নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাড়ির কাছে আরশিনগর সেথা পড়শি বসত করে, একঘর পড়শি বসত করে আমি একদিনও না দেখিলাম তারে।

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য

মানুষ পথিক বেশে ঘুরছে দেশে দেশে একটু ছায়াতলে থমকে দাঁড়ায়, স্মৃতিটুকু রেখে শুধু একদিন তো চলে যায়।

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য › বিস্তারিত পোস্টঃ

রবীন্দ্রপ্রেমী ও রবীন্দ্রবিরোধী - কারা ভালো লেখে-মন্তব্য করে ব্লগে

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫


আখতারুজ্জামান আজাদ নামে এক লেখকের একটা লেখা দৃষ্টিগোচর হলো কাল। লেখাটা দিয়েই আমার পোস্ট শুরু করব।

স্বল্প-বাংলা-জানা এক জাপানি ভদ্রলোক কোলকাতার এক দাদাকে জিজ্ঞেস করলেন— ‘এই যে আপনারা নামের শেষে দা যোগ করেন, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে সুনীল দা কিংবা অনিল কাপুরকে অনিল দা ডাকেন; এর কারণ কী?’

জবাবে কোলকাতার ভদ্রলোক বললেন— ‘দাদা মানে ভাই। দাদাকে ছোট করে দা বলি আমরা। তাতে কোনো সমস্যা আছে আপনার?’

বিরস বদনে নীরস কণ্ঠে মিনমিন করে জাপানি নাগরিক জবাব দিলেন— ‘না, তেমন কোনো সমস্যা না। আমার নাম বোকাচো আর আমার বাবার নাম আচো। এই আর কী।’

আরেকবার, স্বল্প-বাংলা-জানা এক পাকিস্তানি ছাত্র মগবাজারে জামায়াতে ইসলামির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গেল বেড়াতে। গিয়ে জামায়াতের এক নেতাকে জিজ্ঞেস করল— ‘আচ্ছা, ইদানীং ঢাকায় এলেই যে আপনাদের মুখে রঠা-রঠা শুনি, এই রঠা জিনিশটা কী?’

জবাবে জামায়াতনেতা বললেন— ‘বাংলা অভিধানে বিভিন্ন শব্দের অর্থ পরিষ্কার করতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রে খ্যাতিমান কবি-সাহিত্যিকদের জনপ্রিয় উক্তি ব্যবহার করা হয়, উক্তির শেষে সংক্ষেপে লেখকের নামও উল্লেখ করা হয়; যেমন— ব চ (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়), মা ম দ (মাইকেল মধুসূদন দত্ত), ঈ বি (ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর), কা ন ই (কাজী নজরুল ইসলাম), র ঠা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)। আমরা রবীন্দ্রবিদ্বেষী তো। রবীন্দ্রনাথের নাম শুনলেই আমাদের জ্বর আসে। তাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে আমরা রঠা বলি। বলে এক ধরনের আনন্দ পাই। ভালো লাগে। কেন? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে রঠা বললে তোমার কোনো সমস্যা আছে?’

উত্তরে সেই পাকিস্তানি ছাত্র বলল— ‘না, তেমন কোনো সমস্যা না। কিন্তু আমার প্রিয় নেতা তো আবার গোলাম আজম।’

ব্লগে অনেকেই আছে, যাদের পোস্ট বা মন্তব্য পড়ে বোঝা যায় তারা কারা এবং কী তাদের পরিচয়। যারা আওয়ামী লীগ বা বিএনপি সমর্থন করে, তারা পরিচয় গোপন করে না। আরেকটা দল আছে যারা পরিচয় গোপনের কারণে গুপ্ত হিসেবে স্বীকৃত। এই শ্রেণিটা রবীন্দ্রনাথকে রঠা বলে, কিন্তু গোলাম আজমকে গোআ বলতে দিতে চায় না। এরা নিজেরা সারাদিন জিন্নাহর গুণকীর্তন করলেও সমস্যা নেই, কিন্তু কেউ যদি রবীন্দ্রনাথের প্রশংসা করে, ওদের পশ্চাৎদেশে আগুন ধরে যায়। যারা রবীন্দ্রনাথের প্রশংসা করে তারা সাহিত্যবোধ থেকেই করে, রবীন্দ্রনাথকে পীর মানে না। কিন্তু যারা জিন্নাহ বা গোআর প্রশংসা করে তারা তাদের বাপ মানে।

১৯৪৭ বা ১৯৭১ কোনোটাই ওদের পছন্দের দল চায়নি, অথচ ওরা বলে রবীন্দ্রনাথ নাকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চায়নি। কানায় আরেকজনকে কানা বলে। রবীন্দ্রনাথ ঢাবি বিরোধিতা করলেন আর ঢাবি তাকে দুইবার সংবর্ধনা দিলো আবার আজীবন সদস্য করলো?

নজরুল, মুজতবা আলী, জসীম উদদীন এমনকি ওই গুপ্তদের প্রিয় কবি আল মাহমুদও কিন্তু রবীন্দ্রপ্রেমী ছিলেন। অথচ কোথাকার কোন সলিমুদ্দির ছেলে বলে কলিমুদ্দি বলে রবীন্দ্রনাথ নাকি মুসলিমবিরোধীও ছিলেন! মূর্খরা জানে না নজরুল, মুজতবা আলী, জসীম উদদীনরা রবীন্দ্রনাথের স্নেহধন্য ছিলেন। নজরুল, মুজতবা আলীরা রবীন্দ্রনাথকে পীর মানতেন বলা যায়।

ব্লগের কয়েকজন রবীন্দ্রপ্রেমী ও রবীন্দ্রবিরোধীর নাম লিখছি। তাদের সম্পর্কে ব্লগারদের মতামত চাই। আমাকে বলুন কারা কেমন লেখে? কী লেখে? সোনা না বিষ্টা?

রবীন্দ্রপ্রেমী

শায়মা
শ্রাবণধারা
হাসান মাহবুব
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ
নতুন
কলাবাগান১
ওমর খাইয়াম
স্বপ্নের শঙ্খচিল
সৈয়দ কুতুব
কিরকুট
মহাজাগতিক চিন্তা
রাজীব নুর

রবীন্দ্রবিরোধী

সৈয়দ মশিউর রহমান
দেশ প্রেমিক বাঙালী
তানভির জুমার
অনন্য দায়িত্বশীল আমি
অপলক
সামছুল আলম কচি
সুলাইমান হোসেন
পুরানমানব
আলামিন১০৪

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যেহেতু আমার নাম আছে, সুতরাং আমার বয়ান দেয়া আবশ্যক :
....................................................................................
আমি যেহেতু কবিতা , গল্প, চলমান ঘটনা দেখতে, পড়তে, শুনতে
ভালবাসি, তাই সাহিত্য অঙ্গন আমার প্রিয় । আমি যেখানেই যাই সেখানে লাইব্রেরী
খুঁজে বের করি । যেমন আমি বর্তমানে অষ্ট্রেলিয়া সফরে আছি, এখানকার লাইব্রেরী সদস্য হয়ে গেলাম,
প্রতিদিন সময় করে যাই তাদের ইতিহাস, সাহিত্য ,কারু ও চারূকলা ও ছোটদের বই পুস্তক দেখি ,
অনেক চমকপ্রদ তথ্য আহরন করি ।
তেমনি বাংলা সাহিত্যে, রবীন্দ্রনাথ , নজরুল, শরৎচন্দ্রসহ অনেক লেখক আমার পসন্দ
এখানে যারা রাজনীতি আনতে চায়, আমি মনে করি তারা মূর্খ ও তারা অল্প বিদ্যার লোক ।

মানুষের মনে যদি তার স্বদেশের সাহিত্য ভালো না লাগে তাহলে,
সে অমানুষ ও পাষাণ হৃদয় নিয়ে ঘুরছে, এদের থেকে দূরে থাকুন ।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: রবীন্দ্রনাথের লেখা যারা পড়ে তারা সাহিত্যবোধ থেকেই পড়ে আপনার মতোই। আর যারা কোনো সাহিত্যই পড়ে না, তারা হয় রবীন্দ্রবিদ্বেষী। নজরুলকে মাথায় তুলে রাখলেও ওরা নজরুলের কোনো লেখা পড়েনি পাঠ্য গল্প-কবিতা ছাড়া।

২| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৫

শায়মা বলেছেন: যাক বাবা এই পোস্টে রবীন্দ্রনাথের শুধু প্রেমিকরা আছে ........ প্রেমিকারা নেই ....... :)

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: রবীন্দ্রপ্রেমীর লিস্টে আপনি এক নাম্বার। স্যরি। ভুল হয়ে গেছে। আপডেট করে নিলাম।

৩| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: আমার কমেন্ট মডারেশন তালিকায় বাদ পরা তিন জনকে যুক্ত করে নিলাম।

এরা হয় রবীন্দ্রানাথ বিরোধী নয় বাংলাদেশ বিরোধী।

বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধীদের সাথে কোন আলাপই নাই।


ধন্যবাদ।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪১

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: রবীন্দ্রপ্রেমীর লিস্টে আপনিও আছেন। তাড়াহুড়ায় তোলা হয়নি। অ্যাড করে নিলাম।

৪| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:১৪

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



রবীন্দ্রপ্রেমী ও রবীন্দ্রবিরোধী—এই বিভাজনের মধ্য দিয়ে আপনি ব্লগের সাহিত্যবোধ, রাজনৈতিক অবস্থান এবং ব্যক্তিগত বিদ্বেষের একটি জটিল চিত্র তুলে ধরেছেন। আপনার লেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, কাউকে পছন্দ করা বা অপছন্দ করার চেয়েও বড় বিষয় হচ্ছে তাঁর লেখা, যুক্তি ও বক্তব্যকে কীভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক বিশাল ব্যক্তিত্ব। তাঁর সাহিত্যকর্মের মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও চিন্তার জগৎ নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন। তাঁর কোনো বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত থাকলে সেটিও যুক্তি ও তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায়। কিন্তু কোনো সাহিত্যিককে বিদ্রূপাত্মক সংক্ষিপ্ত নামে ডাকা, কিংবা তাঁর নাম শুনলেই বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখানো, সাহিত্যসমালোচনার বিকল্প হতে পারে না। একইভাবে রবীন্দ্রনাথের প্রতি ভালোবাসা থাকলেই তাঁর প্রতিটি বক্তব্য বা সিদ্ধান্তকে প্রশ্নাতীত বলে মেনে নিতে হবে—এমনও নয়।

আপনার পোস্টের কৌতুকপূর্ণ উদাহরণগুলো একটি বিষয়কে সামনে এনেছে: মানুষ কখনো কখনো নিজের পছন্দের ব্যক্তির ক্ষেত্রে যে উদারতা দেখায়, অপছন্দের ব্যক্তির ক্ষেত্রে তা দেখাতে পারে না। নিজের রাজনৈতিক বা আদর্শিক পক্ষের নেতার নাম ও বক্তব্যকে সম্মান করা, অথচ বিপক্ষের প্রিয় ব্যক্তিকে অবজ্ঞা করা—এ ধরনের দ্বৈত মানদণ্ড সমাজে যেমন দেখা যায়, ব্লগেও তার প্রকাশ ঘটতে পারে। তবে এই প্রবণতা বিচার করতে হলে ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি তাঁর প্রকৃত বক্তব্য, আচরণ ও যুক্তিও বিবেচনা করা দরকার।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সাহিত্যিকের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সাহিত্যিকের মতাদর্শের প্রতি সমর্থন এক জিনিস নয়। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ভালো লাগতে পারে এমন একজন মানুষের, যিনি তাঁর রাজনৈতিক বা সামাজিক কোনো বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন। আবার কেউ রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য পছন্দ না করলেও যুক্তিসংগত সমালোচনা করতে পারেন। তাই রবীন্দ্রপ্রেমী বা রবীন্দ্রবিরোধী পরিচয় দিয়ে কারও লেখার মান আগেই নির্ধারণ করা উচিত নয়।

আপনি কয়েকজন ব্লগারের নাম উল্লেখ করে তাঁদের লেখালেখি ও মন্তব্যের মান সম্পর্কে পাঠকদের মতামত চেয়েছেন। এই আলোচনাটি সবচেয়ে ফলপ্রসূ হবে যদি আমরা প্রত্যেকের নির্দিষ্ট পোস্ট, যুক্তি, ভাষা, তথ্যের ব্যবহার, অন্যের মতের প্রতি সম্মান এবং মন্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা বিচার করি। কেউ রবীন্দ্রনাথকে পছন্দ করেন বলেই তাঁর লেখা ভালো, কিংবা অপছন্দ করেন বলেই তাঁর লেখা খারাপ—এমন সিদ্ধান্ত নিলে আপনার উত্থাপিত দ্বৈত মানদণ্ডের সমস্যাটিই আবার তৈরি হবে।

ব্লগের সৌন্দর্য হচ্ছে, এখানে ভিন্নমতের মানুষও যুক্তি দিয়ে কথা বলতে পারেন। মতভেদ থাকতেই পারে; কিন্তু মতভেদ যেন ব্যক্তিগত আক্রমণ, অপমান কিংবা বিদ্বেষে পরিণত না হয়। একজন ব্লগার কতটা ভালো লেখেন, তা বোঝা যায় তাঁর বক্তব্যের গভীরতা, যুক্তির ধার, ভাষার সংযম এবং নিজের মতের বিপরীত বক্তব্যের মুখোমুখি হওয়ার ক্ষমতা দিয়ে। মন্তব্যের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য—শুধু প্রশংসা বা বিরোধিতা নয়, পোস্টের বিষয়টি বুঝে প্রাসঙ্গিক ও চিন্তাশীল মন্তব্য করাই প্রকৃত পাঠকের পরিচয়।

আমার মতে, রবীন্দ্রনাথকে ভালোবাসা বা অপছন্দ করার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো সাহিত্যকে সাহিত্য হিসেবে পড়তে পারা এবং মানুষকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়েও মূল্যায়ন করতে শেখা। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যিক অবদান স্বীকার করেও তাঁর কোনো বক্তব্যের সমালোচনা করা যায়; আবার তাঁর বিরোধিতা করেও যুক্তি ও তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনা করা যায়। প্রয়োজন হলো, ব্যক্তি-বিদ্বেষ যেন বিচারবুদ্ধিকে আচ্ছন্ন না করে।

আপনার পোস্টটি তাই শুধু রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে বিরোধের আলোচনা নয়; এটি আমাদের ব্লগীয় সংস্কৃতিরও একটি পরীক্ষা। আমরা কি প্রিয় ব্যক্তির ভুল দেখতে পারি, অপছন্দের ব্যক্তির ভালো দিক স্বীকার করতে পারি এবং মতভেদ সত্ত্বেও যুক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে পারি? এই প্রশ্নগুলোর উত্তরের মধ্যেই একজন ব্লগারের প্রকৃত সাহিত্যবোধ ও মননশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৫৩

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: আপনি আলী সাহেবের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছেন নাকি মুরুব্বি। এত বড় মন্তব্য নিজে করেছেন নাকি এআইয়ের সহায়তা নিয়েছেন? মন্তব্যটা অবশ্য ভালো।

৫| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৩০

হাসান মাহবুব বলেছেন: আমাকে কী মনে হয়?

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:২৯

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: আপনি অবশ্যই রবীন্দ্রপ্রেমী। আসলে তৎক্ষণাৎ পোস্ট করায় অনেক নাম মনে ছিল না। পরে আপডেট করছি।

৬| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:০১

হাইজেনবার্গ ০৬ বলেছেন: আমারে দুই নাম্বার দলে রাখেন, তয় আমি রবিন্দ্র বিদ্ব্যেষী বা বিরোধীনা , আমি রবিন্দ্র অপ্রেমি। উহার লেখার চে গান লাইক করতাম, পরে দেখি সবই 'চড়ণ ধরিতে দিও গো' টাইপ। প্রেমিকার পাও ধড়তে কইতাছে মনে হয়, ভাবতাম, এখনও যদিও জানি না আসলে কার পাও ধড়তে কইতাছে। সবই পোতাইন্যা সুর =p~

আরেকটা ব্যাপার খেয়াল করলাম, প্রেমিকদের দলে যারা লিস্টেড তাদের একেকজনের বয়স কম করে হলেও সত্তুরের বেশী অইবো =p~ =p~ =p~
আর র ঠা'র লিস্টেডে কারা আছে? এডাই মনে অয় জেনারেশন মাইন্ড দা গ্যাপ ;)

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৩৯

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: আপনার সম্পর্কে সেভাবে জানা নেই। পোস্ট দেখলাম কয়েকটা ভালোই মনে হলো।

আপনার মজার হয়েছে। আপনি বলেছেন, উহার লেখার চে গান লাইক করতাম, পরে দেখি সবই 'চড়ণ ধরিতে দিও গো' টাইপ। প্রেমিকার পাও ধড়তে কইতাছে মনে হয়, ভাবতাম, এখনও যদিও জানি না আসলে কার পাও ধড়তে কইতাছে। সবই পোতাইন্যা সুর =p~ ঘুম ধরাও অসম্ভব কিছু না। তবে প্রেম করতে গেলে প্রেমিকার চরণ ধরতে হয়। আপনার হয়তো জানা নেই মেয়েরা রবীন্দ্রনাথকে ভালোই পছন্দ করে। অবশ্য তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় পাস।

আর আরেকটা ব্যাপার খেয়াল করলাম, প্রেমিকদের দলে যারা লিস্টেড তাদের একেকজনের বয়স কম করে হলেও সত্তুরের বেশী অইবো =p~ =p~ =p~ আর র ঠা'র লিস্টেডে কারা আছে? এডাই মনে অয় জেনারেশন মাইন্ড দা গ্যাপ ;) সবার বয়স এত না। তবে জেনারেশন গ্যাপ থাকতে পারে। এখনকার ছেলেমেয়েরা তো র‌্যাপ সঙ্গীত পছন্দ করে। ভারী কিছু ওদের মাথায় ধরে না, মনেও টানে না। যেসব গান ওদের পছন্দ কয়টা গান সর্বজনীনতা পায়? কিন্তু রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুল গীতি কিন্তু সবসময়ের।

আবার এই জেনারেশনের সবাই যে রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুল গীতি অপছন্দ করে, তা না। অনেকেই আছে। এই যেমন এখানে যাদের রবীন্দ্রপ্রেমী বললাম, আপনার কি মনে হয় না তাদের ছেলেমেয়েরা রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুল গীতি পছন্দ করে না? স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো প্রতিযোগিতায় ছেলেমেয়েরা ওই রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুল গীতি, লালনগীতি - এসব গানই গায়।

৭| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৪৯

শায়মা বলেছেন: হাইজেনবার্গ ০৬ ভাইয়াজানের কথা শুনে হাসতে হাসতে মরলাম!!

এত বেরসিকভাইয়াজান.......

আর চরণ শুধু প্রেমিকার ধরবে কেনো???

মেয়েরা যখন গায় তখন প্রেমিকেরও চরণ ধরতে চায়......

তবে হ্যাঁ আমি মরে গেলেও ধরবো না আর এই গানও আমি তাই গাই না শুনিও না!!!!!! হুহ ......





১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১০

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: উনি মনে হয় নারীবিদ্বেষী। অবিবাহিত থাকবে মাগার মেয়েদের তোয়াজ করবেন না।

৮| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৯

আলামিন১০৪ বলেছেন: যাক আজিকে জানিলাম যে আমি রবীন্দ্র বিদ্বেষী-
আমি সত্য বলাতে পিছু পা হই না। সত্য তিতা হইলেও সত্য।

রবীন্দ্রনাথের গল্প-উপন্যাস সবগুলো না হলেও অধিকাংশ আমার পড়া। তার লিখা ভালো না লাগলে কে যায় পড়তে?

তিনি যে অন্তরে মুসলিম বিদ্বেষ লালন করতেন সেটি আমার মনে হয় সত্য। মুসলিমদের তিনি বহিরাগত শত্রু আখ্যা দিয়েছেন একটি রচনায়। কিন্তু মারাঠা দস্যু কিংবা কালি ভক্ত ঠগীদের বিষয়ে তার উপন্যাস-গল্প কি আছে? তদুপরি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধীতা করেছিলেন তিনি।

ধারনা করা হয় তিনি একেশ্বরবাদী ছিলেন- নজরুলের মতো ধান্দাবাজ শ্যামা সঙ্গীত রচয়িতা ছিলেন না
আর তার বেশ কিছু গান চুরি করা- রেফারেন্স উল্লেখ না করে নিজের নামে চালানো ভারি অন্যায়।

মাঝে মধ্যে তিনি ছন্দ মিলাতে গিয়ে লেজেগুবরে করে ফেলেছেন-

- ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে?

- জোসনা রাতে সবাই গেছে বনে

রবি উপাসকরা আসল ঘটনা না বুঝে ঝোপের আড়ালে এখনো জোসনা খুঁজে বেড়ায়-

এখন বলুন আমাকে আপনার তালিকার কোথায় রাখবেন?


১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪১

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: আপনি লোক খারাপ না, তবে জানায় অনেক ঘাটতি আছে। আমি তো আপনাকে পয়েন্টে পয়েন্টে বোঝাতে পারব না। আমার এই পোস্ট পড়লে কিছুটা ধারণা পেতে পারেন। আর মুসলিমদের তিনি বহিরাগত শত্রু আখ্যা দিয়েছেন একটি রচনায়। কিন্তু মারাঠা দস্যু কিংবা কালি ভক্ত ঠগীদের বিষয়ে তার উপন্যাস-গল্প কি আছে? প্রত্যেকটা গল্পে অনেক চরিত্র থাকে। আপনি নিশ্চয়ই সিনেমা দেখেছেন? সেখানে ভিলেনও থাকে। নায়কও থাকে। পরিচালকের কাজ হলো সব চরিত্র ফুটিয়ে তোলা। ভিলেনের চরিত্র নিয়ে কাজ করলেও তিনি ভিলেন হয়ে যান না।

ধারনা করা হয় তিনি একেশ্বরবাদী ছিলেন- নজরুলের মতো ধান্দাবাজ শ্যামা সঙ্গীত রচয়িতা ছিলেন না। আর তার বেশ কিছু গান চুরি করা- রেফারেন্স উল্লেখ না করে নিজের নামে চালানো ভারি অন্যায়। গান, সাহিত্য ও সংস্কৃতি হলো দিবে আর নিবে মিলবে মিলাবে। আমাদের বাংলা ব্যাকরণ থেকে সাহিত্যের অনেককিছু অ্যাডাপ্ট করা। এটা দোষের কিছু না। নজরুলের বিদ্রোহী বা জীবনানন্দের হাজার বছর ধরে বিদেশি কবিতা থেকে অনুপ্রাণিত। নজরুলের শুকনো পাতার নূপুর পায়েও ফার্সি গান থেকে অ্যাডাপ্ট করা। নজরুলকে ধান্দাবাজ বলাটা শোভনীয় হলো না। কবিরা তো আর পীর-পয়গম্বর না, তারা অনেককিছু লিখতে পারেন, সব কি তাদের বিশ্বাস করতে হবে? নজরুল পেটের তাগিদে শ্যাম সংগীত বা ইসলামী গান লিখেছেন। এটা তার পেশা।

আপনি বললেন, মাঝে মধ্যে তিনি ছন্দ মিলাতে গিয়ে লেজেগুবরে করে ফেলেছেন-

- ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে?

- জোসনা রাতে সবাই গেছে বনে
এগুলোরও ব্যাখ্যা আছে। গুগল করলেই জানতে পারবেন। শুধু জানার ইচ্ছে থাকলেই হলো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.