নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাড়ির কাছে আরশিনগর সেথা পড়শি বসত করে, একঘর পড়শি বসত করে আমি একদিনও না দেখিলাম তারে।

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য

মানুষ পথিক বেশে ঘুরছে দেশে দেশে একটু ছায়াতলে থমকে দাঁড়ায়, স্মৃতিটুকু রেখে শুধু একদিন তো চলে যায়।

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য › বিস্তারিত পোস্টঃ

খালি গলায় নজরুলসংগীত গেয়ে ভাইরাল লায়লা বাউল

২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৫


খালি গলায় ‘নয়ন ভরা জল’ নজরুলসংগীত গেয়ে রীতিমতো ভাইরাল ফরিদপুরের লায়লা বাউল। জীর্ণ শাড়ি পরা এই নারীর গাওয়া বাউল ও লোকগান টিকটক, ফেসবুক এবং ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়েছে দ্রুত।

ভাইরাল সেই ভিডিও

জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই গান পছন্দ করতেন লায়লা। গ্রামের বিভিন্ন অনুষ্ঠান, মেলা ও ওরসে গান গাইতেন। তবে তখন তাকে খুব বেশি মানুষ চিনত না।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার ডাক পাচ্ছেন লায়লা বাউল। বিশেষ করে গ্রামীণ মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাকে দেখতে ভিড় করছেন দর্শকরা। তরুণদের মধ্যেও তার জনপ্রিয়তা বাড়ছে। টিকটকে তার গানের সঙ্গে অনেকেই ভিডিও বানাচ্ছেন।

সংগীতপ্রেমীরা মনে করছেন, লায়লা বাউলের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে মানুষ এখনও লোকগান ভালোবাসে। আধুনিক গানের ভিড়েও বাউলগানের আলাদা আবেদন রয়েছে। এখন মোবাইল ফোন আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে গ্রামের শিল্পীরাও সহজে মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, লায়লা বাউল প্রায় ২০ বছর ধরে ফরিদপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তার বর্তমান বয়স আনুমানিক ৬৫ বছর। শৈশবে এলাকার ‘দিলীপের মা’ নামে পরিচিত এক নারীর সান্নিধ্যে আসেন বাবা-মা বিচ্ছিন্ন লায়লা। ওই নারী তাকে কৈশোরে বিয়ে দেন ইসলাম শেখ নামের এক যুবকের সঙ্গে। ৯ বছর আগে সেই ইসলাম শেখ মারা যান।

লায়লার দুই ছেলে দুই মেয়ে। দুই ছেলে আবুত মনা ও টুটুল শেখ বর্তমানে ফরিদপুর শহরতলির হারোকান্দি এলাকায় থাকেন। সন্তানরা বড় হয়ে সংসারী হলেও লায়লা আর সংসারে ফেরেননি। শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে গান গেয়েই কেটে যাচ্ছে তার জীবন।

কথিত আছে, কোনো ভিসা-পাসপোর্ট ছাড়াই তিনি হেঁটে আজমির শরিফ পর্যন্ত চলে যান। লোকসংগীতের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি শিল্পীদের গানও গাইতে পারেন তিনি।

ফরিদপুরের সাধারণ এক নারী থেকে পরিচিত কণ্ঠশিল্পী হয়ে ওঠা লায়লা বাউলের গল্প এখন অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা। তার এই পথচলা দেখিয়ে দেয়, প্রতিভা থাকলে একদিন না একদিন মানুষ তাকে চিনবেই।

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৫২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: স্থানীয়রা জানিয়েছেন, লায়লা বাউল প্রায় ২০ বছর ধরে ফরিদপুর
শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

......................................................................................
খুবই সুন্দর হয়েছে,
সাংস্কৃতিক কর্মীরা উনার জন্য কিছু
করা উচিৎ ।

২৮ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:৫৪

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: যথাযথ মূল্যায়ন পেলে এতদিনে ভালো একজন কণ্ঠশিল্পী পেয়ে যেতাম আমরা।

২| ২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৫৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আশা করি লায়লা বাউল যে কয়টা দিন বাচবেন একটু আরাম -আয়েশি জীবনের সুযোগ পাবেন ।

২৮ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:৫৫

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: হ্যাঁ, প্রশাসন থেকে সহায়তা করা হচ্ছে।

৩| ২৮ শে মে, ২০২৬ ভোর ৪:১৬

শ্রাবণধারা বলেছেন: আমিও শুনলাম এই মহিলার গান - অপূর্ব সুন্দর।

২৮ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৫৪

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: কম বয়সে আরো ভালো ছিল বোঝা যায়।

৪| ২৮ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫

শায়মা বলেছেন: আমার মনে হয় উনি যেমন তেমন থাকতেই ভালোবাসেন এবং তার কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই। পেশা নেশা টাকা পয়সা কোনো কিছুর ধার ধারেনা সে।

তবে হ্যাঁ গান শুনে চমকে উঠবেই যে কেউ।

আমি চাই উনি যেমন ভাবে ভালো থাকলে ভালো থাকবেন আল্লাহ যেন তাকে তেমনই রাখেন।

হাসন রাজা, লালন শাহ এর থেকে কোনো অংশেই কম নন উনি!

২৮ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৫৫

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: কথাবার্তায়ও স্মার্ট। মনে হয় যেমন আছেন তেমনেই থাকবেন।

৫| ০১ লা জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১১

রাজীব নুর বলেছেন: খুব সুন্দর।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.