| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
[মানুষ এতো দুষ্ট কেন? পুরনো কথা ভিডিও সহ ফেসবুকে এভাবে না ছাড়লে হয় না। ]
“আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন"
২৫ হাজার টাকার মজুরি আন্দোলন আর ভোটের আন্দোলন এক সুতায় গেঁথে ফেলেন।
২৫ হাজার টাকার মজুরি সংগ্রামকে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে হবে।
ঢাকা, আশুলিয়া, সাভার, গাজিপুর, নারায়ণগঞ্জ, মিরপুর, চট্টগ্রাম সমস্ত এলাকার শ্রমিকদের রাজপথে নামতে হবে।
মনে রাখবেন, শ্রমিকরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়, কোনো পুলিশ বাহিনী, কোনো গুণ্ডাবাহিনী আপনাদেরকে দমাতে পারবে না।”
- জোনায়েদ সাকি
আসুন যাচাই করি এটা কার কথা:-
সারাজীবন শ্রমিকের দাবী দাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ, সমাবেশ, মিটিং মিছিল করে শেষবেলায় ক্ষমতায় গিয়ে চুপ। তাদের বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতি নামে শ্রমিক অধিকার সংগঠনও রয়েছে। অথচ তারাই কিনা এখন আন্দোলনকারী শ্রমিকদের বলছেন আওয়ামী লীগের দোসর। তাঁর সংগঠনের ভাষ্যও একই। মানে কিছু হলেই বিরোধীদের দোষ। অথচ আজীবন তাদের বেচেই খেয়েছে।
ক্ষমতায় বাইরে এক, ক্ষমতা গেলে ভিন্ন। অন্যদিকে বাকি সব তো আছে। শুধু একটা বলি। বছরের পর বছর জুড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এতো হাঙ্গামা, হেফাজতের তাণ্ডবলীলা চলেছে। পুরো একটা জনপদকে উগ্রবাদীরা কি করেছে তা সবাই দেখেছে। অথচ ঐ বিষয়েও জোনায়েদ সাকি আশ্চর্যজনকভাবে নিশ্চুপ ছিলেন। কারণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এমপি তিনি। বললে যদি হুজুররা চটে।
.
অথচ আজীবন সেই মোল্লাতন্ত্রের বিরুদ্ধেই ছিলেন। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়েই হাপিস। লোকে বলেনা, 'ক্ষমতার পিঠা, বড়ই মিঠা।' আসলেই তাই।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৬
এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: একদম বিশাল ধকল, আহা বেচারা সাকি।
২|
০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১২
নতুন বলেছেন: ক্ষমতার পিঠা, বড়ই মিঠা।' আসলেই তাই।
এটাই কঠিন সত্য। ![]()
০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৭
এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: জি ভাই কঠিন সত্য, ধন্যবাদ।
৩|
০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:০৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ২৫ হাজার টাকার মজুরি আন্দোলন আর ভোটের আন্দোলন এক সুতায় গেঁথে ফেলেন।
২৫ হাজার টাকার মজুরি সংগ্রামকে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে হবে।
.....................................................................................................................
বিরোধী দলে থাকলে লাগাম ছাড়া কথা বলা যায়,
এর অর্থ হলো রাজনীতিতে তিনি পরিপক্ক নয় ।
এবার তো ক্ষমতায় আছেন , সুতরাং বাস্তবায়ন করুন !
..................................................................................................
দেশের সার্বিক পরিস্হিতি বিবেচনা করলে, নুন্যতম বেতন ২০,০০০ টাকার
বেশী করা যাবেনা । অর্থনীতির অবস্হা ভালো নয়, কারখানা চলছেনা ,
উপরন্ত, গ্যাস বিদ্যুৎ এর উচ্চ হার, বিদেশী অর্ডার কমে গেছে !
যদি ঠিকমত কারখানা না চলে তাহলে বেতন আসবে কোথা থেকে ।
......................................................................................................
সহজ হিসাব, কারখানা না চল্লে সরকার শ্রমিক ভাতা চালু করুক ।
যেমাসে কারখানা চলবেনা , সরকার নূন্যতম ১০০০০.০০ ভাতা প্রচলন করুক ।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২১
এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: সরকারিভাবে ভাতা প্রদান করা বাস্তবে কতটা সম্ভব, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটির আর্থিক চাপ সামলাতেই হিমশিম খেতে হবে। এর ওপর নতুন করে এ ধরনের ভাতা চালু করলে সেই অর্থের সংস্থান কোথা থেকে হবে? শুধু ঘোষণা দিলেই তো হবে না, এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই অর্থায়নের ব্যবস্থা। তাই বাস্তবতা বিবেচনা না করে এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া কতটা যুক্তিসংগত, সেটিও ভেবে দেখা দরকার।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০
নূর আলম হিরণ বলেছেন: এই কয়দিন বেচারার উপর বেশ ধকল যাচ্ছে