| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।
২৩ ফেব্রুয়ারি দৈনিক কালের কণ্ঠে “চমকানো তথ্য দিলেন রাষ্ট্রপতি” পরে ২৪ ফেব্র্রুয়ারি “রাষ্ট্রপতির আরো বিস্ফোরক তথ্য” শিরোনামে সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়। এখানেও তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জিয়া পরিবারের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাঁকে অপসারণের নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিএনপি ও তাদের জোট সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় তাঁর পাশে ছিল।
তিনি আরও বলেন, “ওই কঠিন সময়েও বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব আমার পাশে ছিলেন। তাঁরা তখনো সংবিধানের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখার বিষয়টি আমার কাছে স্পষ্ট ভাষায় ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ঘিরে আমার মনের মধ্যে অনেক কৌতূহল জমা ছিল।”
তারেক রহমানের ব্যাপারে মুগ্ধতা প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমার তো খুব অল্প সময় তাঁকে দেখা। টুকটাক কিছু কথা হয়েছে। দেখলাম যে রাষ্ট্রনায়কোচিত গুণাবলি উনার মধ্যে আছে। এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়। একটা কথা আছে, মর্নিং শোজ দ্য ডে। এই কয় দিনের যে কার্যক্রম, তাতে আশাবাদী হওয়া যায়, বিশেষ করে উনার শরীরে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত বইছে। তাই দেশের ভালো করবেন তিনি, এই বিশ্বাস রাখি। তাঁর বাবা ছিলেন রাষ্ট্রপতি, মা ছিলেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। আমি বিশ্বাস করি না যে আমরা কোনো নতুন দুর্যোগে পড়ব। তিনি যেন আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে সামনে এগিয়ে যান, এটাই আমার কামনা।”
চুপ্পু নামা।
এই চুপ্পুই ২০২৪ সালের ১৮ মে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির জাতীয় সম্মেলনে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, “বঙ্গবন্ধু সরকার একাত্তরের গণহত্যাকারী মানবতাবিরোধী অপরাধী ও যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার শুরু করেছিলেন কিন্তু ৭৫ এর পর অবৈধ সামরিক সরকার এই বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। একসময় জিয়া জিয়ার হাত ধরে এরশাদ, জিয়াউর রহমানের হাত ধরে তার বেগম, বেগম জিয়া এদের সময় মহান মুক্তি যুদ্ধের চেতনা তছনছ হয়েছে এবং সংবিধানকে একটি সাম্প্রদায়িক সংবিধানে তারা পরিণত করেছিল।” এ বক্তব্যে মাধ্যমে তিনি বিএনপি নেতৃত্বের শাসনকালকে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী হিসেবে তুলে ধরেন।
এই চুপ্পুই ২০১১ সালের ১৪ মার্চ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করে দুদক। অন্যদিকে ২০১৫ সালের ফ্রেবুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার সংশ্লিষ্ট তিনটি দুর্নীতির মামলা থেকে শেখ হাসিনাকে অব্যাহতি দিয়েছেন।
এই চুপ্পুই তারেকের শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে সম্পদের হিসাব না দেওয়ার মামলার অনুমোদন দেয় যদিও মামলা স্থগিতে আবেদন করেন তারেকের শাশুড়ি।
হাসিনার প্রতি সীমাছাড়া তোষামোদী নামা।
১৬ এপ্রিল ২০২৩ এ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর প্রথম বই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ এর হস্তান্তুর অনুষ্ঠানে এক বক্তব্যে তিনি বলেন, বিচার বিভাগে কর্মরত অবস্থায় এক অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন তিনি রাজনীতি করতেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, “জ্বী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি ছাত্রলীগ করতাম।” তিনি আরও দাবি করেন, পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রতি “দয়ার সাগর হাত বাড়িয়ে দেন।”
একই বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, গত তিন মাস ধরে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সালাম নিতেন না। পরে তিনি বুঝতে পারেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর নাম বিবেচনায় থাকায় প্রধানমন্ত্রী বিব্রতবোধ করছিলেন। ওই বক্তব্যে তিনি বলেন, “গত তিন মাস ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সালাম করতে গেলে উনি আমার সালাম নিতেন না। তা আমি দেখতাম যে উনার চরণের ধুলো আমি পাই না। আমার মিশ্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছিল যে উনি কেন আমার সালাম নেন না। "না থাক থাক" বলে…”
তিনি আরো বলেন, “কিন্তু সেই সময়ে যে উনার মনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার নাম গ্রথিত হয়ে গেছে এবং সেজন্যই যে উনি আমার সালাম নেওয়াটা বিব্রতকর মনে করতেন, এটা তো পরে বুঝলাম। আগে তো বুঝতাম উনি আমার ওপর বিরক্ত।”
জিয়া ও খালেদাকে নিয়ে বিষোদগার করা সেই চুপ্পুই আজ তারেকের প্রশংসায় গদগদ, তারেকে মুগ্ধ! এখন তিনি কোন ফন্দি আঁটছেন?
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: এটাই হলো আসল কথা।
২|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৯
শ্রাবণধারা বলেছেন: নতুন প্রেসিডেন্টের নাম ঘোষণা হলেই চুপ্পু অপ্রাসংগিক হয়ে যাবে। আমার মনে হয় চুপ্পুকে নিয়ে কথা বলে জামাত নিজেকে আলোচনায় রাখতে চাচ্ছে।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৬
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: জামাত এখন আরো সক্রিয় হবে কারণ এবার পারেনাই তাই সামনে তাদের বড় টার্গেট!
৩|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০২
রাসেল বলেছেন: মহাজাগতিক চিন্তা মনের কথা বলেছেন।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: সঠিক।
৪|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সাহাবুদ্দিন চুপ্পু একজন একনিষ্ঠ লীগের সাপোর্টার এবং ডাই হার্ড কর্মী এতে কোনো সন্দেহ নেই তবে বিএনপির কিছু বাধ্যবাধকতা আছে বলেই মনে হয়। আওয়ামী লীগ একসময় বিএনপির প্রেসিডেন্ট ইয়াজুদ্দিন আহমেদ কে কন্টিনিউ করেছিলো। বিএনপি একই পথে হাটছে। চুপ্পু মিয়া এখন খুবই আত্নবিশ্বাসী মনে হচ্ছে অথচ তিনি ইন্টেরিম আমলে পদত্যাগের আভাস দিয়েছিলেন। মোদ্দা কথা মিলিটারি ওয়াকার উজ জামানের এখানে হাত থাকতে পারে। উনার যতদিন মেয়াদ আছে ততদিন চুপ্পু মিয়াকে বিএনপি রাখতে বাধ্য। আগামী বছর বোঝা যাবে।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: বিচার বিভাগে কর্মরত অবস্থায় এক অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন তিনি রাজনীতি করতেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, “জ্বী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি ছাত্রলীগ করতাম।” তিনি আরও দাবি করেন, পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রতি “দয়ার সাগর হাত বাড়িয়ে দেন।”
“গত তিন মাস ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সালাম করতে গেলে উনি আমার সালাম নিতেন না। তা আমি দেখতাম যে উনার চরণের ধুলো আমি পাই না। আমার মিশ্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছিল যে উনি কেন আমার সালাম নেন না। "না থাক থাক" বলে…”
আপনার মূল্যায়ন ভালো লেগেছে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: এই পদ যদি না শেষ হয় তবে কেমন হবে বলেন তো!