নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আল কোরআনের ১১৪ সূরা ও সিহাহ সিত্তায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-৬)

৩০ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:২৮



সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৩ এর অনুবাদ-
১৫৩।আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৬১ এর অনুবাদ-
১৬১। বল, আমার প্রতিপালক তো আমাকে হেদায়েত প্রদান করেছেন সিরাতিম মুসতাকিমে (সহজ সরল ওসঠিক পথ)।যা কায়েম দ্বীন (সুপ্রতিষ্ঠিত ইসলাম), মিল্লাতা ইব্রাহীমা হানিফা (ইব্রাহীমের হানাফী মিল্লাত বা ইব্রহীমের একনিষ্ঠ জাতি), আর তিনি মুশরিক ছিলেন না।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দলে) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়।তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১১৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৬। আপনি যদি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথামত চলেন, তাহলে তারা আপনাকে আল্লাহর রাস্তা থেকে পথভ্রষ্ট করবে। তারা নিচক ধারণা ও অনুমানের ভিত্তিতেই চলে, তারা মিথ্যা ছাড়া কিছুই বলছে না।

* আল্লাহর সিরাতিম মুসতাকিম তাঁর অভিন্ন পথ। এটা কায়েম দ্বীন (সুপ্রতিষ্ঠিত ইসলাম) ও ইব্রাহীমের (আ.) হানাফী মিল্লাত (ইব্রহীমের একনিষ্ঠ জাতি)। যারা দীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দলে) বিভক্ত হয়েছে তারা বিভিন্ন পথ অনুসরন করে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় রাসূল (সা.)আল্লাহর সিরাতিম মুসতাকিম তাঁর অভিন্ন পথে চলতে অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী ছিলেন। তাঁর ইন্তিকালের পর মোনাফেক তিনি ও তাঁর সাহাবায়ে কেরামের (রা.) নামে মিথ্যা হাদিস প্রচার করে। মিথ্যা হাদিসের কারণে সংকলিত হাদিস ও তাফসির বিভিন্ন পথ দেখায় যা আল্লাহর পথ নয়। মানুষকে আল্লাহর সিরাতিম মুসতাকিম তাঁর অভিন্ন পথ দেখাতে ইমাম আবু হানিফা (র.) অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করেন। এটি ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আহলে বাইত আব্বাসীয় আমির খলিফা হারুনুর রশিদ পরিশোধন করে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদন করলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হয়। পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের অনুসরন সঠিক নয় বলে দুষ্ট লোকেরা আমির অনুমোদীত অভিন্ন ফিকাহের সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়।পৃথিবীর অধিকাংশ লোক ইসলাম বিরোধী এবং তাদের ইসলাম বিরোধীতা সঠিক নয়। অধিকাংশ লোকের কথা ও অধিকাংশ মুসলিমের কথা এক নয়। সুতরাং অধিকাংশ লোকের কথার দোহাই দিয়ে দুষ্ট লোকদের ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আহলে বাইত আব্বাসীয় আমির খলিফা হারুনুর রশিদ পরিশোধীত ও অনুমোদীত অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাবের বিরোধীতা সঠিক নয়।অভিন্ন ফিকাহ হলো ইসলামের অভিন্ন বুঝ। ইব্রাহীম বংশিয় রাসূল (সা.) এর অলিখিত রূপের প্রচারক। মোনাফেক থেকে সুরক্ষায় পরবর্তীতে এর লিখিত রূপ প্রচার করেন ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় রাসূলের আহলে বাইত আব্বাসীয় আমির খলিফাগণ। শিয়াগণ বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত হয়ে তাদের ফিকা্হ বিভিন্ন করে ফেলে।হানাফী বিরোধী সুন্নীর ফিকাহ ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় কোন মুসলিম আমির অনুমোদীত নয়। হানাফী বিরোধীদের ফিকাহও অভিন্ন ফিকাহ নয়। সুতরাং হানাফী বিরোধী বিভিন্ন পথ দেখানো সকল ফিকাহ, তাফসির ও হাদিস বাতিল।সংগত কারণে ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আহলে বাইত আব্বাসীয় আমির খলিফা হারুনুর রশিদ পরিশোধীত ও অনুমোদীত এবং তিনি ও তাঁর পরবর্তী খলিফাগণ অনুনারিত হানাফী ফিকাহ বা হানাফী মাযহাব সুনিশ্চিতভাবে সঠিক। এটি কায়েমদ্বীন বিধায় একাধারে এগারশ বছর এর শাসকগণ মুসলিম বিশ্ব শাসন করে এবং তারা বিশ্ব মো্ড়লও ছিল। এমন দক্ষতা অমুসলিম কোন জাতিও দেখাতে পারেনি। আমেরিকান ও রাশিয়ানরা বিভিন্ন স্থানে মোড়লগিরি দেখাতে গিয়ে পুরাদস্তুর হেরে আসছে। অন্য জাতি সমূহ তাদের মোড়ল গিরি মানছে না। হানাফীরা এখন মোড়লগিরি দেখাতে না পারলেও মুসলিমদের অধীকাংশ জন সংখ্যা, অঞ্চল ও দেশ হানাফীদের। সুতরাং আল্লাহর ঐক্যের আদেশ মানতে হানাফী বিরোধীদের হানাফী মাযহাবে ঐক্যবদ্ধ হওয়া সংগত।

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: লজিক বুঝেন?
লজিকের বাইরে কিছু নাই। এটা হচ্ছে বাস্তব কথা।
ঠাকুরমার ঝুলির দিন শেষ।

৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৪৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: বাস্তব কথা হলো আপা এখন ভারতে।

২| ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



প্রথম কথা হল নতুন পোস্ট দেয়ার পিছনে এত দৌঁড়াচ্ছেন কেন । আপনার সাম্প্রতিক পুরাতন পোস্ট আরো কিছু
সময় ধরে রেখে সেখানে আলোচনা মন্তব্য প্রতিমন্তব্য মন্তব্য চালাচালির সুযোগ দিলে আলোচনা প্রাণবন্ত হতো ।
আলোচনা সমালোচনা হতে অনেক নতুন কিছু শিখা যেতো। পোস্টের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য যদি পোস্ট দেয়া হয়
তাহলে সেটি আপনার একান্ত নিজস্ব ব্যপার । যাহোক আপনার গত পোস্টে াপনার প্রতি মন্তব্যের পিঠে আমার
একটি মন্তব্য রয়েছে , দেখে আসতে পারেন ।

এবার আসা যাক এ পোস্টের কথায় ।
আমার অত্যন্ত প্রিয় ও সন্মানীত ইসলামী ব্যক্তিত্ব ইমাম আবু হানিফা (র.) কে নিয়ে পোষ্ট দিয়েছেন । ব্লগার
নতুন নকিব এই ব্লগে ইমাম আবু হানিফা রহ. এর জীবন ও কর্ম এবং হাদিস ও ফাতাওয়ায় তার অবদান বিষয়ে বিস্তারিত একটি পোস্ট দিয়েছেন ।
তাই তাঁর জীবনালেক্ষ নিয়ে আমি বেশী কিছু কথা বলছিনা ।

তবে এখানে এই পোস্টের সাথে প্রাসঙ্গকিতা বিবেচনায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আগে বুঝতে হবে তিনি মূলত
লিখিত গ্রন্থকার হিসেবে নয়, বরং মৌখিক শিক্ষা ও শাগরেদদের মাধ্যমে জ্ঞান সংরক্ষণকারী ইমাম হিসেবে বেশি
পরিচিত।তাঁর অধিকাংশ ফিকহী মতামত তাঁর ছাত্রদের (বিশেষত ইমাম আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মদ আশ-শায়বানি)
মাধ্যমে সংকলিত হয়ে পরবর্তীতে গ্রন্থাকারে রূপ নেয়।

উপরে উল্লেখিত নতুন নকিবের লেখা হতেও জানা যায় ইমাম আবু হানিফা (রহ.) এর বহু গ্রন্থ অনারব মুসলিম
দেশে পাওয়া যায়। তার নিজের লেখা কোন কিতাব নেই। কোন সূত্র ছাড়াই তার রচিত গ্রন্থের অধিকাংশই
পৃথিবীর বিভিন্ন মিউজিয়ামে ও গ্রন্থাগারে পাণ্ডুলিপি আকারে সংরক্ষিত রয়েছে। কয়েকটি মুদ্রিত হয়েছে।
কয়েকটির একাধিক শরাহ রচিত হয়েছে যা ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী তাঁর নামে কিছু গ্রন্থ নিসবত ( আরোপিত )
করা হয়। যেমন:
আল-ফিকহুল আকবর
আল-ফিকহুল আবসাত
আল-আলিম ওয়াল মুতাআল্লিম
কিতাবুর রদ্দ আলাল কাদারিয়্যাহ
ওয়াসিয়্যাহ (আকীদা বিষয়ক উপদেশ)
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই গ্রন্থগুলোর অনেকগুলোর সরাসরি লেখকত্ব নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে।
অর্থাৎ এগুলো তাঁর কথা/শিক্ষা থেকে সংকলিত, নাকি তিনি নিজে লিখেছেন এ বিষয়ে একমত হওয়া যায় না।

তবে তাঁর নামে আরোপিত গ্রন্থগুলির মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী গ্রন্থ হল আল-ফিকহুল আকবর (Al-Fiqh al-Akbar)
এটি তাঁর নামে সংরক্ষিত সবচেয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ । মূলত আকীদা (ইসলামী বিশ্বাস) বিষয়ক বই । এতে আল্লাহর সত্তা ও
গুণাবলী, ঈমান, কুরআন, নবী-রাসূল, আখিরাত ইত্যাদি আলোচনা করা হয়েছে । এটি সুন্নি ইসলামি আকীদার প্রাথমিক গ্রন্থগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত । শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এর উপর বহু শরহ (ব্যাখ্যা) লেখা হয়েছে ।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হানাফি-মাতুরিদি আকীদা গঠনে এই গ্রন্থের গভীর প্রভাব রয়েছে।

কিন্তু কথা ফিকাহ (আইনশাস্ত্র) কোথায়? এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য , ইমাম আবু হানিফার ফিকহী মতবাদ
(মাযহাব) সরাসরি তাঁর নিজের বই থেকে নয়, বরং তাঁর ছাত্রদের রচিত গ্রন্থে সংরক্ষিত হয়েছে, যেমন:
ইমাম মুহাম্মদ শায়বানীর “আল-আসল”, “আল-জামি’ , ইমাম আবু ইউসুফের “কিতাবুল খরাজ”
অর্থাৎ, হানাফি ফিকাহের মূল কাঠামো হল ইমাম আবু হানিফার চিন্তা সেই সাথে তাঁর ছাত্রদের সংকলন।

তবে তাঁর নীজ রচিত পুস্তক থাকুক কিংবা না থাকুক কিন্তু তাঁর প্রকৃত প্রভাব বিস্তার ঘটেছে মূলত তাঁর
শিক্ষা-পদ্ধতি এবং শাগরেদদের মাধ্যমে সংকলিত ফিকাহ ।

একটি গভীর পর্যবেক্ষণ হল এই যে ইমাম আবু হানিফা(র.) প্রকৃত বই আসলে কাগজে লেখা নয় বরং তাঁর
বুদ্ধিবৃত্তিক পদ্ধতি । তিনি কীভাবে চিন্তা করতে হয় তা শিখিয়েছেন আর সেই চিন্তাধারাই পরবর্তীতে হানাফি
ফিকাহর বিশাল ঐতিহ্যে রূপ নিয়েছে।

এখন আমি আল-ফিকহুল আকবর বইটির মূল কিছু বিষয়গুলো সহজভাবে তুলে ধরছি ।
আল-ফিকহুল আকবর আসলে নাম শুনে ফিকাহ (আইনশাস্ত্র) মনে হলেও, এটি মূলত আকীদা (বিশ্বাস) বিষয়ক
একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর গ্রন্থ। এখানে ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসগুলোকে সংক্ষেপে, যুক্তিপূর্ণভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
সহজভাবে বিষয়গুলো যে গ্রন্থটির আলোকে এভাবে বলা যায়:

১. ঈমান (বিশ্বাস) কী? ঈমান হলো হৃদয়ে বিশ্বাস সেই সাথে মুখে স্বীকার , শুধু মুখে বললেই হবে না, অন্তরে বিশ্বাস
থাকতে হবে । আমল (কাজ) ঈমানের অংশ নয়, তবে ঈমানকে শক্তিশালী করে অর্থাৎ, কেউ গুনাহ করলেও সে ঈমান
হারায় না (যতক্ষণ না সে তা অস্বীকার করে)।

২. আল্লাহ সম্পর্কে বিশ্বাস আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয় (তাওহীদ) , তিনি জন্মগ্রহণ করেননি, কাউকে জন্ম দেননি
তিনি সৃষ্টির মতো নন কোনো কিছুর সাথে তুলনীয় নন, আল্লাহর গুণাবলী (যেমন জ্ঞান, ক্ষমতা) আছে, কিন্তু তা
মানুষের মতো নয়।

৩. কুরআন সম্পর্কে ধারণা কুরআন হলো আল্লাহর কালাম (বাণী), এটি সৃষ্টি নয় (অর্থাৎ created নয় বরং ঐশি )
আমরা যে কুরআন পড়ি বা লিখি, তা আমাদের কাজ, কিন্তু মূল কালাম আল্লাহর ।

৪. তাকদীর (ভাগ্য) বা কদরভালো-মন্দ সবকিছু আল্লাহর জ্ঞানে ও পরিকল্পনায় ,তবে মানুষকে ইচ্ছাশক্তি
(free will) দেওয়া হয়েছে , মানুষ তার কাজের জন্য দায়ী । এখানে ভারসাম্য রাখা হয়েছে সব কিছু আল্লাহ জানেন,
কিন্তু মানুষ বাধ্য নয়।

৫. নবী-রাসূলগণ সকল নবী সত্যবাদী ও নিষ্পাপ (গুনাহ থেকে সংরক্ষিত বড় বিষয়ে),হযরত মুহাম্মদ (সা.)
সর্বশেষ নবী, তাঁদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের স্তর আছে, তবে সবাই সম্মানিত ।

৬. সাহাবায়ে কেরাম (রা.)সকল সাহাবাকে সম্মান করতে হবে , তাঁদের মধ্যে মতভেদ বা যুদ্ধ হয়েছিল এ
বিষয়ে নীরব থাকা উত্তম , কাউকে গালি দেওয়া বা অপমান করা যাবে না ।

৭. গুনাহগার মুসলিমের অবস্থানবড় গুনাহ করলেও মুসলিম কাফির হয়ে যায় না। আল্লাহ চাইলে ক্ষমা
করবেন, চাইলে শাস্তি দেবেন । এটি খারিজি মতবাদের বিপরীত অবস্থান।

৮. আখিরাত (পরকাল)
কিয়ামত, হিসাব, জান্নাত-জাহান্নাম সব সত্য । মুমিনরা জান্নাতে আল্লাহকে দেখবে (কিন্তু কিভাবে তা জানা যাবে না) ।

৯. ইমামত ও নেতৃত্বমুসলিমদের একজন নেতা (ইমাম/খলিফা) থাকা জরুরি ।তিনি ন্যায়পরায়ণ না হলেও,
বিশৃঙ্খলা এড়াতে তাকে মান্য করা উচিত (শর্তসাপেক্ষে) ।

১০. বিদআত ও ভ্রান্ত মতবাদ থেকে সতর্কতাইসলামের মৌলিক বিশ্বাসে নতুন কিছু যোগ করা যাবে না ।
বিভ্রান্ত মতবাদ (যেমন: কদর অস্বীকার, গুনাহে কাফির বলা ইত্যাদি) থেকে দূরে থাকতে হবে ।

মোটকথা আল-ফিকহুল আকবর হলো একটি ভারসাম্যপূর্ণ আকীদা গ্রন্থ, যেখানে চরমপন্থা এড়িয়ে মধ্যপন্থী সুন্নি
বিশ্বাসকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

এই বইয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ভারসাম্য , যথা শুধু তাকদীর না, শুধু স্বাধীনতা না দুটোই । শুধু ভয় না,
শুধু আশা না বরং দুটোই ।শুধু কঠোরতা না, শুধু শিথিলতা না কিন্তু মধ্যপন্থা ।

তাই শুধু কঠোরতা না, শুধু শিথিলতা না বরং মধ্যপন্থা এই ধারণাটি আল-ফিকহুল আকবর-এর অন্যতম
মৌলিক দার্শনিক ভিত্তি, যা আসলে বৃহত্তর সুন্নি ইসলামী চিন্তার একটি কেন্দ্রীয় বৈশিষ্ট্য। একে আরবি
পরিভাষায় বলা হয় ওয়াসাতিয়্যাহ (মধ্যপন্থা/সমতা)।

এটি বোঝার জন্য আগে দুইটি চরম অবস্থান সংক্ষেপে দেখা দরকার:

১. শুধু কঠোরতা সমস্যাটা কোথায়? ইসলামের ইতিহাসে কিছু গোষ্ঠী (যেমন খারিজিরা) মনে করত
বড় গুনাহ করলেই মুসলিম কাফির হয়ে যায়,কঠোর শাস্তি ও বর্জনই একমাত্র সমাধান । এর ফল হল সমাজে
বিভাজন, সহজেই তাকফির (অন্যকে কাফির বলা) , তাই দয়া ও ক্ষমার জায়গা সংকুচিত হয়ে যাওয়া ।

২. শুধু শিথিলতা এটাও সমস্যা। অন্যদিকে কিছু মতবাদ (যেমন মুরজিয়া) বলত ঈমান থাকলেই যথেষ্ট ,
আমল (কাজ) গুরুত্বপূর্ণ না । এর ফল হল নৈতিক শিথিলতা ,দায়িত্ববোধ কমে যাওয়া , ধর্ম শুধু পরিচয়ে সীমাবদ্ধ
হয়ে পড়া ।

৩. মধ্যপন্থা এ বিষয়ে আল-ফিকহুল আকবর-এর অবস্থান এই যে ইমাম আবু হানিফা (র.) এই দুই
চরম অবস্থানের মাঝখানে একটি ভারসাম্যপূর্ণ পথ দেখান যার মূল নীতিগুলো হল :
যার ঈমান আছে সে মুসলিমই থাকবে, গুনাহ করলেও । কিন্তু গুনাহকে হালকা করে দেখা যাবে না । মানুষকে
কাফির ঘোষণা নয়, বরং সংশোধনের সুযোগ দেওয়া । আল্লাহর রহমত (দয়া) এবং আদল (ন্যায়) দুটোকেই
সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া ।

৪. এই মধ্যপন্থার দার্শনিক গুরুত্ব হল এই ভারসাম্য আসলে তিনটি বড় জিনিস নিশ্চিত করে:
ক) মানবিকতা রক্ষা করে; মানুষকে এক ভুলে চিরতরে বাতিল না করে তাকে সংশোধনের সুযোগ দেয়।
খ) নৈতিক শৃঙ্খলা বজায় রাখে; গুনাহকে স্বাভাবিক বা গ্রহণযোগ্য করে তোলে না।
গ) বুদ্ধিবৃত্তিক স্থিতিশীলতা দেয়; চরমপন্থা থেকে বাঁচিয়ে যুক্তি ও বিশ্বাসের সমন্বয় ঘটায়।

৬. কুরআনিক দৃষ্টিকোণ থেকে বলা হয় এই ধারণার শিকড় কুরআনেই আছে
এভাবেই আমি তোমাদেরকে একটি মধ্যপন্থী জাতি বানিয়েছি (সূরা বাকারা আয়াত ১৪৩)

তাই হানাফী মতে শুধু কঠোরতা না, শুধু শিথিলতা না এর মানে হল মানুষকে সহজে বাদ না দেওয়া ,
আবার ধর্মকে হালকা না করা বরং ন্যায় সাথে দয়া, এর সাথে দায়িত্ব সব মিলিয়ে একটি
ভারসাম্যপূর্ণ জীবনব্যবস্থা ।

এখানে একটি সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ হল এই মধ্যপন্থা আসলে দুর্বলতা নয়, বরং উচ্চতর বুদ্ধিবৃত্তিক পরিপক্বতা।
কারণ চরমপন্থা সহজ কিন্তু ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন, এবং সেটিই প্রকৃত জ্ঞানীর পথ।

শুভেচ্ছা রইল

৩০ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:০৪

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।

* কলমের সাহায্যে আ্ল্লাহ শিক্ষা দিয়ে থাকেন। রাসূলের (সা) শিক্ষা ছিল মৌখিক। কারণ হাদিসে বলা আছে কালা রাসূলুল্লাহ (সা)- রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন। আমি জানি কলমের সাহায্যে ইমাম আবু হানিফা (র) পূর্ণাঙ্গ ইসলাম উপস্থাপন করেছেন। এখন সেটি লিখিত পাওয়া না গেলেও হানাফী ওলামার আমলে তা’ উঠে এসেছে এবং তা’অভিন্ন অবস্থায় বিদ্যমাণ আছে।সুতরাং হানাফী মাযহাবকে সঠিকতার মাপকাঠিতে উপস্খাপন করা যায়।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

* বিভিন্ন পথ অনুসরন না করায় আল্লাহর নিষেধাজ্ঞা সুস্পষ্ট সেজন্য মতভেদ হালাল করার হাদিস আমি সরাসরি বাদ দেই। বিভিন্ন পথ নিষিদ্ধ হওয়ায় অভিন্ন পথ বিধিবদ্ধ। সুতরাং যে কোন মূল্যে মতভেদ নিরসন করতেই হবে। দয়াকরে আপনার বৈচিত্রের চিন্তা বাদ দেন। মতভেদ অসহ্য হয়ে পড়েছে। এটা আর ভাল্লাগে না। কোরাআন সব সম্যার সমাধান করতে পারলে মুসলিম অহেতুক মতভেদে পড়ে থাকবে কেন?

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

* আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে কোন হাদিস গ্রহণযোগ্য নয়। সুতরাং হাদিসের অতিপ্রীতি বাদ দিন। হাদিস অভিন্ন পথ দেখালে মানব, বিভিন্ন পথ দেখালে মানব না। কারণ কোরআন অনুযায়ী অভিন্ন পথ দেখানো হাসি মানতে আমি বাধ্য নই। আমি ২০১৬ সাল থেকে নিয়মি লিখি। আমার লেখার কেউ বিরোধীতা করে না। আপনি আমার লেখার নিয়মিত পাঠক নন বিধায় আপনি বিরোধীতা করছেন। আমার নয়ত হলো অভিন্ন ফিকাহের সাথে মতভেদ আমি উপড়ে ফেলে দেব- ইনশাআল্লাহ। এর সাথে কোন সমঝোতা নয়।

৩| ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৪২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



মুয়াল্লাফাতে কুলুবের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) প্রতিপক্ষে আল্লাহ অসন্তুষ্ট থাকেন

সূরাঃ ৯ তাওবা, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। সদকা বা যাকাত ফকির, মিসকিন, এর কর্মচারী, মুয়াল্লাফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট করার লোক),দাসমুক্তি, ঋণ পরিশোধ, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরের জন্য। এটা আল্লাহর বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ সুবিজ্ঞ।

সূরাঃ ১১০ নাসর, ১ ও ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে।
২। আর তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪০। যদি তোমরা তাঁকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহতো তাঁকে সাহায্য করেছিলেন যখন কাফিরগণ তাঁকে ধাওয়া করেছিল (হত্যা করার জন্য), আর তিনি ছিলেন দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন। যখন তাঁরা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন, তিনি তখন তাঁর সঙ্গিকে বলেছিলেন, তুমি বিষণ্ন হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।অতঃপর তাঁর উপর আল্লাহ তাঁর প্রশান্তি নাজিল করেন এবং তাঁকে শক্তিশালী করেন এমন সৈন্যবাহিনী দ্বারা যা তোমরা দেখনি।আর তিনি কাফেরদের কথা তুচ্ছ করে দেন।আর আল্লাহর কথাই সুউচ্চ। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী সুবিজ্ঞ।

* মুয়াল্লাফাতে কুলুব যাকাতের একটি খাত।মুয়াল্লাফাতে কুলুব এমন প্রভাবশালী ব্যক্তি যিনি পক্ষে থাকলে মহাউপকার এবং বিপক্ষে গেলে মহাক্ষতি। মক্কার এ রাজপুত্র মক্কায় মহাপ্রভাবশালী ছিলেন। তাঁর বন্ধু ছিলেন ইসলামের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রধান সেনাপতি সাইফুল্লাহ হযরত খালেদ ইবনে ওলিদ (রা.), ইসলামের মহাবীর হযরত আমর ইবনুল আস (রা.), ইসলামের সর্বশ্রেষ্ঠ মেধাবী শাসক হযরত মুগিরা ইবনে শোবা (রা.) এবং কাবার মোতাওয়াল্লী হযরত ওসমান বিন তালহা (রা.)। উক্ত পাঁচ মহাপ্রভাবশালীর প্রধান ছিলেন হযরত মোয়াবিয়া (রা.)। তাঁদের ইসলাম গ্রহণে মক্কার মনবল ভেঙ্গে যায়। এরপর মহানবি (সা.) মক্কা আক্রমান করলে হযরত সাফওয়ান (রা.) ও হযরত ইকরামার (রা.) নেতৃত্বে মক্কা মুসলিম দলের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। মক্কা জয়ের পর দলে দলে লোক ইসলাম গ্রহণ করে যারা ছিল হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) ভক্ত যারা এতদিন হযরত মুয়াবিয়ার পিতা হযরত আবু সুফিয়ানের (রা.) পক্ষে এবং রাসূলের (সা.) বিপক্ষে যুদ্ধ করতো। সংগত কারণে রাসূল (সা.) ইসলাম গ্রহনের পর তাঁদের পিতা ও পুত্রকে মোয়াল্লেফাতে কুলুব হিসাবে গ্রহণ করে হুনায়নের গণিমতের মাল থেকে তাদের প্রত্যেককে একশত উট প্রদান করেন।পরে তিনি তাঁকে ওহী লেখক পদে নিযুক্ত করেন। হযরত ওমর (রা.) তাঁকে দামেস্কের আমির ও হযরত ওসমান (রা.) তাঁকে সিরিয়ার শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন। হযরত আলী (রা.) তাঁকে সিরিয়ার শাসনকর্তা পদ থেকে বরখাস্ত করে তাঁকে তাঁর প্রতিপক্ষ বানালে তিনি সিফফিনের যুদ্ধে হযরত আলীর (রা.) মুখোমুখী হন, হযরত আলী (রা.) তাঁকে পরাজিত করতে অক্ষম হয়ে তাঁকে খেলাফতের একাংশ ছেড়ে দেন। এরপর আল্লাহ তাঁকে ২০ বছরের মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব প্রদান করেন।পূর্বে তিনি বাইশ বছর সিরিয়ার শাসক ছিলেন। রেসালাতের মাওলা হিসাবে রেসালাতের মুয়াল্লাফাতে কুলুব বজায় না রাখায় আল্লাহ হযরত আলীকে (রা.)মানুষ হতে রক্ষা করেননি। তাঁর নিরাপত্তা প্রদানে আল্লাহ ফেরেশতা প্রেরণ করেননি। রাসূলের (সা.) বিপদে আল্লাহ রাসূলের (সা.) সাথে থাকলেও রাসূলের (সা.) মাওলার সাথে তিনি ছিলেন না। খারেজীরা তাঁকে হত্যা করলেও তারা হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) হত্যা করতে পারেনি। হযরত আলীর (রা.) দুই পুত্রকেও আল্লাহ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করেননি। কারবালায় হযরত আলীর (রা.) ছোট পুত্র হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) মাথাকেটে ইয়জিদের লোকেরা তাকে উপহার দেয়। তাঁকেও আল্লাহ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করেননি। এখন হযরত আলীর (রা.) ভক্ত শিয়া ইরান ও হিজবুল্লাহ, ইসরায়েল ও আমেরিকার সাথে যুদ্ধরত আছে। এবার তারা পার পেলেও কেয়ামতের আগে হলেও ইসরায়েল ও আমেরিকা তাদের সাথে জয়ী হবে। তখন তাদের হাত থেকে মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশ রক্ষা পাবে না। আল্লাহর সাহায্য পেতে রাসূলের (সা.) মুয়াল্লেফাতে কুলুব হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) বিরোধীতা মুসলিমদেরকে অবশ্যই ছাড়তে হবে।

৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:০৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



আল্লাহর অভিন্ন পথের সুন্নাতে একচুল পরিমাণ বিভিন্ন পথ বা মতভেদ গৃহিত হবে না

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

* বিভিন্ন পথ আল্লাহর সিরাতিম মুসতাকিম থেকে বিচ্ছিন্ন করে বিধায় আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন পথের সাথে একচুল পরিমাণ বিভিন্ন পথ বা মতভেদ গৃহিত হবে না। আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন পথে পরিবর্তন ও ব্যতিক্রম না থাকায় আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন পথের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন পথের সাথে মতভেদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। আর সে মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন পথের সাথে মতভেদের দায়ে রাসূল (সা.) তিরস্কৃত হয়েছেন এবং সাহাবায়ে কেরাম (রা.)পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হয়েছেন। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতেন না, কিন্তু আল্লাহ আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন পথের সাথে মতভেদের দায়ে তাঁদেরকে শাস্তি দিবেন বিধায় আল্লাহ তাঁদের পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত না হওয়ার ইচ্ছা করেননি। এসব যুদ্ধে সাহাবা মুমিন থাকলেও অসাহাবা কাফের হয়ে গেছে। এ কুফুরী বেড়ে যাওয়ায় কারবালায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা ইমামের মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। আল্লাহর অভিন্ন পথের সুন্নাতের রেসালাত ঠিকঠাক প্রচার না হওয়ায় মানুষের ফিতনা থেকে রাসূল (সা.), তাঁর চার খলিফা ও দুই ইমাম রক্ষা পাননি। ইন্তেকালের সময় রাসূল ফিতনা দেখে ইন্তেকাল করেছেন। প্রথম খলিফা ফিতনার সাথে যুদ্ধ করে জীবন পার করেছেন। তাঁর পুত্র তৃতীয় খলিফার হত্যাকান্ডে যুক্ত ছিল এবং তাঁর কন্য চতুর্থ খলিফার সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন। অপর তিন খলিফা ও দুই ইমাম হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

* মতভেদে বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত দল সমূহকে আল্লাহ তাদের কাজ সম্পর্কে পরকালে জানিয়ে দিবেন। এরমধ্যে যারা আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন পথের অনুসারী তারাতো জান্নাতে যাবে এবং যারা বিভিন্ন পথের অনুসারী তারা বিভিন্ন পথে জাহান্নামে যাবে। অভিন্ন পথের অনুসারীরা বিভিন্ন পথের অনুসারীদেরকে তাদের পথে আনার যথাযথ চেষ্টা না করলে ইহকালে বা কবরের আজাবের মাধ্যমে আল্লাহ তাদের পাওনা বুঝিয়ে দিবেন।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

* ইমাম আবু হানিফার (র.) নেতৃত্বে আখারিনের শুরায় আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন পথের সাথে মতভেদ করা থেকে আত্মরক্ষায় অভিন্ন ফিকাহ সংকলিত হয়। ইমাম তা’ আমির কর্তৃক অনুমোদন না করায় হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন। অবশেষে ইব্রাহীম বংশিয় আব্বাসীয় আমির হারুনুর রশিদের শুরায় অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধীত হয়ে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদীত হলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম কর্তৃক তা’ গৃহিত হয়।এ ফিকাহের সাথে মতভেদকারীদেরকে আল্লাহ রক্ষা করেন না। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সমূহ হয়ত ইসরাইল-আমেরিকার দাস, নয়তো তাদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত।বিবিধ ত্রুটির কারণে হানাফী মাযহাবের অনুসারীরাও বিবিধ বিপদে আক্রান্ত। তাদের পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে, ২০২৬ সালে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। এ অঞ্চলে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও নেপাল নিয়ে ভারতের অখন্ড ভারত প্রতিষ্ঠার পরিকল্পণা রয়েছে। এ পরিকল্পণা বাস্তবায়নে এ অঞ্চলে মুসলিম গণহত্যার প্রস্তাব রয়েছে। এতে যে যুদ্ধ হবে সেই যুদ্ধকে গযওয়ায়ে হিন্দ বলা হয়েছে এবং তাতে মুসলিম জয়ী হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এখানে সেই জয়ী দল হানাফী হবে, যারা কালো পতাকা উড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্য ইসরায়েল-আমেরিকা থেকে উদ্ধার করবে- ইনশাআল্লাহ। রাসূল (সা.) তাদেরকে নাযাত প্রাপ্ত বলায় তাদের সাথে মতভেদকারীদের নাজাত নাই।

৪| ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: বাস্তব কথা হলো আপা এখন ভারতে।

আপা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে।

৩১ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপা আসলে বিএনপির কি হবে ?

৫| ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:২৮

আলামিন১০৪ বলেছেন: মিল্লাতা ইব্রাহীমা হানিফা- মানে হানাফী মযহাব? মানে আলকোরআনে আবু হানিফর নাম আছে?

আপনি কি অপ্রকৃতস্থ মশাই? আপনার অটিজম আছে, ডাক্তার দেখান।
অটিস্টিক কেউ কেউ একটি ধারনার বাইরে চিন্তা করতে পারে না, এমন সব যুুুুুক্তি দেয় যা ক্লাশ ২ এর বাচ্চাও দিবে না

৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:২৪

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: মিল্লাতা ইব্রাহীমা হানিফা মানে ইব্রাহীমের (আ) হানাফী মিল্লাত বা ইব্রাহীমের (আ) একনিষ্ঠ জাতি। রাসূল (সা) ইব্রাহীম বংশিয়, ইসলামের ৭৭ খলিফা ইব্রাহীম বংশিয়। দুই ইমাম হাসান (রা) ও হোসেন (রা) ইব্রহীম বংশিয়। ইব্রাহীম বংশিয় আব্বাসীয় আহলে বাইতের আমির খলিফাগণের ৫২ জন হানাফী মাযহাবের অনুসারী। ইমাম আবু হানিফা (র) অভিন্ন ফিকাহের সংকলক। ৫২ খলিফা হানাফী মাযহাবের অনুসারী। জায়েদিয়া শিয়ারাও হানাফী মাযহাবের অনুসারী। হানাফী অভিন্ন ফিকাহ আমির অনুমোদীত। আমিরের মান্যতার কথা কোরআনে আছে। যারা হানাফীদের সাথে মতভেদ করে তাদের মতভেদ আমির অনুমোদীত নয় বিধায় তারা ইসলামে বিভেদকারী হিসাবে তাদের স্থান জাহান্নাম। আমি আপনাকে পঁচা কথা বলব না, কারণ পঁচালোক পঁচা কথা বলে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.