| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শ্রাবণধারা
" আমাদের মতো প্রতিভাহীন লোক ঘরে বসিয়া নানারূপ কল্পনা করে, অবশেষে কার্যক্ষেত্রে নামিয়া ঘাড়ে লাঙল বহিয়া পশ্চাৎ হইতে ল্যাজমলা খাইয়া নতশিরে সহিষ্ণুভাবে প্রাত্যহিক মাটি-ভাঙার কাজ করিয়া সন্ধ্যাবেলায় এক-পেট জাবনা খাইতে পাইলেই সন্তুষ্ট থাকে......."

বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের আগে জঙ্গিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করে তৌহিদি জনতা নামের একপাল ধর্মোন্মাদকে জড়ো করে। এরপর শামীমকে দফায় দফায় পেটানো হয়। পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেও তাঁকে পেটানো হয়। এরপর তাঁকে টেনেহিঁচড়ে হাসপাতালের বাইরে নিয়ে গিয়ে আরও এক দফা পিটিয়ে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর জঙ্গিরা শামীমের লাশের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে বর্বর উল্লাসে মেতে ওঠে।
ধর্মোন্মাদদের নেতৃত্ব দেওয়া ফজলুল হক আমিনীকে র্যাব আটক করে। আটকের পর সাংবাদিকেরা যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করে, তিনি অপরাধী কি না, তখন জঙ্গি জানায়, রাষ্ট্রীয় আইনে তিনি অপরাধী, তবে আল্লাহর আইনে নয়। তাঁকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, হত্যাকাণ্ডের জন্য অনুশোচনা হয় কি না, তখন মুচকি হেসে জঙ্গি জানায়, তার অনুশোচনা নেই।
ফেসবুকে এই জঙ্গির আটকের খবরে বাংলাদেশের অসংখ্য ধর্মোন্মাদ মুসলমান এই হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করেছে। অনেকে ধর্মীয় রেফারেন্স টেনে হত্যাকাণ্ডের পক্ষে যুক্তি দিয়েছে। গত দুই বছরে ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিগোষ্ঠী এবং জামাত মিলে বাংলাদেশে নতুন এক সহিংস সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশে ধর্মোন্মাদরা ধর্মকে আর ধর্মবিশ্বাসের জায়গায় রাখেনি, একে কল্পিত বাস্তবতায় রূপান্তর করেছে। সেই কল্পিত জগতে তারা কখনো ফেরেশতার সাথে কথা বলে, কখনো কতলের নির্দেশনা লাভ করে। বিপজ্জনক বিষয় হলো, কল্পিত জগতের বিশ্বাস বাস্তবে এসে ভয়াবহ রূপ নেয়। এর সবচেয়ে নির্মম শিকার হয় সমাজের অসহায় ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষগুলো। গার্মেন্টস শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাস কিংবা ভিন্নমতাবলম্বী ওয়াহিদুজ্জামান শামীমের রাজনৈতিক প্রভাব বা প্রতিপত্তি নেই বলে তাঁরা ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের সহজ শিকারে পরিণত হয়। সংখ্যালঘু ও ভিন্নধর্মের মানুষকে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে মেরে ফেলে ধর্মোন্মাদরা শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা করে ও ধর্মের নামে হত্যাকাণ্ডের মত অপরাধ করেও পুণ্য অর্জন করে।
ধর্মোন্মাদদের কল্পিত জগতের সাথে কয়েক দশক আগের জনপ্রিয় সিনেমা "দ্য ম্যাট্রিক্স" এর কাহিনীর মিল আছে। সিনেমার গল্পটি ছিল কম্পিউটারে তৈরি করা সিমুলেশন দিয়ে মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করার ঘটনা নিয়ে। গল্পে পৃথিবীর নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের হাতে চলে গেছে; মানুষের মস্তিষ্ককে কম্পিউটার সিমুলেশনের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে মানুষ সিমুলেশন দিয়ে তৈরি করা কৃত্রিম জগতকেই বাস্তব পৃথিবী বলে বিশ্বাস করে। মানুষ এমন এক মিথ্যা বাস্তবতায় বাস করে যার আসলে কোন অস্তিত্বই নেই।
সিনেমার প্রধান চরিত্র নিও দিনের বেলায় প্রোগ্রামার আর রাতে হ্যাকার। সে ধারনা করে যে, পৃথিবীর মধ্যে কোথাও একটা বড় গণ্ডগোল আছে। কিন্তু সেটা যে ঠিক কী বা কোথায় সেটা বুঝতে পারে না। সমাধান খুঁজতে গিয়ে নিও "ম্যাট্রিক্স" নামের এক ধারণার অনুসন্ধান শুরু করে। তার পরিচয় হয় মরফিয়াসের সাথে। সেও হ্যাকার, কিন্তু সে আবার প্রতিরোধ আন্দোলনের নেতা। মরফিয়াস তাকে জানায় পৃথিবী সম্পর্কে মানুষ যেটা জানে সেখানে খুব বড় মিথ্যা লুকিয়ে আছে।
মরফিয়াস নিওকে একটি নীল ও একটি লাল - দুটি বড়ি দেখিয়ে বলে, বড়ি দুটি তাকে দুটি ভিন্ন পথে নিয়ে যাবে। নীল বড়িটি খেলে সে নিজের পরিচিত জীবনে ফিরে যাবে এবং অন্য সবার মতো এতদিনের জানা পৃথিবীকে বাস্তব বলে বিশ্বাস করবে। আর লাল বড়িটি খেলে সে জানতে পারবে বাস্তবতার প্রকৃত স্বরূপ, সেই সত্য যত অস্বস্তিকর বা ভয়াবহ হোক না কেন। নিও লাল বড়িটি বেছে নেয়। এরপর সে আবিষ্কার করে, এতদিন যে পৃথিবীকে সে বাস্তব বলে জেনে এসেছে, তা আসলে "ম্যাট্রিক্স" নামের কম্পিউটার সিমুলেশন।
তবে ধর্মোন্মাদদের ক্ষেত্রে বিষয়টা ম্যাট্রিক্স এর গল্পের উল্টো। নিও যন্ত্রের তৈরি মিথ্যা বাস্তবতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করে। ধর্মোন্মাদরা নিজেদের অজ্ঞতা, কুসংস্কার এবং বিকৃত ধারণা দিয়ে কল্পিত বাস্তবতায় নিজেদের বন্দি করে। এটা করতে গেলে তারা আবার অনেক সময় সিআইএ, আইএসআই বা ডিপ স্টেটের পৃষ্ঠপোষকতায় পায়। তবে ধর্মোন্মাদনার বীজ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভেতরেই সুপ্ত থাকে; স্বার্থান্বেষী শক্তিগুলো সেই বীজকে বড় করে এবং নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে।
উদাহরণ হিসেবে পাকিস্তানে লস্কর-ই-তৈয়বার মতো জঙ্গি সংগঠনের কথা বলা যায়। পাকিস্তানের জঙ্গি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে শিশু-কিশোরদের এমন ধর্মীয় উন্মাদনায় দীক্ষিত করা হতো যে তাদের বিশ্বাস করানো হতো, কাফেরদের বিরুদ্ধে জিহাদে নামলে শত্রুর গুলি তাদের শরীরে লাগবে না; কেবল যাদের বিশ্বাসে ফাঁক আছে, তারাই গুলি খেয়ে মারা যাবে। এই বিশ্বাস শিশু-কিশোরদের মনে এমনভাবে গেঁথে দেওয়া হতো, যাতে তারা মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে সিআইএ বা আইএসআইয়ের পরিচালিত জিহাদে অংশ নিতে পারে।
এই মগজধোলাইয়ের মাত্রা সব জায়গায় এক নয়। কোথাও তা চরম এবং স্পষ্ট, কোথাও মৃদু এবং অস্পষ্ট। সৌদি আরবে যে অভিবাসী শ্রমিক সুইটি আখতার বা নজরুল ইসলামের মাথায় তলোয়ারের কোপ বসায়, যে সৌদি বিচারক অনৈতিক বা অশ্লীল কাজের অভিযোগে শরিয়া আইনের নামে শিরশ্ছেদের রায় দেয়, যে ধর্মোন্মাদরা দীপু চন্দ্র দাস বা ওয়াহিদুজ্জামান শামীমকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে বা পুড়িয়ে হত্যা করে, আর যারা এই ধর্মোন্মাদনাকে সমর্থন করে, তারা সবাই ম্যাট্রিক্স এর নীল বড়ি খাওয়া লোকের মতো। এরা কৃত্রিম বাস্তবতার মধ্যে আটকে আছে যেখানে নিজেদের বিশ্বাসকেই তারা পরম সত্য বলে মনে করে।
সিনেমার গল্পে নিও ঘোষণা করে, সে মানবজাতিকে এমন পৃথিবীর সন্ধান দেবে, যেখানে যন্ত্রের তৈরি মিথ্যা বাস্তবতা থাকবে না। কিন্তু পৃথিবীতে সবসময় এমন নায়কের দেখা মেলে না যারা একাই সমাজের ত্রাণকর্তা হয়ে হাজির হয়ে বড় সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারেন। বাস্তবের ম্যাট্রিক্স ভাঙতে প্রয়োজন বহু যুক্তিবাদী মানুষের, যারা নৈতিকতা, যুক্তিশীলতা ও মানবিকতার শক্তিতে ধর্মোন্মাদদের নির্মিত মিথ্যা বাস্তবতার ভিত্তিমূলে আঘাত হানবে এবং তাদের কল্পিত মিথ্যার জগৎকে ভেঙে দেবে।
২|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪
নতুন বলেছেন: এটা সম্ভবত মানুষের মস্তিস্কের একটা দূর্বল দিক।
বেশিরভাগ মানুষই কোন না কোন বিশ্বাসের চাদরে ঢাকা পরে থাকে।
কিছু মানুষ আছে যাদের ব্রেনওয়াস করা সহজ,।
রাস্ট চালাতে হইলে ধমান্ধদের নিয়ন্তন করতে হবে।
৩|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৯
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
১। বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে নবী-রাসুল, কোরান অবমাননার কোন সাজা নেই। এই লোক যেটি করছে তাকে বরং অবলম্বে ছেড়ে দিয়ে বরং সরকারের পুরস্কৃত করা উচিত। একটি মাহফিলের ওয়াজে এনায়েত আব্বাসী নামের এক হুজুর এভাবে বিনা বিচারে হত্যাকে পেট্রোনাইজ করছে। ওয়াজ-মাহফিল কি বলা যাবে আর কি বলা যাবে না এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট একটি নীতিমালা করা দরকার। এদেশে ওয়াজ মাহফিল ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য পুর্ন আলাপ কম রাজনৈতিক, পরনিন্দা, হাঁসি তামাশা বেশি....
২। দক্ষিনাঞ্চল জেলা গুলোতে মানুষগুলো একটু বেশি ধর্মীয় আবেগ প্রবন এবং সাম্প্রদায়িক। ১৪ ইলেকশন পর বিরোধীদল থেকে যে অবরোধ ঢাক দেওয়া হওয়া সেটা দক্ষিনাঞ্চল প্রায় অনেকটা সফল ছিলো। অনেক আওয়ামীলীগ এমপিরা প্রাণ হারানোর ভয়ে তখন সেনাবাহিনীর প্রটোকল চাইতেন নিজ জেলা শহরে সফরে যাওয়ার সময়।
৪|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৯
নাহল তরকারি বলেছেন: কিছু কিছু অন্ধ মুসলিম আছে, যা কোন কিছু যাচাই না করে অন্ধের মত আরেকজন কে অনুকরন করে।
৫|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০২
নতুন বলেছেন: নাহল তরকারি বলেছেন: কিছু কিছু অন্ধ মুসলিম আছে, যা কোন কিছু যাচাই না করে অন্ধের মত আরেকজন কে অনুকরন করে।
র্ধামিকরা বড় হুজুরের অনুকরনই করে। বেশির ভাগই নিজে ধর্মীয় কিতাব পড়ে না।
৬|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৫
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
মাথানষ্ট।
পাগল।
৭|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫১
রাজীব নুর বলেছেন: ধার্মিকদের আমি ভয় পাই। এরা মগজহীন।
৮|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৮
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
এদের থেকে হয় দূরে থাকতে হবে অথবা ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
৯|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৮
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আজকাল বাংলাদেশে এগুলো নরমালাইজড হয়ে গেছে।
কেউ হয়তো আপনার পোস্টে এসে মন্তব্য করবে- ওই লোকের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই, মানুষ হত্যা ইসলাম সমর্থন করে না।
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হচ্ছে - র্যাবের হাতে আটক হওয়ার পরও লোকটির কি নূরানী হাসি- মনে বিন্দুমাত্র কোন অনুশোচনা নেই মনে হচ্ছে তিনি বহুত বড় এক সওয়াবের কাজ করে ফেলেছেন- অথচ বিষয়টা মানুষ হত্যা সম্পর্কিত।
১০|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৬
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: ভিক্ষাবৃত্তি করে যারা জীবন চালায় বা শৈশব থেকেই ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমেই যাদের জীবনের শুরু টা হয়, তারা একটা সময় বালেগ হয়, অতঃপর হয় প্রাপ্তবয়স্ক। তারা গায়ে গতরে বেড়ে ওঠে ঠিকই, কিন্তু একটা জিনিস ছাড়া।
কি সেটা? সেটা হল মেরুদণ্ড।
এদের হাত, পা, মাথা, চোখ, নাক, কান সবকিছুই থাকে, যা থাকে না তা হল মেরুদণ্ড। অমেরুদণ্ডী প্রাণী হিসেবেই এরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়।
ছেলেবেলায় থেকেই গামছা পেতে মাদ্রাসার দান সংগ্রহ করা কিংবা কুরবানির সময় পশুর চামড়া সংগ্রহ করা…….এসব করে এরা ভিক্ষুকের মনবৃত্তি নিয়ে বেড়ে ওঠে। এতে ফলাফল যা দাঁড়ায়, তা হলো এদের নীতি নৈতিকতার দিক নির্দেশনা বা গতিপ্রকৃতি কোরআন হাদিসের আলোকে হয় না, লিল্লাহ বা ভিক্ষা প্রাপ্তির অনুপাতে হয়।
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:০৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভালো লিখেছেন। তবে আপনার কাছে জানতে চাই , মানুষকে তার ভ্রান্ত বিশ্বাসের জন্য এককভাবে দায়ী করা কতটা যৌক্তিক, যখন সেই বিশ্বাস তৈরিতে সমাজ, ধর্মীয় শিক্ষা ও প্রচলিত ব্যাখ্যার ভূমিকা রয়েছে ?
যেমন, ইসলামে মূর্তিপূজার বিরোধিতা করা হয়েছে। কিন্তু মূর্তির উপাসনা করা আর মূর্তির আশপাশে যাওয়া কিংবা সাংস্কৃতিক মেলায় অংশ নেওয়া তো এক বিষয় নয়। আধুনিক সমাজে অনেক মানুষ মূর্তিকে ধর্মীয় দৃষ্টিতে নয়, বরং শিল্প ও সংস্কৃতির অংশ হিসেবে দেখে। তাদের কাছে এসব কাজ পাপের বিষয় নয়।
সমস্যা হলো, মানুষের জীবনবোধ ও সমাজের বাস্তবতা বদলালেও ধর্মীয় বিধানের প্রচলিত ব্যাখ্যাগুলো অনেক ক্ষেত্রে আগের মতোই রয়ে গেছে।
পরিবর্তিত বাস্তবতায় পুরোনো ব্যাখ্যার প্রাসঙ্গিকতা যাচাই না করে মানুষকে তার বিশ্বাস ও কাজের জন্য দায়ী করার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায়। কারণ, মানুষের তথাকথিত ভ্রমের পেছনে তার ব্যক্তিগত দায়ের পাশাপাশি সেই ভ্রম তৈরি ও টিকিয়ে রাখা ব্যবস্থারও ভূমিকা রয়েছে।