা থাকলে তখন তখন যে কেউ যেতে পারে । হুমায়ূনের অসুস্থতায় যারা কোন খবর নেন নি, বা গত ৬ বছর যাদের কেউ তার পাশে থাকেনি আজ তাদের মায়াকান্না মানায় না।হুমায়ূনের যে ছেলে মেয়েরা তাদের পারিবারিক কোন অনুষ্ঠানে দাওয়াত করেনি, তাকে পরিত্যাগ করেছে তাদের আজকের এ দাবীকে আমি হাস্যকর মনে করি। অযৌক্তিক মনে করি। জীবীত হুমায়ূনের চেয়ে তাদের কাছে মৃত হুমায়ূন বেশি দরকার ছিল। বাস্তবে আজ তাই প্রমাণিত হলো।

যেমন-২

মনে হচ্ছে লাশ মাটিতে রেখে দুই পরিবারের মধ্যে নুহাশ পল্লী নিয়ে লড়াই শুরু হয়েছে......ওখানে লাশ দাফন করতে পারলে নুহাশ পল্লীতে খুটি গেড়ে বসতে পারবেন শাওন...আর এটা ঠেকাতে মরিয়া শীলা-নোভা-নুহাশ-জাফর ইকবাল। কেন জানি মনে হচ্ছে মেয়ের পক্ষে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন তার মা তহুরা আলী এমপি



তবে..........

হুমায়ুন আহমেদের দাফন কোথায় হবে এটা নিয়ে বলার কিছু নাই। তবে তার দ্বিতীয় স্ত্রী শাওন একটা ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে (মনে হয়)। নুহাশ পল্লী তে দাফন হলে হুমায়ুন স্মৃতির অন্তরালে চলে যাবেন। কে যাবে সেইখানে তাকে দেখতে? আর কাজী নজরুলের পাশে সমাহিত করা হলে হুমায়ুন এক ধাক্কায় জাতির কেন্দ্রস্থলে জায়গা করে নিবে। না হলে আজ থেকে ৫ বছর পরে হুমায়ুন আহমেদ কে নিয়ে কিছুই হবে না। রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুলের জন্মের ১০০ বছর, ১৫০ বছর পালন করা হয়। কিন্তু ২০৫০ সালে হুমায়ুন এর নাম কয়জনের মন থাকবে এটাই চিন্তার বিষয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সমাহিত করা হলে নতুন প্রজন্ম অনেকেই তার ব্যাপারে আগ্রহী হবে। যে পিচ্চি বইমেলায় ২০২০ সালে যাবে, একবার হলেও জিজ্ঞেস করবে এটা কার কবর, উনি কে ছিলেন। যেমনটা নজরুল, রবীন্দ্র নাথের বেলায় হয়। আর পাঠ্য পুস্তকেও তার লেখা অন্তর্ভুক্ত করা হোক। এসএসসি , এইচএসসি তে মানিক, জহির রায়হানের উপন্যাসের পাশাপাশি হুমায়ুনের একটা উপন্যাস ও অন্তর্ভূক্ত করা হোক।

পরিশেষে নুহাশ পল্লীতে দাফন করা হলে আজ থেকে ১০ বছর পরে ওই জায়গায় কোন এক সাংবাদিক গিয়ে রিপোর্ট করবেন হুমায়ুন আহমেদ এর মত একজন জনপ্রিয় লেখকের কবরের ভগ্নদশা আর চার পাশের পরিবেশ নিয়ে। এটা একটা চরম সত্য কথা। আর লালনের মত গাঞ্জার আখড়াও হতে পারে। সময়ের সাথে সাথে মানুষ বদলে যায়। তাই এখনই তাকে জাতীয় কবির পাশে সমাহিত করা হোক। না হলে হুমায়ুন নামের অস্তিত্ত্ব থাকবে না এই দেশে।



(শেষের তিনটি প্যারা সংগ্রহিত)

লাশ দাফন নিয়ে শাওনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে তোলপাড়

Click This Link

মন্তব্য ৪১ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৪১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৩৩

মর্মর বলেছেন: @জহির উদদীন কিছুটা সহমত।

হমুর শাওনের বিয়েটা মাইনা নিতে অনেকের কষ্টই হয় । ;)

২| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৩৪

মিনহাজুল হক অনিক বলেছেন: আমরা পারলাম না...............

২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৩৬

জহির উদদীন বলেছেন: এক নারীর কারণে ৩০ বছরের সুখের সংসার শেষ করে দেওয়া.....
সত্যি কষ্টের....

৩| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৩৭

বাংলার চে বলেছেন: শাওনের বক্তব্য নিয়ে নিউ ইয়র্কে তোলপাড়
মঙ্গলবার, ২৪ জুলাই ২০১২
নিউজ ওয়ার্ল্ড, নিউ ইয়র্ক থেকে: হুমায়ন আহমেদ তাকে নুহাশ পল্লীতে দাফনের কথা বলে গেছেন, মেহের আফরোজ শাওনের এমন বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তাদের ঘনিষ্ঠ নিউ ইয়র্ক প্রবাসী কয়েকজন বিশিষ্ট বাংলাদেশী।
জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. আব্দুল মোমেনের স্ত্রী সেলিনা মোমেন শাওনের বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, শনিবার হুমায়ন আহমেদের মরদেহ দেশে নিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে জেএফকে এয়ারপোর্টে প্রকাশ্যে মেহের আফরোজ শাওন লাশ দাফনের ব্যাপারে হুমায়ুন আহমেদ কিছু বলে যাননি বলে জানান।
সেলিনা মোমেন বলেন, শাওনকে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সেখানে আমি, হুমায়ুন আহমেদের চিকিৎসার সাথে সংশ্লিষ্ঠ মুক্তধারা নিউইয়র্কের প্রধান বিশ্বজিৎ সাহা, তার স্ত্রী রুমা সাহা এবং সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার সাবেক চীফ রিপোর্টার ও ইটিিিভর নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি শাখাওয়াত হোসেন সেলিম উপস্থিত ছিলেন।
সবার সামনেই তাকে লাশ দাফনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাওন বলেন, হুমায়ুন আহমেদ এবিষয়ে কিছুই বলে যাননি। এজন্য দেশে গিয়েই সিদ্ধান্ত হবে।
এবিষয়ে সাংবাদিক শাখাওয়াত হোসেন সেলিম বলেন, শাওন বললেন, হুমায়ুন আহমেদ কিছু বলে যাননি। তাই তিনি বলতে পারছেন না দাফন কোথায় হবে। তার এ্ই কথা রেকর্ড করতে গেলেই বাঁধা দেন শাওনের মা তহুরা আলী। তিনি বলেন, এখন কোন কথা রেকর্ড করা যাবে না। শাওনকে তিনি বারণ করেন এবিষয়ে কোন কথা না বলতে।
এবিষয়ে হুমায়ুন আহমেদের চিকিৎসার সাথে জড়িত প্রধান ব্যক্তি বিশ্বজিৎ সাহার বত্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, শাওনের বক্তব্য আমাকে বিস্মিত ও স্থম্ভিত করেছে। কারণ এয়ারপোর্টে তিনি প্রকাশ্যে বললেন, লাশ দাফনের বিষয়ে হুমায়ুন আহমেদ কিছুই বলে যাননি। কিন্তু দেশে গিয়েই তিনি একেবারেই উল্টো কথা বললেন।
গত ৯ মাস আমরা চিকিৎসার স্বার্থে কাছাকাছি ছিলাম। কিন্তু শাওন এধরনের কথা কখনো বলেনি। ড. হুমায়ুন আহমেদও আমাদের দাফন নিয়ে কোন নির্দেশনা দেননি।
বিশ্বজিৎ সাহার স্ত্রী রুমা সাহা বলেন, আমরা স্যারের মরদেহ ও শাওনকে বিদায় দিতে এয়ারপোর্ট গেলাম। সেখানে শাওন সবার সামনেই বলেছেন, স্যার দাফনের বিষয়ে কোন কিছু বলে যাননি। এখন তিনি একেবারেই অন্য কথা বলছেন। অবশ্য এ সময় তার মা তহুরা আলী এসে তাকে থামিয়ে দিয়ে নিয়ে যান বলে জানান।

তহুরা আলী আর শাওন এখন নতুন নতুন স্বপন দেখবে আর সেই স্বপন হুমায়ুন আহমেদের ছিল বলে চালিয়ে দেবে। তহুরা আলী এখন হুমায়ুনরে স্বপ্ন পূরনের জন্য সরকারের কাছে প্রকল্প পাবে। সাথে থাকবে চ্যানেল আই পরিবার।

২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৩৯

জহির উদদীন বলেছেন: আপনার মূল্যবান মন্তব্যটির জন্য ধন্যবাদ

৪| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৪৪

ঠানডুমিঞা বলেছেন: শাওন কি আবার বিয়া করবে না?????????? হায়রে তখন লুলদের কি হবে...... আমার কথায় আবার রাগ কইরেন না রে ভাই......

২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৫২

জহির উদদীন বলেছেন: B:-) B:-) B:-) B:-) B:-) B:-) B:-) B:-) B:-)

৫| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৪৬

সহজ সরল রমণী বলেছেন: শাওন অবশ্যই ডায়নী।ঐ অসভ্য মেয়ে গুলকেতিনের সোনার সংসার ভেংগে দিয়েছে। অভিশাপ ওকে।

২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৫৪

জহির উদদীন বলেছেন: কাউকে অভিশাপ দেওয়া ঠিক নয়......
তবে শাওন যা করেছে একজন নারী হয়েও আরেক নারীর ৩০ বছরের সুখের সংসার শেষ করে দিয়েছে....যা ভীষন অন্যায়।
.

৬| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৫৭

নির্দোষ বলেছেন: সহজ সরল রমণী বলেছেন: শাওন অবশ্যই ডায়নী।ঐ অসভ্য মেয়ে গুলকেতিনের সোনার সংসার ভেংগে দিয়েছে। অভিশাপ ওকে।

৭| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:০৩

রশিক রশীদ বলেছেন:
ভাল লাগল লেখাটি । শাওন কি শিলাদের বাবার কাছে আসতে দিত জীবতি থাকতে?

এই লেখাটও দেখুন :

Click This Link

৮| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:২১

rubelboss বলেছেন: আমার একজন প্রিয় লেখক হুমায়ুন আহমেদ। কিন্তু তার দিত্বীয় বিয়ের ঘটনায় আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি।

৯| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৪০

নীল ফিউজিটিভ বলেছেন: যা ঘটেছে তা অতি অমানবিক...শাওন ভাগ্যবতী...তাই তাঁর জেদটাই প্রাধান্য পেয়েছে...তাঁর খুঁটির জোড়ও ছিল...শুধু ভয় একটাই...তাঁর সমাধিস্থানের পবিত্রতা বজায় থাকবে তো! নুহাশ পল্লী একটি স্যুটিং স্পট বই অন্য কিছু নয়...আর সেখানে দীর্ঘ সময় ধরেই শুটিং চলে...প্যাক-আপের পর কি সব পা্টি আয়োজন হয়...তা আর গোপন কিছু নয়...যার সবচেয়ে বড় প্রমাণ শাওন নিজেই...

২৫ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:৩২

জহির উদদীন বলেছেন: সত্যিই সন্দেহজনক.....

১০| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৫৬

ভুলো মন বলেছেন: সহজ সরল রমণী বলেছেন: শাওন অবশ্যই ডায়নী।ঐ অসভ্য মেয়ে গুলকেতিনের সোনার সংসার ভেংগে দিয়েছে। অভিশাপ ওকে।

১১| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৫৭

এস এম আল ইমরান বলেছেন: shaown Banglar adhunik maiago role model j kina drishtanto gorche nam josh khatir jonno dorkar hoile abbur boyosher kauke o bea koron jaibo.Aaijkalkar maia go dehen na same age ba 2/4/6 years ar boro vaigo loge pirit kore but bea koroner somoy ogo buira military mane abbur age ar hoilei khushi.Ashole Shaown,Bidisha arai adhunik maia r baki gulan backdated shei nani dadir amolei poira ache.

১২| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:০৮

ফায়ারউলফ বলেছেন: টাকার জন্য মাইনষে কত কি করতে পারে এইটা শাওনরে দেখলে বুঝা যায় আর টাকা হইলে মাইনষে কত কি করতে পারে সেইট হূমায়ুন আহমেদরে দেখলে বুঝন যায়।শেষ পর্যন্ত এই চটি কাহিনী শেষ হইসে এইটাই বড় কথা।হূমায়ুন সাহেব জানে বুঝেই সম্পূর্ন সূস্হ মস্তষ্কে তার ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবন শেষ করে শাওনকে বিয়ে করসিলো,এক হাতে তালি বাজে না,হূমায়ুনের সমপত্তিতে শাওনের পুরা অধিকার আসে, টাকার বিনিময়ে শাওন শরীর বেচছে আর হূমায়ুনে কিনছে,পুরা ব্যাপারটা মিঊচুয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর মধ্যে ঘটসে এবং শাওন হূমায়ুন আহমেদের বৈধভাবে বিয়ে করা স্ত্রী,যেহেতু হূমায়ুন সাহেব সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা করে দিয়ে যান নাই তাই হূমায়ুনের সম্পত্তির পুরো ভাগ পাবার অধিকার শাওন ও তার সন্তানদের আছে,আদালতে গেলে সেখানেও রায় শাওনের পক্ষে যাবার সম্ভাবনা শতকরা ১০০ ভাগ। সো শাওনরে ডাইনী অর্থলোভী,কুচক্রী বইলা খারাপ প্রমান কইরা লাভ নাই।

২৫ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:৩৩

জহির উদদীন বলেছেন: আপনার কথায় ব্যাপক যুক্তি আছে বৈকি.....

১৩| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:২২

এম আর সুমন বলেছেন: শাওন মিথ্যা বললেও বলতে পারে। অত্যন্ত জাগতিক স্বার্থে মানুষ মিথ্যা বলে। এসব নিয়ে আসলে কিছু করার নাই। তবে লেখকের একটা কথায় আপত্তি জানাই, তা হল রবীন্দ্র নজরুলকে মানুষ কেন মনে রেখেছে এ প্রসঙ্গে।
বেশিরভাগ লেখক বা কবিরই ব্যক্তি জীবন নিয়ে ঝামেলা ছিল। তাতে কিছু যায় আসে না। হুমায়ুন হিন্দু হলে তার সমাধিই হয়তো থাকতো না , তাতেও কিছু যায় আসে না। লেখক বা কবিরা বেচে থাকেন তাদের কাজের জন্য। সমাধীর জন্য না। লেনিন কে তো সমাহিত ই করা হয়নি। তার লাশ আজো আছে। তো?
যার ভাল লাগবে সে এমনিতেই একবার হলেও নূহাশ পল্লীতে যাবে হুমায়ূন স্যার এর কবর দেখতে। ঢাবিতে নজরুলের কবর আছে। কিন্তু বছরে একবার ছাড়া তো কবরের কথা কেউ মনে করে না। বরং ওখানে বসে আগে মদ গাজা খাওয়া হত।" এখন কি হয় জানি না।
সুতরাং লেখক বা কবি বা কোনো কীর্তিমানই তাদের সমাধী কতটা রাজধানীর কাছে সে হিসেবে বেচে থাকেন না। তারা থাকেন তাদের কর্মে।
কবি আহসান হাবীব, বেগম রোকেয়া অথবা মাইকেল এদের কবর তো ঢাকায় নেই। এদের কি আপনি নাম শুনেছেন ভাই? সম্ভবত শুনেছেন। অথবা তাদের কিছু অমর কীর্তিও জানেন। শতত হে নদ তুমি .. অথবা জন্ম তব বঙ্গে...এবব লাইন মানুষ এমনিতেও বলে। সমাধী দেখে বলতে হয় না। আর মাইকেলের পারসেপশনে আপনার বয়স যাই হোক না কেন , নিশ্চয়ই আপনি নতুন প্রজম্ম , নয় কি?
আর এখন তো প্রযুক্তির যুগ। কারো কবরের কাছে আমি একা গেলে যা হবে আর একটা চ্যানেলের ক্যামেরা গেলে তার দুই কোটি গুন বেশি কাজ হবে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন।
আর একটা কথা , মানুষ যতই বিখ্যাত হোক না কেন, ধর্ম প্রচারক ছাড়া অন্য কোনো কীর্তীমানকে আসলে তিন চারশ বছর পর আর মানুষ সেভাবে মনে রাখে না। খোজ নিয়ে দেখেন। সক্রেটিস , প্লেটোদেরও মানুষ সমাধি খুজতে যায় না। অথবা টাকা দিয়ে সাধারনত তাদের কোনো বই কিনে পড়া হয় না।
লেখকের লেখার মান অনুযায়ী তিনি বেচে থাকবেন। হুমায়ুনের লেখার যদি ক্ষমতা থাকে তাহলে মানুষ তাকে অনেক দিন মনে রাখবে। তার কবর যেখানেই হোক।

১৪| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:২৫

সামছুল ইসলাম মিয়া কর্নেল বলেছেন: বাংলার চে ভাই আপনার মন্তব্য ভালো লাগলো এবং আমি তা লিখলাম।

১৫| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১৫

মোহাম্মাদ রাকিবুল হাসান বলেছেন: । নুহাশ পল্লী তে দাফন হলে হুমায়ুন স্মৃতির অন্তরালে চলে যাবেন। কে যাবে সেইখানে তাকে দেখতে? আর কাজী নজরুলের পাশে সমাহিত করা হলে হুমায়ুন এক ধাক্কায় জাতির কেন্দ্রস্থলে জায়গা করে নিবে। না হলে আজ থেকে ৫ বছর পরে হুমায়ুন আহমেদ কে নিয়ে কিছুই হবে না। রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুলের জন্মের ১০০ বছর, ১৫০ বছর পালন করা হয়। কিন্তু ২০৫০ সালে হুমায়ুন এর নাম কয়জনের মন থাকবে এটাই চিন্তার বিষয়।

এই কি আমাদের হুমায়ুন ভক্তির নমুনা!!!!!! তাকে কেউ মনে রাখতে চাইলে এমনিতেই রাখা উচিত... রবিন্দ্রনাথ এ কবর তো এখানে নাই... তইলে তারে নিয়া কি কেউ মাতম করে না?

২৫ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:৩৬

জহির উদদীন বলেছেন: ....তথাপি নুহাশপল্লী তে দাফন না করলেও পারতো তাহলে সাধারন মানুষ বা ভক্তরা খুব সহজেই পারতো তার কবরে আর এখন দেখবেন নুহাশপল্লীতে যেতে শাওন ম্যাডামের কতো অনুমতি লাগে......

১৬| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আর ভেগে যাওয়ার কী আছে, শা্ওন হুমায়ূন আহমেদের বৈধ স্ত্রী। সে তো এমনিতেই সম্পদ পাবে। ভাগলেও পাবে, না ভাগলেও পাবে। এমনকি তার সন্তানরাও সম্পদ পাবে। এটা তো তাদের আইনগত অধিকার।

১৭| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩১

অনিমেষ হৃদয় বলেছেন: তার মেয়েরা হেরে গেল, এটা খারাপ লাগছে :(

তবে আমার মনে হয় নুহাশ পল্লীকে এভাবে না দেখলেই হয়। যারা বলছেন নুহাশ পল্লী নেহাতই একটি শুটিং স্পট, তারা বোধহয় খেয়াল করছেন না হুমায়ূন নিজেই বলছেন তাঁর সবচেয়ে প্রিয় জায়গা এটা, এখানকার গাছগুলোও তাঁর সন্তানের মতো। এটার কিছু হলে তিনি খুব কষ্ট পাবেন।

এদিক থেকে চিন্তা করলেও শাওনকে ঘৃণা করা সত্ত্বেও নুহাশ পল্লীতে দাফন মেনে নেয়া যায় বলে মনে করি।

আর আমার মনে হয় হুমায়ূনকে কেন্দ্র করে নুহাশ পল্লীকে একটি হুমায়ূন স্মৃতি জাদুঘর ধরনের কিছু করা যায়। প্রয়োজনে প্রতি বছর সেখানে হুমায়ূন মেলা হতে পারে। তাঁর বিভিন্ন স্মৃতি সযত্নে রক্ষা করা যেতে পারে সেখানে। এর ফলে মানুষ তো ভুলবেই না, বরং শিলাইদহে যেমন রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি দেখতে যায়, তেমনি নুহাশ পল্লীকে হুমায়ূনকে খুঁজতে আসবে। পৃথিবীর অনেক দেশেই নিজ দেশের বিখ্যাত লেখক, কবিদের সমাধি ঘিরে এমন স্মৃতি জাদুঘর আছে।

কৌতূহল থেকে আরেকটা প্রশ্ন করছি। হুমায়ূন আহমেদ কি গাড়ি ব্যবহার করতেন? স্কাই লাইট মানে বুঝলাম না... এ নামের কোন মাইক্রো তো নেই!

২৫ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:৪৩

জহির উদদীন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য....
স্কাই লাইট মানে বুঝলাম না... এ নামের কোন মাইক্রো তো নেই!

আমি আমার অফিস থেকে যতটুকু দেখেছি সেটা বলি,
সম্ভবত টয়োটা ইমিনা টাইপের স্কাইলিট মাইক্রোবাস যেটার ছাদে ছিল একটা কফি কালার গ্লাস এবং সেটা প্রয়োজনে খোলাও যায়,আবার কফি কালার গ্লাস ভেদ করে গাড়ির ভিতরে আলোও প্রবেশ করে...এবং ভিতরে বসা যাত্রীদের সহজেই চেনা যায়।

১৮| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৮

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদ তো শাওনের প্রেমে ডগমগ ছিলেন। এখন তাঁর ভক্তরা শাওনকে গালাগাল দিচ্ছেন। লেখককে নিয়ে তারা বাড়াবাড়ি করছেন আবার তার প্রেমিকাকে ধুলার সঙ্গে মিশিয়ে দিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ গুলতেকিন দেখতে যান নি বলে তাঁরও সমালোচনা করছেন। একটি পরিবারের অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক নিয়ে যে আমরা কেউই কথা বলতে পারি না, এই বোধটাও হুমায়ূন আহেমেদে বন্দী পাঠকদের তৈরি হয় নি। তাদের রুচির প্রশংসা না করে আর পারছি না। হুমায়ূনের সম্পত্তি কে নেবে এ নিয়ে আমাদের এতো মাথাব্যথার কি আছে?

Click This Link

২৫ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:৪৫

জহির উদদীন বলেছেন: সুন্দর বলেছে....ধন্যবাদ

১৯| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫২

মৃধা জুয়েল বলেছেন: শাওন একটা প্রতারক। শাওন এর শাস্তির প্রয়োজন।

Click This Link

২০| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৬

রােসল আহেমদ বলেছেন: পোস্ট এবং কিছু কমেন্ট পরে বমি আসল।

২৫ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:৪৫

জহির উদদীন বলেছেন: দয়া করে মনিটরের উপর করে দিয়েন না যেন.....

২১| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৫

ভুলোমন বলেছেন: ঢাকায় কবর দিলে হুমায়ুনকে মানুষ মনে রাখবে আর গাজিপুরে দিলে মানুষ ভুলে যাবে তা মানতে পারলাম না । নজরুল, রবিন্দ্র এদের জন্ম কোথায় আর মৃত্যু কোথায় কিন্তু মানুষ তাদের যুগ যুগ ধরে মনে রেখেছে ।

২৫ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:৪৬

জহির উদদীন বলেছেন: সেটা সময়ই বলে দিবে.....

২২| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৪

স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:

এই লেখার কোন আগামাথা নাই...

২৫ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:৪৭

জহির উদদীন বলেছেন: দুঃখিত......

২৩| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪২

স্যার ... বলেছেন: যারা শাওনকে বিতর্কিত করতে চায় তারা হুমায়ুনকে ভালোবাসতে শিখেনি।


এসব বিষয় নিয়ে এখন মাথা ঘামানো কুরুচিকর।

২৪| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৬

তাহ্জীর ফাইয়াজ চৌধুরী বলেছেন: আক্ষেপ !!

২৫| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫০

রবিনহুড বলেছেন:
এত দূরে কে যাবে তার কবরে ফুল দিতে? এভাবে হুমায়ুন দিনে দিনে
লোক চক্ষুর আড়ালে চলে যেতে পারেন।

আর শাওন তো হুমায়ুনেরই সৃষ্টি... আজ হুমায়ুনের মৃত্যুর পরও যে পারিবারিক অশান্তি তৌরি হলে এর পেছনে কিন্তু হুমায়ুনের তৌরি কারন ই দায়ী....
দ্বিতীয় বিয়ে না করলে আজ নিশ্চয় এই রকম ন্যক্কার জনক ঘটনা তৌরি হত না... আমাদের সমাজ ব্যবস্থার জন্য একাধিক বিয়ে কখনই পরিনতিতে সুখকর হয় না... এটাই জগৎ এর রীতি....
অনেকই বিয়ে করেই ঘর করছেন এটা বলে বিষয়টাকে জায়েজ করার চেষ্টা করেন... তা হলে তো বলতে হয় যে ব্যক্তি ৪টা বিয়ে করেন তিনিও কিন্তু সমাজ শরীয়ত মোতাবেকই ৪টা বিয়ে করে থাকেন.. .. তা হলে সেটা কেন সবাই ঘৃনার চোখে দেখে?

সমাজিক রীতি নীতির বাহিরে গিয়ে বিয়ে করাটা যে সুখকর নয় সেটাই আবার প্রমানিত হলো....

২৫ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:৪৭

জহির উদদীন বলেছেন: মন্তব্যটি ভাল লাগল...ধন্যবাদ

২৬| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৮:১১

হাদী নয়ন বলেছেন: এবার থামেন আপনারা যে যেভাবে পারছেন গিবত করে যাচ্ছেন।
আর শাওনের সাথে যে হুমায়ুন সুখে ছিলেন এটা আমরা তার লিখা যারা পরি তারা খুব ভালো করেই জানি।
আর শাওন যদি কনো চালাকি করে তবে তার প্রতিদান আল্লাহ শাওন কে দিবে।

২৭| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৯:৪৬

পোয়েট ট্রি বলেছেন: শাওনের (বিশেষত তার মা'র ) সম্পূর্ণ ফন্দিই স্পষ্ট হয়েছে।

কবর-জিয়ারতের রাজনীতির দেশে_
শাওন ছাড়াও অনেক নারী-পুরুষ শাওন আছেন তারাও নানা-ফন্দি-ফিকিরে নানা ব্যবসা ও অর্থ-খ্যাতি কামিয়ে নেবেন হুমায়ুন আহমেদ এর খ্যাতিকে পুঁজি করে; সেগুলো হয়তো আপাতত শোকাকুল আমাদের মনে আসছে না; তবে অচিরেই স্পষ্ট হতে শুরু করবে।

২৫ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:৫০

জহির উদদীন বলেছেন: সেটা সময়ই বলে দিবে.....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.