| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৩০ রূম, ৩২ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। যারা নিজেদের দীনে মতভেদ সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে।প্রত্যেক দল নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে উৎফুল্ল।
সূরাঃ ৩০ রূম, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। বরং সীমালংঘনকারীগণ অজ্ঞানতাবশত তাদের খেয়াল খুশীর অনুসরন করে, সুতরাং আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, কে তাকে সৎপথে পরিচালিত করবে? আর তাদের কোন সাহায্যকারী নেই।
* প্রক্যেক দল নিজি নিজ মতবাদ নিয়ে উৎপুল্ল হওয়ার কারণে তারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত আছে। অজ্ঞানতাবশত আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ না মেনে খেয়াল খুশীর অনুসরনের কারণে তারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়। সাহাবায়ে কেরাম (রা.) আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ প্রচার না করে হাদিস প্রচার করায় তাঁরা মতভেদে আক্রান্ত হয়ে পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজরে নিহত হয়েছেন।সুযোগ বুঝে মোনাফেকরা নিজেদের কথাকে হাদিস হিসাবে প্রচার করে রাসূল (সা.) প্রচারিত অভিন্ন ফিকাহ নষ্ট করে। নষ্ট অভিন্ন ফিকাহের কারণে মুসলিমদের বিভ্রান্ত দলের সংখ্যা বেড়ে যায়।অবশেষে ইমাম আবু হানিফা (র.) নষ্ট অভিন্ন ফিকাহ মেরামত করেন। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবরি (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় মুসলিম বিশ্ব আমির খলিফা হারুনুর রশিদ ইমাম আবু হানিফার (র.) মেরামত কৃত অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদন করলে পরবর্তী মুসলিম ছিয়াশি বিশ্ব আমির এবং দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হয়। অজ্ঞানতাবশত খেয়াল খুশীর অনুসরনকারী একতৃতীয়াংশ মুসলিম হানাফী মাযহাবের বিরোধীতা করে। তাদের সৎপথে পরিচালিত হওয়া বিষয়ে আল্লাহর ইচ্ছা না থাকায় তারা মুসলিম বিশ্ব আমিরগণের বিরোধী হয়েছে। অথচ তাদের হানাফী বিরোধীতার অনুসরন করেনি কোন মুসলিম বিশ্ব আমির। আর রাসূলের (সা.) পর আল্লাহ আমিরের অনুসরন বাধ্যতা মূলক করার পরেও এরা আমিরের উল্টা পথে চলায় এদের সৎপথে চলার বিষয়টি আল্লাহ বাতিল করে দিয়েছেন। সেজন্য তারা হানাফীদের সাথে না থেকে উল্টা পথে জাহান্নামের যাত্রী হয়েছে।
সূরাঃ ৩০ রূম, ২ নং আয়াত থেকে ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
২। রোমানগণ পরাজিত হয়েছে
৩। নিকটবর্তী অঞ্চলে; কিন্তু তারা তাদের এ পরাজয়ের পর শীঘ্রই বিজয়ী হবে।
৪। কয়েক বছরের মধ্যেই। পূর্বের ও পরের সিদ্ধান্ত আল্লাহরই। আর সেদিন মুমিনগণ আনন্দীত হবে।
৫। আল্লাহর সাহায্যে। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন এবং তিনি পরাক্রমশালী পরম দয়ালু।
* মুসলিম বন্ধু অমুসলিমদেরকেও আল্লাহ সাহায্য করেন। সুতরাং অমুসলিমরা শত্রুতা না করলে তাদের সাথে বন্ধুত্বে সমস্যা নাই। তবে মুসলিমদের বিপক্ষে অমুসলিমদের বন্ধুত্ব সঠিক নয়। এ নীতি মেনে আব্বাসীয় ও তাদের হানাফী অনুসারি বারশত বছর মুসলিম বিশ্ব শাসন করেছে এবং তখন তারা ছিল বিশ্ব মোড়ল। বিশ্ব মোড়ল হিসাবে হানাফীদের থেকে আর কোন পক্ষ বেশী সফল নয়। বর্তমান বিশ্ব মোড়ল আমেরিকা হানাফীদের থেকে কম সফল। এখন গজওয়ায়ে হিন্দে (ভারতের যুদ্ধ) চীনের সহায়তায় হানাফী পক্ষ (পাকিস্তান, আপগানিস্তান ও বাংলাদেশ) জয়ী হলে তারা আবার বিশ্ব মোড়ল হওয়ার দিকে যাত্রা করবে। এহানাফী পক্ষ বিশ্ব মোড়ল হতে পারলে বিশ্ব আবার শান্তিতে থাকতে পারবে। হানাফীদের মত মুসলিমদের আর কোন পক্ষের বিশ্ব মোড়ল হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি?
সূরাঃ ৩০ রূম, ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫। আল্লাহর সাহায্যে। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন এবং তিনি পরাক্রমশালী পরম দয়ালু।
* খোলাফায়ে রাশেদা ত্রিশ বছর। উমাইয়া খেলাফত নব্বই বছর। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবরি (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় খেলাফত ও তাদের অনুসারী হানাফী তুর্কী সালতানাত প্রায় বারশত বছর। তাহলে আল্লাহর সাহয্য কোন দিকে গেল? কেনইবা এমন হলো? খোলাফায়ে রাশেদা ও উমাইয়া খেলাফত আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের প্রচলন করেনি। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবরি (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় খেলাফত ও তাদের অনুসারী হানাফীরা অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাবের প্রচলন করেছে। সালাফি মানহাজ চালু করে সৌদি আরব অমুসলিমদের তাবেদার হয়েছে। বছর। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবরি (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় খেলাফত ও তাদের অনুসারী হানাফীদের তাবেদারী করতো অমুসলিমরা। সামনে মধ্যপ্রাচ্য দখলে নিবে আমেরিকা-ইসরায়েল। গজওয়ায়ে হিন্দে হানাফী পক্ষ জয়ী হয়ে আমেরিকা-ইসরায়েলের হাত থেকে মধ্যপ্রাচ্য উদ্ধার করবে। তখন অমুসলিমরা সমঝোতার মাধ্যমে তাদের বিশ্ব নেতৃত্ব মেনে নিবে। আর তাদের নেতেৃত্বেই বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। সুতরাং হানাফীরা অতীতে আল্লাহর সাহায্য পেয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তারাই আল্লাহর সাহায্য পাবে- ইনশাআল্লাহ। তারা ছাড়া মুসলিমদের অন্য কোন দলের সঠিকতার সংগত কোন কারণ আছে কি?
সূরাঃ ৩০ রূম, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। যাদের জ্ঞান নেই আল্লাহ এভাবে তাদের হৃদয় মোহর করে দেন।
* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের যাদের জ্ঞান নেই। তাদের হৃদয় মোহর করা। তারা সঠিক ইসলাম বুঝে না। অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ হয় এবং হাদিস বাতিল হয়। যারা এটা জানে না তারা মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে অভিন্ন ফিকাহের সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়। আল্লাহ সত্যবাদীদের সাথে থাকতে বলেছেন। রাসূলের (সা.) শুধুমাত্র হযরত আবু বকরকে (রা.) সত্যবাদী খেতাব দিয়েছেন। হযরত আলীর খেতাব ছির পশু প্রধানের খেতাব। পশুপ্রধানের খেতাবধারী মানুষের প্রধান হতে পারে কি? অভিন্ন ফিকায় খলিফা হলেন হযরত আবু বকর (রা.)। অজ্ঞলোকেরা এর বিরোধীতা করলো মাওলার হাদিস দ্বারা। অথচ রাসূল (সা.) মাওলার দায়িত্ব পেয়েছেন চল্লিশ বছর বয়সে। সুতরাং তেত্রিশ বছর বয়সি হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ছিল রাসূলের (সা.) একটি ত্রুটি। ঐচ্ছিক বিষয়ে রাসূলের (সা.) এমন ত্রুটি হতো। যেমন বদর যুদ্ধের বন্দী মুক্তির বিষয়টি রাসূলের (সা.) ঐচ্ছিক ত্রুটি হিসাবে আল্লাহ ঘোষণা করেছেন। অবশ্য আল্লাহর পূর্ব বিধানে রাসূল (সা.) ক্ষমাপ্রাপ্ত ছিলেন বিধায় ত্রুটির কারণে রাসূলের (সা.) কোন পাপ ছিল না। তবে রাসূল (সা.) থেকে অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষায় শিক্ষিত নাহাবায়ে কেরাম (রা.) রাছুলের (সা.) ঐচ্ছিক কাজের ত্রুটির উপর আমল করেননি। অভিন্ন ফিকায় খলিফা হওয়া হযরত আবু বকরের (রা.) খেলাফতে সন্তুষ্ট না হওয়ায় হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতে হত্যাকান্ডের ধারা চলমাণ রয়েছে। ইদানিং তাঁর আহলে বাইত ইমাম আলী খামেনী নিহত হয়েছেন। অথচ অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাব প্রচলনকারী হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবরি (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় খলিফা ও তাদের অনুসারী হানাফীদেরকে আল্লাহ রহমত মুড়িয়ে দিলেন। তারা বিশাল মুসলিম বিশ্বের শাসক ছিল প্রায় বারশত বছর। হযরত আলীর (রা.) যেসব আহলে বাইত হানাফী হয়েছে। তারাও আল্লাহর রহমতে শামিল আছে। সুতরাং যাদের জ্ঞান নাই তারাই কেবল আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাবের বিরোধীতা করে জাহান্নামের যাত্রী হতে পারে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৪
প্রজ্জলিত মেশকাত বলেছেন: ভাই, দয়া করে এসব কাল্ট বাদ দেন। আপনি একাই ইসলাম বুঝেন না। অন্যরাও কিছু বুঝে।