| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জিয়া উদ্দীন আরিফ
আমি পুরকৌশলের ছাত্র। পুরকৌশলের জটিল জটিল সমীকরণ, সমস্যা আর সূত্রের যন্ত্রণায় মাঝে মাঝে ক্লান্ত হয়ে পড়ি। ক্লান্তি দূর করতেই বিভিন্ন ইন্টারেস্টিং বিষয়গুলো পড়ি। আর সময় জুটলে দু এক পাতা লেখালেখি।
অনুবাদ করতে বসলাম। ততটা ভালো হয়নি অকপটে বলা যায়। উৎসাহ ধরে রাখতেই পোস্ট করা।
ক্রিসমাসের দিনে বারে বসে এক কৃষক মদ খাচ্ছে। এক লোক কৃষকের পাশে বসে জিজ্ঞেস করল, এত সুন্দর দিনে মদ খাচ্ছ কেন? কৃষক বলল, কিছু জিনিস কখনো ব্যাখ্যা করা যায় না। কি এমন ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে যা ব্যাখ্যা করা যায় না? কৃষক আবেগী হয়ে উঠেছে ততক্ষণে। তার গলা ভারী হয়ে এল। বলা শুরু করল, আমি বালতিতে গরুর দুধ দোহন করছিলাম। বালতি পূর্ণ হয়ে উঠলে গরু বাম পায়ে লাথি দিয়ে বালতি ফেলে দেয়। লোকটি কৃষককে বলল, এটা তো এমন কিছুই না।
গরুর বা পা বেধে আবার দুধ দোহন করলাম। গরু ডান পায়ে লাথি দিয়ে বালতি ফেলে দিল। বলল কৃষক। আচ্ছা তারপর, বলল লোকটি। 'কিছু জিনিস কখনোই ব্যাখ্যা করা যায় না। গরুর ডান পা বেধে আবার দুধ দোহন করালাম। গরু লেজ দিয়ে বালতি ফেলে দিল। কিছু জিনিস কখনোই ব্যাখ্যা করা যায় না, বললেন কৃষক। এরপর কী করলেন? লোকটি জিজ্ঞেস করল। গরুর লেজ বাধার জন্য কিছু পেলাম না। বেল্ট খুলে বাঁধলাম। হঠাৎ প্যান্টটি খুলে পড়ল আর আমার বউ তখন চলে এল।
কিছু জিনিস কখনো ব্যাখ্যা করা যায় না। বললেন কৃষক।
ক্রিসমাসের দিনে বারে বসে এক কৃষক মদ খাচ্ছে। এক লোক কৃষকের পাশে বসে জিজ্ঞেস করল, এত সুন্দর দিনে মদ খাচ্ছ কেন? কৃষক বলল, কিছু জিনিস কখনো ব্যাখ্যা করা যায় না। কি এমন ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে যা ব্যাখ্যা করা যায় না? কৃষক আবেগী হয়ে উঠেছে ততক্ষণে। তার গলা ভারী হয়ে এল। বলা শুরু করল, আমি বালতিতে গরুর দুধ দোহন করছিলাম। বালতি পূর্ণ হয়ে উঠলে গরু বাম পায়ে লাথি দিয়ে বালতি ফেলে দেয়। লোকটি কৃষককে বলল, এটা তো এমন কিছুই না।
গরুর বা পা বেধে আবার দুধ দোহন করলাম। গরু ডান পায়ে লাথি দিয়ে বালতি ফেলে দিল। বলল কৃষক। আচ্ছা তারপর, বলল লোকটি। 'কিছু জিনিস কখনোই ব্যাখ্যা করা যায় না। গরুর ডান পা বেধে আবার দুধ দোহন করালাম। গরু লেজ দিয়ে বালতি ফেলে দিল। কিছু জিনিস কখনোই ব্যাখ্যা করা যায় না, বললেন কৃষক। এরপর কী করলেন? লোকটি জিজ্ঞেস করল। গরুর লেজ বাধার জন্য কিছু পেলাম না। বেল্ট খুলে বাঁধলাম। হঠাৎ প্যান্টটি খুলে পড়ল আর আমার বউ তখন চলে এল।
কিছু জিনিস কখনো ব্যাখ্যা করা যায় না। বললেন কৃষক।
২|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ ভোর ৬:১১
ফাহমিদা বারী বলেছেন: Chaliye jan..Eksomoy valo hobe..![]()
৩|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:২৮
এই আমি রবীন বলেছেন: হবে, এগিয়ে যান।
৪|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:৪২
আশফাক ওশান বলেছেন: চালিয়ে যান
৫|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:১২
কানিজ রিনা বলেছেন: তবুও ভাল হয়েছে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৩:১৫
সিফটিপিন বলেছেন: লেখাটি দুইবার এসেছে।