| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
সময় তখন ২২ শে শ্রাবন!
নদীটা ছোট কিন্তু ঢেউ বেশ তীব্র
নৌকা যাচ্ছে গ্রাম থেকে শহরের দিকে,
কি স্বচ্ছ নদীর জল! ছলাৎ ছলাৎ জলের শব্দ!
মাঝি বিকেলের আগেই নদী পার হতে চায় যেন,
আকাশ ভরা মেঘ! যদি তুফান নামে! নৌকা যাবে ডুবে!
নীলা আর শাহেদ জামাল জানে না সাতার!
নৌকার পাটাতনে, দুজন মুখোমুখি বসে।
যদি কিছু ঘটে যায়, ঘটুক! এখন সময় ভালোবাসিবার!
যে কোনো সময় ঘন্টা পড়বে!
একটা প্রশ্নের উত্তর এখনো লেখা বাকি,
কলমটা দিয়ে ঠিক করে লেখা যাচ্ছে না
যদিও সবটুকু শক্তি দিয়ে কলম লিখে যাচ্ছে!
ঘন্টা বাজছে! প্রফেসর খাতা নিয়ে গেলেন।
কলমটার জন্য শেষ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া গেলো না,
নীলা কলমটি দিয়েছিল। যেন তার দেওয়া কলম দিয়ে পরীক্ষা দেই।
আহ নীলা, তোমার জন্য শেষ প্রশ্নটির উত্তর দেওয়া হলো না!
আমার সাথে আরো দুটা কলম ছিলো।
ঝুম ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে! নীলা দাঁড়িয়ে আছে ব্যলকনিতে,
শাহেদ জামাল আজ আসবে? আসবে তো!
নীলা নীল শাড়ি পরেছে, কপালে টিপ, চোখে কাজল
আজ দুজনে বৃষ্টিতে ভিজবে, বৃষ্টি বিলাস হবে।
চা কফি পরে। দেরি হোক। রবীন্দ্রনাথ অপেক্ষা করুক।
শাহেদ যদি চুমু দিতে চায়, দিক।
যদি জড়িয়ে ধরতে চায়, ধরুক।
চুমু এবং জড়িয়ে ধরা পাপ নয়, ভালোবাসা।
ভালোবাসার স্পর্শে জীবন আনন্দময় হয়।
২|
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০২
নাহল তরকারি বলেছেন: লেখাটিতে ভালোবাসা, স্মৃতি আর অপূর্ণতার সুন্দর মিশেল রয়েছে। বিশেষ করে পরীক্ষার হলে কলমের কারণে শেষ প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারার ঘটনাটি যেমন মজার, তেমনি নীলার প্রতি শাহেদ জামালের ভালোবাসার অনুভূতিগুলো বেশ মিষ্টি। ভালোবাসার প্রকাশ যে পাপ নয়, বরং জীবনের আনন্দ—লেখাটির শেষ অংশে সেই কথাটিই সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৫১
চারাগাছ বলেছেন: জীবনের ছোট ছোট মুহূর্ত, না-বলা কথা আর গভীর ভালোবাসার এমন সুন্দর বুনন খুব কমই দেখা যায়। শেষ লাইনটা বিশেষ করে মনের খুব গভীরে দাগ কেটে গেল। দারুণ লিখেছেন!