| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ২, বাকারা। ৮৪ নং ও ৮৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৮৪। (হে ইহুদী সম্প্রদায়) আমি যখন ওয়াদা নিয়েছিলাম যে, পরস্পর রক্তপাত করবে না এবং স্বীয় বাসস্থান থেকে আপন ব্যক্তিদেরকে বহিস্কৃত করবে না, এর পর তোমরা স্বীকৃতি দিয়েছিলে এবং তোমরাই এর সাক্ষী ছিলে।
৮৫। এরপর সেই তোমরাই তোমাদের লোকদেরকে হত্যা করছো এবং তোমরা তোমাদের এক দলকে তাদের বাসস্থান থেকে বহিস্কৃত করে দিচ্ছ, তাদের প্রতি শত্রুতাবশত অসৎ উদ্দেশ্যে পরস্পরের বিরুদ্ধে সহোযোগিতা করছ। আর তারা বন্দী হয়ে এলে তোমরা তাদের থেকে মুক্তিপন দাবী করো। অথচ তাদেরবে বহিস্কৃত করা তোমাদের জন্য হারাম। তবে কি তোমরা কিতাবের একাংশকে বিশ্বাস করো এবং আরেক অংশকে অবিশ্বাস করো? অতএব তোমাদের মধ্যে যারা এরূপ করে তাদের পার্থিব জীবনে হীনতা ছাড়া আর কিছুই নাই।আর কিয়ামতের দিন তারা কঠিন শাস্তির দিকে নিক্ষিপ্ত হবে।আর তোমরা যা করছে আল্লাহ সে ব্যাপারে অমোনোযোগী নন।
* কিতাবের একাংশ মেনে অন্য অংশ না মানলে পার্থিব জীবনে হীনতা এবং কিয়ামতে কঠিন শাস্তি পেতে হবে।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
* আমির+ওলামার মান্যতা কিতাবের একাংশ। সুতরাং আমির+ওলামার মান্যতা বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ কোরআন-হাদিস মানা হয় না। আর কিতাবের (কোরআন) একাংশ বাদ দিয়ে অন্য অংশ মানার শাস্তি পার্থিব জীবনে হীনতা এবং কিয়ামতে কঠিন শাস্তির নিশ্চয়তা। আমির+ওলামার মান্যতা বিষয়ে মুসলিমদের মধ্যে ঘাটতি প্রকট। সেজন্য পার্থিব জীবনে হীনতা তাদের চেপে ধরেছে। অমুসলিমরা এখন তাদের ভয়ে সন্ত্রস্ত নয়। আমেরিকা, ইসরায়েল ও ভারতের আচরণে এ বিষয় স্পষ্ট। এমন মুসলিম আল্লাহর কাম্য নয়। এমন মুসলিমের জন্য আল্লাহ কেয়ামতে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন।
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।
* আমির+ওলামা যুক্ত অবস্থায় পৃথকভাবে কোরআন ও হাদিস থেকে বেশী শক্তিশালী। সেজন্য আমির+ওলামার যুক্ত অবস্থার পরিবর্তে কোরআন মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। কারণ কোরআন তেইশ বছরে অবস্থার পরিপেক্ষিতে অবতীর্ণ হয়েছে। সেজন্য অবস্থার পরিপেক্ষিতে আমির+ওলামার যুক্ত অবস্থার গৃহিত সিদ্ধান্তের পরিবর্তে কোরআন মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। হাদিস বাতিল হওয়ার কারণ হাদিস কোরআন অনুযায়ী পরিচালিত। সেজন্য কোরআন মানসুখ হলেই তৎশংশ্লিষ্ট হাদিস বাতিল হয়ে যায়।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।
* রাসূলের (সা.) ইন্তকালের পর অবস্থার পরিপেক্ষিতে ওলামা কর্তৃক হযরত আবু বকর (রা.) আমির নির্বাচিত হন। অবস্থা হলো আল্লাহ সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাকতে বলেছেন। সাহাবায়ে কেরামের (রা.) মধ্যে শুধুমাত্র হযরত আবু বকর (রা.) সিদ্দিক বা সত্যবাদী খেতাব প্রাপ্ত ছিলেন। সেজন্য ওলামা তাঁকে আমির নির্বাচিত করে। হযরত আলী (রা.) বিষয়ক গাদির খুমের হাদিস সাহাবার (রা.) একাংশ শুনায় এবং অপরাংশ না শুনায় এটি ত্রুটিযুক্ত ছিল। হাদিসটি বিদায় হজ্জ্বের ভাষণে বলা হলে এটি ত্রুটি মুক্ত হতো। আর রাসূলের (সা.) ত্রুটি আমলযোগ্য নয়। তবে আল্লাহর পূর্ব বিধান রাসূলের (সা.) প্রতি ক্ষমার কারণে তিনি ত্রুটির দায়মুক্ত। রাসূলের (সা.) ত্রুটি আমলযোগ্য না হওয়ায় গাদির খুমের হাদিস বাতিল। উক্ত বাতিল হাদিসের ভিত্তিতে হযরত আলী (রা.) তাঁর আমির হওয়ার ইঙ্গিত করলে ওলামা কর্তৃক তা’ গৃহিত হয়নি। তবে ওলামার সিদ্ধান্ত মানতে বিলম্ব করায় হযরত আলী (রা.) শাস্তির আওতায় এসেছেন। তাঁর কিছু আহলে বাইত ও শিয়া গাদির খুমের বাতিল হাদিসের আমল না করায় ওলামার সমালোচনা করে শাস্তির আওতাভূক্ত হয়েছে। তা্রা বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত হয়েছে। আল্লাহ তাদের নিরাপত্তা তুলে নেওয়ায় তিনি তাদের হত্যার ব্যবস্থা করেছেন। হযরত আলী (রা.) থেকেই এরা নিয়মিতভাবে হত্যার শিকার হয়ে আসছেন। সেই তালিকায় ইদানিং আলী খামেনী নিহত হয়েছেন। হযরত আবু বকর (রা.) বিষয়ক ওলামার সিদ্ধান্তের সমালোচক সাহাবা (রা.)আল্লাহর পূর্ব বিধান ক্ষমার আওতায় জান্নাতে গেলেও এ বিষয়ে যারা অসাহাবা মুসলিমদের মাঝে বিভেদ তৈরীর দায়ে তারা জাহান্নামী। রাসূলের (সা.) পর তাঁর সম্পত্তি এলেমের মালিক তাঁর ওয়ারিশ। সুতরাং এখন তারাই সিদ্ধান্ত দিবেন কোন হাদিসের উপর আমল করা হবে এবং কোন হাদিসের উপর আমল করা হবে না। অবস্থাভেদে তাঁদের সিদ্ধান্তে কোরআনের আয়াতের বিধানও মানসুখ থাকবে।যেমন পাথর নিক্ষেপে হত্যা সম্ভব না হলে তাঁরা যদি অন্যভাবে হত্যা অনুমোদন করেন সে ক্ষেত্রে অপারগতা হেতু পাথর নিক্ষেপে হত্যার বিধান মানসুখ থাকবে এবং এরজন্য জোরাজুরি করা ফিতনা হিসাবে বিবেচিত হবে।এটাকে তখন জিহাদ আখ্যা দেওয়া যাবে না।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ আল্লাহর বিধান। এটা আমির+ওলামা সিদ্ধান্তে গঠিত হয়। এ ক্ষেত্রে আমির-ওলামা বেকার বিষয়। অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। এর সাথে যারা মতভেদে লিপ্ত তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।আর তাদের সে মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম। ফিতনা এড়াতে আমির+ওলামার সিদ্ধান্ত যদি হয় শরিয়া বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কেউ দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবে না। তবে এ আইন ভঙ্গ করা ফিতনা হিসাবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
* অভিন্ন ফিকাহ প্রচার না করে হাদিস প্রচার করায় সাহাবায়ে কেরামের (রা.) মধ্যে হীনতা সৃষ্ঠি হয় এবং তাঁদের খলিফা ও ইমামণ একে একে নিহত হন। এ ক্ষেত্রে অভিন্ন ফিকাহের ব্যবস্থার সময় না পাওয়ায় হযরত আবু বকর (রা.) হত্যাকান্ড থেকে রক্ষা পান। হত্যাকান্ড থেকে রক্ষা পাননি হযরত ওমর (রা.), হযরত ওসমান (রা.), হযরত আলী (রা.), হযরত ইমাম হাসান (রা.), হযরত ইমাম হোসেন (রা.), ও হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রা.)। বাদশা ছিলেন বলে হযরত মুয়াবিয়া (রা.) হত্যার তালিকার বাইরে ছিলেন। অভিন্ন ফিকাহ প্রচার না করা সংক্রান্ত ঘটনার কারণে পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজার হাজার সাহাবা নিহত হয়েছেন। এমনকি হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয় একদল লোক। তারপর আব্বাসীয়রা ক্ষমতা দখল করে অভিন্ন হানাফী ফিকাহ প্রচার শুরু করে। তাদের এ কাজে ছিল আমির+ওলামা।বিরোধীরা ওলামা-আমির। এরা ফিতনাবাজ জাহান্নামী। সৌদী বাদশা+ওলামা, ইরানের ইমাম+ওলামা ও আফগান আমির+ওলামার কাজ অভিন্ন ফিকাহ নয়। কারণ এরা আঞ্চলিক আমির+ওলামা। পক্ষান্তরে ইসলামের বিধান বিশ্ব বিধান। এটা আঞ্চলিক কাজে গৃহিত হবে না। এখন মুসলিম বিশ্ব ব্যবস্থা না থাকায় আব্বাসীয়দের হানাফী ফিকাই এখন অভিন্ন ফিকাহ হিসাবে বিদ্যমাণ। অন্যরা এর প্রচারের অধিকার রাখলেও এটা সংস্কারের অধিকার রাখে না। ইসলামী বিধান সংস্কারে মুসলিম বিশ্ব আমির+ওলামা লাগবে। এ ছাড়া যারা নিজেদেরকে ইসলামের সংস্কারক বলে তারা মূলত মিথ্যাবাদী। তাদের সাথে থাকা মুসলিমদের দায়িত্ব নয়।শেষ কথা হলো মুসলিম বিশ্ব আমির না পাওয়া পর্যন্ত ইসলামের সংস্কার স্থগিত থাকবে। এসময় শুধু আব্বাসীয় হানাফী অভিন্ন ফিকাহ চলমান থাকবে। এর বিপরীতে মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে ফিতনা সৃষ্টি করা হারাম সাব্যস্ত হবে। এ বিধি অমান্য করলে পার্থিব জীবনে মুসলিমদের হীনতা বৃদ্ধি পাবে। আমেরিকা, ইসরায়েল ও ভারতের অত্যাচার থেকে আল্লাহ তাদেরকে রক্ষা করবেন না।
২|
২৯ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:৫৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইদ মুবারক ।
৩|
২৯ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৩৪
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনি হাদিস কোরআন থেকে যে রেফারেন্স উল্লেখ করলেন সেখানে কোনটাতে লেখা আছে যে, আমির+ওলামা বাদ না মানলে পার্থিব জীবনে হীনতা এবং কিয়ামতে কঠিন শাস্তি পেতে হবে?
একদম নির্দিষ্ট লাইন এবং রেফারেন্স উল্লেখ করুন, আপনার ব্যাখ্যা নয়।
৪|
২৯ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৩৮
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আপনি ভুল ব্যাখ্যা করেন।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:২৯
অগ্নিবাবা বলেছেন: শাস্তি পেতে চাই।