| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জহুর আহমেদ চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। ক্ষমতার কেন্দ্রের মানুষ ছিলেন তিনি। চট্টগ্রাম এলাকায় বেশ দাপটের সাথে রাজনীতি করেছেন। ছিলেন আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী ও।
যে যত বড়ই মুক্তিযোদ্ধা হন না কেন, ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ এর সাথে তুলনা সবার সাথেই বেমানান। চট্টগ্রামের সাগর পাড়ের আন্তর্জাতিক ষ্টেডিয়ামটির নাম ছিল একজন বীরশ্রেষ্ঠের নামে। উনি বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যাবসায়ী আওয়ামী লীগ এই অবহেলিত বীরের নাম কেটে ষ্টেডিয়ামের নাম বদলে জহুর আহমেদ চৌধুরী করে দেয়!
রুহুল আমিনের দোষ উনি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন নি। যেটা জহুর সাহেব করতেন।
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন এর এই অপমান আমাদের দেশের মুক্তিযোদ্ধা রা ভাল ভাবেই নিয়েছিলেন বলেই মনে হয়। তারা তেমন আহামরি প্রতিবাদ করে নি তখন।
কোটা সুবিধা পাওয়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা আমায় বলবেন কি, যেখানে একজন বীরশ্রেঠর সম্ভ্রম হানী আপনার কাছে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অপমানসূচক না হয়, তাহলে কোটা উঠিয়ে দিলে মুক্তিযোদ্ধা দের অপমান টা কই করা হয়?
আর সাধারন মানুষ তো আর আপনাদের কোটা বাতিল করতে বলছে না। বলছে ভারসাম্য আনার কথা। এটা কি খুব বেশি অযৌক্তিক?
©somewhere in net ltd.