| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?
মানুষের ভিতরে এমন একটি অংশ আছে, যা মানুষকে খারাপ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, খারাপ কাজের বুদ্ধি দেয়। ইসলামী পরিভাষায়, আমরা মানুষের এই অংশকে নফস বলি। আপনি খারাপ কাজ থেকে দূরে সরে থাকতে চান? তাহলে, আপনি আপনার নাফসকে শাস্তি দিন।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, মানুষের ভিতরে থাকা নাফস তো সেই মানুষেরই একটি অংশ! অর্থাৎ, ওটা সে নিজেই! নিজকে নিজে কিভাবে শাস্তি দিবেন!? শাস্তি দেওয়ার উপায় হচ্ছে - আপনি যে কাজটি করতে ভালোবাসেন, তা থেকে এক মাস বিরত থাকুন। আপনি হয়তো কাচ্চি বিরিয়ানি খেতে খুব পচ্ছন্দ করেন। আপনি নাফসকে বলে দিন, খারাপ কাজ করার কারণে আগামী ১ মাস আপনি কাচ্চি বিরিয়ানি খাবেন না। আপনি হয়তো মুভি দেখতে পছন্দ করেন, আগামী কয়েক সপ্তাহ আপনি কোন মুভিই দেখবেন না।
এছাড়া আরেকটা উপায় হচ্ছে, নাফস আপনাকে যা করতে বলে, তার উল্টোটা করুন। সে আপনাকে আরেকজন মানুষের মনে আঘাত করতে বলছে? আপনি উল্টো সেই মানুষের ভালো করুন, মানুষটাকে ভালবাসুন। নাফস আপনাকে রাস্তার দরিদ্র মানুষকে সাহায্য করতে বাধা দিচ্ছে? আপনি আপনার পকেটে যতো টাকা আছে, তা দিয়ে দিন সেই দরিদ্র লোককে। আপনার কাছে মানুষের সাথে ঝগড়া করার বুদ্ধি দিচ্ছে? আপন কাছের মানুষকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিন। কোন ব্লগারকে খোঁচা দিতে বলছে, উল্টো ঐ ব্লগারকে পছন্দ করুন। তাঁর পোস্টে ভালো কমেন্ট করুন!
এতে করে নাফস এমন টাইট হবে যে, সে আপনাকে খারাপ কাজে উদ্বুদ্ধ করার কথা ভুলে যাবে। এভাবে, দেখবেন, আপনার নাফস আপনাকে খারাপ কাজের বুদ্ধি দেওয়া অনেক কমিয়ে দিয়েছে।
২|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:১৮
নাহল তরকারি বলেছেন: শয়তান কুমন্ত্রণা দিতে পারে, কিন্তু নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্বও আমাদের। তাই সব দোষ শয়তানের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে আত্মসমালোচনা ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে নিজেকে সংশোধন করাই প্রকৃত শিক্ষা।
৩|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৭
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: দারুণ আইডিয়া।
৪|
২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:১২
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ইসলামে সবচেয়ে বড় জিহাদ নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করা....
জিহাদ মানে শুধু যুদ্ধ করা নয়।
শুকরিয়া নিরন্তর।
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: সব শয়তানের দোষ।