নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি সাদামাটা মানুষ। ভালবাসার কাঙ্গাল। অল্পতেই তুষ্ট। সবাই আমাকে ঠকায়, তবুও শুরুতে সবাইকে সৎ ভাবি। ভেবেই নেই, এই মানুষটা হয়ত ঠকাবেনা। তারপরেও দিনশেষে আমি আমার মত...

অপলক

তত্ত্ব, তথ্য ও অনুভূতি ভাগাভাগি করা আমার অভিপ্রায়। কারও যদি ইচ্ছে হয় তবে যে কেউ আমার এই ব্লগের যে কোন কিছু নিজের সংগ্রহে রাখতে পারে।

অপলক › বিস্তারিত পোস্টঃ

যু্ক্তিসংগত ব্যাখ্যা চাই-১

২০ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:২৪




আমরা সবাই জানি ইসলাম ধর্মে, আত্মহত্যাকারীর পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। সহীহ বুখারীতে এসেছে, আল্লাহ তা'আলা বলেন, "আমার বান্দা নিজের জীবনের ব্যাপারে আমার আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, তাই আমি তার ওপর জান্নাত হারাম করে দিলাম।"

জন্ম মৃত্যু আল্লাহর হাতে। যদি আত্মহননের মাধ্যমে কারও মৃত্যু হয়, সেটা মহা অপরাধ, কারন আল্লাহর সিদ্ধান্তের আগেই বান্দা নিজের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ীত করে। আমার প্রশ্ন হল, যদি সিজারের মাধ্যমে বাচ্চা ভূমিষ্ট করানো হয়, সেটাও তো আল্লাহর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। তাহলে সেটাও কি মহা অপরাধ নয়?

এখানে ঐ সকল সিজারের কথা বলছি, যেখানে সিজার না করলে মা বা বাচ্চার, জীবন নাশের কোন সম্ভাবনা নেই। ইসলামিক বিজ্ঞদের যুক্তিসংগত মন্তব্য আশা করছি।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জন্ম মৃত্যু আল্লাহর হাতে। যদি আত্মহননের মাধ্যমে
কারও মৃত্যু হয়, সেটা মহা অপরাধ,

.....................................................................
যিনি জন্ম দিয়েছেন,
তিনিই মৃত্যু লিখেছেন ।এখানে ব্যত্যয় চলে না ।
সিজার করাটা বিজ্ঞানের কৌশল, প্রসূতি সঠিক ভাবে
জীবন যাপন করতে না পারায়, মা বা বাচ্চার সুবিধার্থে সিজার ।
একজন বিধর্মী যদি সৎ কাজের কারনে আল্লাহর সন্তষ্টি লাভ করে জান্নাত পেতে পারে
অন্যদের বা মুসলিমদের অবশ্যই অনেক সুযোগ থাকে ।
বর্তমান যামানার হাদীস পরস্পর বিরোধী কথা বলে ।

২| ২০ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

নূর আলম হিরণ বলেছেন: ব্লগার নতুন নকিব হয়তো একটা ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে পারবেন।

৩| ২০ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৪৪

মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্‌ বলেছেন: WHO এবং The American College of Obstetricians and Gynecologists (ACOG) এরা প্রয়োজনীয় কারণ ছাড়া সিজার কে ডিসকারেজ করে। Indication না থাকলে guideline vaginal delivery-কে prefer করে।
কিন্তু fully informed maternal request থাকলে elective cesarean সম্পূর্ণ নিষিদ্ধও না—বিশেষ করে proper counselling ও documentation থাকলে। এই জায়গাটাতেই সমস্যা। যখন ইন্ডিকেশন নেই সেখানে ইসলাম সিজারকে অনুমোদন করে না। তবে যাদের টোকোফোবিয়া বা প্রসব ভীতি আছে তাদের বেলা সিজার অনুমোদন করা যায়।

৪| ২১ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:১২

ঢাকার লোক বলেছেন: আল্লাহ রোগ দেন, ডাক্তার চিকিৎসা করেন, রোগী ভাল হন। এর অর্থ এই নয় যে আল্লাহ কাউকে মেরে ফেলতে চেয়েছিলেন এবং ডাক্তার আল্লাহর ইচ্ছার বিপরীতে গিয়ে তাকে ভাল করে ফেলেন!এ জন্য‌ই ইসলামে ডাক্তার দেখানো শুধু অনুমোদিত‌ই নয় বরং strongly recommended. সিজারের বেলায়‌ও এক‌ই কথা প্রজোয্য। ডাক্তার প্রয়োজন মনে করলে‌ই সিজার করা হয়, সখ করে কেউ সিজার করে না। কাজেই এটি আল্লাহর ইচ্ছার বিরোধিতা কেন হবে, বা এতে গুনাহ হবে কেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.