| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিংকন বাবু০০৭
ভালবাসি বই পড়তে আর পছন্দ করি টুকটাক লিখতে, ভালো লাগে বুদ্ধিমানদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। দেশটাকে ভালোবাসি। সৎ-পরিশ্রমীদের শ্রদ্ধা করি। । আমার ব্লগ নিয়ে অনেক আগ্রহ আছে। কিন্তু কিছু জানি না। তাই জানতে চাই
ইরানী নেতা খামেনি শহীদ হওয়ার পরে ইরান কি বলেছিল মনে আছে???
ইরান কইছিলো, ইরানের এই অবস্থার জন্য যারা দায়ী সেই বেবাক দেশকে রাস্তায় এনে দাঁড় করানো হবে।
প্যান্ট খুলে ছেড়ে দিবে-(এটা আমি কইলাম ),
আমেরিকার অর্থনীতিকে ৭০ দশকে ফিরিয়ে আনা হবে। ইরান সেটা করে দেখাচ্ছে।
USA-এর অর্থনীতি আর ইতিহাস যদি হয় শত বছরের, সে খানে ইরানের ইতিহাস কয়েক হাজার বছরের….
নাটক কি ভাবে আগাচ্ছে শুনেন…
আন্দোলনে ফ্রান্সের অবস্থা নড়বড়ে। বিক্ষোভকারীদের কোনভাবেই দমাতে পারছে না ম্যাক্রোর সরকার।
ঘটনা এতই নাজুক যে, আন্দোলন ঠেকাতে কারফিউ জারি করা হয়েছে।--(এজইউজুয়াল যা হয় আরকি)…
রাজনৈতিক সরকার থেকে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো মামাকে পদত্যাগের প্রস্তাব দেয়া হলেও তিনি নাকচ করে দেন।--(আবারো এজইউজুয়াল যা হয় আরকি)।
গতকাল জাতির উদ্দেশ্যে (আল-বাল-ছাল গুরুত্বপূর্ণ) বক্তব্য দিয়েছে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো। সেখানে তিনি বলেন, ফ্রান্সের এই দূরদশার জন্য ইরান যুদ্ধ দায়ী!—(বাহ্- একছের ওয়াও)
but…ক্যামনে, কিভাবে? চলুন হেতেগো কিছু গুরুত্বপূর্ন আজিরা যুক্তি দেহি---
হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার দায়ে ইউরোপে জ্বালানী সংকট বাড়ছে। অতিরিক্ত জ্বালানী খরচের দায়ে প্রতিটা সেক্টরে দাম বাড়ছে। শুধুমাত্র দাম বাড়েনি, জনগণের নাভিশ্বাস উঠে গেছে বাড়তি অর্থ খরচ করতে গিয়ে,,,,, ফলে গোটা ইউরোপে প্রভাব পরেছে।
EU এর কাছে বর্তমানে সামান্যই তেলের মজুদ রয়েছে। আগামী আরো কয়েকমাস যদি ইরান হরমুজ বন্ধ করে রাখে তাহলে এর তেজ ইউরোপ ছেড়ে অন্য দিকেও আছড়ে পরতে পারে- এমনটা সবাই বললেও, আমার মনে হয় বাংলাদেশেরে প্রতি আল্লাহর বিশেষ রহমতের কারনে আমরা তেমন ঝামেলায় পরবো না।–(আমি পজেটিভ মানুষ এটা আমার একলার মত)।
সামনেই তো শীত... ইউরোপবাসী শীতে ঘর গরম রাখবে নাকি পেট?
আর আরা জানি রাশিয়ার পুতিন ব্রো যে কোন যুদ্ধ টাইনা নিয়া যাবে উইন্টারে, ইতিহাসের পাতা মিলাইয়া দেখেন, ইউরোপকে ছাই দিয়া ধইরা ছিলা ফালাইতে চায় পুতিন বাবু, কারন ইউক্রেনকে মদদ দেয়ার জন্য...
ইরান-রাশিয়া-চায়না এরা সবাই তো একই দলের লোক(এখন পর্যন্ত)।
বিশ্ব নিয়ন্ত্রণের এই সুযোগ কি আরেকবার আসবে? বা তারাই-কি এটা হাত ছাড়া করবে???
ঠিকই ভাবছেন, ইরান হরমুজ খুলে দিবে না। ইউরোপের হাতে থালা-বাটি ধরানো হবে, আমেরিকার সাথে জোট বেঁধে ন্যাটো যদি কাছা বেধে নামে আর যদি হরমুজ পুনরুদ্ধার করতে মরণ কামড় দেয় তাহলে সেটা ওদের ধ্বংসের সূচনা করবে। আর ইউরোপ-আমেরিকার যুদ্ধ ব্যয় তো আকাশ চুম্বি এটা বেবাকে জানে। আর ইরান কেমনে কম পয়সায়, কম তেলে মচমচা যুদ্ধ করতে হয় তা তো দেখাইতাছে…
যুদ্ধের বয়স ১ বছর হতে এখনো ৫ মাসের মত বাকি... তার আগেই দেশগুলিতে ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয়েছে...... ইউরোপ ইতিমধ্যে পেছনের পাতায় চলে গেছে।
নাটকের অনেক দৃশ্য এখনো বাকি! আমেরিকা যদি ইরানের ৭ দফা না মানে তাহলে হরমুজের দরজাও খুলবে না। আর বাড়াবাড়ি করলে গোটা মধ্যপ্রাচ্য ডুবে যাবে যার ফল ভোগ করবে বিশ্ব অর্থনীতি।
আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন……..
২|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৪১
কলাবাগান১ বলেছেন: বিরাট রির্সাচ
যে দেশের মুদ্রা এর মান $১= ২৭০,০০০ ইরানিয়ান রিয়াল, সে করবে বিশ্ব নিয়ন্ত্রন??? হাসালেন
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৯
লিংকন বাবু০০৭ বলেছেন: ইরান চাপে রাখবে আর চাপে আর নিয়ন্ত্রন করবে রাশিয়া আর চায়না।
৩|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫০
অপু তানভীর বলেছেন:
![]()
৪|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৯
ভুয়া মফিজ বলেছেন: ইরানে আছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেলের রিজার্ভ আর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসের রিজার্ভ। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো পাত্তাই পেতো না ইরানের কাছে। স্যাঙ্কশানে না থাকলে ইরান আজকে বিশ্বের অন্যতম ধনী রাষ্ট্র হতো, যার কাছে আম্রিকান ডলারও খুব একটা সুবিধা করতে পারতো না। আম্রিকা-ইজরায়েল জুটি ঠিক এটাকেই ভয় পায়। তারা জানে, ইরানকে দাবায়ে না রাখলে ইরান তাদের জন্য হয়ে উঠবে একটা বিভীষিকার নাম।
তবে এইবার ইরান একটা হেস্তনেস্ত না করে ছাড়বে না। হয় মরবে, নয়তো মারবে। দেখি যাক কতোদূর কি করতে পারে!!!!!
৫|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬
রাজীব নুর বলেছেন: মুসলিম দেশ গুলোর কপালে দুঃখ আছে।
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৪
লিংকন বাবু০০৭ বলেছেন: মার্কিন পা চাটা মুসলিম দেশের দুঃখ হাবারি কথা।
৬|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৬
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: দারুণ বিশ্লেষন- আগামী বছর থেকে বংলাদেশর মানুষ দলে দলে ইরানে অভিবাসী হবে।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬
নতুন বলেছেন: ইরান যুদ্ধে সবাই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
ইরান বেশিদিন হরমুজ কার্ড খেলতে পারেনা। সময়ের সাথে সাথে সবাই একটা ব্যবস্থা বের করে ফেলে। এখন মধ্যপ্রাচ্যের মানুষও এই ব্যবস্থার মাঝে বাচতে শুরু করেছে।
ইউরোপের এই অবস্থা দেখে এখন ইমিগ্রেন্ট নিতে আরো বেশি বাছাই করবে।