| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এইটা ভালভাবেই বুঝতেসি যে ফাসির মূলা ঝুলবে। আমুলীগ ইলেকশনের মেনিফেষ্টতে ক্লিয়ার কইরা বলবে যে যদি সব কয়টা রায় এবং তা কার্যকর দেখতে চাও তাইলে নৌকায় ভোট মারো।
লীগ পন্থী পাবলিকের কথাবার্তায় ও এই কাহিনি ফকফকা।
তাইলে ব্যাপারখান দাড়াইল এই যে, আমরা স্লাইড বাশ খাইসি। যুদ্ধাপরাধ ইস্যু রে একটা ত্যানা বানাইয়া ছাড়ছে লীগ। জামাতের সাথে আতাত কি না জানিনা তবে এই খেলায় জামাত জয়ী।
গোলাম আজমের ফাসি হয় নাই। প্রসিকিউশন যে যথেষ্ট শক্ত ছিল না তা বুঝানোর জন্য আর কোন কথার দরকার নাই। মিথ্যার পাহাড়ে দাড়াইয়া জামাতের আইনজীবিরা গোয়াজমরে ঠিকই বাচাইয়া দিল।
গোয়াজমের রায় যেখানে ফাসি না, সেইখানে বাচ্চু রাজাকারের রায় দিয়া আমরা কি করব। এইখানে আমুলীগ টোটালি ভোটের হিসাব করছে। গোয়াজম কিংবা বাদবাকি আগাছা গুলিরে ম্যানিলা রোপের লটাকানির ব্যাপারে তাদের এই কর্পোরেট চিন্তাভাবনা আমাদের মত ছা পোষা মানুষের কাছে একটু ক্লিয়ার হইল বইলাই মনে হয়।
যেইখানে শেখ হাসিনা নিজে গোলাম আজমের বালছাল রায়ে সন্তুষ্ট, সেইখানে সন্দেহ হবে না তো হবে কোথায়?
এককথায় ২০০৮-২০০৯ সালে যেইটা ছিল আমাদের আবেগের সাথে দর কষাকষির ব্যাপার, ৭১ এর আগাছা পরিষ্কারের ব্যাপার, সেইটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যাবসায়ী আমুলীগের কাছে ছিল ভোট যুদ্ধের হাতিয়ার।
তাই বলতেই পারি , আমরা প্রতারিত। এইখানে প্রতারকের ভূমিকায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
©somewhere in net ltd.