| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |

চির সবুজ বাংলার ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো গরু। কাব্য থেকে শুরু করে কৃষি কাজ; গরুর হাজারো ব্যবহার। গরু এসেছে রচনায়, গরু এসেছে উপমায়। ধর্ম ভেদে গরু পূজনীয়, আবার কখনওবা বিধাতার তরে উৎসর্গনীয়।
যেই গরু নিয়ে এতো কথা সেই গরু সরল! হাম্বা হাম্বা ডাকে সংগীতের সুর! নিস্পাপ মায়াবী চাহনী! চারপায়ে ছন্দ তোলা নৃত্য! নিজ কাজে শিল্পের ছোঁয়া! সেই গরু প্রকৃতিতে বেড়ে ওঠা সবুজ কচি কচি ঘাস খেতো। খড়, ভাতের মাড় খেতো। কলাগাছের পাতা খেত। সে খাদ্যে থাকতো না কোন মাংস কিংবা দুগ্ধ বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা। থাকতো না কোন রাসায়নিকের ব্যবহার। এমনই সব গরুর নির্ভেজাল দুধ দিয়ে ময়রা তৈরি করতো মাখন। আলাদা হতো ঘোল। সেই ঘোল আর মাখন মাটির কলসি ভরে বাঁশের চেরার দু’প্রান্তে ঝুলিয়ে বাড়ি বাড়ি হেঁটে বিক্রি করতো। আর ডাক হাঁকতো “ঘোল মাখন”। তখন আমাদের মতো শান্ত, নিরেট ভদ্র ছেলেরা ঘরের ভেতর থেকে পাল্টা ডাক হাঁকতো “গোলমার পো”। একদিন, দুইদিন.... এভাবে আর কতো দিন! তাই ঘোল-মাখন বিক্রেতারা সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিলো এখন থেকে আর তারা “ঘোল মাখন” বলে মানুষকে আকর্ষণের চেষ্টা করবে না। বরং “মাখন ঘোল” বলে ডাক হাঁকাবে। সেই থেকেই “ঘোল মাখন” হয়ে গেল “মাখন ঘোল”। আর করুণ পরিসমাপ্তি ঘটলো “ঘোল মাখন” তথা “গোলমার পো” অধ্যায়ের।
প্রথম প্রকাশ হয়েছে : ব্লগার জিয়া
০৩ রা নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৫৩
ঘুমন্ত দয়াল বাবা বলেছেন: ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ২:৩৬
তারেক ফাহিম বলেছেন: