| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জ্যাক স্মিথ
লিখতে না পড়তে ভালো লাগে, বলতে না শুনতে ভালোবাসি, সেমি-ইন্ট্রোভার্ট।

দেশজুড়ে বহু বহু করে বয়ে যাচ্ছে গণতন্ত্রের সু-বাতাস, চারিদিকে পতপত করে উড়ছে গণতন্ত্র নামক শান্তির পতাকা- সারা বংলায় এমন শান্তিময় পরিবেশ স্বাধীনতা পরবর্তীকালের ইতিহাসে আর দেখা যায়নি কখনো; এরই ধারাবাহিকতায় আজ থেকে সারা দেশে রাত আট ঘটিকার পর বিপণিবিতান-দোকানপাট সব বন্ধের কড়া নির্দেশ জারি করা হইয়াছে।
বিস্তারিত- বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দেশের সব বিপণিবিতান, মার্কেট ও দোকানপাট খোলার সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে সরকার। নতুন নিয়মে বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে।
একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সব ধরনের আলোকসজ্জা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নতুন এ সিদ্ধান্ত আজ বুধবার থেকেই কার্যকর করা হয়েছে।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক আদেশে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান ও অনুষ্ঠেয় বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও রাত ৮টার মধ্যে শেষ করতে নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। তবে খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ওষুধের দোকানসহ জরুরি সেবাসমূহ এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানায়, গত ১১ জুন জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বিপণিবিতান, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এখন নতুন সিদ্ধান্তে সেই সময় কমিয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত করা হয়েছে।
একই সঙ্গে দোকানপাট ও শপিং মল (বিপণিবিতান) সন্ধ্যা ছয়টার সময় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়, পরদিন থেকেই যা কার্যকর হয়। যদিও পরে দোকান ব্যবসায়ী সমিতির অনুরোধে সেই সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়।
ঈদুল আজহার আগে দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলার সময়সীমা শিথিল করে সরকার। ঈদের পর আবার সন্ধ্যা ৭টায় দোকানপাট ও বিপণিবিতান বন্ধে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। তবে ব্যবসায়ীরা দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখার দাবি করেন। ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ জুন দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখার সময় বাড়িয়ে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত করে সরকার। এখন সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে আবার দোকান খোলা রাখার সময় রাত ৮টা পর্যন্ত করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র-প্রথম আলো।
---------------------------
এতকাল যাবৎ শুনিয়া আসিয়াছি বিদ্যুৎ, গ্যাস, ইন্টারনেট, ইলিশ মাছ থেকে শুরু করে পেঁয়াজ- কাঁচামরিচ পর্যন্ত নাকি ভারতে দেদারছে পাচার করা হচ্ছে সেই জুজু তুলে টানা ৬০/৬৫ দিন যুদ্ধ করে দেশকে ভারতের কাছ থেকে স্বাধীন করা হলো, ফলাফল? লাউ এর বদলে আমরা পেলাম মস্ত বড় এক অস্ব ডিম্ব!! ন্যাশনালিজম নামক ড্যান্জারাস ড্রাগ কোমলমতিদের মাথায় পুশ করে, হাজার হাজার কচি কাঁচাদের হত্যা করা হলো। কে নেব এর দায়ভার? এখন দেশে বিদ্যুৎ যায় না মাঝে মাঝে আসে, গ্যাসের জন্য পম্প গুলোতে লম্বা সিরিয়াল, বাসাবাড়িতে এখন মাঝে মাঝে গ্যাস পাওয়া যায়- ইন্টারনেটের দাম এখন আকাশ চুম্বী, ইলিশ মাছ? সে তো সাধারণ জনগণের বহু দূরের স্বপ্ন, কাঁচা মারিচের ঝাল আর পেঁয়াজের ঝাঝে এর কাছে ঘেষা দুরুহ।
অপরদিকে দেশজুড়ে ভারতীয় পণ্যে সয়লাব, থ্রী-পীস, লেহেঙ্গা থেকে শুরু করে, নারিকেল তেল, প্রসাধনী, তেল-মসলা, সেই সাথে মেডিক্যাল ইকুইপমেন্টস, যানবাহনের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি ভারতীয় পণ্যে সয়লাব আজ পুরো দেশ- এই জন্যই কি আমরা হাজারো কোমলমতিদের রক্তের বিনিয়মে দেশকে ভারতের হাত থেকে স্বাধীন করলাম? ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দেয়া সেই সকল তথাকথিত ন্যাশনালিস্টরা কি আজ ভারতীয় তেল নাকে দিয়ে ঘুমাচ্ছে?
বিশ্বায়নের এই যুগে
ইন্টারকানেক্টেড এই ওয়ার্ল্ডে
ন্যাশনালিজমের পোঁকা যাদের মাথায় ঢুঁকে
তারাই তো ধুকে ধুকে মরে।
বাই দ্যা ওয়ে- দেশে নাকি লক্ষ লক্ষ ভারতীয় নাগরিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে বাংলাদেশীদের জবের বাজারে হাহাকার ফেলে দিয়েছিলো- তো দেশ স্বাধীন হবার পর এখন পর্যন্ত কত লক্ষ ভারতীয়দের আটক করা হয়েছে বা কত লক্ষ ভারতীয়দের নিজ দেশে ফেরৎ পাঠানো হইয়াছে? তথাকথিত ন্যাশনালিস্টরা কি এর জবাব দেবেন? প্রতিদিন কত হাজার বাংলাদেশি বিভিন্ন বর্ডার ক্রস করে ভিসা-পাসপোর্ট ছাড়াই ভারতে পারি জমায় তার কোন ডাটা আছে বিজ্ঞ মহাশয়দের কাছে?
সে যাই হোক- এখন আবার আকাশে বাতাসে শুনিতে পাই- নতুন কোন জুজু তুলে নাকি এবার বিএনপি সরকারকেও হঁটানো হইবে অতঃপর জমায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আইবে, ইহাতে যদি হাজরো প্রাণ ঝড়ে ঝড়বে নো প্রবলেম (ইহাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য
)। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে দেশে এখনো সহীহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠীত হয় নাই আর তাই জামায়েত ক্ষমতায় এসে দেশে চুরান্ত ভাবে গণতন্ত্র কয়েম করিবে, অতঃপর বাংলার জনগণ সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে থাকিবে।
জামায়েতে ইসলামী জিন্দাবাদ।
আরো পড়ুন: শেখ হাসিনার মত তারেক জিয়াও কি ভারতে ইলিশ পাচার করছে?
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: রাজনীতিতে আমাদের দেউলিয়াপনা চলছে , এমন চলতে থাকলে
অবশ্যই তৃতীয় পক্ষ সুযোগ নিবে । - কথা সত্য।
২|
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:০২
মাথা পাগলা বলেছেন: বিএনপি-জামাত মনে করেছে ২০২৪ এর বাংলাদেশ এখনো ২০০১ এর তলাবিহীন ঝুড়ি। ৫০০ ডলারের অর্থনীতি চালানো ক্যাপাবিলিটি এসব মূর্খদের নাই। নোবেল লরিয়েট দেশ বেচার চুক্তির জন্য হয়তো এখন বেশি দামে জ্বলানী কিনতে হবে।
গতকাল নিউজে পড়লাম - বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের রেকর্ড গড়েছে। অথচ ভূতুড়ে ইলেকট্রিক বিলের কোন ব্যাখা নাই।
সবচেয়ে খারাপ সংবাদ ছিলো প্রতি দুইজন শিশুর মধ্যে ১ জন হামের শিকার। ভবিষ্যতে ইউনুসের নাম রাজাকারদের সাথে উচ্চারিত হবে। আর একটা সংবাদ ছিলো শহীদ মিনারে এক কিশোরের ফাঁসি যা অনেকে মব জাস্টিস অ্যাক্টিভিটি বলছে।
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৪
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: দেশ চালানো মোটেও সহজ কোন কম্ম নহে এসব মূর্খের দল যা এখন হারে হারে টের পাচ্ছে। হামের প্রকোপে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রতিদিন ২০/৩০ জন শিশুর মৃত্যু হচ্ছে যা খুবই মার্মান্তিক। অদ্ভুত উটের পিঠে চলছে দেশ দেখার যেন কেউ নেই।
৩|
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:০৩
মাথা পাগলা বলেছেন: বিএনপি-জামাত মনে করেছে ২০২৪ এর বাংলাদেশ এখনো ২০০১ এর তলাবিহীন ঝুড়ি। ৫০০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি চালানো ক্যাপাবিলিটি এসব মূর্খদের নাই। নোবেল লরিয়েট দেশ বেচার চুক্তির জন্য হয়তো এখন বেশি দামে জ্বলানী কিনতে হবে।
গতকাল নিউজে পড়লাম - বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের রেকর্ড গড়েছে। অথচ ভূতুড়ে ইলেকট্রিক বিলের কোন ব্যাখা নাই।
সবচেয়ে খারাপ সংবাদ ছিলো প্রতি দুইজন শিশুর মধ্যে ১ জন হামের শিকার। ভবিষ্যতে ইউনুসের নাম রাজাকারদের সাথে উচ্চারিত হবে। আর একটা সংবাদ ছিলো শহীদ মিনারে এক কিশোরের ফাঁসি যা অনেকে মব জাস্টিস অ্যাক্টিভিটি বলছে।
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: অদ্ভুত উটের পিঠে চলছে দেশ দেখার যেন কেউ নেই।
৪|
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:৩৬
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
লক্ষনে বুঝা যাচ্ছে জিডিপি গ্রোথ রেইট নিগেটিভে যেতে বেশি সময় নিবেনা ।
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৯
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ইলেকক্ট্রিসিটি হচ্ছে বর্তমান সভ্যতার মূল চাবিকাঠি সেই বিদ্যুৎ এরই যদি এমন নাজেহাল অবস্থা হয়, তাহলে আমাদের আবার সেই হ্যারিকেন-কুপির যুগে ফেরৎ যেতে হবে।

৫|
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৩
কলাবাগান১ বলেছেন: শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেছিল, আজ দেখলাম জামাতি এমপি বাশের সাকো উদ্বোধন/সরেজমিন দেখতে গিয়ে ভেংগে খাল এর মধ্যে পড়েছে
এখানে ই পার্থক্য
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: গন্ডের দল বাঁশের সাঁকোটাও ঠিকমত উদ্বোধন করতে পারলো না, লে হালুয়া।
৬|
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: গদিতে যে বসুক, আমাদের একটা জিনিস প্রায় একই থাকে, সমস্যা। গণতন্ত্র জিনিসটা আমাদের দেশে একটু বেশি কনফিউজড। কারণ আমরা নাগরিক কম, দলীয় সমর্থক বেশি। নিজের দল ক্ষমতায় থাকলে সরকারের কোনো ভুল চোখে পড়ে না। সরকার যা করে, ক্লাস ওয়ানের বাচ্চাদের মতো মাথা নেড়ে বলি, জি স্যার, একদম ঠিক বলেছেন। আর অন্য দল ক্ষমতায় এলেই হঠাৎ আমাদের বিবেক জেগে ওঠে। তখন কারেন্ট নেই, গ্যাস নেই, দ্রব্যমূল্য বেশি, বেকারত্ব বেশি, শিল্প হচ্ছে না, সবকিছুর হিসাব চাই। আমরা আসলে সবসময়ই সমস্যার মধ্যে ছিলাম। শুধু সমস্যাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত নতুন নতুন সমস্যা যোগ হয়েছে। একসময় বলা হলো, বিদ্যুতে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ। খুশি হওয়ার মতো খবর। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এত বিদ্যুৎ গেল কোথায়? এত গ্যাস গেল কোথায়? এত অবকাঠামো, এত বিদ্যুৎ উৎপাদন, তারপরও বড় শিল্প কোথায়?
দেশের অর্থনীতির প্রধান ভরসা এখনো সেই বহু পুরোনো পোশাকশিল্প আর অর্ধশিক্ষিত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। মানে দেশের ভেতরে আমরা উন্নয়নের ছবি তুলি, আর ডলার আসে গার্মেন্টসের শ্রমিক আর প্রবাসী শ্রমিকের ঘাম থেকে। ২০২০/ ২১ সালের দিকে করোনার কারণে আমদানি ব্যয় কমে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলারে উঠেছিল। সেটাও একটা অর্জন ছিল। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই সেই রিজার্ভ নেমে গেল প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। দলকানা সমর্থকের কাছে ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, আমাদের রিজার্ভ সর্বোচ্চ হয়েছিল। কখন? ২০২০ সালে!
এরপর আর কোনো প্রশ্ন নেই। কে করেছিল, কেন হয়েছিল, কেন টেকেনি, এসব জিজ্ঞেস করা নিষেধ। কারণ নিজের দলের আমলে কোনো অর্জন হলে সেটা চিরস্থায়ী কৃতিত্ব, আর সমস্যা হলে সেটা ষড়যন্ত্র। অন্য দলের আমলে ঠিক উল্টো নিয়ম। গণতন্ত্র ভাই মাঝখানে দাঁড়িয়ে মাথা চুলকায়, আমি আসলে বুঝলাম না, আপনারা কি দেশের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলছেন, নাকি নিজেদের দলের স্কোরবোর্ড নিয়ে? দেশে খাম্বা আছে, কারেন্ট নেই। চুলা আছে , গ্যাস নেই। বিদ্যুৎ আছে, কিন্তু শিল্প নেই। শিল্প না থাকলেও উন্নয়নের গল্প আছে। রিজার্ভ কমে গেলেও সর্বোচ্চ রিজার্ভের গল্প আছে।
আর সবশেষে আছি আমরা। সরকার বদলালে হঠাৎ খুব সচেতন নাগরিক হয়ে যাই, আর নিজের সরকার ক্ষমতায় থাকলে নাগরিকত্বটা সাময়িকভাবে দলীয় সদস্যপদে রূপান্তরিত করি। এই দেশে তাই সবচেয়ে স্থায়ী জিনিস সম্ভবত কোনো সরকার নয়, কোনো নীতিও নয়, কোনো উন্নয়নও নয়। সবচেয়ে স্থায়ী জিনিস হলো আমাদের সমস্যা। আর তার থেকেও স্থায়ী জিনিস হলো, সমস্যাটা কে তৈরি করেছে সেটা নিয়ে আমাদের দলীয় ব্যাখ্যা।
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:২০
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: তথ্য সমৃদ্ধ মন্তব্য- এই পোস্টে পুর্বের এক শ্রেণীর সো-কলড সচেতন/দেশ প্রেমিকদের জুজুর/ দৌরাত্বের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেওয়া হয়েছে।
দেশে খাম্বা আছে, কারেন্ট নেই। চুলা আছে , গ্যাস নেই। বিদ্যুৎ আছে, কিন্তু শিল্প নেই। শিল্প না থাকলেও উন্নয়নের গল্প আছে। রিজার্ভ কমে গেলেও সর্বোচ্চ রিজার্ভের গল্প আছে। - তাহলে কি এভাবেই চলবে সবকিছু?
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৪:০২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সারা দেশে রাত আট ঘটিকার পর বিপণিবিতান-দোকানপাট
সব বন্ধের কড়া নির্দেশ জারি করা হইয়াছে।
.....................................................................................
ইহা আর নূতন কি হইল ???
গ্রামের কথা আগের হাল যেদিকে যায়, পরেরটা তা অনুসরন করে ।
বিশ্বে জ্বালানী সংকট চলছে, এই সিদ্বান্ত আসতেই পারে । কিন্ত
রাজনীতিতে আমাদের দেউলিয়াপনা চলছে , এমন চলতে থাকলে
অবশ্যই তৃতীয় পক্ষ সুযোগ নিবে ।