নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শিক্ষক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক। ফেসবুকে যুক্ত হোনঃ www.facebook.com/dev.d.nipun (DEV DULAL GUHO)

...নিপুণ কথন...

সময়ের সাথে দৌঁড়ে পারিনা, জীবনের দৌঁড়েও পিছিয়ে আমি!খুঁজে ফিরি আপন মানুষ, মাঝে মাঝে হই বেহুঁশ...হৃদয়ে অবিরাম স্বপ্ন গাঁথন, বলব আজ নিপুণ-কথন।

...নিপুণ কথন... › বিস্তারিত পোস্টঃ

পিনাকী ভট্টাচার্য কেন দেশে আসে না, জানেন?

০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৯


Pinaki Bhattacharya - পিনাকী ভট্টাচার্য তিনিঞ্চি কেন দেশে আসে না জানেন? তার পাসপোর্টই তাকে সে অনুমতি দেয় না। Meghna Alam থেকে প্রাপ্ত এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে তার পাসপোর্টে স্পষ্ট লেখা আছে সে দুনিয়ার সব দেশে যেতে পারলেও বাংলাদেশে ঢুকতে পারবে না।

সাধারণত শরণার্থীদের এমন পাসপোর্ট থাকে। যেহেতু সে ভূয়া ঔষধ বানিয়ে বিক্রি করে কয়েকশো শিশু মেরে ফেলেছে, তারপর পুলিশ তাকে তলব করলে সে ব্ল্যাকে ভার‍ত যায়। তারপর ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে ইউরোপ যায় বলে জানা যায়। সে এখন ওখানে শরণার্থী। তাই ফ্রান্স তাকে বাংলাদেশে আসার অনুমতি দেয় নাই। বাংলাদেশ তার জন্য নিরাপদ না-- এমন দাবি করেই না সে এই শরণার্থী স্ট্যাটাস পেয়েছে! সেই দেশে ফিরলে কি আর ফ্রান্সে থাকা যাবে? না। তাই পিনাকী আমৃত্যু বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করবে ভিডিও বানিয়ে পোস্ট দিয়ে, যারা সইতে না পেরে গালি দিবে, সেসব দেখিয়ে ফ্রান্স সরকারকে সে বুঝাবে বাংলাদেশ তার জন্য নিরাপদ না। এভাবেই সে আমৃত্যু ফ্রান্সে থেকে যেতে চায়।

তাই এত এত উস্কানি দিয়ে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেশের বারোটা বাজিয়ে হাসিনা সরকার পরিবর্তন করে ইউনূস সরকার আনার পরেও তার গালাগালি ও ভাট বকাবকি কমে নাই। কারণ তার চাহিদামতো ইউরোপকে অনুরোধ করে তিনি পাসপোর্টের ঐ অংশটুকু চেঞ্জ করে নিষেধাজ্ঞা না তুলে পিনাকীকে দেশে এনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বানান নাই। তিনি ইউনূস সরকারের আমলেও বকাবকি করেছে, মব উস্কে দিয়েছে বারবার। ধানমণ্ডি-৩২ ভাঙিয়েছে। এখন বিএনপি সরকারের সময়েও সে চুপ বসে নেই। ঐ এক কারণেই।

যাহোক, আমি তাকে বললাম "তুই দেশে আয়। তোরে মিস করি।" মিস করি, কেননা শাহবাগের সেই দিনগুলিতে আমরা সমমনা ছিলাম, একসাথে আন্দোলন করেছি, যদিও সামনাসামনি পরিচিত ছিলাম না। সামুতে আমার ব্লগ '...নিপুণ কথন...' সেই সময়ের সাক্ষ্য দেয়। তারপরেও সে বছর দুয়েক আগে আমাকে ভারতের দালাল ট্যাগ দিয়ে 'মোদির আগা কাইট্টা আসিস' শিরোনামে একটা নিম্নরুচির ভিডিও আপলোড করে বলেছিলো আমাদের নাকি কোটি টাকার সম্পদ ভারতে আছে। আমি পালটা পোস্ট দিয়ে লিখেছিলাম, এসব মিথ্যা। চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম আমার এক টাকার সম্পদ বা ঐ দেশের ব্যাংকে থাকলে দেখাক। সে দেখাতে পারেনি আজও। নাই, দেখাবে কি? বরং সে ঐ পোস্ট ও ভিডিও মুছে দিছে।

এরপরেই আমাকে নিয়ে আরেকটা ভিডিও সে করেছিলো, যা সে ১০ মিনিটও রাখতে পারে নাই। বোয়ালমারীতে সে মব উস্কে দিয়েছিলো হাসিনার আমলেই। ফলে প্রাণ বাঁচাতে আমাকে বদলি করা হয় ৪৫০ কিমি দূরে। ঐ এক ভিডিওর মাধ্যমে লালমনিরহাটে আমার উপর মবেও সে উস্কানি দেয়। পরের কাহিনি আপনারা জানেন। মব, বেতন-ভাতা আটকা, বিভাহীয় মামলা ইত্যাদি। আমার ১৪ বছর প্রিয় আইডিটাও তার পোদবালকরা খেয়ে দিছে৷

আমি চাই সে দেশে আসুক। তাকে আসতে দেন।
অনেক হিসাব-নিকাশ বাকি। তার সাইজ আসলে তিনিঞ্চি নাকি দেড় ইঞ্চি, সেটাও মেপে দেখা দরকার। কেননা নাদিয়া ইসলাম বলেছিলো তিন, আবার মেঘনা আলম দাবি করেছেন ওটা নাকি সর্বোচ্চ দেড় হবে। আমরা এ বিষয়ে সঠিক তদন্ত চাই।

তার গতকালের পোস্টের লিংক : https://www.facebook.com/share/v/19yxEPzACX/

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.