| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
অপরাধী যে-ই হোক, তাকে বিচারের আওতায় আনা হোক...
সাংবাদিক হলেই কেউ আইনের ঊর্ধ্বে চলে যায় না।
সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা- কিন্তু সেই পরিচয় ব্যবহার করে যদি কেউ রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা, মিথ্যাচার, অপপ্রচার, উস্কানি কিংবা স্বৈরাচারকে বৈধতা দেওয়ার কাজে জড়িত থাকে, তাহলে তারও জবাবদিহিতা থাকতে হবে।
গত দেড় দশকে দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ধ্বংসে কিছু তথাকথিত সাংবাদিক সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে- এমন অভিযোগ এন্তার। শেখ হাসিনাকে স্বৈরাচার বানিয়েছে তেলবাজ সাংবাদিকরা। কেউ কেউ টকশো, কলাম, মিডিয়া প্রভাব এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ছত্রছায়ায় বিরোধী মত দমন, গুম-নির্যাতনকে জায়েজ করা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে- যা এখনো আমাদের অন্তরে দগদগে যন্ত্রণা।
এখন যদি সেই গোষ্ঠীর পক্ষ নিয়ে আবারও “সুবিচার” এর নামে চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে জনগণ স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন-
★আইনের বিচার কি সবার জন্য সমান হবে, নাকি পেশা ও প্রভাব দেখে আলাদা হবে?
আমরা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা চাই না।
কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন, অপপ্রচার, ক্ষমতার অপব্যবহার বা স্বৈরাচারকে সহযোগিতা করার অভিযোগ আছে- তাদের প্রত্যেকের নিরপেক্ষ তদন্ত হতে হবে। দোষী হলে বিচার হবে, নির্দোষ হলে মুক্ত হবে-
এটাই আইনের শাসন।
কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:০৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যদি কেউ রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা, মিথ্যাচার, অপপ্রচার,
উস্কানি কিংবা স্বৈরাচারকে বৈধতা দেওয়ার কাজে জড়িত থাকে,
...........................................................................................
এ ব্যাপারে সাংঘাতিকরা ( সাংবাদিক )এক ধাপ এগিয়ে, আর
আছে কন্টেনট ক্রিয়েটার , তারা ভিউ বাড়ানোর জন্য
মাঝে মাঝে বড় ধরণের অমানবিক কাজ করে থাকে ।
এসব মব কালচার বন্ধ করা দরকার ।