| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
* বিভিন্ন পথ আল্লাহর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করায় আল্লাহর সিরাতিম মুসতাকিম হলো তাঁর অভিন্ন পথ। এটা আল্লাহর সুন্নাত। আল্লাহর এ সুন্নাত ছেড়ে গেলে বিভিন্ন পথে জাহান্নামে চেলে যেতে হয়। রাসূল (সা.) অভিন্ন ফিকাহের মাধ্যমে তাঁর এ দায়িত্ব পালন করেছেন। রাসূলের (সা.) পর এ দায়িত্ব ছিল মাওলা আলির (রা.)। তিনি অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করে আমির কর্তৃক অনুমোদন করিয়ে বিশ্বের সকল মসজিদের ইমামের কাছে পাঠিয়ে দিলে এবং তাঁরা সেই অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা করলে মুসলমানের ইবাদতের নিয়ম বিভিন্ন রকম হত না।এখন আল্লাহর পছন্দের নামাজে কেউ বুকে হাত বাঁধে, কেউ নাভির নীচে হাত বাঁধে এবং কেউ নামাজে হাত বাঁধে না।বিভিন্ন পথ আল্লাহর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করার কথা আল্লাহ বললেও মুসলমান আল্লাহর পছন্দের নামাজই বিভিন্ন করে ফেলেছে।মতভেদে আল্লাহ মহাশাস্তির কথা বললেও মুছল্লিদের সেদিকে কোন খেয়াল নাই।এমতাবস্থায় আল্লাহ মুসলমানদেরকে মানুষ থেকে রক্ষা করছেন না। রাসূল (সা.) ইন্তেকালের সময় ফিতনা দেখেছেন। প্রথম খলিফা ফিতনার সাথে যুদ্ধ করে জীবন পার করেছেন। অন্য তিন খলিফা ও দুই ইমাম নিহত হয়েছেন। মোয়াল্লাফাতে কুলুব এর কোটায় হযরত মোয়াবিয়া (রা.) রেহাই পেয়েছেন। মক্কার খলিফা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইরকে (রা.) হত্যা করে মক্কার রাজপথে তাঁর লাশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। একালে গাজা ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। এরপর ইরানের উপর হামলা চলছে। হযরত আলীর (রা.) বংশের ইমামগণ বেশী সংখ্যায় নিগত হয়েছেন। সর্বশেষ আলী থামেনি নিহত হয়েছেন।মতভেদের মধ্যে যারা সঠিক তারাও শাস্তির আওতায় আসছে মতভেদ নিরসনে কাজ না করার কারণে। হযরত আলী (রা.) থেকে যে পীর তন্ত্র চলমাণ তারাও অভিন্ন পথে নাই। পীরগণ বিভিন্ন দলে নির্বাচনে অংশগ্রহল করে সসম্মানে ফেল করেছেন। মাওলা কোন এটা দিকও যদি অভিন্ন রাখতে না পারেন তাহলে তাঁর আর মাওলার দায়িত্ব পালন করা হলো কই? সুতরাং মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না। অন্য খলিফাগণের মতই তিনি একজন খলিফা। মাওলা হিসাবে তাঁকে অন্য খলিফাগণের উপরে স্থান দেওয়া সঠিক না। তিন দল সাহাবা তাঁকে অন্য খলিফাগণের উপর স্থান না দিলেও আমরা তাঁদের থেকে এক কদম অগ্রসর হয়ে হযরত আলীকে (রা.) কেন অন্য খলিফাগণের উপর স্থান দেব? মহানবির (সা.) চার খলিফার সবাইকে আমরা সম্মানের আসনে রাখব- ইনশাআল্লাহ।
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:১৪
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমি হযরত আলীকে (রা) এ যুগের মানুষের সাথে তুলনা করিনি। এযুগের মানুষের সাথে তাঁর অনুসারীদের তুলনা করেছি। এসলাম এমন যে এখানে কোন ভিন্নতা দরকারী নয়। প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টার অভাবে মুসলিমদের মাঝে অনেক বেশী ভিন্নতা। আপনি এ ক্ষেত্রে ছাড় দিয়ে কি করবেন, আল্লাহ তো ছাড় দিচ্ছেন না। মুসলিমদের এত্ত বিপদ। আর কত বিপদ হলে তারা মতভেদ নিরসনে কাজ করবে? যেহেতু মতভেদ নিরসন করা সম্ভব সেহেতু মতভেদ নিরসন না করে ফেলে রাখার কারণ কি?
২|
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:০৫
আব্দুল হাদী আল নাফী খান বলেছেন: আলী (রা) মাওলা বলার দরকার মুসলিমদের রয়েছে বলে আমি জানিনা। শিয়া যারা- তারা অনেক কিছুই বলে, অনেক কিছুই তাদের অতিরঞ্জিত, অনেকে শিরকও করে। তাদের বিভ্রান্তি দূর করতে চাইলে অনেক মেহনত দরকার।
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৮
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: শিয়ারা আযানে হযরত আলীর (রা) নাম ইউজ করে অন্য মুসলিমদের সাথে বিভেদ তৈরী করে। এ বিষয়টির সুরাহা হওয়া দরকার। আর এ পোষ্ট আমি বিশটি বড় গ্রুপে দিয়েছি, কোন প্রতিবাদ পাইনি। এতে বুঝাগেল পাঠকগণ আমার কথা বুঝতে পেরেছেন।
৩|
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:২৫
প্রজ্জলিত মেশকাত বলেছেন: আগে আমাদের মাওলা শব্দের অর্থ জানতে হবে। তারপর মন্তব্য করা বা লেখা উচিত বলে আমি মনে করি।
৪|
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৫৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে হাবুডুবু খাই ।
৫|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:০৭
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মাওলার দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলী (রা.)-কে মাওলা বলা ঠিক না ; ঐতিহাসিক, আকীদাগত এবং কুরআন
-হাদিসসম্মত দৃষ্টিতে দুর্বল ও বিভ্রান্তিকর। বিষয়টি আবেগ নয়, বরং দলিলের আলোকে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
আরবি মাওলা শব্দটি বহুমাত্রিক এর অর্থ হতে পারে অভিভাবক, বন্ধু, সাহায্যকারী, প্রিয়জন, ঘনিষ্ঠজন ইত্যাদি।
কুরআনেই বিভিন্ন স্থানে “মাওলা” শব্দটি ভিন্ন ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে:
“আল্লাহু মাওলানা…”
(সূরা আল-বাকারা ২:২৮৬)
এখানে মাওলা অর্থ সাহায্যকারী ও অভিভাবক।
অতএব, মাওলা মানেই রাজনৈতিক শাসক বা খলিফা এমন সংকীর্ণ অর্থ আরোপ করা ভাষাগতভাবেও সঠিক নয়।
রাসূলুল্লাহ (সা,) গাদীরে খুমে ঘোষণা করেন:যার মাওলা আমি, আলীও তার মাওলা।
(তিরমিযি, আহমদ)
এই হাদিসটি সহিহ সূত্রে বর্ণিত এবং এর মাধ্যমে রাসুল (সা.) হযরত আলী (রা.)এর প্রতি ভালোবাসা, সম্মান ও
আনুগত্যের বিষয়টি জোরদার করেছেন। এখানে মাওলা শব্দটি কোনো শর্তসাপেক্ষ পদ নয় যে দায়িত্ব পালন
করলে তবেই মাওলা বলা যাবে বরং এটি একটি ঘোষিত মর্যাদা।
কুরআনে সাহাবাদের ব্যাপারে আল্লাহ বলেন:
আল্লাহ তাদের উপর সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট।
(সূরা আত-তাওবা ৯:১০০)
হযরত আলী (রা.) সেই শ্রেষ্ঠ সাহাবাদের অন্যতম। তাঁর সম্পর্কে নেতিবাচক বা অবমূল্যায়নমূলক মন্তব্য করা
কুরআনের এই সামগ্রিক প্রশংসার বিরোধী।
ইতিহাসে রাজনৈতিক ঘটনাবলি (খিলাফত, মতভেদ ইত্যাদি) ছিল জটিল এবং প্রেক্ষাপটনির্ভর। কিন্তু কোনো
সাহাবীর মর্যাদা নির্ধারণ করা হয় না এই ভিত্তিতে যে তিনি কোনো ধারণাকৃত দায়িত্ব পালন করেছেন কি না।
রাসূল ﷺ কখনো বলেননি: আলী দায়িত্ব পালন করলে তবেই সে মাওলা এমন কোনো শর্ত নেই।
বরং তিনি নিঃশর্তভাবে বলেছেন: আলী আমার থেকে এবং আমি আলীর থেকে।
(তিরমিযি)
আহলে সুন্নাহর আকীদা হলো: সকল খোলাফায়ে রাশেদীন (আবু বকর, উমর, উসমান, আলী রা.) সম্মানিত ।
হযরত আলী (রা.) উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন সাহাবী ও চতুর্থ খলিফা ।তাঁদের মধ্যে মতভেদ ছিল, কিন্তু তা ইজতিহাদি
অপমান বা অস্বীকারের বিষয় নয় ।
মাওলা শব্দকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে হযরত আলী (রা.) এর মর্যাদা অস্বীকার করা কুরআন, সহিহ হাদিস এবং
সাহাবাদের প্রতি সম্মানবোধ তিনটিরই পরিপন্থী।
এ ধরনের বক্তব্য শুধু ঐতিহাসিক সত্য বিকৃত করে না, বরং মুসলিম উম্মাহর ঐক্যকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। সঠিক
পথ হলো সকল সাহাবীর প্রতি সম্মান রাখা এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)এর ঘোষণাকে তার প্রকৃত অর্থে গ্রহণ করা।
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৩
আব্দুল হাদী আল নাফী খান বলেছেন: আপনি খুব বিপজ্জনক খেলায় নেমেছেন- সাহাবীদের সমালোচনা করার মাধ্যমে। আলী(রা) এর প্রজ্ঞা আমার মনে হয়না এ যুগের মানুষের চাইতে কম ছিল। অনুসারীদের ভ্রান্তির দায় ওনার উপর চাপানো ধৃষ্টতা মনে হয় আমার কাছে। মানুষের অতিরিক্ত জ্ঞান আর বিভ্রান্তি- আলাদা করা অনেক সময় কঠিন। আমি ব্যক্তি আক্রমণ করতে চাইনা, কিন্তু আমাদের সতর্ক থাক উচিৎ। আপনি তো অনেক আলেমের সাথে পরিচিত, তাদের সাথে কথা বলতে পারেন আপনার ধারণার বিষয়ে।
একই আমল করার ক্ষেত্রে হালকা ভিন্নতা যার প্রমাণ ও দলিল মজুত রয়েছে, তা ইসলামের সৌন্দর্য বাড়ায়, কিন্তু মানুষ বুঝতে ভুল করে। কেউ যদি সুন্নাহর মধ্য থেকেই আমার থেকে ভিন্নভাবে আমল করে তাকে সম্মান করতে বাঁধা কোথায়- আমি জানিনা। ইউরোপে বিতর নামাজ একেক মসজিদে একেকভাবে পড়ে এবং হাদীসে তা প্রমাণিত- আমার কী দরকার পড়লো অন্যকে ভুল বলার? নিজে একা আমল করতে গেলে আপনার যা উত্তম মনে হয় তা নিয়ে থাকুন আর আপনার আওতায় যারা জানেনা তাদের বুঝাতে পারেন।