| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২০১। আর তাদের মধ্যে কিছু লোক বলে, হে আমাদের রব! আমাদেরকে ইহকালে কল্যাণ দান করুন এবং পরকালে কল্যাণ দান করুন। আর আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন হতে রক্ষা করুন।
* যারা মাতভেদে লিপ্ত তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। আর সেই মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম। যারা সঠিক তারা বেঠিকদের সাথে অবিরাম মতভেদ নিরসনের চেষ্টা না করলে আল্লাহ তাদেরকেও জাহান্নামে নিক্ষেপ করতে পারেন। ইহকালেও মতভেদের কারণে মহাশাস্তির মধ্যে পড়তে হতে পারে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
* মতভেদের কারণে সাহাবায়ে কেরাম (রা.)পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হয়েছেন। তাতে কিছু লোক মুমিন থাকলেও কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতেন না। কিন্তু আল্লাহ তাঁদের পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত না হওয়ার ইচ্ছা করেননি। কারণ আল্লাহর পছেন্দের একটি কাজ তাঁরা করেননি। কি সেই কাজ?
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
* আল্লাহর পছন্দের কাজটি ছিল অভিন্ন ফিকাহের যথাযথ শিক্ষার ব্যবস্থা। রেসালাতের পর এটি বেলায়াত, খেলাফত, ইমামাত ও ইমারাতের দায়িত্ব ছিল। কোন পক্ষ থেকে কাজটি করা হয়নি বিধায় সাহাবায়ে কেরামের (রা.) বেলায়াত, খেলাফত, ইমামাত ও ইমারাতের দায়িত্বপ্রাপ্তগণকে আল্লাহ আল্লাহ মানুষ রক্ষা করেননি। প্রথম খলিফা ফিতনার সাথে যুদ্ধ করে জীবন পার করেছেন এবং অন্য সবাই ফিতনার হাতে নিহত হয়েছেন। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) মোয়াল্লাফাতে কুলুবের আওতাভূক্ত থাকায় তিনি রক্ষা পেয়েছেন।এমতাবস্থায় কুফুরী বেড়ে যাওয়ায় কারবালায় সাহাবায়ে কেরামের (রা.) শেষ ইমাম হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা তাদের ইমামের মাথাকেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
* ইমাম আবু হানিফার (র.) নেতেৃত্বে আখারিনের শুরায় অভিন্ন ফিকাহ সংকলিত হয়। ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আমির আব্বাসীয় খলিফা হারুনুর রশিদের শুরায় আখারিন সংকলিত ফিকাহ পরিশোধীত হয়ে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদীত হলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হয়। তাদের প্রতি আল্লাহর ক্রোধ কমে টানা এগারশ বছর তারা মুসলিম বিশ্ব শাসন করে।তাদের সাথে মতভেদকারী কোন দল মুসলিম বিশ্ব শাসক হয়নি। এখন তাদের মুসলিম বিশ্ব শাসন থামলেও মুসলিমদের অধীকাংশ অঞ্চল, দেশ ও জনসংখ্যা তাদের। মুসলিমদের মধ্যে একমাত্র তারাই বিশ্ববিস্তৃত। তাদের কারণেই ইসলাম বিশ্ব ধর্ম। মুসলিমদের মধ্যে একমাত্র তাদের নিকট পরমাণূ অস্ত্র রয়েছে। তবে তারাও অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার যথাযথ ব্যবস্থা করেনি এবং চালু করেনি অন্যদের সাথে তাদের মতভেদ নিরসন কেন্দ্র।একই নামাজের জামায়াতে কেউ বুকে হাত বাঁধে, কেউ নাভির নীচে হাত বাধে এবং কেউ হাত বাধে না। এসব করে তারা আল্লাহর ঐক্যবদ্ধ থাকার আদেশের সাথে তামাসা করে।আল্লাহ আমাকে স্বপ্নে বলেছেন যারা তাঁর সাথে তামাসা করে তিনিও পরকালে তাদের সাথে তামাসা করবেন। সেই তামাসা হবে আল্লাহর কঠিন শাস্তি। আল্লাহর এ কঠিন শাস্তি হতে বাঁচতে হলে মুসলিমদেরকে মতভেদ নিরসন কেন্দ্র চালু করতে হবে। তাদেরকে মতভেদ নিরসনের চেষ্টা করতে হবে। তারা যদি মতভেদ নিরসনের চেষ্টাই না করে তবে তাদের মতভেদ নিরসন হবে কেমন করে? আল্লাহর সাথে আমার তিনবার স্বপ্নে কথা হয়েছে এবং একরার আমার সাথে আমি তাঁর আচরণ দেখে বুঝেছি তিনিন আমার উপর সন্তুষ্ট। আর রাসূলকে (সা.) আমি চার বার স্বপ্নে দেখেছি। একবার আমি তাঁর খেদমত করেছি যাতে তাঁকে আমার প্রতি সন্তুষ্ট দেখেছি। মুসলমানদের ইবাদতের মতভেদে আল্লাহ মহাঅসুন্তষ্ট। বিশেষ করে তাঁর সবচেয়ে পছন্দের ইবাদত নামাজ বিষয়ে মতভেদ দেখে তিনি সবচেয়ে বেশী কষ্ট পান। গাজার লোক, ইরানের লোক হানাফীদের সাথে মতভেদ করে। তাদের পক্ষে ফেরেশতা যুদ্ধ করলে তারা রক্ষা পেত। কিন্তু আল্লাহ তাদেরকে মানুষ থেকে রক্ষা করছেন না। হানাফীদের মধ্যেও অনেক সমস্যা। পাকিস্তান-বাংলাদেশ যুদ্ধ করেছে একাত্তর সালে। পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধ করছে ২০২৬ সালে। এসব আল্লাহর মহাবিরক্তিকর বিষয়। এ অঞ্চলে হিন্দুরা মুসলিম গণহত্যা শুরু করবে। তখন গযওয়ায়ে হিন্দ সংগঠিত হয়ে হানাফীরা জয়ী হবে। আর গযওয়ায়ে হিন্দের যুদ্ধে জয়ীদেরকে রাসূল (সা.) নাজাতপ্রাপ্ত বলেছেন।সুতরাং নাজাতপ্রাপ্ত হানাফীদের সাথে অন্যদের মতভেদ মহা অপরাধ। হানাফী নাজাতপ্রাপ্ত হলেও তাদের নিজেদের ও অন্যদের সাথে তাদের মতভেদ নিরসনে কাজ করতে হবে। মতভেদ নিরসন কাজে যারা যুক্ত হবে না তাদের পরকাল অনিশ্চিত।আব্বসীর মত অন্যকে কাফের বলে চিৎকার দিলেই হবে না কুফুরী নিরসনে অবিরাম পরিশ্রম করতে হবে। হানাফী মাযহাবের অনুসারী না হলে জাকির নায়েকেরও নিস্তার নাই। অবশ্য যারা ভালো কাজ করে জাহান্নামে তাদের শাস্তি কম হবে।
২৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৪৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: মতভেদের কারণে আল্লাহ শাস্তির ব্যবস্থা করে থাকেন। এ ব্যবস্থায় আল্লাহ এক পক্ষকে দিয়ে অন্য পক্ষকে শাস্তি দেন। মতভেদ নিরসনে প্রচেষ্টা রত না থাকলে সঠিক পক্ষও শাস্তিযোগ্য হয়। ট্রাম্প মুসলিম নয়। তার ক্ষেত্রে ভিন্ন ব্যবস্থা।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
* ট্রাম্পের মোকাবেলায় তাকে সন্ত্রস্ত রাখার সামরিক শক্তির সঞ্চয় করতে হবে। কিন্তু আরবরা পরস্পরকে মোকাবেলায় ট্রাম্পকে নিজেদের ঘরে জায়গা দিয়ে রেখেছে। এখন ইরান বলে আমেরিকাকে সরাও। যারা আমেরিকাকে জায়গা দিয়েছে তারা বলে আমেরিকা সরে গেলে তোমরা আমাদের দেশ দখল করতে আসলে আমরা তোমাদের থেকে আত্মরক্ষা করব কিভাবে? মতভেদ দূর হলে এবং সবার মাঝে ঐক্য থাকলে সবাই মিলে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলে ভালোফল পাওয়া যেত।
২|
২৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:৩৭
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
১) কাদের সাথে কাদের কী কী বিষয়ে মতভেদ তা সংক্ষেপে বুলেট আকারে তুলে ধরুন।
২) মতভেদ দুরীকরণে কার কার কী ভুমিকা ছিল তাও সংক্ষেপে বুলেট আকারে তুলে ধরুন ।
৩) শুনিছে একাগ্র চিত্তে নামাজরত মুমিন বান্দাগন অসংখ বার আল্লার সাথে কথা বলেন ।
শুভেচ্ছা রইল
২৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১৪
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
* যারা অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী তাদের বিপরীত মত হলো মতভেদ। অভিন্ন ফিকাহ হলো ইসলামের অভিন্ন বুঝ। এটি রাসূলের (সা) সময় ছিল। কারণ মুমিনগণ রাসূলের (সা) সাথে মতভেদ করেননি। পরে মোনাফেক রাসূল (সা) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা) নামে মিথ্যা হাদিস প্রচার করলে মুমিনদের মাঝে মতভেদ শুরু হয়। সাহাবায়ে কেরাম (রা) ক্ষমাপ্রাপ্ত ছিলেন বিধায় আখেরাতের ক্ষেত্রে তাঁদের মতভেদের দায়মুক্তি আছে। তবে তাঁরা মতভেদের কারণে ইহকালে মহাফিতনায় আক্রান্ত হয়ে মহাশাস্তি পেয়েছেন। আখারিনের সময়ে আবার অভিন্ন ফিকাহ পাওয়ার কথা। আখারিন হলো তারা যারা সাহাবা যুগের সবচেয়ে নিকটবর্তী শুরার লোক। শুরা সেই গ্রুপকে বলে যারা পরস্পর পরামর্শের ভিত্তিতে কাজ করে। আখারিনের এমন শুরার পরিচালক ছিলেন ইমাম আবু হানিফা (র)। তাঁর শুরায় সংকলিত অভিন্ন ফিকাহ আবার আমির হারুনুর রশিদ পরিশোধন করে অনুমোদন করেন। তিনি আবার ছিলেন আহলে বাইত এবং ক্ষমতা প্রাপ্ত। আহলে বাইত আমিরের মান্যতার কথা কোরআনে আছে। অন্য যারা অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করেছেন তারা সাহাবা যুগ থেকে দূরবর্তী বিধায় তারা আখারিন নয়। ক্ষমতা প্রাপ্ত আহলে বাইত কোন মুসলিম বিশ্বআমির আর কোন অভিন্ন ফিকাহ অনুমোদন করেননি বিধায় সেসব গৃহিত হবে না। হাদিস ও তাফসিরের কিতাব সমূহ গৃহিত হবে না অভিন্ন না হওয়ার কারণে। কারণ অভিন্ন পথ বিষয়ে আল্লাহর আদেশ সুস্পষ্ট।
# আহলে বাইত ক্ষমতা প্রাপ্ত মুসলিম বিশ্ব আমির অনুমোদীত অভিন্ন হানাফী ফিকাহের সাথে আর সবার মতভেদ হলো শাস্তিযোগ্য মতভেদ। রাসূলের (সা) সময় এটি অলিখিত ছিল। সাহাবায়ে কেরাম (রা) এর লিখিত রূপ প্রদান না করায় তাঁরা মহাফিতনায় আক্রান্ত হয়েছেন। অভিন্ন লিখিত হানাফী ফিকাহ গৃহিত হওয়ার পর এর অনুসারীরা একসাথে এগারশ বছর বিশ্ব মোড়ল ছিল। কোন অমুসলিম শক্তিও এত বছর বিশ্ব মোড়ল ছিল না। আমেরিকা বিশ্ব মোড়লগিরি করতে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে হেয়নেস্তা হচ্ছে।
৩|
২৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:০৪
অর্ক বলেছেন: ধুর, মতভেদ কোনওদিন যাবে না, অসম্ভব! কারণ এটা সম্পূর্ণই বিশ্বাসের ব্যাপার। মতভেদ থাকবেই। খুব স্বাভাবিক। বাকি ধর্মেও আছে। শুভকামনা থাকলো প্রিয় কবি।
২৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনি তো মুসলিম নন। সুতরাং এটা আপনার বিষয় নয়। মুসলিমদের আল্লাহর সাহায্য পেতে তাদের মতভেদ অবশ্যই নিরসন করতে হবে।
৪|
২৯ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:২৬
নতুন বলেছেন: যদি ধর্মের বিষয়গুলি পরিস্কারই হতো তবে মতবিভেদ কেন?
সকল ফিরকাই তো মনে করে তারা সহী পথে আছে? তাহলে আসলে সহী পথে কে আছে?
২৯ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৩৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: অভিন্ন ফিকাহ হলো সঠিক ইসলাম। ফিকাহ অর্থ বুঝা। অভিন্ন ফিকাহ হলো ইসলামের অভিন্ন বুঝ। রেসালাতে অভিন্ন ফিকাহ অলিখিত ছিল। রেসালাতের পর অভিন্ন ফিকাহের দায়িত্ব ছিল বেলায়াত, খেলাফাত, ইমামাত ও ইমারাতের। রেসালাতে ফিকাহ অভিন্ন থাকায় রাসূলকে (সা) আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করেছেন। বেলায়াতের দায়িত্ব প্রাপ্ত হযরত আলী (রা) অভিন্ন ফিকাহের লিখিত রূপ প্রস্তুত করে আমির আবু বকরের (রা) অনুমোদন নিয়ে ইমামাতের মাধ্যমে সারা বিশ্বে প্রচার করলে অভিন্ন ফিকাহ অভিন্ন থাকতো। তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন না করায় মোনাফেক রাসূল (সা) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা) নামে মিথ্যা হাদিস প্রচার করে অভিন্ন ফিকাহকে বিভিন্ন রকম করে ফেলে। ফলে মুসলিম তিহাত্তর ফিরকায় বিভক্ত হয়। সাহাবা যুগ সংলঘ্ন আখারিনের শুরায় ইমাম আবু হানিফার (র) নেতৃত্বে প্রথম অভিন্ন ফিকাহ লিখিত হয়। ইব্রাহীম বংশিয় আহলে বাইত আব্বাসীয় পঞ্চম আমির খলিফা হারুনুর রশিদ রশিদ আখারিনের শুরায় সংকলিত অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধন করে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদন করলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হয়। বেলায়াত, খেলাফাত ও ইমামাতের যারা অভিন্ন ফিকাহের দায়িত্ব পালন করেননি আল্লাহ তাঁদেরকে মানুষ থেকে রক্ষা করেননি। প্রথম খলিফার জীবন গেছে ফিতনার সাথে যুদ্ধ করে। অন্য খলিফা ও ইমামগণের সবাই নিহত হয়েছেন। কিন্তু হানাফীরা একসাথে এগারশ বছর বিশ্ব মোড়ল ছিল। মুসলিমদের আর কোন পক্ষ বিশ্ব মোড়ল ছিল না। অমুসলিম বিভিন্ন পক্ষ বিশ্ব মোড়ল থাকলেও তারা এত বছর বিশ্ব মোড়ল ছিল না। একালের বিশ্ব মোড়ল আমেরিকা-রাশিয়া ঠিকঠাক মোড়লের আসনে নেই। সংগত কারণে কোরআন অনুযায়ী মুসলিমদের হানাফীদের সাথে মতভেদকারী কোন পক্ষ সঠিক নয়।
৫|
২৯ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:০৬
নতুন বলেছেন: ভাই ধর্ম বাহানা মাত্র। আসল সত্য হইলো ক্ষমতা।
যদি সবার সামনে সত্য পরিস্কার থাকতো তবে সবাই সেটাই অনুসরন করতো। সেটা হয়নাই কারন ক্ষমতায় থাকার জন্য মানুষ নিজের মতন করে ধর্ম/মত প্রচার করে।
ধর্ম মানুষের সৃস্ট একটা টুলস মানুষকে নিয়ন্ত্রনের জন্য। অন্য সব টুলসের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর। সেটা ইতিহাস দেখলে বোঝা যায়।
২৯ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ধর্ম বিষয়ে আপনার অবিশ্বাসে অনেকের বিশ্বাস নাই।
৬|
২৯ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নিজের স্বপ্নকে শরীয়তের দলিল বানিয়ে ফেলা আর আগাম যুদ্ধের ভবিষ্যৎবাণী করা : এগুলো স্রেফ বিভ্রান্তি ছড়ানো ছাড়া আর কিছু না। ইসলামে নবুওয়াতের ধারা শেষ হয়েছে অনেক আগে, এখন কেউ স্বপ্নে আল্লাহর নির্দেশ পাওয়ার দাবি করলে সেটাকে গুরুত্ব দেওয়ার কোনো কারণ নেই। মানুষের মধ্যে বিভেদ কমানোর কথা বলে আপনি নিজেই তো মাজহাব আর গোষ্ঠী নিয়ে বিভেদ উসকে দিচ্ছেন।
২৯ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:০৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সত্য স্বপ্নকে হাদিসে নবুয়তের চল্লিশভাগের একভাগ বলা হয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দুরা সব সময় হানাফীদের সাথে হেরেছে। আগাম যুদ্ধের কথাও হাদিসে আছে। ইদানিং হিন্দুরা মুসলিম গণহত্যার প্রস্তাব উত্থাপন করেছে। ইন্ডিয়ান জেনারেল আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল নিয়ে অখন্ড ভারত গঠন করার পরিকল্পনার কথা বলেছে। যুদ্ধ না হওয়ার কথা অনেকেই বলেছে। তথাপি যুদ্ধ চলমাণ রয়েছে। ভারত যা চাচ্ছে সেইটা করতে গেলে অন্য চার পক্ষ কি তাদের দেশ ভারতের হাতে তুলে দিবে? সুতরাং ব্যাপক যুদ্ধ হলে হানাফীদের জয়ী হওয়ার বিষয়টি বাস্তব সম্মত। সে জন্য আমি চাই এ অঞ্চলে যুদ্ধ না হোক এবং ভারত মুসলিমদের সাথে যে সব অবিচার করছে সে সব অবিচার তারা বন্ধ করুক।
৭|
২৯ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩০
নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধর্ম বিষয়ে আপনার অবিশ্বাসে অনেকের বিশ্বাস নাই।
সাধারন মানুষেরা ধান্দাবাজী বুঝতে পারেনা বলেই তো অনেকেই ধর্মের নামে করে কেটে খাচ্ছে।
কিছুদিন আগে ভারতে এক বাবার কান্ড দেখেন নাই? সে কতগুলি শিক্ষিত উচ্চ বংষের নারীদের সাথে সম্পর্ক করেছে ধর্মের উপরে তাদের অন্ধ ভক্তি কাজে লাগিয়ে ![]()
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:১৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সব ধর্ম সঠিক নয়। তবে কোন ধর্মই সঠিক নয় ঘটনা এমন নয়।
৮|
৩০ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:১৪
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
নবীজীর মৃত্যুর পর মুসলিমরা নিজেরাই নিজেদের মধ্যে লড়াই করেছেন।
মরেছেন এবং মেরেছেন ।
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:১৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: তাদের এ কাজ সঠিক ছিল না।
৯|
৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৪১
রাজীব নুর বলেছেন: এমন যুগে আমরা এখন বাস করছি, যেখানে আল্লাহ, ধর্ম, হাশরের ময়দান ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কেউ ভাবে না। কেউ চিন্তিত নয়। সবার যা মন চায় তাই করছে। আল্লাহ মানুষের এরকম মনোভাব নিয়ে নিজেই চিন্তিত এবং হতবাক!!!
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:২২
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা ধারণা বন্ধ করুন। আল্লাহ কঠিন শাস্তি দাতা। আল্লাহ ছাড় দেন ছেড়ে দেন না। আল্লাহ ধরা দিলে কেঁদেও কুল পাবেন না।
১০|
৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
উপরে থাকা আমার মন্তব্যের উপর আপনার প্রতিমন্তব্যের প্রেক্ষিতে এখানে যতসামান্য কিছু কথা বলা ।
প্রতিমন্তব্যে থাকা আপনার কথাগুলি একটি শক্তিশালী আদর্শিক অবস্থান তুলে ধরে, যেখানে অভিন্ন ফিকাহ
ধারণাকে ইসলামের একমাত্র বৈধ ও কাম্য রূপ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে বিষয়টি গভীরভাবে
বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এতে ঐতিহাসিক বাস্তবতা, ইসলামী জ্ঞানতত্ত্ব এবং ফিকাহশাস্ত্রের বিকাশ এই
তিনটি ক্ষেত্রেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরলীকরণ ও বিতর্কিত অনুমান রয়েছে।
প্রথমত, অভিন্ন ফিকাহ মানে ইসলামের অভিন্ন বুঝ , এই দাবিটি ঐতিহাসিকভাবে প্রশ্নসাপেক্ষ। রাসূল (সা.)
-এর যুগে সাহাবাদের মধ্যে মৌলিক আকীদা ও আনুগত্যে ঐক্য থাকলেও, বিভিন্ন ইজতিহাদী বিষয়ে মতভেদ ছিল। উদাহরণস্বরূপ, বানু কুরায়যার ঘটনায় নামাজ আদায়ের সময় নিয়ে সাহাবাদের ভিন্ন ব্যাখ্যা ছিল, যা রাসূল (সা.)
উভয়কেই গ্রহণযোগ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেন। এটি প্রমাণ করে যে মতভেদ (ইখতিলাফ) ইসলামের প্রাথমিক যুগেই
সম্পূর্ণ অনুপস্থিত ছিল না; বরং তা নিয়ন্ত্রিত ও বৈধ সীমার মধ্যে ছিল।
দ্বিতীয়ত, প্রতিমন্তব্যটিতে মতভেদের উৎপত্তিকে মুনাফিকদের মিথ্যা হাদিস প্রচার এর ফল হিসেবে চিহ্নিত করা
হয়েছে, যা আংশিক সত্য হলেও পূর্ণ ব্যাখ্যা নয়। বাস্তবে, মতভেদের প্রধান কারণ ছিল মুলত ভৌগোলিক বিস্তার,
ভাষাগত পার্থক্য, হাদিস পৌঁছানোর ভিন্নতা, এবং কুরআনের আয়াতের বহুমাত্রিক ব্যাখ্যা। ইসলামী ফিকাহশাস্ত্র
মূলত এই বৈচিত্র্যকে সংগঠিত ও পদ্ধতিগতভাবে ব্যাখ্যা করার ফল।
তৃতীয়ত, আখারিন ও শুরা -কেন্দ্রিক যে কাঠামো এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে, তা একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শিক ব্যাখ্যা,
কিন্তু এটি মূলধারার সুন্নি ঐতিহাসিক বর্ণনার সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ইমাম আবু হানিফা (রহ.) নিঃসন্দেহে
একজন মহান ফকীহ, কিন্তু তাঁকে সমগ্র উম্মাহর জন্য একমাত্র অভিন্ন ফিকাহ সংকলনের পরিচালক হিসেবে চিত্রিত
করা ঐতিহাসিকভাবে অতিরঞ্জিত। একইভাবে, হারুনুর রশিদের অনুমোদনকে ধর্মীয় বৈধতার চূড়ান্ত মানদণ্ড হিসেবে
ধরা এটিও বিতর্কিত, কারণ ইসলামে শরীয়তের বৈধতা মূলত দলীলভিত্তিক (কুরআন-সুন্নাহ), রাজনৈতিক অনুমোদন
ভিত্তিক নয়।
চতুর্থত, প্রতিমন্তব্যটির সবচেয়ে কঠোর ও বিতর্কিত দাবি হলো হাদিস ও তাফসির গ্রন্থসমূহ অভিন্ন না হওয়ার
কারণে গৃহিত হবে না । এটি ইসলামী জ্ঞানব্যবস্থার ভিত্তির সাথে সাংঘর্ষিক। কারণ ফিকাহ নিজেই হাদিস ও
কুরআনের ব্যাখ্যার উপর দাঁড়িয়ে আছে। যদি হাদিস ও তাফসির অগ্রহণযোগ্য হয়, তাহলে ফিকাহর উৎসই
প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।
পঞ্চমত, শাস্তিযোগ্য মতভেদ ধারণাটি ইসলামী ঐতিহ্যের বহুল স্বীকৃত নীতির সাথে খাপ খায় না। সনাতনী ইসলামী
চিন্তায় একটি প্রসিদ্ধ নীতি হলো ইখতিলাফে উম্মতি রহমাহ (আমার উম্মাহর মতভেদ রহমত)যদিও এর
সনদ নিয়ে বিতর্ক আছে, কিন্তু এর ভাবার্থ ইসলামী বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্যে গভীরভাবে প্রোথিত। অর্থাৎ, গ্রহণযোগ্য
সীমার মধ্যে মতভেদকে জ্ঞানচর্চার স্বাভাবিক অংশ হিসেবে দেখা হয়, অপরাধ হিসেবে নয়।
শেষত, লেখাটিতে হানাফী ফিকাহকে কেন্দ্র করে যে ঐতিহাসিক সাফল্যের (১১শ বছর বিশ্ব মোড়ল থাকা) যুক্তি
দেওয়া হয়েছে, সেটি আংশিকভাবে রাজনৈতিক ইতিহাসের সাথে সম্পর্কিত। ইসলামী সাম্রাজ্যের শক্তি কেবল
একটি নির্দিষ্ট ফিকাহর কারণে ছিল এমন সরল ব্যাখ্যা যথেষ্ট নয়; বরং এতে অর্থনীতি, সামরিক শক্তি, প্রশাসন,
এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানসহ বহু উপাদান কাজ করেছে।
সার্বিকভাবে বলা যায়, এই প্রতিমন্তব্যে কথাগুলি একটি ঐক্য-কেন্দ্রিক ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করে, যেখানে
বিভক্তির বিপরীতে একক ব্যাখ্যাকে আদর্শ হিসেবে দেখা হয়েছে।তবে ইসলামের ঐতিহাসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বাস্তবতা
অনেক বেশি বহুমাত্রিক, যেখানে ঐক্য ও বৈচিত্র্য উভয়ই সহাবস্থান করেছে। এই ভারসাম্যটাই ইসলামী চিন্তার
একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
তাই আমি ইসলামের ঐতিহাসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বাস্তবতা ও বহুমাত্রিকতার প্রেক্ষাপটে যেখানে ঐক্য ও বৈচিত্র্য
উভয়ই সহাবস্থান করেছে তারই আলোকে বৈচিত্রময় ইসলামী চিন্তার একটি ভারসাম্যমুলক ভাবধারা গড়ে তোলার
লক্ষ্যে গবেষনা ও লেখনি চালিয়ে যাচ্ছি , এখন পর্যন্ত প্রায় দুইশত পৃষ্টার মত লেখা হয়ে গেছে শুধু ইসলামী চিন্তা
ধারার বিভিন্ন স্কুল অফ থটের ( মযহাবের) পর্যালোচনা অংশ নিয়ে লিখাতেই ।
শুভেচ্ছা রইল ।
৩০ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৩৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
* মতভেদ বিষয়ে আল্লাহ অতি কঠোর। মতভেদকে হালাল করা হয়েছে হাদিস দিয়ে। হাদিস হলো পাঁচ কান থেকে শুনা কথা। সেজন্য এটা অকাট্য প্রমাণ হিসাবে গৃহিত হওয়ার যোগ্য নয়। বৈচিত্র বাদ দিয়ে একচিত্রে ইসলাম উপস্থাপনে আমি কাজ করছি। আমি এ সংক্রান্ত চার হাজারের বেশী পোষ্ট দিয়েছি। আপনার মন্তব্য থেকে বুঝাগেল ইসলাম বিষয়ে আপনার বেশ জানাশুনা আছে। রাসূলকে (সা) স্বপ্নে দেখা বা আল্লাহর দিদার বিষয়ক কোন ঘটনা আপনার ক্ষেত্রে ঘটেছে কি? আমি হাদিস অস্বীকার করি না, তবে কোরআনের সাথে গরমিল হলে ইম হাদিস বাদ দেই।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:১২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মতভেদের কারণে সাহাবায়ে কেরাম (রা.)পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হয়েছেন।
.................................................................................................................................................
আমরা কতটুকু সভ্য।
তাহলে ট্রাম্পকি শুধুমাত্র মতভেদের কারনে যুদ্ধ শুরু করেছে ?
সম্পদ লোভী, বে-ঈমান জাতির কাছে, আল্লাহর বিধান কি চলে ???