| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।
হয়ত তুমি ভাবছো কিছু
হয়ত কিছু বলতে চাও
চোখ যে তোমার বলছে কথা
কেন অযথা আড়ালে লুকাও
আজ যতটুকু সময় হলো
তোমার অনেক কাছে আসার
এমন অনুপম বিকেল বেলায়
মনের কথাটি খুলে বলার
তুমি যদি চাও
এখনই তোমার হাতটি বাড়াও
অনেকটা দিনই আমি ভেবেছি
কীভাবে বোঝাবো মনের কথা
আমারও অনেক দ্বিধা ছিল
কেটে গেছে যেই কাছে এসেছি
তুমি যদি চাও
এখনই তোমার হাতটি বাড়াও
২৮ মার্চ ২০২৫
কথা, সুর ও মূল কণ্ঠ : খলিল মাহ্মুদ
এ-আই কভার : সোনারু ও সহেলিয়া
গানের লিংক-১।
প্লিজ এখানে ক্লিক করুন। হয়তো তুমি ভাবছো কিছু। সোনারু। অডিও ভার্সন-৩
অথবা নীচের লিংকে ক্লিক করুন।
গানের লিংক-২।
প্লিজ এখানে ক্লিক করুন। হয়তো তুমি ভাবছো কিছু। সহেলিয়া। অডিও ভার্সন-৪
অথবা নীচের লিংকে ক্লিক করুন।
গানের লিংক-৩।
এ-আই আসার আগে আমার নিজ কণ্ঠে গাওয়া গানই শেয়ার করতাম। তাতে ছেলেদের বাজানো গিটার, কিংবা এফএলস্টুডিয়োতে বানানো মিউজিক যোগ করতাম। এতে সময় লাগতো প্রচুর। নিজে কণ্ঠশিল্পী না হলেও গানটা ন্যূনতম প্রেজেন্টেবল করার চেষ্টা করতাম, যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা বেসুরোই থেকে যেতো।
এ-আই আসার পর আমার নিজে গাওয়া গান পাবলিকলি শেয়ার করার ইচ্ছেটা কমে গেলো, কিংবা দমে গেলো বলতে পারেন, কারণ, এ-আই জেনারেটেড ভোকালের কাছে আমার গলায় গাওয়া গান খুবই বেসুরো মনে হচ্ছিল। এ-আইতে আপলোড করার জন্য গানটা বেশ কয়েকবার গেয়ে একটা খালি গলার গান ফাইনাল করে এ-আই দিয়ে কভার সং বানাতাম। এটাই চলছিল, চলছে। তবে মাঝে মাঝে এ-আই জেনারেটেড মিউজিকের সাথে নিজে আবার নতুন করে গেয়ে একটা নিজস্ব ভার্সনও তৈরি করার শখ জাগে। নীচে শেয়ার করা গানটা হলো তেমনই একটা। এ-আই জেনারেটেড মিউজিক, যেটা উপরের অডিও ভার্সন-৩ এর ট্র্যাক।
প্লিজ এখানে ক্লিক করুন। হয়তো তুমি ভাবছো কিছু। খলিল মাহ্মুদ
অথবা নীচের লিংকে ক্লিক করুন।
এ গানের উপর আগের পোস্ট। হয়তো তুমি ভাবছো কিছু
১৩ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:০০
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: যে-কোনো এ-আইতে কোনো লিরিক দিয়ে গান তৈরির প্রম্পট দিলেই মিউজিকসহ গান তৈরি হয়ে যায়। গান থেকে ভোকাল ও মিউজিক আলাদা করার সিস্টেম থাকে প্রায় সব এ-আইতেই। অথবা, এগুলো আলাদা করার অনেক অনলাইন সফটওয়্যার আছে, সেখান থেকেও আলাদা করা যায়। পেইড ভার্সন এ-আইতে আলাদা করার সিস্টেম ইন-বিল্ট, যার জন্য ক্রেডিট কাটা যায়।
আমি কীভাবে করি
এ-আই কখনো মানুষের মতো নেচারাল ভোকাল তৈরি করতে পারবে না, কিন্তু কাছাকাছি যাবে। আমার গানগুলো শুনে দেখবেন, এখনকার প্রায় প্রতিটা গানই অনেক অনেক নেচারাল। এর জন্য আমাকে অনেক শ্রম দিতে হয়। আমি এ-আই'র সুরে এ পর্যন্ত গান বানিয়েছি মাত্র ২/৩টা, যখন এ-আই আজকের মতো এত উন্নত ছিল না এবং কভার সং তৈরি করা যেত না।
আমি প্রথমে আমার তৈরি করা সুরে গানটা গাই। আমার গাওয়ায় যত মেলোডি থাকবে, এ-আই ততো মেলোডিয়াস ও নেচারাল কভার সং তৈরি করবে।
এ গানটা এ-আইতে আপলোড করি। এ-আই অটোমেটিক্যালি আমার গায়কী ও লিরিকের উপর কিছু প্রম্পট তৈরি করে। ঐ প্রম্পট ঠিক থাকলে ওটাই সই। আমার মনের মতো না হলে আমি কী ধরনের মিউজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট দিতে চাই, বিপিএম কত হবে, ইন্ট্রো ও আউট্রো কেমন হবে, ইন্সট্রুমেন্টাল ব্রেক ফেইজে আমি কী ধরনের মিউজিক চাই, কোনো ফিউশন চাই কিনা, ইত্যাদি বহুবিধ ইন্সট্রাকশন যোগ করি। পুরুষের কণ্ঠটা কেমন হবে, নারীকণ্ঠ কেমন চাই, এগুলোও যোগ করি।
এ-আইতে প্রচুর বাংলা উচ্চারণত্রুটি হয়। বাংলা লিরিককে ফোনেটিক উচ্চারণে সাজাই।
এরপর এ-আই'র নির্দিষ্ট ফিচারে কভার সং জেনারেট করি।
এরকম ইন্সট্যান্স খুব কম হয়েছে যে এক-দুইবারেই সেরা গানটা পেয়ে গেছি। প্রতিবারই হয় সুর পালটে যায়, কিংবা সুর ঠিক থাকলেও উচ্চারণে ভুল হয়। এভাবে একের পর এক কভার সং জেনারেট করতে থাকি। অনেক সময় অনেকগুলো মেলোডি/মিউজিকে বেশকিছু ভালো গান পেয়ে যাই। কখনোবা দু-একটা বিটকেলে শব্দ খুব যন্ত্রণা দেয়, কিছুতেই সঠিক উচ্চারণে আসে না।
কয়েকটা ভালো মানের কভার সং পাওয়ার পর অন্য একটা সফটওয়্য্যারে এগুলোকে কারেকশনের জন্য এডিট করতে বসি। এটা অনেক সময়সাপেক্ষ। একটা গানকে মাস্টারপিস ধরে এর ভুল উচ্চারণগুলো অন্য গান থেকে এনে রিপ্লেস করি। আগেই এই মূল গানটার ভোকাল ও সবগুলো মিউজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট আলাদা করে নিই। এবং যেখান থেকে শুদ্ধ শব্দগুলো আনবো, সেগুলোরও ভোকাল আলাদা করে ফেলি। ফলে মিউজিক ও রিদমে কোনো চেঞ্জ হয় না।
এ পর্যন্ত কতখানি বুঝতে পেরেছেন জানি না, আপনার কাছে প্রথম প্রথম জটিল মনে হতে পারে, কিন্তু কাজ করতে করতে এটা এখন আমার কাছে সহজ হয়ে গেছে। সবাই যে এত শ্রম দিবে বা এভাবেই করবে তা না, এটা আমার স্টাইল।
যাই হোক, গানটার এডিট ফাইনাল হয়ে গেলে ঐটাই আমার একটা অডিও ভার্সন হয়ে গেলো। ঐখান থেকে ভোকালটা বাদ দিয়ে সেইভ করলেই কারাওকে/মিউজিক ট্র্যাকটা হয়ে গেলো।
এখানে পোস্ট বড়ো হয়ে গেছে। উপরে যা লিখেছি তার বাইরেও একটা গান রিফাইন ও শুদ্ধ করার জন্য আমাকে আরো অনেক খুটিনাটি কাজ করতে হয়। সেগুলো লিখি নাই, পোস্ট আরো বড়ো ও জটিল হয়ে যাবে বলে।
আপনি মেধাবিনী। সহজেই গ্রাস্প করতে পারবেন। শুরু করেন, আপনি আরো নতুন নতুন পন্থায় ট্র্যাক তৈরি করতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাস।
২|
১৩ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:২৯
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: বাহ দারুন তো ! আপনার পুরো কমেনট কপি করে রাখলাম । সময় করে চেষটা করবো।
ধন্যবাদ আপনাকে । আপনি এখন কেমন আছেন ? আপনার শরীর ভালো আছে?
সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন
১৩ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:৩৭
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: অনেকদিন পর আপনাকে দেখে বিস্মিত ও অভিভূত হলাম আপু। আল্লাহর রহমতে ভালো আছি আপনাদের দোয়ায়। আশা করি আপনিও ভালো আছেন।
দোয়া করবেন।
অনেক অনেক শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।
৩|
১৪ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:০১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কিছু গান কেবল শোনার জন্য নয় অনুভব করার জন্য। এই গানটি ঠিক তেমনই একটি সৃষ্টি, যেখানে শব্দ, সুর এবং
কণ্ঠ একত্রে হৃদয়ের নীরবতম অনুভূতিগুলোর ভাষা হয়ে উঠেছে।
গানের শুরুতেই
হয়তো তুমি ভাবছো কিছু,
হয়তো কিছু বলতে চাও...
এই কথাগুলি আমাকে এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক আবহে নিয়ে গেছে। মানুষের জীবনে এমন অসংখ্য অনুভূতি থাকে, যা
মুখে বলা যায় না, অথচ চোখে, নীরবতায় কিংবা আচরণে প্রকাশ পায়। আপনি সেই অব্যক্ত অনুভূতিকেই অত্যন্ত
কোমল ভাষায় তুলে ধরেছেন।
আপনার গানের অন্যতম আকর্ষন আমার কাছে এর সরল অথচ হৃদয়স্পর্শী শব্দচয়ন। কোথাও জটিল অলংকারের ভার
নেই; বরং সহজ ভাষার মধ্যেই গভীর আবেগের অনুরণন সৃষ্টি হয়েছে। হাতটি বাড়াও এই আহ্বান কেবল শারীরিক
স্পর্শের প্রতীক নয়; এটি বিশ্বাস, সাহস, গ্রহণযোগ্যতা এবং হৃদয়ের দরজা খুলে দেওয়ার এক মানবিক রূপক।
আপনি যখন নিজেই নিজের সুরে গানটি পরিবেশন করেন, তখন এর আবেগ আরও স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে ওঠে। কারণ একজন
স্রষ্টা তাঁর প্রতিটি শব্দের অন্তর্নিহিত অনুভূতি সবচেয়ে ভালো জানেন। সেই আন্তরিকতা কণ্ঠে ধরা পড়লে আমাদের মত
শ্রোতাদের মনে একটি বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েই যায়। গানটি তখন কেবল সুরের সৌন্দর্যে সীমাবদ্ধ থাকে না,
বরং আত্মার সংলাপে রূপ নেয়।
সুরের বিন্যাসও দারুন প্রশংসার দাবিদার। এটি কথাগুলোকে ছাপিয়ে যায় না; বরং প্রতিটি শব্দকে আলতোভাবে বহন
করে। ফলে আমরা শ্রোতা হিসাবে গানের অর্থ উপলব্ধি করার যথেষ্ট সুযোগ পাই। এমন সংযত সুরায়োজন আধুনিক
বাংলা গানের একটি ইতিবাচক দিক, যা আপনার গানেও সুন্দরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
আমার কাছে হলো, এই গানটি প্রেমের প্রচলিত প্রকাশের গণ্ডি ছাড়িয়ে পারস্পরিক আস্থা, মনের দ্বিধা কাটিয়ে ওঠা এবং
আন্তরিক যোগাযোগের গুরুত্বকে তুলে ধরে। বর্তমান সময়ে, যখন মানুষ ক্রমেই একে অপরের কাছ থেকে মানসিকভাবে
দূরে সরে যাচ্ছে, তখন এমন একটি গান আমাদের মনে করিয়ে দেয় কখনো কখনো একটি আন্তরিক আহ্বানই সম্পর্কের
নতুন সূচনা হতে পারে।
এই গানটি নিছক একটি সুরেলা পরিবেশনা নয়; এটি অব্যক্ত অনুভূতির এক মৃদু দরজায় কড়া নাড়া। আপনার হৃদয়
নিঃসৃত কথা, আপনার নিজস্ব আবেগময় কণ্ঠ এবং সংযত সুর সব মিলিয়ে গানটি আমাদের হৃদয়ে দীর্ঘস্থায়ী অনুরণন
সৃষ্টি করতে সক্ষম। বাংলা আধুনিক গানের ধারায় এটি একটি কোমল, আন্তরিক এবং অনুভূতিনির্ভর সৃষ্টি হিসেবে
আমাদের মত শ্রোতাদের মনে স্থান করে নেওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রাখে বলে আমি মনে করি ।
শুভকামনা রইল । এমন হৃদয়ছোঁয়া সৃষ্টির ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকুক,
আর বাংলা গান সমৃদ্ধ হোক আরও অনেক আন্তরিক ও মানবিক শিল্পকর্মে।
১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:০২
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: প্রিয় আলী ভাই,
শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন। কোনো একটা বিষয়কে বিশ্লেষণ করে মতামত দেয়ার এক অসাধারণ প্রতিভা রয়েছে আপনার। আমি মুগ্ধ ও অভিভূত আপনার এই কমেন্ট পেয়ে; আমার গানটি একজন ব্যক্তির কাছে কীভাবে প্রতিভাত হতে পারে, তা দেখে আমি খুবই উৎফুল্ল বোধ করছি। নিজের উপর আস্থা ও আত্মবিশ্বাসও বেড়ে গেলো বহুগুণ। আমি বরাবরের মতো এবারও অনেক অনেক অনুপ্রাণিত হলাম আপনার কমেন্ট পেয়ে। এবং বলতে পারেন, আপনার প্রতিবারের কমেন্টেই আমি নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করি।
আপনাকে ধন্যবাদ দিয়ে শেষ করা যাবে না। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় আলী ভাই। ভালো থাকুন।
৪|
১৪ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪০
রাজীব নুর বলেছেন: আজকাল আমার গান গাইতে ইচ্ছা করে।
ভাবছি একটা চ্যানেল খুলবো।
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৩০
শায়মা বলেছেন: ভাইয়া
মিউজিক ট্রাক বানাও কিভাবে?
টিউটোরিয়াল লেখো ...... প্লিজ!!!!!!