| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?
ইউনিসেফ হামের টিকা কেনার জন্যে গত তত্তবধায়ক সরকার প্রধান ড' ইউনুসকে বারবার অনুরোধ করেছিলো। আমরা এখনো ইউনুস স্যারের উত্তর পাই নাই। কিন্তু, প্রশ্ন হচ্ছে, ইউনিসেফকে প্রধান উপদেষ্টা পর্যন্ত যেতে হলো কেন?!! এটা তো আমলারাই সামলাতে পারতেন! তাঁরা কেন প্রধান উপদেষ্টা পর্যন্ত সিদ্ধান্তটা ঠেলে দিলেন? আর, প্রধান উপদেষ্টাই বা কেন চুপ থাকলেন? আমাদের উপদেষ্টারা যখন চীন থেকে জঙ্গী বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়ে দর কষাকষি করছেন, তখন হামের মতো একটি মারাত্মক রোগকে 'পাত্তা' না দেওয়ার কারণ কি!
আমি ব্যক্তিগত ভাবে মন করি, ইউনুস স্যার ব্যক্তিগত ভাবে বেশি চাপ নিয়ে ফেলেছিলেন। যে বয়সে মানুষ রিটায়ারমেন্টে গিয়ে নাতি-নাতনিদের সময় দেয়, সেই বয়সে তিনি এমন একটি দেশের হাল ধরার চেষ্টা করেছিলেন যে দেশ একটি মারাত্মক একটি পলিটিকাল ট্রাঞ্জিশনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলো। শুধু তা- নয়, সেই দেশ আমলাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
এই দেশকে এতো শর্ট টাইমের জন্যে 'সময়' দেওয়াটা অন্যায় ছিলো। তিনি হয়তো বুঝতে পারেন নাই, বাংলাদেশ ঝানু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের দেশ। তিনি হয়তো আমাদের রাজনীতিবিদের আন্ডার এস্টিমেট করেছিলেন। তিনি হয়তো ভাবেন নাই, তাঁকে এক বছরে ১০০-এর কাছাকাছি সংখ্যার আন্দোলন সামলাতে হবে।
দরীদ্রদের ব্যাংক চালানো আর রাষ্ট্র চালানোর মাঝে বিস্তর ফারাক আছে। এটা ইউনুস স্যার একেবারেই বুঝতে পারেন নাই, হয়তো! তাই, এতোগুলো শিশু মৃত্যুর দায়ভাগ ইউনুস গভার্নমেন্টকে নিতেই হবে।
২|
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১:৩০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনাকেমাফলার শফিকের শেয়ার করা লেখা দিতেসি : হামে শিশুমৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো।
হামের টিকা ইস্যুতে খোদ ইউনিসেফ গ্লোবালের সাথেই ইউনিসেফ বাংলাদেশের তথ্য মিলছে না। বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে ইউনিসেফের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ রানা ফ্লাওয়ার্স বলেছেন টিকার সংকট ছিল। টিকার আসন্ন সংকট মোকেবেলায় তারা ইন্টেরিমকে ৫-৬টা চিঠি দিয়েছেন। নির্বাচনের দু'দিন আগে চিঠি পাঠিয়ে তারা লিখেছেন - আল্লাহর ওয়াস্তে ওপেন টেন্ডারে টিকা কিনবেন না। আমাদের মাধ্যমে কেনেন।
(উল্লেখ্য যে, ইউনিসেফ টিকা কিনে দেওয়ার জন্য বাঙলাদেশের কাছ থেকে ৭% ফি নেয়। এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন সাবেক আমলা জানিয়েছেন - ইউনিসেফ অল্প দামে আগে থেকেই গ্লোবালি টিকা কিনে রাখে। ওয়ার্ক অর্ডার পাওয়ার পর দাম বাড়িয়ে এশিয়া-আফ্রিকার দেশগুলোতে বিক্রি করে। ইউনিসেফ নিজে কোন টিকা উৎপাদন করে না। টিকা কেনার জন্য কোন অর্থসহায়তাও দেয় না।)
তাহলে টিকার সাথে কারা জড়িত?
১. বাঙলাদেশ সরকার - সরকারের "টিকাদান কর্মসূচি" দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান কর্মকর্তা হাসানুল মাহমুদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে টিকার কোন অভাব ছিল না। এই কথাটা স্টার নিউজ গোপনে ভিডিয়ো ধারণ করে। ক্যামেরার সামনে উনি কথা বলতে রাজী হননি। আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেন নি।
কারণ,
এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজেই বলে ফেলেছিলেন "হামের একটি টিকাও আমাদের হাতে ছিল না"। মন্ত্রী যখন নিজেই ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়ে একটা পাবলিক ক্লেইম করে ফেলেন, তখন অধস্তন কর্মকর্তারা ভিন্ন মন্তব্য করে বিপদে পড়তে চান না।
২. ইউনিসেফ - ইউনিসেফ বাংলাদেশের হেলথ ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডাক্তার রিয়াদ মাহমুদ। বাংলা ভিশন উনার কাছে জানতে চায় হাম মহামারীর কারণ কী? রিয়াদ মাহমুদ তখন ৫টি কারণ উল্লেখ করেন। তার একটি কারণও টিকার অভাব ছিল না। তখন বাঙলা ভিশন তাকে নির্দিষ্টভাবে জিজ্ঞেস করে - টিকার অভাবে মহামারী হচ্ছে কিনা। রিয়াদ মাহমুদ এই সময় আরও ৩টা কারণ উল্লেখ করে অতিকষ্টে শেষ পর্যন্ত বলেন যে, হ্যাঁ টিকার সংকটও একটা কারণ হতে পারে।
(আমার মনে হয় উনি টিকার সংকটের কথাটা বলতে চাচ্ছিলেন না। কিন্তু রানা ফ্লাওয়ার্সের বিরুদ্ধে গিয়ে ফ্লোর ক্রসিং করতে চান নাই।)
রিয়াদ মাহমুদের বক্তব্যের ভিডিয়ো - Click This Link
৩. অন্তর্বর্তী সরকার - প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী দায়িত্ব পালন করছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ডাক্তার সায়েদুর রহমান। উনি বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে জানিয়েছেন টিকার সংকট ছিল না। কেউ দাবি করতে পারবে না যে অমুক উপজেলায় বাবা-মা হাসপাতালে গিয়ে রুটিন টিকা পাননি।
৪. এডিবি ও দাতা সংস্থাসমূহ: আমার আগের পোস্ট পড়ে টিকার সাথে জড়িত অন্যতম বৃহৎ একটি দাতা সংস্থার এক কর্মকর্তা যোগাযোগ করেছিলেন। উনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।
উনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার কোভিড ভ্যাক্সিন কেনার জন্য এডিবি থেকে ৩ হাজার কোটি টাকার মত পেয়েছিল। সেখান থেকে ৬০৯ কোটি টাকা বেচে গিয়েছে। সায়েদুর রহমান, নূরজাহান বেগমরা সেই টাকাটা ইউনিসেফকে পাঠাতে বলেন। এডিবি টাকাটা সরাসরি ইউনিসেফের ব্যাংক একাউন্টে ট্রান্সফার করে। এই টাকা কোনদিনই সরকারের কাছে আসেনি। এই টাকার অ্যাগেইন্সটে টিকা আসতে শুরু করে ২০২৬ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে। তাই বিএনপি সরকারকে নতুন করে টিকা কেনার কোন ক্রয়াদেশ দিতে হয়নি। ইন্টেরিমের টিকা দিয়েই বিএনপি চালিয়ে নিচ্ছে।
উনি উল্লেখ করেন যে, ২০২৪-২৫ সাল জুড়ে দেশে টিকার কোন সংকট ছিল না।
চ্যানেল টুয়েন্টি ফোরের বোরহানুল আশেকীনও রিপোর্ট করেছেন, "২৪-এর তুলনায় ২০২৫ সালে হাম-রুবেলা টিকার সরবরাহ ছিল ৬ গুণ বেশি"। সূত্র হিসেবে তিনি ইউনিসেফ গ্লোবালের তথ্য ব্যবহার করেছেন যার স্ক্রিনশট এই পোস্টে যুক্ত করা হলো।
এই স্ক্রিনশটে দেখা যাচ্ছে - ইউনিসেফ বাংলাদেশের সাথে ইউনিসেফ গ্লোবালের তথ্যের মিল নেই। ইউনিসেফ গ্লোবাল বলছে ২০২৫ সালে রুটিন+ক্যাম্পেইনের টিকা মিলিয়ে ৩ কোটি ১৯ লাখ ডোজ টিকা এসেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে রুটিন টিকার চাহিদা বছরে ৪৯ লাখ ২০ হাজারের মত। তার বিপরীতে ইন্টেরিম ২০২৫ সালে আড়াই কোটি ডোজ বেশি কিনেছে।
হাম মহামারী কেন হয়েছে - এটার সিম্পল কোন উত্তর নেই। জটিল উত্তর আছে। ইয়ুভাল নোয়াহ হারারি বলেন, "সত্য কমপ্লেক্স। সত্য জানতে মজা লাগে না। মিথ্যা সবসময় সিম্পল"।
হাম মহামারীর পেছনে ৭-৮টা বিশদ কারণ শোনার চাইতে, বোঝার চাইতে সিম্পলি ইন্টেরিম টিকা কিনতে ভুলে গেছে - মেনে নেওয়া বেশি ইজি। এর সাথে যুক্ত হয়েছে আওয়ামী লীগের আনন্দ।
হাম মহামারী কেন হয়েছে তা নিয়ে আলাদা নিবন্ধ লেখা যেতে পারে। (আপনাদের চাহিদা থাকলে লিখবো) কিন্তু কৌতুহলের বিষয় হলো ইউনিসেফ বাংলাদেশ এমন মিথ্যাচার কেন করলো! কেন অন্তর্বর্তী সরকার বাঙলাদেশের টিকার ইতিহাসের সর্বোচ্চ (৪২১ কোটি টাকা) বরাদ্দ করলো? কেন তারা স্বাভাবিকের চাইতে ৬গুণ বেশি টিকা কিনলো?
বাঙলাদেশ সরকারের কিছু কিনতে হলে নিয়ম মেনে কিনতে হয়। টেন্ডার কল করতে হয়। কিন্তু এতোগুলো বছর ধরে এই নিয়ম মানা হচ্ছিলো না। ২০২৫ সালে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বাঙলাদেশের সরকারি ক্রয় কমিটিতে পরিবর্তন আসে। শুধু দূর্নীতি বন্ধ করা নয়, অনিয়ম বন্ধ করতেও সচেষ্ট হয় অর্থ মন্ত্রণালয়। আর এদিকে এতোগুলো বছর ধরে বাঙলাদেশের শত শত কোটি টাকার টিকা কেনা হচ্ছিলো কোন রকম দরপত্র আহবান ছাড়াই।
সরকারি ক্রয় কমিটি বলে, আপনারা ডিরেক্ট প্রকিউরমেন্ট যে আইনবলে করতে চাচ্ছেন - সেটা তো জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সবে এখন জুলাই মাস। আপনারা টাকা পেয়েছেন। এখন জরুরি আইনবলে ডিরেক্ট প্রকিউরমেন্ট কেন করবেন?
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর উত্তরে জানায় - এতোদিন ধরে এভাবেই হয়ে এসেছে। এখন ঠাস করে ওপেন টেন্ডার কল করার মত সক্ষমতা সরকারের আছে কিনা, সাপ্লায়ারদের আছে কিনা আমরা শিওর না। সুতরাং, আগামী এক বছর দেশে জরুরি যে টিকা দরকার তার পুরোটাই আমরা ডিরেক্ট প্রকিউরমেন্টে ইউনিসেফের মাধ্যমে কিনবো।
আর এক্সট্রা একটা ব্যাচ আমরা কিনতে চাই ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে। তাহলে শিশুদের জন্য ঝুঁকিও হবে না। আর আমাদেরও ক্রয় করার স্কিল/সক্ষমতা বাড়বে।
এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইন্টেরিম আমলের শেষদিকে এডিবির টাকা বাদ দিয়ে, রাজস্বের টাকার একটা অংশ দিয়ে ওপেন টেন্ডার কল করার বন্দোবস্ত শুরু হয়। এটা ছিল রুটিন টিকার ৫০%। মানে মোট টিকা (রুটিন+ক্যাম্পেইন) এর ২৫%।
ইউনিসেফ এ সময় শঙ্কিত হয়ে যায়। এই পাইলট প্রজেক্ট সফল হলে ইউনিসেফ তার অন্যতম বৃহৎ গ্রাহক বাংলাদেশকে হারাবে। শুধু হাম রুবেলা না, আরও ১১টা ভ্যাক্সিনও আস্তে আস্তে বাঙলাদেশ ওপেন টেন্ডারে কিনতে শুরু করবে। তাছাড়া জাতিসংঘের লজিস্টিক পার্ট মূলত দেখে ইউনোপস। হামের টিকার বাণিজ্য কে করবে তা নিয়েও ইউনোপস-ইউনিসেফের মধ্যে নীরব প্রতিযোগিতা আছে। ইউনোপস ২০২৫ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে কম দামে টিকা এনে দেওয়ার অফার করে। ২০২৫ সালে ওপেন টেন্ডার হয়ে গেলে ইউনোপস বা দেশীয় ফার্মাসিউটিকালস ইনসেপ্টা বা এমনকি বিশাল সাপ্লাই চেইনের মালিক কোকাকোলা বাঙলাদেশও প্রতিযোগিতামূলক বিড করতে পারতো। তাই ইউনিসেফের শঙ্কিত হবার যথেষ্ট কারণ ছিল।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইউনিসেফকে বলে, এটাই তো আপনাদের সাথে আমাদের শেষ যাত্রা না। আপনারাও ওপেন টেন্ডারে অংশ নেন, বিড করে এসে ডিল নেন। আপনাদের যেহেতু সাপ্লাই চেইন ভাল, আপনাদের এক্সপেরিয়েন্স আছে, টেন্ডারটা আপনাদের পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে এইবার দামে প্রতিযোগিতা করে আসতে হবে। দাম কমাতে হবে।
ইউনিসেফের এই নতুন ওপেন টেন্ডার পদ্ধতি ভাল লাগেনি। রানা ফ্লাওয়ার্সের আমলে ইউনিসেফ তার অন্যতম বৃহৎ টিকার বাজার বাঙলাদেশকে হারিয়েছে - এই কলঙ্ক রানা তার সিভিতে লাগাতে চাননি। That would be an end to her career.
তাছাড়া বিদেশি শ্বেতাঙ্গ দাতা সংস্থা আমাদের সাথে মিথ্যা বলবে - এমনটা দেখে আমরা অভ্যস্ত না। ইন্টেরিম আর ইউনিসেফের মধ্যে বাই ডিফল্ট ইউনিসেফ অধিকতর বিশ্বাসযোগ্য।
ফাইনালি, ইউনিসেফ তার উদ্দেশ্যে সফল। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত সাহেব নিউজ টুয়েন্টি ফোরের সাংবাদিক বোরহানুল আশেকীনকে জানিয়েছেন সরকার আর কক্ষনো ইউনিসেফ বাদ দিয়ে অন্য কারও কাছ থেকে টিকা কিনবে না।
২০২৯ সালে বাঙলাদেশের টিকাদান কর্মসূচীর গ্র্যাজুয়েশন হবে। গাভি আমাদেরকে আর টাকা দিবে না। নিজের টাকায় কিনতে হবে। কিন্তু নিজের পয়সা খরচ করে আমরা নিজেরা টিকা কেনার সক্ষমতা অর্জন করিনি। যে বা যারা এই সক্ষমতার শুরুটা করতে চেয়েছিলেন, তারা যে অপমানের শিকার হলেন, শিশুহ/ত্যাকারী হিসেবে ট্যাগ খাইলেন, তাদের পরিণতি দেখে আগামী দুই দশকে বাঙলাদেশের কোন সরকার ওপেন টেন্ডার কল করার সাহস পাবে না।
ফলাফল:
ইউনিসেফ ১ - বাংলাদেশ ০
দাতা সংস্থা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলতে গিয়ে ফোন রাখার আগে তারা আমাকে একটা বিষয়ে সাবধান করেন। তারা বলেন, হাম কেন হয়েছে সেটা এখন জরুরি আলাপ না। এখন জরুরি আলাপ হাম প্রতিরোধ। ৩ দিনের মধ্যে দেড় কোটি মানুষ একটা শহর ছেড়ে চলে যায় - এমন নজির পৃথিবীর আর কোথাও নেই। আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সামিনা চৌধুরী বলেন, "ঈদ উপলক্ষ্যে ব্যাপক জনসমাগম হবে। এটা হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।"
পরিবারে ছোট শিশু থাকলে ঈদে বাড়ি ফেরা নিয়ে দুইবার ভাবা উচিত ।
৩|
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ২:১৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ইউনুস স্যার একেবারেই বুঝতে পারেন নাই, হয়তো! তাই, এতোগুলো শিশু
মৃত্যুর দায়ভাগ ইউনুস গভার্নমেন্টকে নিতেই হবে।
...................................................................................................
শিক্ষিত মানুষ লোভী আর অহংকারী হলে যা হয় । এখন হামের মৃত্যু ৬০০ শতর
উপর ছাড়ায়ে গেছে , এজন্য অবশ্যই দোষীর শাস্তি হওয়া আবশ্যক । এ বিষয়ের
উপর আমার আগাম সতর্কীকরণ লেখা দেখে আসতে পারেন ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১:২৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইউসুফ সরকার বেশি চালাক ; এরা নাকি ইউনিসেফ থেকে আর টিকা কিনবে না কারণ দাম বেশি পড়ছে । এরা ওপেন tender দিতে চেয়েছিলো। কত বড়ো দামার-কাফার এরা ভাবলেই রাগে শরীরে কাপুনি ধরে । যেখানে শেখ হাসিনার সরকার এতো লুটপাট করার পরও কোনোদিন হামের টিকা ইউনিসেফের বাহিরে গিয়ে কেনেনি । কারণ শিশুদের বিষয় অবহেলা মানুষ কোনোদিন মেনে নিবে না ১৯৭৯ সাল থেকে unicef থেকে টিকা পায় gavi'র টাকা দিয়ে বাংলাদেশ সরকার। জিয়াউর রহমানের সরকার , এরশাদের সরকার , খালেদা জিয়ার সরকার ও শেখ হাসিনার সরকার কোনোদিন সাহস করেনি যা ইউসুফ সরকার সেটাই করতে গিয়েছিলো। আমি যতুদুর জানি open tender দিয়েছিলো কমিশন খাওয়ার আশায় । বাংলাদেশের কোনো medicine brand হাম-রুবেলার টিকা বানিয়ে সফল হয়নি । WHO থেকে অনুমোদন পায় নি ; কারণ মান আশানুরুপ নয় । তাহলে কার থেকে টিকা নিতো এরা ? পুরাই জাউরা সরকার ।