| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
দেশে এখন ক্ষমতায় বিএনপি।
দেশে এখন কোথায় কি হচ্ছে সবই বিএনপি সরকার ভালো করেই জানে। বিএনপি সরকার ক্ষমতা হাতে নেওয়ার পর থেকেই, দেশে খুন, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, দূর্নীতি, চাঁদাবাজি, বাড়িঘর আর জমি দখল চলছেই। এখন সবার হাতে মোবাইল এবং সিসিটিভি থাকার কারণে সমস্ত মন্দ লোকদের মন্দ কাজ গুলো ধরা খাচ্ছে। জনগণ দেখতে পাচ্ছে। জানতে পারছে। আজ আমি এক ভিডিওতে দেখলাম, ৫/৭ জন লোক, তাদের হাতে ধারালো লম্বা ছুরি। এরা এক বাড়ি দখল করতে গিয়েছে। বাড়ির দরজা ভেঙে তারা ভিতরে ঢুকতে সক্ষম হয়নি। শেষে তারা রেগেমেগে তাদের হাতে থাকা অস্ত্র দিয়ে মেইন দরজাটা কুপিয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে দিয়েছে। এই ভিডিওটা কি বিএনপি দেখেনি? দেখার পরও কেন ওদের গ্রেফতার করা হলো না? এই গ্রেফতার না করার কারণে দেশে চাঁদাবাজদের সংখ্যা বাড়ছে।
যারা চাঁদাবাজি করছে, বাড়িঘর দখল করছে, এরা বিএনপি সরকার আছে বলেই করতে পারছে।
তার মানে এই নয় যে তারেক জিয়া বা শিলং সালাদিন সাহেব তাদের চাঁদাবাজি করতে বলেছেন। তবে যারা দেশে মন্দ কাজ করছে, তারা ভালো করেই জানে কোনো ভয় নেই। কিচ্ছু হবে না। এর আগে যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিলো, সেবারও দেশে এরকম চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, দূর্নীতি, জমি দখল, বাড়ি দখল হয়েছিলো। এই তো কিছুদিন আগে ইউনিলিভার কোম্পানি আর ইগলু আইসক্রিম সহ অনেক প্রতিষ্ঠানে তারা লাখ লাখ টাকা চাঁদা চেয়েছে। ভাংচুর করেছে। কয়েকজনকে মেরে আহত করেছ। সরকার এখনো তাদের গ্রেফতার করতে পারেনি। যারা এই সমস্ত মন্দ কাজ করছে, তাদের কোনো ভয় নেই। তারা জানে বিএনপি সরকার ক্ষমতায়। তাদের কিচ্ছু হবে না। রাড্ডা নামে একটা সংস্থা আছে। এখানে গরীব মায়েদের ফ্রি চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেই রাড্ডা ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এইসব কাজে সরকারের নিরব ইশারা আছে নিশ্চয়ই।
বিএনপি যদি খুব শ্রীঘই এইসব চাঁদাবাজি বন্ধ না করে,
তাহলে তাদের কপালে দুঃখ আছে। চুরি, ছিনতাই আগের চেয়ে ত্রিশ গুন বেশি বেড়েছে। যেসব এলাকায় ছিনতাই হয়, সেখানে পুলিশের কোনো চেকপোস্ট থাকে না। আর যেখানে চুরি ছিনতাই হয় না, সেখানে পুলিশ চেকপোস্ট বসায়। সাধারণ মানুষদের সাথে যথা হয়রনি করে। তারেক জিয়া আর শিলং সালাদিন দেশের উন্নয়ন করতে পারবে না। যে পাখি আকাশে উড়বে, তার ডানা ঝাপটানো দেখলে বুঝা যায়। দিন দিন দেশ অধপতনে যাবে। আবার কি দেশে দশ ট্রাক অস্ত্র আসিবে? খাম্বা মিয়া আছে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে। বোয়িং আমাদের কেন লাগবে? আমাদের দেশটা দরিদ্র দেশ। এত গুলো বোয়িং মেনটেন্সের খরচ কত? সরকার যদি ভুল সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে জনগণের ভুগতে হবে। দেশ স্বাধীন হয়েছে ৫৬ বছর। অথচ আজও মানুষ রাস্তায় ঘুমায়।
একটা জাতি যদি স্বাধীনতার ৫৬ বছর পরও
নিজেদের পরিবর্তন করতে না পারে তাহেল সেই জাতিকে নিকৃষ্ট জাতি ছাড়া আর কি বলা যায়? নীতি-আদর্শ, সততা, দেশপ্রেম, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা আর সৎ ব্যাক্তিদের নেতা নির্বাচিত করলে যেকোনো দেশের উন্নয়ন অবধারিত। কিন্ত বাংলাদেশের লোকজন প্রতিটা ক্ষেত্রে করছে এর বিপরীত কাজ-কর্ম। সুতরাং ধ্বংস ছাড়া আর হবে কি আমাদের? একজীবনে ভোগ করতে পারবে না জেনেও যারা হাজার হাজার কোটি টাকা চুরি করেছে এবং তারপরও চুরি-দুর্নীতি অব্যাহত রেখে দেশ ধ্বংস করছে। বাংলাদেশের জনগণ সুস্থ-স্বাভাকিক না। এদের সবার উগ্র মেজাজ। তারা লোভ হিংসা স্বার্থপরতা অসৎতা সহ সবরকম নীতিহীনতার নেশায় আসক্ত।
পরিবার থেকেও রাষ্ট্রের দায় সবচাইতে বেশি।
রাষ্ট্রের সবচাইতে বড় ব্যর্থতা হচ্ছে নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা, অপরাধীর শাস্তি বিধান না করা এবং দ্রুত ও যথোপযুক্ত আইন প্রণয়ন না করা। এখন কি এই কথা বলা অনুচিত হবে- ক্ষমতাসীনেরা এসব সংগঠন পোষে ক্ষমতা সমুন্নত রাখতে। আর তাই প্রশ্রয় দিয়ে যায় সবসময়।
২|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৬
কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: ১৮ বছর দেখে দেখে এমন লোভী হয়েছে যে ১৮ মাসের ১৮ বছরের চাঁদা আদায়ের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে! না আছে লাজলজ্জা না আছে প্রশাসনিক জোরালো প্রচেষ্টা চাঁদাবাজি ঠেকানোর! আগামী ২০২৮ ভয়ংকর সত্য সামনে অপেক্ষায়।
৩|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আজকাল শুনছি বিয়ের বাজারে জামাই নাকি
চাঁদাবাজ হলে ডিমান্ড বেশী ।
...............................................................
এরপর সবাই দোকান পাট বন্ধ করে চাঁদাবাজিতে
নামবে , এটাই সহজ আয়ের উপায় ।
এতে ট্যাক্সও দিতে হবেনা ।
৪|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪২
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
যে যাই বলুন বঙ্গবন্ধু বাংলায় ভাষণ দিয়েছেন সেটা ঠিক আছে ।
নতুন স্বাধীন দেশ।
এই আমলে কেউ বিশ্বমঞ্চে ইংরেজিতেই বক্তব্য দেয়া উচিত।
তিনি বাংলায় লেখা যে ভাষণ পাঠ করলেন সেটায় কোন প্রাণ ছিল না।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার সাথে একমত । যখন নিজের পছন্দের দল ক্ষমতায় থাকে তখন যদি আমরা প্রতিবাদ করতাম তাহলে এভাবে লন্ডন কিংবা দিল্লী পালাতে হয় না । রাজনৈতিক দলগুলোর শুভ বুদ্ধির উদয় হোক ।