| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!
গতকাল, আমার একটি পোস্ট ছিলো - ইরানে যুদ্ধের ফলে 'সবার আগে বাংলাদেশ' নীতি কি ঝুঁকিতে?
এই যুদ্ধের ফলে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে বাংলাদেশকে কি ধরণের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে তা নিয়ে কিছু পরমার্শ দিয়েছিলাম। আমার পরামর্শটি মিলে গিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আজকের পদক্ষেপের সাথে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার কারণে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় রমজান মাসে সব ধরনের আলোকসজ্জা পরিহার এবং ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
ধন্যবাদ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়কে একটি কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্যে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:১৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার পরামর্শ আমলে নেয়ার জন্য সাধুবাদ জানাতেই হয় উভয়কেই ।
তবে কথা হলো জ্বালানী মন্ত্রনালয় যে ব্যাবস্থা নিয়েছে তা হল সংকটকালে
ঘরে শুয়ে থাকার মত , বলতেই হয় ভাল রে ভাল নন্দনাল , বাইরে বিপদ
তাই ঘরেই শুয়ে থাক চিরকাল ।
ইরান ইজরাইল আর ক্ষমতাধর মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের যুদ্ধংদেহী আচরন ও
কর্মপন্থা দেখে সরকারের কি একটিবারের জন্যো মনে হয়নি যে কোন
সময় যুদ্ধ লেগে গিয়ে জ্বালিনী সংকট সহ আরো অনেক ক্ষেত্রে ভয়াবহ
সংকটের সৃস্টি হতে পারে । মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সমুহে প্রায় কোটি খানেক
বঙ্গ সন্তান বিষয় কর্মে নিয়োজিত । তাদের নিরাপত্তার বিষয়ে সরকার
কি ভেবে রেখেছে । বিপদের আচ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ ইউরোপের
সকল দেশই তাদের নাগরিকদের সেখান থেকে দেশে ফিরে যেতে
কিংবা নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার কথা বলেছে । এ ব্যাপারে আমাদের
সরকার শুধু ঘটনা পর্যবেক্ষন করে যাচ্ছে ।
এবার আসা যাক জ্বালানী সংকটের দিকে, তারা কি ছয়মাস পুর্বেই এই
জ্বালানী সংকটের ভয়াবহতার বিষয়ে কিছুই ভাবে নাই , নাকি নাকে
তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছিল । অথচ াআগামী পঞ্চাশ বছরের জ্বালানী সংকটের
কথা মাথায় রেখে পশ্চিমা বিশ্ব দুনিয়া তোলপার করে যাচ্ছে , যুক্তরাস্ট্রের
ভেনিজুয়ালার সরকার পরিবর্তনের চিত্রটি মুলত আমিরিকার জ্বালানী সরবরাহের
নিশ্চয়তার লক্ষেই অনেকটা পরিচালিত, মধ্যপ্রাচ্চেও একই নীতি তাদের ।
অথচ আমাদের সরকার এমনকি নোবেল লরিযেট মহাজ্ঞানী ইন্টারিম
সরকার , তাদের বিদেশ হতে উড়ে আসা মহাবিদ্যান উপদেষ্টাগন তাদের
লম্বা সময়টার পুরাটাই কাটিয়ে দিল বিবিধ বানিজ্য চুক্তি আর জুলাই
সনদ , সংস্কার আর প্রতিবেশিদের সাথে বিরোধে জড়ানোর বিষয়ে ।
সংস্কারের মুল লক্ষ্য ছিল কেমন করে ক্ষমতা ধরে রাখা যাবে চিরতরে
বিশেষ কারোদের জন্যে , ঐ সংস্কার করা যেতো একটি নির্বাচিত
সরকার আসার পরেও ।
তাই দেশের মুল সম্ভাব্য অর্থনৈতিক তথা জীবন ও জীবিকার কথা
না ভেবে সংস্কার সংস্কার করেই কাটিয়ে দিল তাদের জীবন কাল।
ইরান ইসরাইল মার্কিন যুদ্ধ যে শুধু জ্বালানীর সংকটই তৈরী করবে
তাতো নয় , বরং এটা দেশের আমদানী ও রপ্তানী খাতেও দেখা
দিবে ভীষনভাবে । মধ্যপ্রাচ্চে এখন প্রায় ৯০ বোটি ডলারের
ফলমুল , সব্জি , প্রক্রিয়াকৃত খাদ্যদ্রব্য ও তৈরী পোশাক যায়
মধ্যপ্রাচ্চে । হরমুজ প্রনালী বন্ধ হওয়ায় এখন এই রপ্তানীও
বন্ধের পথে , এর প্রভাবে দেশের কারখানা সমুহ বন্ধ হয়ে
দেখা দিবে তীব্র বেকারত্ব । তা কী ব্যক্তিগত যানবাহনের
ব্যাবহার কমিয়ে আর বিপনী বিতানের বিদ্যুত শাস্রয় করে
মিটানো যাবে । বরং উল্টা ফলওতো হতে পারে , এসব
কারনে দেশের আভ্যন্তরিন কৃষি শিল্প ও ভোগ্য পন্য
উতপাদনে বিরোপ প্রভাব তৈরী করে আরো বিকট সংকট
তৈরী করতে পারে ।
তাই, উচিত ছিল দেশের স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ড
স্বাভাবিক রেখে সংকট মোকাবেলার বিকল্প রাস্তা খোলা
রাখার ব্যবস্থা যথা সময়ে করা । ইন্টারিম সরকারো
তা করেনি কিংবা দেশের ভাবী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে
সম্ভাবনাময় ব্যত্তিটিউ বলেছিলেন আমার একটি
পরিকল্পনা আছে । সেই পরিকল্পনা এখন দেখা
যাচ্ছে সংকোচন নট সম্প্রসারণ ।
ফেমিলি কার্ড কিংবা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ
মওকুফ দেশের রাজন্ব বাজেট আর দেশের কৃষি
ব্যঙকের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে আরো দারুনভাবে
সংকোচিত করবে । এর ফলে তাদের কৃষি ঋণ
আর্থিক সংকোচিত লিকুইডিটির কারণে আরো
সংকোচিত করে কৃষি উতপাদনে বিরোপ প্রভাব
সৃস্টি করে খাদ্য সংকটেও প্রভাব রাখতে পারে,
তৈরী করতে পারে বিশাল সংকটের । তখন কি
জ্বালানী মন্ত্রনালয়ের মত কৃষি মন্ত্রনালয় ও বলবে
দেশের সংকটে কম খাও ।
তাই, দেশের স্বাভাবিক কর্মকান্ডকে কোন মতেই
কোন দিক দিয়েই সংকোচিত না করে বরং এর
সম্প্রসারণের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা তৈরী ও কার্যকর
করাই সরকারের অন্যতম প্রধান কাজ ও লক্ষ হওয়া
উচিত ।
আর একটি বিষয় কাজ করার আগে দেশের বিগত
সকল সরকারেই ভেবে কাজ করা উচিত ছিল ।
ঢাকা সহ দেশের বড় শহরে যার মাত্র ২ কাঠা জমি
ছিল তাদের অনেকেই ব্যাংক থেকে মহগে ঋণ নিয়ে
নীজে অথবা আবাসন বিল্ডার্সের মাধ্যমে সেই
জমির উপর ৫/১০/১৫ তালার আবাসিক'
অনুতপাদন মুখী প্রকল্পে বিনিয়োগ করে
প্রায় শুন্য হতে কোটিপতি হয়ে বিলাশী
গাড়ি কিনে দেশের দেশের আভ্যন্তরীন
সম্পদকে অনুতপাদনশীল খাতে ব্যয় করে
ও গাড়ী, গাড়ীর যন্ত্রাংশ ও জ্বালানী কিনে
দেশের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রার ১২টা বাজিয়েছে ।
শুনা যায় শুধু দেশের বড় বড় শহরের ২ কাঠা জায়গার মালিকই নয়
বরং দেশের বড় সহ তৃণমুল পর্যায়ের প্রায় সকল দলের
তৃণমুল নেতা পাতি নেতা , গ্রাম গঞ্জ শহরের মাস্তান, চাদাবাজ
সকলেই ফ্লাট বাড়ী গাড়ী রয়েছে বিবিধ প্রকারে ।
তাই গুরুতেই যদি গাড়ী বাড়ী করার লাগাম টেনে দিয়ে
টাকাকরি উতপাদনশীল খাতে প্রবাহিত করা হতো তাহলে
দেশের চিত্র ভিন্নতর হতো ।
জাপান হতে পুরানো গাড়ী কিনে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ও জ্বালানীখাতের
প্রায় ৬০০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রার আমদানী ব্যয় মিটানো নিয়ে
সরকারকে সংকটের মোকাবেলা করতে হতোনা । গাড়ী কেনাকে
অনুতসাহিত করে সেই টাকায় গণ পরিবহনের জন্য বাস ক্রয় বা
নির্মান করা যেতো, তাহলে পরিবহন ও জ্বালানী সাস্রয়িসহ
ঢাকার রাজপথের জানযট কমিয়ে মানুষের ভোগান্তি কমানোসহ
যানজটের কারনে হাজার কোটি কর্মঘন্টা বিনষ্ট না করে তা
উতপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ করা যেতো , সে সাথে ঢাকাকে
প্রচন্ড বায়ুদুষনের কবল থেকে মুক্ত রাখা যেতো ।
কত কি আর বলব , বলতে গেলে কথা লম্বাই হতে থাকবে
বিগত কিংবা বর্তমান শাসকদেরদের ভুলের কারণে।
জাতি কেবল সংকটের মধ্য দিয়েই যাবে । উত্তরনের কোন
আশাই দেখছিনা তাদের উপযুক্ত কর্মপন্থা ও ব্যবস্থা গ্রহণের
ঘাটতির কারণে কিংবা দুরদর্শীতার অভাবের কারণে ।
যাহোক, কামনা করি দেশে যেন কোন সংকট তৈরী না হয় ।
শুভেচ্ছা রইল আপনার তরে ।