নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

এইতো ....

২৩ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯



১। সুরভিকে বললাম- চা করো।
সুরভি বলল- চা পাতা নেই, চিনিও নেই।

মাস শেষ হলে ঘরের সব খাদ্য-দ্রব্যও শেষ হয়ে যায়। আজিব!!

চা খেতে বাইরে বের হয়ে বৃষ্টিতে আটকা পড়লাম।
দেড় ঘন্টা হয়ে গেল বৃষ্টি কমছে না। চার কাপ চা খেয়ে ফেলেছি। মোবাইল বাসায় রেখে আসছি। সুরভির সাথে আলাপ করতে পারছি না। বেচারি বাসায় একা। একটু পর পর বাজ পড়ছে, বিজলি চমকাচ্ছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে সে খুব ভয় পায়।

দুই ঘন্টা পর বৃষ্টি কিছুটা কমেছে।
ততক্ষনে রাত ১১ টা বেজে গেছে। বাসায় ফিরছি। বেলী ফুলের ঘ্রান পাচ্ছি। গলির মধ্যে পানি জমে গেছে। হঠাত দেখি গলির মধ্যে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে। একটুও নড়ছে না। কাছে গেলাম, কালো কাপড় দিয়ে মুখ ঢাকা- শুধু চোখ দু'টা দেখা যাচ্ছে। সহজ সরল সুন্দর শান্ত চোখ। আমি বললাম আপনি কে? কোন বাসায় থাকেন? লোকটি আঙ্গুল উঁচু করে আকাশের দিকে দেখালো। আমি আকাশের দিকে তাকালাম। তারপর দেখি আমার পাশে কেউ নেই।

ঘটনাটা কিছুই বুঝতে পারলাম না। কোনো ব্যাখ্যাও খুঁজে পাচ্ছি না।

২। মিজু বেপারি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, আজ সে গলায় ফাস নিবে।
ভর সন্ধ্যাবেলা সে বাড়ির পেছনে তেতুল গাছের সবচেয়ে উচু ঢালে উঠে বসেছে। সাথে করে দড়ি নিয়ে এসেছে। গায়ে ময়লা একটা গেঞ্জি। কাধে গামছা। দুই কানে দুটা বিড়ি গুজে রেখেছে। মরার আগে দু'টা বিড়ি খাওয়া যাক। কিছুক্ষণ সময় পাওয়া যাবে। এই সময়টা একান্ত নিজের। চারিদিকে নীরব। গ্রামের সবাই গেছে শিব মেলায়। বেশ নিরিবিলি আরামছে মরা যাবে। বেচে থাকতে কত কি লাগে। মরে গেলে আর কিছুই লাগে না। শান্তি। তার বউ মালা একদম দজ্জাল মেয়েছেলে। জীবনটা তেজপাতা করে দিয়েছে।

মেয়েছেলের শরীরে শক্তি না থাকুক, কথায় ধার থাকে।
স্ত্রীর কথায় পুরুষের বুক ঝাঝরা হয়ে যায়। স্ত্রীলোকের কথায় শক্তি থাকে, ধার থাকে, তেজ থাকে। তাই পিস্তলের গুলির চেয়ে স্ত্রীলোকের কথা বেশি শক্তিশালী। স্ত্রীলোক কথা দিয়ে পুরুষকে ঘায়েল করতে পারে। মিজু বেপারি ভাবে কি করে স্ত্রীকে শিক্ষা দেওয়া যায়। সঠিক পথে আনা যায়।

মালা মেলা থেকে ফিরে আসার আগেই ঝুলে পড়তে হবে।
চারপাশ অন্ধকার হয়ে গেছে। মরার আগে জোছনা দেখার ইচ্ছা হলো মিজু বেপারির। অথচ আজ পুর্নিমা নয়। মরার আগে নেচে নেচে গানবাজনা করতে পারলে ভালো লাগতো। শেষ সিগারেট ধরিয়ে মিজু তার দজ্জাল বউয়ের কথা ভাবলো। মালা কথায় কথায় বলতো গলায় দড়ি দাও। আজ মিজু সত্যিই গলায় দড়ি দিচ্ছে। ঝুলে থাকা মিজুকে দেখে আজ বউ মাগীর শিক্ষা হোক। এইবার মাটিতে গড়াগড়ি করে কান্না করুক। আছাড়ি পিছাড়ি করুক। তবে ছোট ছেলেটার জন্য মিজুর কষ্ট লাগছে। ছেলেটা বাপ অন্ত প্রান।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:০৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



রাজীব ভাই,
খাদ্য দ্রব্যের দাম এখনো অনেকের নাগালের বাইরে।


২| ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:০৭

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
আমি আকাশের দিকে তাকালাম। তারপর দেখি আমার পাশে কেউ নেই। ইহা কি সত্যি ঘটনা?

৩| ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৩৬

শায়মা বলেছেন: ভূত তোমার এত প্রিয়!!!

চারিদিকে ভূত দেখো ভাইয়ু!

৪| ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,




সংসারটা আজিবই বটে, একদম "ত্যাজপাতা" করে রাখে!!!!!!! :(

৫| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:৫৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

মেয়ে মানুষ আছে বৈইলাই তো বাঁইচা আছে ভাইয়া।

৬| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১:০৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভালো হয়েছে লেখা ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.