| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ গত সপ্তাহে সংসদে দাঁড়িয়ে একটি কথা বললেন যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এর আগে কেউ সরকারিভাবে বলেননি। মানবাধিকার কমিশন নিয়ে আলোচনার মাঝখানে তিনি বললেন, বাংলাদেশে LGBT ইস্যু আছে, এবং এই বিষয়টাকে দেশীয় সংস্কৃতি ও ধর্মের সাথে মিলিয়ে একটি আন্তর্জাতিক মানের মানবাধিকার কমিশন তৈরি করতে হবে। এটুকুই। না কোনো অধিকারের দাবি, না কোনো আইন পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি। শুধু একটি স্বীকারোক্তি যে বিষয়টার অস্তিত্ব আছে। কিন্তু এই ছোট্ট স্বীকারোক্তিটুকুই যথেষ্ট ছিল একটা আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য, কারণ এই দেশে সত্য বলাটাই সবচেয়ে বিপজ্জনক কাজ।
৩ এপ্রিলের ঘটনাটা দিয়ে শুরু করা যাক। সেদিন শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতি শুক্রবারের মতো কিছু ট্রান্সজেন্ডার মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। তারা বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন, হাসছিলেন, নিজেদের মধ্যে কথা বলছিলেন। ঠিক তখন সকালের সময়ের সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন ইয়াসিন ক্যামেরা তাক করলেন। এরপর যা হলো তা নিয়ে দুটো পক্ষের দুটো গল্প আছে। সাংবাদিক বলছেন তাকে মারধর করা হয়েছে। অন্য পক্ষের যুক্তি হলো, যারা সারাজীবন ক্যামেরার সামনে পড়লে চাকরি হারান, পরিবার ছাড়েন, এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন, তারা হয়তো সেদিন অনুমতি ছাড়া ভিডিও করাটা ভালোভাবে নেননি। মারধর যে-ই করুক, সেটা অন্যায়, এটা নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু এই ঘটনাটা সুকৌশলে একটা ন্যারেটিভ তৈরি করে দিল। ন্যারেটিভটা হলো: ট্রান্সজেন্ডাররা বিপজ্জনক।
ঠিক সাত দিন পরে, ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে আটটায়, একই জায়গায় "সাধারণ মানুষ" ট্রান্সজেন্ডারদের উপর হামলা চালাল। এই "সাধারণ মানুষ" কথাটা খুব মজার। বাংলাদেশে কেউ ট্রান্সজেন্ডারদের দেখলে কি সত্যিই স্বতঃস্ফূর্তভাবে মারতে দৌড়ায়? মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে একই স্থানে দুটো ঘটনা, এবং দুটোর মাঝখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদীয় বক্তব্য। যোগফলটা মিলিয়ে দেখলে মনে হয় কেউ একটা রেসিপি তৈরি করেছে। প্রথমে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনা দিয়ে জনমনে ভয় ঢোকাও, তারপর মন্ত্রীর বক্তব্যকে "LGBT স্বাধীনতার ঘোষণা" বলে চালিয়ে দাও, তারপর "ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষের" হামলাকে জনগণের প্রতিক্রিয়া হিসেবে উপস্থাপন করো।
এই ঘৃণার যুক্তিটা একটু ভেঙে দেখা দরকার। ট্রান্সজেন্ডারদের বিরুদ্ধে যে মূল আপত্তি, সেটা হলো তারা "স্বাভাবিক" যৌনতার বাইরে, পুরুষ পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া এই সমাজে পাপ, অভিশাপ, সমাজের জন্য বিপদ। এই যুক্তিতেই শাহবাগে হামলা হয়, এই যুক্তিতেই মিম্বর থেকে ঘোষণা আসে। কিন্তু আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাবে গত বছর শুধু মাদ্রাসার ভেতরেই ৫২ জন শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে, তিনজন মারা গেছে, এবং ভুক্তভোগীদের বেশিরভাগই ছেলেশিশু। মেহেরপুরে গত সপ্তাহে, নোয়াখালীতে তার আগের সপ্তাহে একই অভিযোগে শিক্ষকরা গ্রেপ্তার হয়েছেন। অর্থাৎ যে আচরণকে "অস্বাভাবিক" বলে রাস্তায় মানুষ পেটানো হচ্ছে, সেই আচরণ সবচেয়ে নিরাপদে ঘটছে সেই দেওয়ালের আড়ালে যেখানে নৈতিকতার সবচেয়ে উচ্চস্বরে পাহারা দেওয়া হয়। পার্থক্য শুধু একটাই, একটা দৃশ্যমান আর একটা দরজা বন্ধ করে।
এই দেশে হিজড়া সম্প্রদায় হাজার বছর ধরে আছে। মুঘল আমলে তারা রাজদরবারে সম্মানিত ছিলেন। ব্রিটিশরা এসে তাদের "অপরাধী জাতি" ঘোষণা করল। স্বাধীনতার পরেও সেই ঔপনিবেশিক আইন রয়ে গেল। ২০১৩ সালে সরকার তৃতীয় লিঙ্গের স্বীকৃতি দিল, কিন্তু বাস্তবে কিছুই পাল্টাল না। পাসপোর্টে "হিজড়া" লেখার সুযোগ হলো, কিন্তু চাকরি নেই, বাড়ি নেই, মসজিদে ঢুকতে দেয় না, কবরস্থানে দাফন করতে দেয় না। এই মানুষগুলো সপ্তাহে একটা দিন, শুক্রবার সন্ধ্যায়, জাদুঘরের সামনে বসে একটু নিজেদের মতো থাকেন। এই অল্পটুকুও কারও সহ্য হচ্ছে না।
বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্যাটার্ন নতুন না। একটা সংখ্যালঘু গোষ্ঠীকে আগে "বিপজ্জনক" বলে পরিচিত করাও, তারপর "জনরোষ" সৃষ্টি করো, তারপর হামলা করো এবং হামলাকারীদের "ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ" বলে রক্ষা করো। এভাবেই অনেক মাজার ভাঙা হয়েছে, অনেক হিন্দু মন্দির পুড়েছে, অনেক সংখ্যালঘুর বাড়ি ছাই হয়েছে। প্রতিবার একই রেসিপি, শুধু উপকরণ বদলায়। এবার উপকরণ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে সেই মানুষগুলোকে যারা এমনিতেই সবচেয়ে অরক্ষিত, যাদের পাশে দাঁড়ানোর লোক সবচেয়ে কম।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে একটা কথা বলেছেন। এটা বাংলাদেশের LGBT সমাজের জন্য কোনো বিজয় না, এটা একটা সাধারণ বাস্তবতার স্বীকারোক্তি। কিন্তু এই সামান্য স্বীকারোক্তিটুকুও যে একটা গোষ্ঠীর এত গায়ে লাগল, এত দ্রুত এত সহিংস প্রতিক্রিয়া হলো, সেটাই বলে দেয় পরিস্থিতিটা আসলে কতটা ভয়াবহ। যে দেশে মাদ্রাসার শিক্ষক ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং সেই খবর তিন দিনের মধ্যে হারিয়ে যায়, সেই দেশে জাদুঘরের সামনে আড্ডা দেওয়া ট্রান্সজেন্ডারদের পেটানোর খবর ভাইরাল হয় এবং "জনগণের ক্ষোভের প্রকাশ" বলে বৈধতা পায়। এটাই এই দেশের সবচেয়ে বড় প্রহসন।
জেনে রাখা ভালো : বাংলাদেশে বেশিরভাগ মানুষ এখনো মনে করে, ছেলে মানে ছেলে, মেয়ে মানে মেয়ে এবং এটা বদলায় না । তাই তারা সবকিছু এক করে ফেলে; ছেলে + ছেলে পছন্দ = গে ; এখানে transgender বিষয়টা মিস হয়ে যায় । উদাহরণ : আকাশ জন্মের সময় ছেলে ছিল, কিন্তু পরে নিজেকে নারী হিসেবে অনুভব করে (transgender নারী হলো। সে যদি পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হয়,তাহলে সে straight (নারী → পুরুষে আকর্ষণ) ; গে না ।
শাহবাগে ট্রান্সজেন্ডারদের ওপর হামলা-ভোরের কাগজ
শাহবাগে ট্রান্সজেন্ডারদের হামলায় সাংবাদিক আহত- রহমত নিউজ ।
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এখানে হিজড়া থাকলে তাদের কথাই বলতো ; হিজড়া আর trans পুরোপুরি এক না । মনে হয় সাংবাদিক আগের মাইরের প্রতিশোধ নিয়েছে । তবে কেউ যদি হাসে নিজেরা নিজেরা এখানে মারামারি করা ছোটো লোকি কাজ । তারা কোনো সেক্সসুয়াল কাজ করছিলো না ।
সাধারণ জনতার বেশে এখানে কারা ছিলো নিজে থেকে বুঝে নিন।
২|
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:১৬
আলামিন১০৪ বলেছেন: ট্রান্স জেন্ডার-
পুরপূর্ণ পুরুষ থেকে সিউডো মহিলা-
পরিপুর্ণ মহিলা থেকে সিউডো পুরুষ
মানুষের হাতে এমন ক্ষমতা নেই যে, লিঙ্গ পরিবর্তন করবে। এটাকে খাসি করানো বলা যেতে পারে
আপনি কী বলেন?
একজন সক্ষম পুরুষ বা মহিলাকে শৈল চিকি[সায অক্ষম করাকে রাণ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। আর যারা এটা করতে চায় তাদের মানসিক ডাক্তার বা কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা করতে হবে। হরমোন চিকিৎসায় এদের অনেকের রোগ সারে বলে শোনা যায়।
অপরাধীদের অপরাধের সামাজিত স্বীকৃতি দিলে অপরাধ বেড়ে যায়, তা মানেন কি?
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: একজন সক্ষম পুরুষ বা মহিলাকে শৈল চিকি[সায অক্ষম করাকে রাণ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে ।
যাদের উপর হামলা হয়েছে এদের কি ফিজিকাল ভাবে চেক করার পর মারা হয়েছে নাকি ? এভাবে চেক করার যায় কি ? কাউকে কোনো কিছু মনে করে আপনি পিটুনি দিয়ে দিবেন ? যদি এরা কোনো সেক্সুসুয়াল কাজ পাবলিকলি করতো তাহলে সেটা নিয়ে কেউ অবজেকশন জানাতে পারতো। ধরেন দুইজন ছেলে কিস করছে ইহা মেনে নিবে না অনেকেই । কিনতু এখানে কথা বলা , হাসাহাসি শুনে সমকামী মনে করে ধোলাই দেয়া হলো ।
আমারও তো জামাতের আমীরের চুমু ভালো লাগে না ; কোনোদিন সে বিষয়ে লিখেছি ?
৩|
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:১৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: দেশে হিজড়া সম্প্রদায় হাজার বছর ধরে আছে।
.........................................................................
তবে তাদের আচরন, পোষাক, চালচলন আগের সেই রাজকীয়
এবং ভদ্রতার লেশ মাত্র নেই ।
ট্রান্স জেন্ডার বা হিজরা এ সর্ম্পকে সাধারন মানুষের জ্ঞান কম তাই
সকলকে একই পাল্লায় মাপা হয় ।
মূলত তাদের অশোভনীয় আচার আচরন অত্যন্ত দৃষ্টি কটু বিধায়,
তাদের প্রতি সাধারন সহানূভূতি কম ।
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যারা ধোলাই খেয়েছে এরা হিজড়া না ; হিজড়াদেে গায়ে হাত তোলা নিয়ে বাংলাদেশে কিছু কুসংস্কার আছে ।
৪|
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২০
আলামিন১০৪ বলেছেন: শঙ্খচিল ভাইয়া, হিজরা আর ট্রান্সজেন্ডার কি এক?
হিজরারা জন্ম থেকেই হিজরা আর ট্রান্সরা শল্যবিদ কর্তৃক পরিবর্তিত-এদের কোন কার্যকর মেশিন নাই ![]()
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হিজড়া নিয়ে আপনার ধারণা সঠিক । তবে মেশিন না থাকলেও সে মানুষ। তার বেসিক হিউমান রাইটস আছে ।
৫|
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:০৩
নাহল তরকারি বলেছেন: কি দরকার, ট্রন্সজেন্ডার হবার! প্রাকৃতিক ভাবে যে জেন্ডার নিয়ে জন্ম নিয়েছি সেটা নিয়ে খুসি আছি।
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:০৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আসলেই তাদের ভুল হয়ে গেছে । এবার গাছের সাথে বেধে পিটানো উচিত ।
৬|
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:০৭
আলামিন১০৪ বলেছেন: হিজড়াদের নিয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই, তাদের কেন ভিক্ষা করে জীবন চালাতে হয়? সেটা নিয়ে লিখুন।
ভ্যাকসিন এর পরিবর্তে ভাইরাস এর পক্ষে নিলে তো সমাজে রোগাক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাবে। এটাই বলেছি আমি।
.....আমার মন্তব্যের প্রশ্নের কোন জবাব আপনি দেন নি। আপনি ট্রান্স করার পক্ষে হলে তাতে যুক্তি দেন। মানে আপনার হঠাৎ মহিলা হওয়ার বাসনার উদ্রেক হলে রাষ্ট্র ঠিক কি কারণে বাঁধা দিতে পারবে না কিংবা কি কারণে তা গ্রহণযোগ্য।
শুধু মানুষ না একটা প্রাণীকে বিনা কারণে আঘাত করাটা অপরাধ, আমি আপনার সাথে একমত। বিন্তু আসলে কি হয়েছিল তা না জেনে কোন পক্ষাবলম্বন করাটা ঠিক না। তো ওরা ঠিক কি কারণে শাহবাগে জমায়েত হয়েছিল? আমি তো প্রায় প্রতি দিন শাহবাগে যাতায়াত করি কখনো তো ওদের দেখি না।
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শাহবাগে আপনি দেখেন না বলেই কোনো ঘটনা ঘটেনি এমনটা ভাবা অযৌক্তিক। সিসিটিভি ফুটেজ এবং ভিডিও রিপোর্টগুলো সত্য সাক্ষী দিচ্ছে।
আপনি বলেছেন রাষ্ট্র কেন বাধা দেবে না? অথচ দেখুন, রাষ্ট্র কিন্তু তাদের গ্রেপ্তার করেনি। ৩ এপ্রিল বা ১০ এপ্রিল শাহবাগে তারা যখন জড়ো হয়েছিল, পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সরিয়ে দেয়নি কিংবা কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়নি। কেন নেয়নি? কারণ স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে প্রকাশ্য স্থানে আড্ডা দেওয়া বা নিজেদের মধ্যে কথা বলা কোনো অপরাধ নয়।
রাষ্ট্র যে কাজটিকে অপরাধ বলছে না, পুলিশ যাদের গ্রেপ্তার করছে না, সাধারণ মানুষ পরিচয়ে একদল লোক কোন আইনে তাদের ওপর হামলা করার সাহস পায়? আইন হাতে তুলে নেওয়াটাই তো সবচেয়ে বড় 'ভাইরাস'। আপনি যদি মনে করেন তারা কোনো অন্যায় করছে, তবে আপনি পুলিশের কাছে যেতে পারতেন। কিন্তু তা না করে হামলা চালানোকে সমর্থন করা মানে হলো অরাজকতাকে সমর্থন করা।
৭|
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১১
রাজীব নুর বলেছেন: বাংলাদেশে হুজুরদের দমিয়ে রাখতে পারতেন একজন মহিয়সী নারী। তিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল হুজুররা জানোয়ারের মতো কাজ করেছে।
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:১৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনা মৌলবাদিদের সাথে নিয়ে চলতেন ।
৮|
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:০৩
মাথা পাগলা বলেছেন: হিজড়া বা ট্রান্সজদের অশোভন আচরণ জাস্টিফাই করার আগে আমাদের উচিত বাংলাদেশে তাদের অধিকার এবং ডিসক্রিমিনেট করা না হয় সে বিষয়ে আলোচনা করা। তবে সমস্যা নাই, এগুলা করতে থাকলে আমেরিকা ও ইউরোপের স্যাংশন খাবে খুব শিগগিরই।
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:১৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমেরিকা জামাত কে কোনোদিন স্যাংশন দিবে না ।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:১৯
আহা রুবন বলেছেন: ওরা ওদের মতো থাকলে কারও তো সমস্যা হবার কথা নয়। তবে হিজড়ারা অশোভন আচরণ করে।