নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০২



আজ জাতীয় শোক দিবসের।
জাতির পিতাকে আজকের দিনে স্বপরিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছিলো। আজ শেখ মুজিবের ৩২ নম্বরের ভাঙ্গা বাড়িতে একজন গিয়েছেন শ্রদ্ধা জানাতে। তার হাতে ফুল ছিলো। তাকে শ্রদ্ধা জানাতে দেওয়া হয়নি। বরং পুলিশ তাকে টেনে হিচড়ে থানায় নিয়ে গেছে। লোকটা তো কোনো অন্যায় করেনি। সে শ্রদ্ধা জানাতে পারবে না? ফুল দিতে পারবে না? এজন্য বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিলো? একজন রিকশা চালক ৩২ নম্বর গিয়েছে, সেই রিকশা চালককে কথিত জুলাই যোদ্ধারা মেরেছে। রিকশা চালকের মোবাইলে শেখ মুজিবের ছবি পাওয়া গেছে, এজন্য রিকশা চালককে ইচ্ছে মতো পিটানো হয়েছে। এটা অন্যায়। অথচ বিএনপি সরকার চুপ। এরকম চলতে থাকলে বিএনপি সরকারের কপালে দুঃখ আছে। ইউনুসের কারনে ৩২ নম্বর গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিলো। আজ সেই ভাঙ্গা বাড়িতে গেলে, মানুষকে পিটানো হচ্ছে। এত বড় দুঃসাহস দেখাচ্ছে জানায়োর গুলো!

জুলাই যোদ্ধারা মূলত রাজাকার।
রাজাকারের বাচ্চা। এরা এই দেশে জন্ম নিলেও, এদের বাপ পাকিস্তান। ভয়ানক হারে এদের সংখ্যা বেড়েছে। আজ শোক দিবস! মানুষ ৩২ নম্বর যাবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু পুলিশের সামনে রাজাকারের ছানা পোনারা (জুলাই যোদ্ধারা) ইচ্ছে মতো মারছে। এই ভাবে মারার অধিকার এদের কে দিলো? আর পুলিশরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে। দেশে কি কোনো আইন নেই? আজ যারা অন্যায় করছে, এই বাংলার মাটিতে একদিন তাদের বিচার হবে। অন্যায় করে কেউ পার পাবে না। ১৯৭১ এ যারা রাজাকার ছিলো, বহু বছর তাদের বিচার হয়েছে। ১৯৭৫ এ যারা শেখ মুজিবকে হত্যা করেছিলো, তাদেরও বিচার হয়েছে। আজ যারা নির্মম অন্যায় করে যাচ্ছে তাদেরও বিচার হবে। অবশ্যই হবে। দেরি হোক যায়নি সময়। রাজাকার শাবকেরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এই পাকী বীজ গুলো দেশের শত্রু। আওয়ামীলীগ আজ নেই বলে, এরা গর্ত থেকে বের হয়েছে।

কথিত জুলাই যোদ্ধাদের অন্যায়ের নিউজ গুলো পত্রিকায় আসছে না।
এখন সবার হাতেই মোবাইল আছে, আছে হাজার হাজার ইউটুবার- কেউ না কেউ এইসব অন্যায়ের ভিডিও করছে। প্রমান থেকে যাচ্ছে। আজ যারা বুক ফুলিয়ে অন্যায় করে যাচ্ছে, এদের কপালে দুঃখ আছে। এইসব জারজ সন্তানেরা যা মন চায় তাই করছে। তাদের সাপোর্ট দিচ্ছে জামাত শিবির। বিএনপিরও নিরব আশকারা আছে। কিছু কিছু অন্যায়ের ক্ষমা নেই। দেশের সাথে যারা অন্যায় করবে তাদের কোনো ক্ষমা নেই। রাজাকারদের কোনো ক্ষমা নেই। রাজাকার শাবকদের কোনো ক্ষমা নেই। শেখ হাসিনা চলে যাবার পর দেশে একের পর অন্যায় করেই যাচ্ছে। ৩২ নম্বর গুড়িয়ে দেওয়া, শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলা, শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়া মানুষের মারধর করা। এই হারামজাদাদের অন্যায়ের বিচার হবে। অপেক্ষা করো।

আমি রাজনীতি করি না।
কোনো দলের সাপোর্টও করি না। কিন্তু কেন জানি অন্যায়টা মেনে নিতে পারি না। তবে আমি জামাত শিবির এবং জুলাই যোদ্ধাদের ঘৃণা করি। আমৃত্যু ঘৃণা করে যাবো। পুলিশ হত্যাকারী এইসব কথিত জুলাই যোদ্ধারা মূলত লুটেরা। গনভবন থেকে লুট করেছে। জুতোর দোকান লুট করেছে। পত্রিকার অফিস ভাঙচুর করেছে। জামাত কোনোদিন এই দেশকে মাথা উচু করে দাড়াতে দিবে না। তারা বাঙ্গালী জাতিকে ধ্বংস করতে চায়। ধ্বংস করে তারা পাকিস্তান চলে যাবে। একবার ছাত্রলীগ বিশ্বজিত নামের এক ছেলেকে কুপিয়ে মেরেছিলো। সেজন্য আমি ছাত্রলীগের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করেছি। আমি বারবার বলেছি, এমন ছাত্রলীগ চাই না। এদের চির তোরে অফ করে দেওয়া হোক। আজ জামাতের ছানাপোনা যা করছে, এদের বিএনপি থামাবে না। তাদের সেই সাহস নেই। এদের চিরতরে বিদায় করতে দরকার গ্রেট শেখ হাসিনাকে। উনি ছাড়া এদের কেউ লাইনে আনতে পারিবে না। জয় বাংলা।

হৃদয়ের গভীর থেকে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা।

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি একজন নিরপেক্ষ সাধারণ মানুষ .. =p~

১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার সমস্যা হলো- আপনি প্রায়ই বেলাইনে চলে যান।
আমার এক শিক্ষক ক্লাশে ঢুকেই বলতেন- বাবারা লাইনে থাকিস।

২| ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: জাতির জন্ম হয়েছিল গণতন্ত্র পাওয়ার আকাংখায়। সেই গণতন্ত্র ঠিক না থাকায় জাতির কোন কিচ্ছু ঠিক নাই। অন্যায় হবে। বিচার হবে। এভাবেই চলতে থাকবে। তথাপি অন্যায় থামবে না যদি অন্যায়কারীকেই জনগণের একাংশ সমর্থন করে।

১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: জামাত শিবিরকে অফ করাতে পারলেই জাতি সামনে এগিয়ে যাবে।

৩| ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৮

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: জামাত শিবিরকে অফ করাতে পারলেই জাতি সামনে এগিয়ে যাবে। এক আগষ্ট জামায়াত নিষিদ্ধ হলো এবং পাঁচ আগষ্ট নিষিদ্ধকারী সরকারের পতন হলো। কিন্তু আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের কোন প্রভাব দেশে পড়েনি। দরিদ্র দেশের দরিদ্র ছাত্রদের লজিং টিউশনি জোগাড় করে দেয় শিবির। অনেকের কর্মসংস্থানেও তারা অবদান রাখে। তাদের নারী শাখা অনবরত নারী সভা করে। তাতে নারীদের খানাপিনা আনন্দ হয়। ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ কি দরিদ্র ছাত্রদের লজিং টিউশনি জোগাড় করে দেবে? মহীলা লীগ ও মহিলা দল কি মহীলা সভা করে মহীলাদের খানাপিনা ও আনন্দের ব্যবস্থা করবে? শুনেছি তারা নাকি তাদের নেতাদের আনন্দের ব্যবস্থা করে। জামায়াত বিয়ের পাত্রপাত্রীর ব্যবস্থাও করে। আবার জাকাতের টাকা তুলে দরিদ্র বেকারদের কাজের ব্যবস্থাও করে। তাহলে আর তারা না বেড়ে কারা বাড়বে বলেন?

৪| ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৫

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: @মহাজাগতিক চিন্তা:

জামায়াতের তো গোড়ায় গন্ডগোল। এরা তো এদের সংকীর্ন রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধার করতে গিয়ে ইসলামি আর্দশই খুইয়ে বসে আছে।

কতটা নিমক হারাম আর নির্লজ্জ বেহায়া যে ৭১ এর ফসল এন আই ডি, পাসপোর্ট আর জন্ম সনদ ব্যবহার করছে যা কিনা একই সাথে জামায়াতি রাজাকারদের পরাজয়েরও প্রতীক। ৭১ মানতে না পারলে এসব ব্যবহার বাদ দিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির অথবা জেনেভা ক্যাম্পে গিয়ে বসবাস শুরু করুক।

ধর্মের ব্যবসা করে মওদুদীকে পীর বানিয়ে ইহকাল পরকাল দুইটাই বরবাদ এই জামায়াতি মওদুদীদের। মওদুদীবাদীদের চোখে দুনিয়ায় এরাই একমাত্র মুসলিম আর বাকিরা এদের ভাস্য মতে “হেদু”।

এদের আব্বা হুজুর খোদ পাকিস্তানেই জামায়াতিদের এখন কোন অস্তিত্ব নেই।

জামায়াতের মতো গাদ্দার যারা,

ব্রিটিশ শাসকদের পক্ষ নিয়ে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনকারীদের সাথে গাদ্দারী করেছিলো,

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে পাকিস্তান আন্দোলনকারীদের সাথে গাদ্দারী করেছিলো,

যারা ৭১ এ বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে গাদ্দারী করেছিলো এবং

সর্বশেষ ২৪ এ ফ্যাসিবাদ বিরোধীদের সাথে গাদ্দারী করেছিলো তাদের ঠেংগানোর জন্য বাকশাল থাকা উচিত ছিলো ন্যূনতম ১o বছর।

আরেকটা কথাঃ

ইদানিং জামায়াতিদের এই প্রশ্ন করতে মুঞ্চায়….

আচ্ছা নবী মুহাম্মদ (সা:) বাহিনী তো বদরের প্রান্তরে সশস্ত্র কাফেরদের সাথে বীরের মতো যুদ্ধে করে জয়ী হয়েছিল।

তাহলে ৭১ এ সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সশস্ত্র ভারতীয় বাহিনী (বা মালাউন/কাফের বাহিনী) র সাথে তোমাদের আল বদর বাহিনী সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হলো না কেনো? উল্টো বেছে বেছে নিরস্ত্র স্বজাতিদের বাড়ি থেকে রাতের আধারে তুলে নিয়ে নৃশংস ভাবে কেনো হত্যা করলো?

৭১ এ আল বদরের নাম ধারণ করে, নিরস্ত্র বেসামরিক মানুষের ওপর নৃশংসতার যে নজির স্থাপন করা হয়েছে এটা আমাদের ইসলামের গৌরবময় ইতিহাসের কোন ধারাবাহিকতা/ঐতিহ্য রক্ষা করেছে?

জালিম, গণহত্যাকারী ও নারীদের সম্ভ্রম হরণকারী পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর দোসররা “আল বদর” নাম ধারণ করে কি প্রকৃতপক্ষে ইসলামের অবমাননা করেনি?

৫| ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: যারা ৩২ এ মার খেয়েছে তারা নির্বোধ।যারা মার খেয়েছে তাদের চেয়ে হাজার গুন বেশী মুজিবপ্রেমিরা গর্তে ঢুকে গেছে আর নির্বোধরা খেসারত দিচ্ছে মস্র খেয়ে।

৬| ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: যারা ৩২ এ মার খেয়েছে তারা নির্বোধ।যারা মার খেয়েছে তাদের চেয়ে হাজার গুন বেশী মুজিবপ্রেমিরা গর্তে ঢুকে গেছে আর নির্বোধরা খেসারত দিচ্ছে মার খেয়ে।

৭| ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:২২

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: বাংলাদেশে গণপিটুনির চর্চাটা প্রবল। সবাই মিলে দু-চারজনকে পিটিয়ে মারতে পারলেও বীরত্ব মনে করে। অথচ বীরত্ব হলো দু-চারজন মিলে অনেককে মারতে পারলে।

এখানে যারা গিয়ে মার খেয়েছে, তারা সাহসী। তারা কোনো লোভের বশবর্তী হয়ে যায়নি, নিখাঁদ দরদ থেকে গিয়েছে।

৮| ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:২২

কলাবাগান১ বলেছেন: মহাজাতক এর দের মত লোকদের কাছে লজিং/টিউশনিই সবচেয়ে বড় অবদান কেননা উচু চিন্তা তো করাই যায় না....কারা হবে ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার, বৈজ্ঞানিক, গবেষক-

জামাতি চিন্তাধারা দিয়ে আধুনিক রাস্ট্র চালানো সাংঘর্ষিক

৯| ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪১

কলাবাগান১ বলেছেন: এক রাজাকারমনা ব্লগার এখন প্রতিকী শব্দ ' জাতির পিতা' উপাধি নিয়ে কটাক্ষ করে পোস্ট দিয়েছে

"একজন মরে অমরত্ব লাভ করলেন আর অপর পক্ষ জীবিত থেকেও মৃত।" মামুনুর রশীদ এর পোস্ট থেকে কোট করলাম

১০| ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪৪

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমি যা বলেছি তার মর্ম হলো তারা ভোটারদের কাজ করে তাদের সমর্থন আদায় করে। সেজন্য তারা ধারণার চেয়ে অনেক বেশী ভোট পায়। একই কারণে তাদেরকে অফ করা যাচ্ছে না। আওয়ামী লীগ তাদেরকে অফ করার চেষ্টার ত্রুটি রাখেনি, উল্টা এখন তারা নিজেরাই গর্তে ঢুকে গেছে।

১১| ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:২৮

নতুন বলেছেন: মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: জামাত শিবিরকে অফ করাতে পারলেই জাতি সামনে এগিয়ে যাবে। এক আগষ্ট জামায়াত নিষিদ্ধ হলো এবং পাঁচ আগষ্ট নিষিদ্ধকারী সরকারের পতন হলো।

:((

আপনি অবশ্যই জাসিদের বুঝতে পারবেন না। সেটা আশা করি না। যারা অন্ধবিশ্বাসী তাদের ধর্মের নামে যে কোন কিছুই বিশ্বাস করানো যায়।

জাসি ধর্মের নামে রাজনিতি করছে, দেশের ক্ষমতায় আসতে চাইছে, জনগনকে ুদাই বানাচ্ছে।

আপাত দৃস্টিতে ভালো কাজ করছে কিন্তু তাদের মুল নীতি মুনাফেকি। ক্ষমতার জন্য তারা সকল রংই ধরতে পারে।

@রানুভাই জাসি যেই বাড়াবাড়ী করেছে তার ফল তারাও পাবে।

তবে আমলীগের পরিনতির কারন মানুষের বিশ্বাস বিক্রি, সন্ত্রাসীপালন করা।

বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা। তিনি পাকিদের বাধ্য করেছিলেন ২৫ মার্চের ভুলটা করতে যার।

১২| ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৩৭

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: @মহাজাগতিক চিন্তা:

মাদ্রাসা মাধ্যম সহ অন্যান্য মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা,
-জামায়াত শিবির সংশ্লিষ্ট কোচিং সেন্টারে বিশেষ হ্রাসকৃত সুলভ মূল্যে পড়াশোনা করেছে,
-সাজেশনের নামে ফাঁসকৃত মূল প্রশ্নপত্র পেয়েছে, -বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ফি আর ঢাকায় মেসে থাকার সিট ভাড়াও ওই দলের কাছ থেকেই পেয়েছে,
-এমনকি পড়াশোনা শেষে তাদের চাকরিটাও ওই দলেরই বদানত্যায় পাওয়া, কারণ জামায়াত সংশ্লিষ্ট স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, মাদ্রাসা, ব্যাংক, এনজিও প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানে সহজেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের placement হয়।
-এরপর কি গল্প শেষ? মোটেও না। যে সংগঠন জীবিকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে তারা কি এমনি এমনি ছেড়ে দিবে?

জামায়াতের বাস্তুসংস্থানে বেড়ে ওঠা কর্মী তার জীবনের আয় উপার্জন কালে সংগঠনের বায়তুল মালে ২০/৩০ বছর ধরে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাদা/হাদিয়া দিতে বাধ্য থাকে। এরাই জামায়াতি রাজাকার বা রাজাকার কর্তৃক শৈশব থেকে গড়ে তোলা cash cow বা দুধেল গাই বিশেষ। সুতরাং তাদের আনুগত্য নিরংকুশ ভাবেই ওই দলটির জন্য আমৃত্যু সংরক্ষিত থাকবে, যাদের কাছ থেকে তারা শৈশব থেকে বিবিধ সুবিধাদি পেয়ে এসেছে, এটিই স্বাভাবিক। শৈশব থেকেই তাদের তৈরি করা বুদবুদের মাঝে বা তাদের বাস্তুসংস্থানে বড় হওয়া এই প্রজন্মগুলো ইসলাম বলতে বোঝে কেবল ওই দলের “মওদুদীবাদ বিশেষায়িত ইসলাম”।

কিন্তু যে দলের মুসলিম হতে গেলে শুধু কোরআন আর সুন্নাহ যথেষ্ঠ না, যার জন্য মওদুদী literature বাধ্যতামূলক সে পরকালে পুলসিরাত পার হতে পারবে তো?

১৩| ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১১

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: পরকালের হিসাব পরকালে হবে। ইহকালে অনেকে জাশির কথা বিশ্বাস করে এবং তাদের পক্ষে জীবন দিতে প্রস্তত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.