নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্যসুন্দর ॥

অর্ক

...

অর্ক › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রিয় নরেন্দ্র মোদি—২

৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৯



এই দশক ভারতের উত্থানের দশক, দুর্বার অগ্রগতির দশক। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতা নিয়েছিলো, তখন ব্রিটেনের বিখ্যাত গণমাধ্যম দি গার্ডিয়ান বলেছিলো: অবশেষে ব্রিটিশরা চূড়ান্তরূপে ভারত থেকে বিতারিত হলো। ভঙ্গুর অর্থনীতি, দরিদ্রতা, রাজ্যে রাজ্যে অসম উন্নয়ন, জাতিবাদ, দাঙ্গাহাঙ্গামা, অব্যবস্থাপনা ইত্যাদি নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত অনগ্রসর, অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু, স্থবির, বেসামাল এক রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকে আজকে বিশ্বের চতুর্থ পরাশক্তি, পঞ্চম বৃহৎ অর্থনীতি, সামরিকভাবে মহাপরাক্রমশালী এক উজ্জ্বল রাষ্ট্রের নাম ভারত। প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভারত এই দশকে যা অর্জন করেছে তা চমকপ্রদ, বিস্ময়কর। আর এটা কেবলমাত্র নরেন্দ্র মোদির কুশল নেতৃত্ব, গভীর দেশপ্রেম, নিবিড় হয়ে দেশসেবায় কাজ করে যাবার জন্যই সম্ভব হয়েছে। এই মহান কর্মবীর যেখানেই হাত দেয়, সেটাই পরশপাথরে পরিণত হয়, সোনারূপোয় বদলে যায়। যেভাবে বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত ঘোর অন্ধকারে ডুবে থাকা গুজরাটকে শূন্য থেকে শুরু করে শীর্ষে নিয়ে গেছেন তিনি, তেমনি গোটা ভারতকেও। তাঁর সময়ে প্রতিদিনই একটুএকটু করে এগিয়েছে ভারত, এগোচ্ছে। আজ পৃথিবীর ফার্মেসি বলা হয়ে থাকে ভারতকে। সারা বিশ্বজুড়ে তাদের সুলভ কিন্তু কার্যকর ঔষধ বিক্রি হয়; অগুনিত মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত হয়, তাদের জীবন বাঁচে। চাঁদে ভারত নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করেছে। নাসার চার ভাগের একভাগ খরচে ভারতের ইসরো বিভিন্ন সময় চাঁদে সফল অভিযান সম্পন্ন করেছে। বিভিন্ন জটিল বৈজ্ঞানিক গবেষণা কার্যক্রম সাফল্যের সঙ্গে পরিচালনা করে আসছে। সামরিক শক্তিতেও ভারত আজ এক মহাদানবের নাম। নিজস্ব প্রযুক্তি, নিজস্ব কাচামালেই বিপুল পরিমাণের বিভিন্ন কার্যকর সমরাস্ত্র নিয়মিত তৈরি করে চলেছে তারা। সেসবের সফল পরীক্ষানিরীক্ষা অব্যাহত রয়েছে। সেসবের চাহিদা সারা বিশ্বব্যাপী। ভারত আজ বিশ্বের অন্যতম সামরিক সরঞ্জাম, অস্ত্র, গোলাবারুদ রপ্তানিকারক দেশে পরিণত করেছে। বিভিন্ন দেশে নিয়মিত রপ্তানি করছে। অথচ দু’দশক আগেও পুরোপুরি আমদানি নির্ভর ছিলো। ভারতকে আজ সবাই সমীহ করে চলে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ভারতের ওপর নির্ভরশীল গোটা বিশ্ব। তাদের এক্সপার্টরা আইটির শীর্ষ সব পদে সম্মানের সাথে কাজ করে চলেছে। এসব সবারই মোটামুটি জানা। পাশাপাশি রাষ্ট্র হিসেবেও ভারত এ সময় দারুণ উন্নতি করেছে। রাজ্যে রাজ্যে যে উন্নয়ন বৈষম্য ছিলো, তা অনেকটাই কমে এসেছে নরেন্দ্র মোদির সময়কালে। ভারতের উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলো বরাবরই অর্থনৈতিকভাবে বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছিলো, সেটা অনেকাংশেই কমে এসেছে এই সময়ে। আমাদের প্রতিবেশী আসামসহ ভারতের উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলোতে বিরাট উন্নয়ন, অগ্রগতি হয়েছে নরেন্দ্র মোদির সময়কালে। যে কারণে সেখানকার মানুষ বারবার বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছে নরেন্দ্র মোদিকে, ভারতীয় জনতা পার্টিকে। সেখানকার বিরোধী পক্ষ দাঁড়াতেই পারছে না নরেন্দ্র মোদির সামনে। হ্যা, একা নরেন্দ্র মোদিই আজ ভারতের জনগণের আশাভরসার প্রতীক হয়ে উঠেছে। তাঁর নামেই সেখানে ভোট হয়। প্রার্থী নয় তাঁকে দেখে ভোট দেয় ভারতীয়রা। তাঁকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে। নিজেদের পরিবারের একজন মনে করে। এই আলোকিত, অদম্য, মহান কর্মবীর তাঁর কাজ, পারফরম্যান্স দিয়েই নিজেকে এ অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

(চলবে)

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৩০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মোদির উন্নয়ন থেকে আমরা কি শিখতে পারি ?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.